যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 08:10am

|   লন্ডন - 02:10am

|   নিউইয়র্ক - 09:10pm

  সর্বশেষ :

  বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের দৃষ্টান্ত নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   সেনাপ্রধানসহ মিয়ানমারের ৪ কর্মকর্তার ওপর ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা   দিল্লির দূষণ নিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির অবাক করা বক্তব্য   নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে উত্তাল ত্রিপুরা, মোবাইল-ইন্টারনেট সেবা বন্ধ   নিউ জার্সিতে বন্দুকধারীর গুলিতে পুলিশসহ ৬ জন নিহত   সান দিয়াগোতে বিজয় মেলা আগামী শনিবার   প্রথম দিনের শুনানিতে আদালতে চুপচাপ সু চি   ভারতে ভিসার অতিরিক্ত সময় থাকলে বাংলাদেশি মুসলিমদের জরিমানা ২১০০০, হিন্দুদের ১০০   গণতান্ত্রিক দেশের তালিকায় নেই বাংলাদেশ   নো এনআরসি, নো ডিভাইড অ্যান্ড রুল: মমতা   ৩৮ আরোহী নিয়ে চিলির বিমান নিখোঁজ   ছাত্রদল সন্দেহে ২ শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দিল ছাত্রলীগ   নায়ক থেকে খলনায়ক সু চি   ‘সু চির জন্য দোয়া করতাম, তিনি আজ খুনিদের পক্ষে’   খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে সিএনএন ভবনের সামনে ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির বিক্ষোভ

মূল পাতা   >>   বহিঃ বিশ্ব

বাংলাদেশ ইচ্ছা করেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বন্ধ রেখেছে : মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-১১-১৯ ১০:৫১:৫৩

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছে মিয়ানমার। দেশটি দাবি করেছে, বাংলাদেশ ইচ্ছা করেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বন্ধ রেখেছে।

মঙ্গলবার নেইপিডোতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের মুখপাত্র জাও হাওটে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ অভিযোগ আনেন। তিনি কক্সবাজারের উদ্বাস্তু শিবিরে বসবাসরত রাখাইন রাজ্যের সাত লাখেরও বেশি শরণার্থী প্রত্যাবাসনের জন্য দ্বিপক্ষীয় চুক্তি মেনে চলতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানান।

জাও হাওটে বলেন, বাংলাদেশ সহযোগিতা না করা পর্যন্ত এ সমস্যা অব্যাহত থাকবে। ১৯৯৩ সালেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশের সহযোগিতার কারণে সেই সময়ে সফলভাবে প্রত্যাবাসন হয়েছিল।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে অবস্থিত উদ্বাস্তু শিবিরগুলোতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা অনুপ্রবেশ করেছে। সেখানে মাদকের ব্যবহার ব্যাপকহারে বেড়ে চলছে। আরসার কর্মীরা কেবল তাদের নিজস্ব লোককে আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে দেখা করার অনুমতি দেয়। তিনি বলেন, উত্তর রাখাইনে যেসব শরণার্থী তাদের গ্রামে ফিরে যেতে চান তারা ভয় পাচ্ছেন। কেননা তারা ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে আরসা তাদের পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেয়। যারা রাখাইনে ফিরে আসতে চান তাদের গোপনে এটি করতে হবে।

বাংলাদেশ সহযোগিতা না করলে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলিতে মানবিক সঙ্কট আরো বাড়বে উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, এর দায় পুরোপুরি বাংলাদেশকে নিতে হবে। মিয়ানমার অনেক আগে থেকে প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। প্রত্যাবাসনে বিলম্বের কারণে শরণার্থীদের জীবনযাত্রার মান আরো খারাপ হচ্ছে। শিশু এবং প্রবীণরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ পর্যন্ত ৪১৫ জন শরণার্থী স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে গেছে উল্লেখ করে হাওটে বলেন, চীন ও জাতিসঙ্ঘের সহায়তায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে বলে মিয়ানমার আশাবাদী।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৫ বার

আপনার মন্তব্য