Updates :

        টিকা নিন, সুস্থ থাকুন: ফাউসি

        আজ বিশ্ব এইডস দিবস: বিশ্বে প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার মানুষ এইডসে আক্রান্ত হয়

        এলো রক্তঝরা বিজয়ের মাস

        'ঐতিহাসিক' মন্ত্রিসভা গড়ছেন বাইডেন

        যুক্তরাষ্ট্র পেতে পারে প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী

        অবৈধ অভিবাসীদের গণনা জটিলতা, সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

        টিকা অনুমোদনের জন্য আবেদন করছে মডার্না

        পা ভাঙ্গলেন বাইডেন!

        করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে শ্রীলঙ্কায় কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ৬

        মাস্ক না পরলে জেলেও যেতে হতে পারে বাংলাদেশে

        এমসি কলেজে ধর্ষণ: ডিএনএ টেস্টে ৮ আসামিরই জড়িত থাকার প্রমাণ

        জিয়াউর রহমানের নামে থাকা বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করায় বিএনপির নিন্দা

        সৃষ্টিকে ভালোবাসুন, ভালো লাগার মতো নিজেকে যোগ্য করে তুলুন

        দেশে মাশরুমের মতো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ গড়ে উঠেছে

        ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা

        চাঁদপুর প্রতিদিনের লেখক ও গুনীজন সম্মাননা পেলেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ প্রধান আনোয়ার হাবিব কাজল

        এবার কলোরাডোর গভর্নর করোনায় আক্রান্ত

        নির্বাচনে কারচুপির মামলা নিয়ে সংশয়ে ট্রাম্প

        ট্রাম্পকে দেওয়া অনুদান ফেরত চান সমর্থক!

        পেনসিলভেনিয়ায় আবারো হতাশ ট্রাম্প শিবির

ঈদের কেনাকাটায় আগ্রহ নেই মানুষের

ঈদের কেনাকাটায় আগ্রহ নেই মানুষের

করোনার কারণে ঈদের পণ্য কেনার ব্যাপারে ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ কম। ফলে দুধ সেমাই, মসলা ও মাংসের দাম নতুন করে আর বাড়েনি। শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, একদিন বা দুই দিন পরেই ঈদ। এর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে মোকামে ঠিক মতো সবজির গাড়ি আসতে পারেনি। এ কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।

এ প্রসঙ্গে মানিক নগর এলাকার এক সবজি ব্যবসায়ী বলেন, ‘বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে সবজি কম এসেছে। যে কারণে অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৫০ টাকা টাকা বাড়তি।’

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এছাড়া শসা, পটল, ঝিঙে, পাকা টমেটো, বরবটি, করলাসহ সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজির শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ২০ টাকা কেজি পাকা টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে। পটলও বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি,গত সপ্তাহে যা ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা। করলার কেজি এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে যা ছিল ৩০ টাকা। বরবটি কেজি এখন ৭০ টাকা,  যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। ঝিঙার কেজি বেড়ে হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। চিচিংগার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা কদিন আগেও ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। বেগুনের কেজি ৫০ থেকে ৮০ টাকা।

এদিকে বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও পোল্ট্রি মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। বাজার ভেদে পোল্ট্রি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৬০-১৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা কেজি, এক সপ্তাহ আগে যা ছিল ১৫০ টাকা। অবশ্য লাল লেয়ার ও পাকিস্তানি কক মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লাল লেয়ার মুরগি আগের মতিই ২১০-২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর পাকিস্তানি কক মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৪০ টাকা।

তবে ঈদের অন্যান্য পণ্যের দাম সেই তুলনায় বাড়েনি। বিক্রেতারা বলছেন, কাঁচাবাজারে ঈদপণ্যের চাহিদা  অন্য সময়ের তুলনায় কম।

ধারণা করা হচ্ছিল, পবিত্র ঈদুল ফিতরে  গরুর মাংস, মুরগি, ইলিশ মাছ ও চিংড়ি, সুগন্ধি চাল, ঘি, সেমাই, দুধ, গরম মসলা ইত্যাদির চাহিদা বাড়বে। কারণ, বেশির ভাগ মানুষই গ্রামে যেতে পারেনি। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ক্রেতার চাপ নেই। ক্রেতারাও বলছেন একই কথা।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এন

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর