আপডেট :

        মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা

        হারিকেন মেরির ক্ষতির পর এল নিনোর আশঙ্কা, স্থানীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা লং বিচে

        মেক্সিকোর উপকূলে ভয়ংকর হারিকেন পোলোর তাণ্ডব, ‘প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যতম শক্তিশালী ঝড়’

        ক্যালিফোর্নিয়ার বিপজ্জনক মহাসড়কে ভুল পথে গাড়ি, ভয়াবহ সংঘর্ষে নি হ ত ৫

        হাইড পার্কে গাড়ির ধাক্কায় কিশোর নি হ ত, গুরুতর আহত কিশোরী; চালক প লা ত ক

        ১ অক্টোবর থেকে আরও ৩ শ্রেণির ভিসায় বাধ্যতামূলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই যুক্তরাষ্ট্রে

        ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, ‘ভুয়া তথ্য’ ছড়ানোর দায়ে নিষিদ্ধ ৩ গণমাধ্যম

        লস এঞ্জেলেসের বৃদ্ধাশ্রমে কর্মীর গু লি, আহত ৩

        ৫০০-এর বেশি বিড়াল উদ্ধার, তদন্তে মিলল মৃত বিড়ালের হাড় ও জমিয়ে রাখা মরদেহ

        প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় পোলো ক্যাটাগরি ৫, মেক্সিকোতে ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা

        কেন কেন্টে মেনিনজাইটিসের প্রাদুর্ভাব এত ভয়াবহ হয়েছিল, কারণ খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

        মিসিসিপিতে কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরের মৃত্যুতে কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নয়, গ্র্যান্ড জুরির সিদ্ধান্ত

        শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় পুরো ক্যালিফোর্নিয়ায় জরুরি অবস্থা

        ১১০ বিলিয়ন ডলারের প্যারামাউন্ট-ওয়ার্নার ব্রাদার্স একীভূতকরণ, ১২ অঙ্গরাজ্যের মামলার নিষ্পত্তি

        গ্যাসের দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ মার্কিন ভোটাররা, ট্রাম্প বলছেন ইরান যুদ্ধের জন্য এটি ‘সামান্য মূল্য’

        বাজেট সংকটে লস এঞ্জেলেস কাউন্টি সুপিরিয়র কোর্ট, চাকরি ছাড়লে কর্মীদের ৩৫ হাজার ডলার

        তারকায় ঝলমলে লুকাস মিউজিয়ামের উদ্বোধনী আয়োজন, মঙ্গলবার খুলছে সবার জন্য

        লং বিচগামী কার্নিভাল ক্রুজ থেকে সাগরে ঝাঁপ দিলেন ব্যক্তি, ফিরে গিয়ে তল্লাশি

        হামে আক্রান্ত যাত্রীর ভ্রমণে ক্যালিফোর্নিয়ায় সতর্কতা, ঝুঁকিতে লস এঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ

        ম্যাকলমোর বিতর্কের পর প্রথম কনসার্টে এড শিরান: ‘ভুল করেছি’, ভক্তদের কাছে দুঃখপ্রকাশ

আগামী পাঁচ বছরে কোটির ওপর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে : অর্থমন্ত্রী

আগামী পাঁচ বছরে কোটির ওপর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে : অর্থমন্ত্রী


আগামী পাঁচ বছরে দেশের ভেতরে ও বাইরে এক কোটি পাঁচ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, মেগা প্রজেক্টগুলো বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির মাধ্যমে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (বিডিএফ) বৈঠকের শেষ দিনে আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় ও শেষ দিন অনুষ্ঠিত চার অধিবেশনে জ¦ালানি নিরাপত্তা, সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা এবং টেকসই শহরায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সমাপনী অধিবেশনে অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো। অধিবেশন পরিচালনা করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ।

ব্যবসায়বান্ধব, ম্যানুফ্যাকচারিং-বান্ধব ও রপ্তানি-বান্ধব ট্যাক্সরেজিম সৃষ্টি করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বলেন, সরকারি বিনিয়োগে দেশীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার জন্য মোট রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করছি। এগুলো নানারকম সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

দুই দিনের বৈঠকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থের খুব বেশি সমস্যা হবে না। যেসব সম্ভাবনাময় জায়গা আমাদের রয়েছে, সেগুলো উন্মুক্ত করা গেলে সম্পদের সমস্যা হবে না। আমরাদের রাজস্ব আয় কম। কিন্তু যতটা কম বলা হয় ততটা কমও নয়।’

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বিশে^র এমন কোনো দেশ নেই, যেখানে বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন শিল্পে এত করছাড়া দেয়। আগামীতে আমরা যেসব খাতে ছাড় ও প্রণোদনা দিচ্ছি, সেগুলোর একটা হিসাব করা হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য এই বিডিএফ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বপ্লোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। কিছু পেতে জহলে কিছু দিতে হয়। গত ১০ বছরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশে^র অনেক দেশের চেয়ে আমরা এগিয়ে রয়েছি। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর, হংকং ও মালেয়শিয়াসহ অনেক দেশকে ছাড়িয়ে যাবে।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা জরুরি। কেননা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলো প্রতিবছর ১০০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু একটি সিঙ্গেল পেনিও চোখে পড়েনি।

এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশে ব্যাপক বিনিয়োগ দরকার উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ জন্য প্রচুর সম্পদ প্রয়োজন। সেই সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে আমরা কাজ করছি। এগুলো কাজে লাগবে।’

এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ এমডিজির মতোই সাফল্য নিয়ে আসবে বলে আশা করেন ড. মশিউর রহমান। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের পরামর্শ অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ  চলছে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আমাদের বড় ইনোভেশন।’

বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো বলেন, এ জন্য যা যা করণীয় করতে হবে। এসডিজি বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত