আপডেট :

        সুপার এল নিনোর প্রভাবে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

        শক্তিশালী নর’ইস্টারে বিপর্যস্ত বিমান চলাচল, প্রভাব পড়েছে এলএএক্সেও

        চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এআই নিয়ে নতুন যোগাযোগ চ্যানেল চালুর ঘোষণা

        হারিকেন পোলো: ঝড়ের গতিপথে সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় কী প্রভাব পড়তে পারে

        অক্সনার্ডে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৭

        লস এঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এলএএক্স পিপল মুভারের বারবার বিলম্ব

        সিলিকন ভ্যালিতে ১০০ জনের বেশি নামের ‘যৌন নিপীড়ন’ তালিকা ছড়ানোর দাবি

        শুক্রবার থেকেই উষ্ণ হবে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া, ফিরছে গ্রীষ্মের আবহ

        কোভিড ঋণ জালিয়াতিতে সাড়ে ৩ মিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ৩ জনের দোষ স্বীকার

        এটিএম ফি দেওয়া গ্রাহকদের ১৬৭.৫ মিলিয়ন ডলার দেবে ভিসা-মাস্টারকার্ড, আবেদন ২০২৭ পর্যন্ত

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ছোট বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২

        ইয়োসেমাইটে পড়ে ১৯ বছর বয়সী ক্যালিফোর্নিয়ার কলেজ কুস্তিগিরের মৃত্যু

        আমেরিকার শ্রমিক সংকট স্থানীয় কর্মীর ঘাটতির চেয়েও বড়

        লা ভার্নে ব্যাটারি আগুনে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া অব্যাহত, বাড়ি ফিরতে লাগতে পারে কয়েক দিন

        পলাতক আসামি ভেবে মার্কিন নাগরিককে মাটিতে ফেলে মারধর, রক্তাক্ত অবস্থায় রেখে গেল আইসি

        ‘সম্ভবত ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক কম দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার’ :ওবামা

        মেক্সিকোর উপকূলে হারিকেন পোলো, এল নিনোর প্রভাবে শক্তিশালী ঝড়

        সাবেক ফক্স নিউজ প্রযোজক জেনিফার একহার্টের মৃ ত্যু আ ত্ম হ ত্যা হিসেবে নিশ্চিত

        সাইকেলের হেলমেট হাতে ছুটে এসে ফিলাডেলফিয়ায় নারীকে যৌন হেনস্তা থেকে রক্ষা করলেন পথচারী

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐতিহাসিক সামুদ্রিক কচ্ছপের বাসা, হুমকিতে থাকা প্রজাতির বিস্তারে নতুন আশা

আগমী বাজেট হতে পারে সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা

আগমী বাজেট হতে পারে সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা

সরকারের লক্ষ্য মেয়াদের শেষ অর্থবছরে (২০১৮-১৯) ৪ লাখ ৪০ হাজার কোটি থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট। এই লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখেই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীনের সময় আমাদের দেশের ৭০ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করতো। এখন সেই অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে ২৪ দশমিক ৮ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে।


তিনি বলেন, কিছু লোক আছে সর্বদাই রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল থাকে। এই হার ১০ থেকে ১৪ শতাংশ। এরা হলেন প্রবীণসহ অসহায় কিছু লোক। এরা সবসময়ই রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল থাকবে। আমরা আস্তে আস্তে সেই অবস্থায় চলে যাচ্ছি। এক সময় এরাই শুধু রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল থাকবে।


অর্থমন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষ এখন বিশ্বাস করে না যে জীবন ধারণ কষ্টসাধ্য, তারা মনে করে জীবন ধারনের মান আরো উপরে উঠবে। ২০৪১ সালের মধ্যে জীবনমান অনেক উন্নত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী, ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবো আমরা।


অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী অর্থবছরেই বাজেট উপস্থাপন বেশ বদলে যাবে। এই সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে অর্থাৎ (২০১৮-১৯) অর্থবছরে যে বাজেট দেবো সেটা হবে ৪ লাখ ৪০ হাজার কোটি থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার। এ লক্ষ্যমাত্রা আমাদের রয়েছে।


অর্থমন্ত্রী বলেন, লক্ষ্য ছিল মুক্তবাজার অর্থনীতি। মুক্তবাজার আজও প্রতিষ্ঠা পায়নি, হয়তো ২০৩০ সালে মুক্তবাজার প্রতিষ্ঠা পাবে। মুক্তবাজার অর্থনীতি না হওয়ার কারণ আমাদের রাজনৈতিক অবস্থা ও প্রেক্ষাপট সেভাবে ছিল না। মুক্তবাজারে কোনো ধরনের কাস্টম শুল্ক থাকবে না। হয়তো সেটা পুরোপুরি কোনো দিনই হবে না। কেননা মানুষের মধ্যে যেমন কিছু ভাল রিপু থাকে...তেমন খারাপ।


আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, আমাদের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয় না। বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্য কেন্দ্রীয় আমলাতন্ত্র সংকোচন করে জেলায়, জেলায় পাঠিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের রাজনীতিবিদদের যে ব্যর্থতা তা আশা করি কাটিয়ে উঠতে পারবো।


তিনি বলেন, ৬৮ বছর আগে আমাদের দেশ বিদেশি কলোনি থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু ৬৮ বছরে আমাদের সীমানা নির্ধারিত হয়নি, এখন আমরা একটা সীমানা পেয়েছি, যার সীমানা নির্ধারিত। দেশের মানুষ জানে তার সীমানা কতটুক। এটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণেই হয়েছে।


দেশের অর্থনীতির একটি শক্ত অবস্থান হলো বৈদেশিক রেমিট্যান্স উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই রেমিট্যান্সকে আমরা আরও অনেক বেশি বাড়াতে পারব, যখন স্কিল ইমপ্রুভমেন্ট প্রোগ্রামটি কার্যকর হবে। এই প্রোগ্রামের জন্য আমরা এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা রাখার পরিকল্পনা করেছি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এজন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে এই উদ্যোগটি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।


এই দিকটিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মুহিত বলেন, এটাতেই রয়েছে আমাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন। স্কিল ইমপ্রুভমেন্ট না করলে আমরা যেসব সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখছি সেটা পূরণ হবে না।


তিনি বলেন, এই স্বপ্ন পূরণের জন্য আরেকটি বিশেষ দিকের দিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন আছে। বাংলাদেশের জনগণই তার শক্তি। বাংলাদেশের এক একটি জেলাতে প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখের মত লোক আছে। পৃথিবীর প্রায় ৬০টি দেশের জনগণ এই সংখ্যার নিচে। ঢাকা ও চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে আমাদের দেশে বস্তুতপক্ষে ৬৪টি দেশ আছে।  সুতরাং আমাদের এ বিষয় নজরে রাখতে হবে এবং তা করতে হবে।


মুহিত বলেন, এই দেশের ভেতর দেশগুলো যেন উন্নয়নের পথে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে পারে সেজন্য তাদের ক্ষমতায়ন করতে হবে। অর্থাৎ আমাদের জেলা কাউন্সিল ও জেলা পরিষদগুলোর ক্ষমতায়ন ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে এবং আমাদের কেন্দ্রীয় যে ব্যুরোক্রেসি বা আমলাতন্ত্র আছে, তা সংকোচন করে এর একটি বড় অংশকে জেলায় জেলায় পাঠিয়ে দিতে হবে।


এটি রাজনীতিবিদদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখানে বাধা বিপত্তি আসবে। কিন্তু সেগুলো অসম্ভব রকমের স্বার্থহানা বাধাবিপত্তি। এই বাধা বিপত্তির উর্ধ্বে আমাদের উঠতে হবে।


শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত