আপডেট :

        অবসরে রোমান সানা

        বিদায় নিচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

        বিমান থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের

        বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস

        আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর মাজার জিয়ারতের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

        মিসরে পৌঁছেছে হামাস

        কারাগারে ওসমানীর সাদেক

        দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল পাস

        বিজেপির প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

        শাবি প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির অভিষেক

        অনির্বাচিত কেউ সংসদে আসতে পারে না: সংসদ স্পিকার

        পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

        সময়ের আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

        এবারের নির্বাচন সবচেয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

        এই বাংলাদেশির জন্য ২০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার

        কৃষি বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা

        বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমবেদনা

        মন্ত্রীর সংবর্ধনায় দু’পক্ষের উত্তেজনা, চেয়ার ভাঙচুর

        যুক্তরাজ্যে গেলেন রাষ্ট্রপতি

        বাসচাপায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

মন্ত্রিসভায় গ্রাম আদালত সংশোধন আইন-২০২৪ চূড়ান্ত অনুমোদন

মন্ত্রিসভায় গ্রাম আদালত সংশোধন আইন-২০২৪ চূড়ান্ত অনুমোদন

গ্রাম আদালতের জরিমানা করার ক্ষমতা ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা নির্ধারণ করে ‘গ্রাম আদালত (সংশোধন) আইন, ২০২৪’র খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন আজ রবিবার বিকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গত বছর এই আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এটি সংসদে উপস্থাপন না হওয়ায় এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হওয়ায় নতুন মন্ত্রিসভা থেকে অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মন্ত্রিসভা এটিকে চূড়ান্ত অনুমোদন করে দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, গ্রাম আদালতের আর্থিক ক্ষমতা (জরিমানার করার ক্ষমতা) ৭৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করা হচ্ছে।

চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের সমন্বয়ে গ্রাম আদালত হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো সময় একজন অনুপস্থিত থাকলে, আদালতের সদস্য সংখ্যা চারজন হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতি হলে, অনুপস্থিত যিনি ছিলেন তাকে উপস্থিত হতে সাতদিন সময় দেওয়া হবে। এর মধ্যে তিনি উপস্থিত না হলে, তখন ভোটাভুটি হলে চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত একটি ভোট দেওয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, মামলার এক পক্ষ মারা গেলে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। এখন বলা হয়েছে, রায়ের আগে কোনো পক্ষের মৃত্যু হলে, তার উত্তরাধিকারকে পক্ষ করা যাবে।

মাহবুব হোসেন বলেন, এছাড়াও মন্ত্রিসভা ‘ স্থানীয় সরকার ( সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৪’র খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। তিনি বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা সিটি কর্পোরেশনের হাত থেকে নিয়ে নেওয়া হয়েছে। আগে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার কাজ সিটি কর্পোরেশন করত। এখন থেকে এই কাজটি সরকার করবে।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন গঠিত হলে কর্পোরেশনের এরিয়া তফসিলভুক্ত করা হতো। এখন থেকে গেজেট দ্বারা নির্ধারণ করা যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগে সিটি কর্পোরেশনের মেয়রা ও কাউন্সিলররা তিন মাস ছুটি ভোগ করতে পারতেন। এখন থেকে তারা এক মাস ছুটি ভোগ করতে পারবেন। সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলররা বিদেশে থাকলে পাশ্ববর্তী ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা দায়িত্ব পালন করতেন। এখন থেকে কাউন্সিলররা দেশের বাইরে থাকলে সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করবেন।

মাহবুব হোসেন বলেন, আগে সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষের ১৮০ দিনের নির্বাচন করার বিধান ছিল। এখন মেয়াদ শেষের ৯০ দিন বা তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান রাখা হয়েছে। বর্তমান আইন অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ হবে ৫ বছর। নির্বাচনের পর নতুন মেয়র ও কাউন্সিলররা ১৫ দিনের মধ্যে শপথ নেবেন এবং শপথ নেওয়ার পর আগের কর্পোরেশন বাতিল হয়ে যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বর্তমান আইনে সিটি কর্পোরেশনের স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। আগে সিটি কর্পোরেশন ১৪টি কমিটি গঠন করতে পারতো। এখন আরো সাতটি কমিটি গঠনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এখন তারা ২১টি স্থায়ী কমিটি গঠন করতে পারবে। এখন থেকে সিটি কর্পোরেশনে সচিব বলে কোন পদ থাকবে না। তিনি (সচিব) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত হবেন।

মাহবুব হোসেন বলেন, তফসিলে মশক নিধন ও পানি নিষ্কাশন বা জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করার বিষয়টি অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। তিনি জানান, ‘কৃষিজ পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একটি পৃথক নীতিমালা’ প্রণয়নের দায়িত্ব হতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে মাহবুব হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভৌগলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যেও স্বীকৃতির সনদ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের তৎপর হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

 এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত