আপডেট :

        লস এঞ্জেলেসে মেয়র নির্বাচন ঘিরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, স্থানীয় বিভিন্ন পদেও ভোটের ফল

        ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর নির্বাচিত জাভিয়ের বেসেরা, দেশজুড়ে ডেমোক্র্যাটদের একের পর এক জয়

        যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাচ্ছে, কখন জানা যাবে নির্বাচনের ফল

        কারাগার থেকে পালিয়ে ৯ দিন পলাতক, মিসৌরিতে কাদায় আটকে ধরা পড়ল খুনি

        রিপাবলিকানদের দুর্গে ডেমোক্র্যাটদের নজিরবিহীন জয়, বদলাচ্ছে মার্কিন রাজনীতির সমীকরণ

        ট্রাম্পের বাতিল করা ভিসা কর্মসূচি আপাতত বন্ধই থাকছে, আদালতে বড় ধাক্কা আবেদনকারীদের

        ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ হাজার ভোট আটকে দেওয়ার ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন আবারও খারিজ

        অস্বাভাবিক জোয়ারে হান্টিংটন বিচে ১১৪ স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি, আরও বন্যার আশঙ্কা শহর কর্তৃপক্ষের

        ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে টম জোন্সের চারটি কনসার্ট স্থগিত, ভক্তদের কাছে দুঃখ প্রকাশ

        দুই দফা প্রা ণঘাতী ইনজেকশনেও মৃ ত্যু হয়নি, হাসপাতালে জ্ঞান ফিরল মৃ ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারীর

        ইসরায়েলের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ, আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি নেতানিয়াহুর দলের

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ি কেনা সহজ করতে ২৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি, ভোট হবে প্রস্তাব ৩৭-এ

        আবাসন ব্যয় কমানোর লক্ষ্য, ক্যালিফোর্নিয়ায় পরিবেশগত পর্যালোচনার নিয়ম বদলাতে প্রস্তাব ৪৫

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রেনের পণ্য চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৯, সিনালোয়া কার্টেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার দাবি পুলিশের

        কোরিয়ান স্পার ভিড় পেরিয়ে লস এঞ্জেলেসে রুশ বাথহাউসের ভিন্ন জগৎ, আছে পুরোনো ঐতিহ্য

        কাজ করে, গাড়ি চালায়, করও দেয় কিশোরেরা, এবার ভোটাধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ক্যালিফোর্নিয়ার এই শহর

        হলিউড সাইনের পাশে বসবাস যেন দুর্ভোগ, পর্যটকদের ফেলে যাওয়া ময়লায় অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা

        নিউপোর্ট বিচে এল নিনোর দাপট, জোয়ার ও বন্যার চাপে বিপর্যস্ত উপকূলীয় জনজীবন

        লস এঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে ব্যবধান ঘুচিয়ে রমনের সঙ্গে সমান অবস্থানে বাস, বলছে নতুন জরিপ

        কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্পের পরিবার থেকে পেন্টাগন, চারটি তদন্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে ডেমোক্র্যাটরা

‘আসছে ফাগুন আমরা হব দ্বিগুণ

‘আসছে ফাগুন আমরা হব দ্বিগুণ

‘আসছে ফাগুন আমরা হব দ্বিগুণ’, ‘ব্লাডি জুলাই’, ‘মোরা সাঈদ, মোরা রফিক, মোরা মুগ্ধ, সময়ের আলোড়নে হব সিংহ’, ‘গর্জে উঠেছিলাম বলেই বিজয় এসেছিল’, ‘তুমি কে আমি কে, বিকল্প বিকল্প’, ‘আমি মেট্রোরেল হতে চেয়েছিলাম, খোদা আমাকে ছাত্র বানাল’, ‘বাংলার হিন্দু, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার খ্রিষ্টান’, ‘বাংলা আদিবাসী সুরক্ষার দায়িত্ব সবার’, ‘পানি লাগবে পানি’, ‘স্বাধীনতা এনেছি, সংস্কারও আনব’, ‘এ বয়স জানে রক্ত দানের পুণ্য’, ‘এ বয়স হার মানার নয়’, ‘চলো রাষ্ট্র সংস্কার করি’, ‘ভাই স্বাধীনতা লাগবে? স্বাধীনতা!’ ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’, ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’, ‘বল বীর চির উন্নত মম শির’, ‘চলো রাষ্ট্র সংস্কার করি’।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রংপুরে গুলির সামনে বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদের প্রতিকৃতি, আলোচিত নানা স্লোগান, কবিতার পঙিক্ত, গুলিবিদ্ধ ছাত্রের মর্মস্পর্শী কথা এখন গ্রাফিতি হয়ে ফুটে আছে রাজধানীর দেওয়ালে দেওয়ালে। স্লোগান নয় যেন শব্দের চাবুক! রং-তুলির মধ্য দিয়ে এসব ফুটিয়ে তুলছেন দেশ কাঁপানো এই আন্দোলনে যুক্ত থাকা শিক্ষার্থীরা।


গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ফুলার রোড ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ঘুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের আঁকা এসব গ্রাফিতি বা দেওয়াল চিত্র দেখা গেছে।  কিছু কিছু দেওয়ালে নিজেদের পুরোনো লেখা মুছে দিয়ে নতুন গ্রাফিতি আঁকতেও দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা ইত্তেফাককে বলেন, আন্দোলনের সময় আমরাই এঁকেছিলাম। এসব স্লোগান, এখন মুছে দিচ্ছি। তখন প্রতিপক্ষ কঠিন ছিল বলে আমাদের ভাষাও কঠোর ছিল। এখন আমাদের হারিয়ে শহিদ ভাইদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নতুন গ্রাফিতি আঁকছি।

তারা বলেছেন, আমরা সবাই মিলে এই আন্দোলন করেছি। সাধারণ মানুষও যুক্ত হয়েছিলেন। নগরের দেওয়ালগুলোতে নানা ধরনের লেখা ছিল, যা দৃষ্টিকটু ও সমীচীন নয়। তাই এসব লেখা মুছে নতুন করে রাঙানোর কাজ করছি। তুলে ধরছি আন্দোলনের নানা স্মৃতি। যাতে পথচলতি শিশু-কিশোর থেকে বয়স্ক সবাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি ভুলে না যান, সে জন্য গ্রাফিতি আঁকছি।


তারানা আফরিদা রনি নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, এই গ্রাফিতি অঙ্কনও দেশের জন্য কাজেরই অংশ। তাই আগের দেওয়াল লিখন মুছে আমরা পুরো দেওয়াল জুড়ে এই আন্দোলনে আমাদের গৌরবের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেওয়ালচিত্র আঁকছি। এই কাজেও অংশ নিচ্ছেন একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, প্রাচীন গ্রিক ও রোমানদের সময়কাল থেকে মূলত এই গ্রাফিতির প্রচলন শুরু হয়। গ্রাফিতির নিদর্শন এখনো আছে প্রাচীন গ্রিক শহর এফিসাস বা বর্তমান তুরস্কে। গ্রাফিতি প্রকৃতপক্ষে গুহার দেওয়ালে প্রথম অঙ্কন করা হয়েছিল পশুর হাড় দিয়ে খোদাই করে। পরে পরিবর্তন হয়ে ধীরে ধীরে মানুষের বাড়ির অথবা কোনো প্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে দেওয়ালে, যেখানে মানুষের নজরে আসে এমন জায়গায় গ্রাফিতি আঁকা শুরু হয়।

বাংলাদেশে গ্রাফিতি নিয়ে কোনো মাথাব্যথাই ছিল না কারোর। তবে ২০১৭ সালের মাঝামাঝিতে রাজধানীর আগারগাঁও এবং মিরপুরের কয়েকটি দেওয়ালে ‘সুবোধ’-এর গ্রাফিতি বা দেওয়ালচিত্র পথচলতি মানুষের নজরে আসে। এই দেওয়ালচিত্রগুলোর একমাত্র চরিত্র ছিল ‘সুবোধ’। এর সব কটিতে লেখা ছিল—‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, এখন সময় পক্ষে না।’ তবে এখন যে কোনো আন্দোলনে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছে এই গ্রাফিতি।

 

এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত