আপডেট :

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, লস এঞ্জেলেসে বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে

        ক্লাসরুমে বন্দুক নিয়ে শিক্ষার্থী, ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুলে পুলিশের ব্যাপক অভিযান

        ক্যালিফোর্নিয়ার কারাগারে নিজের কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল মেক্সিকান মাফিয়ার সদস্যকে

        বেতন বৃদ্ধি ও বাসা থেকে কাজের দাবিতে ক্যালিফোর্নিয়ায় হাজারো সরকারি কর্মীর ধর্মঘট

        যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের পথ কঠিন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিপাকে ভারতীয় প্রযুক্তিকর্মীরা

        কেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তরুণদের চেয়ে বয়স্ক নেতারাই বেশি দিন ক্ষমতা ধরে রাখছেন

        যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কানাডার বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলল ওয়াশিংটন

        ক্যালিফোর্নিয়ার করোনা হাইস্কুলে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রিভারসাইড কাউন্টির দুই কিশোর গ্রেপ্তার

        প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঝড় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায়, বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ

        টানা ৯০০ মাইল সাঁতরে ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূল পাড়ি, প্রথম নারী হিসেবে রেকর্ড গড়লেন তিনি

        ক্যালিফোর্নিয়ার মৃত গাছগুলো কোথায় যাচ্ছে, রহস্য খুঁজতে গোয়েন্দার ভূমিকায় পরিবেশকর্মী

        ভয়ংকর ঢেউয়ে ধ্বংস হচ্ছে লং বিচের উপদ্বীপ, শীতের এল নিনোতে আরও বাড়তে পারে বিপর্যয়

        পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের বৈঠকের সময় রাশিয়ার মুক্তি পেলেন মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ড

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ৭ হাজারের বেশি ভোটার পেলেন দুটি করে ব্যালট, ভুলটি যেভাবে হলো

        এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের ভর্তি নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা, বদলাতে পারে স্কুলের নিয়ম

        জ্বালানির উচ্চ দাম ও সরকারি প্রণোদনায় ইউরোপে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি রেকর্ড গতিতে বাড়ছে

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইলন মাস্কের

        যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১৫ লাখ পাউন্ডের বেশি হট ডগ, ডেলি মিট ও অন্যান্য মাংসজাত পণ্য প্রত্যাহার

        ক্যালিফোর্নিয়ায় নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে ২৮ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা

        লস এঞ্জেলেসের আলোচিত ‘আবর্জনার বাড়ি’ আবারও ভরে গেছে, নগর কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ প্রতিবেশীরা

সব অপকর্মের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করতেন এই মুখ্যসচিব তোফাজ্জল

সব অপকর্মের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করতেন এই মুখ্যসচিব তোফাজ্জল

চাকরির মেয়াদ শেষে গত ৪ জুলাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার অবসরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় তৎকালীন সরকার। পরে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার নিয়োগ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার অনিয়ম-দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল তার কার্যালয়। সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সব অপকর্মের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করতেন এই মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তাকে সঙ্গ দিতেন কাজী নিশাত রসুল। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব ১ । শত শত কোটি টাকার বিনিময়ে প্রশাসনে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন এই দুজন। 


বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও কাজী নিশাত রসুল জনগণের সেবক না হয়ে, হয়ে ওঠেন স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার একান্ত অনুগত খাদেম। তার বিনিময়ে তারা পেয়েছেন একের পর এক পদোন্নতি। শেখ হাসিনার ডান হাত হয়ে অকল্পনীয় দুর্নীতি করেছেন তারা। চাটুকারিতার বদৌলতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ও একান্ত সচিবের পদ বাগিয়ে নেন। এখনো কাজ করছেন শেখ হাসিনার অবৈধ অর্থের অঘোষিত খাজাঞ্চি হিসেবে। 

বলছি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এপিএস কাজী নিশাত রাসুলের কথা।  


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের মূল হোতা তোফাজ্জল হোসেন ও কাজী নিশাত। মূলত অবৈধ প্রশাসনিক সিন্ডেকেট পরিচালনা হতো তাদের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, বদলি বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ক্যাডার পদে নিয়োগ, প্রশাসনের উচ্চ পদে শত কোটি টাকা ঘুষের মাধ্যমে বদলি- এই দুই মাস্টারমাইন্ডের হাত হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কাছে আসতো। সেই ঘুষের হিসাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিতেন সিন্ডিকেটের এই দুই হোতা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর বিপুল পরিমাণ অবৈধ নগদ অর্থ দেশে রেখে যান, যা বহাল তবিয়তে ভোগ করছেন সাবেক মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এপিএস কাজী নিশাত রসুল। সারাদেশে শক্ত প্রশাসনিক সিন্ডিকেট তৈরি করে সরকারের সকল সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতো তারা। এপিএস কাজী নিশাত তার স্বামী শহীদুল ইসলামকে শেখ হাসিনার যোগসাজশে ঢাকা জেলা প্রশাসকের পদ পাইয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনে তাদের সিন্ডিকেটের প্রশাসনিক ক্যাডার নিয়োগের মাধ্যমে অনেক দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়া হতো বলে সূত্রে জানা গেছে। শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালানোর পর এক এক করে বের হতে থাকে সব থলের বিড়াল। বের হয় সারাদেশে বহাল তবিয়তে থাকা প্রশাসনিক ৪০ ক্যাডারের অপরাধ কার্যক্রম। পতিত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের দোসর বেশিরভাগই বহাল তবিয়তে বসে থাকায় সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করতে থাকে। এর পর থেকেই দেশের প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে শুরু হয় বদলি-অপসারণ। কিন্তু ঘুরেফিরে আওয়ামী লীগের আস্থাভাজন অনেককে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত