রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে চারটি ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে চারটি ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। ব্যাংকটির ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৮ ও ২০০০ ব্যাচে যোগদানকারী অফিসার ও সিনিয়র অফিসার পদের কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে এই ব্যাচগুলোর কর্মকর্তারা বেশি বঞ্চিত। সংশ্লিষ্টরা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা ২৪ থেকে ৩০ বছর চাকরি করে বর্তমানে সিনিয়র প্রিন্সিপাল ও এজিএম হয়েছেন। অথচ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে যথাসময়ে পদোন্নতি পেলে তারা অনেকেই ডিজিএম থাকতেন।
তাই দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে মেধা, দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও প্রকৃত জ্যেষ্ঠতা বিবেচনায় নিয়ে বঞ্চিতদের এজিএম ও ডিজিএম পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি প্রদানের অনুরোধ করে সম্প্রতি ব্যাংকটির সাবেক এমডি আফজাল করিমকে চিঠি দিয়েছিলেন ভুক্তভোগীরা।
চিঠিতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ভাইভা ও কম্পিউটার টেস্ট প্রথা বাতিল করা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো যোগদানের তারিখকে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা। এ ছাড়া সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যেসব জুনিয়র কর্মকর্তা সিনিয়রদের সুপারসিড করেছেন তাদের ওপর ভূতাপেক্ষা পদোন্নতি কার্যকর ও আর্থিক সুবিধা প্রদানের দাবি জানানো হয়। চিঠির অনুলিপি অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টাকেও দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০০৪ সালে যোগদান করা সিনিয়র কম্পিউটার অপারেটর ও আইটি কর্মকর্তারা এখন সিনিয়র এজিএম ও ডিজিএম। কেউ কেউ জিএম ও ডিএমডি। আইটি সংশ্লিষ্টদের এক পদে তিন বছর পূর্ণ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদোন্নতি হয়ে যায়, ডিপ্লোমা বা মাস্টার্স প্রয়োজন হয় না। অনৈতিকভাবে তাদের আইটি এবং জেনারেল উভয় সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৮ ও ২০০০ ব্যাচের কর্মকর্তাদের ওপর জ্যেষ্ঠতা প্রদান করা হয়েছে, যা চাকরি বিধির লঙ্ঘন।
আবার ২০০৪, ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০-এ যোগদানকারীরা এজিএম ও ডিজিএম হলেও ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৮ ও ২০০০-এ যোগদানকারীদের অনেকেই এজিএম ও ডিজিএম হতে পারেননি। বৈষম্যমূলক পদোন্নতি নীতিমালা প্রণয়ন করে তাদের পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
নিউজ ডেক্স
শেয়ার করুন