২০২৭ সাল থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায় সর্বনিম্ন মজুরি হবে ঘণ্টায় ১৭.৪০ ডলার
মিতু হত্যায় ৮ জন জড়িত, গুলি করে ওয়াসিম: সিএমপি
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার বলেছেন, ‘ এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন ওয়াসিম ও আনোয়ার। এরা দুইজন আজ আদালতে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে স্বীকারোক্তি করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মিতু হত্যাকাণ্ডে ৮ জন জড়িত। ওয়াসিম নিজেই গুলি করেছিলো। হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হলে এই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছুই বলা যাচ্ছে না।’
রবিবার দুপুর সোয়া ৩টার দিকে চট্টগ্রামের লালদীঘির সিএমপির সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ইকবাল বাহার বলেন, ‘কারা, কি কারণে এবং কেন এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে তা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না হলে আমরা এই ব্যাপারে খোলাসা করে কিছুই বলতে পারছি না।’
তিনি বলেন, ‘বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে হত্যা ছিল টার্গেট কিলিং। তাকে টার্গেট করেই হত্যা করা হয়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।’
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গতকাল রাতে ওয়াসিম ও মো. আনোয়ার নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন, আনোয়ার ঘটনাস্থলের পাশেই ছিল। তাদের দুজনের বাড়ি রাঙ্গুনিয়ায়।
ইকবাল বাহার আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খুনিরা সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। কার নির্দেশে, কেন তারা এ খুন করেছে, তা তদন্ত পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না। আজ দুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অনেক তথ্য দিয়েছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না। অপরাধীরা পেশাদার। খুনে সাত থেকে আটজন অংশ নিয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।
হত্যাকারীরা জঙ্গি কি না বা জঙ্গিরা এ কাজ করিয়েছে কি না, জানতে চাইলে ইকবাল বাহার বলেন, এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।
গভীর রাতে পুলিশ পাহারায় বাবুল আক্তারকে নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন, ঘটনার পর থেকে বাবুল আক্তারের নিরাপত্তায় পুলিশ ছিল। তদন্তের স্বার্থে মামলার বাদী হিসেবে তাঁর সঙ্গে তদন্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ওই সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন কি না, জানতে চাইলে কমিশনার কোনো জবাব দেননি।
বাবুল আক্তারের পরিবারের বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে কমিশনার বলেন, তারা কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে বলেছে জানি না। মামলাটির সঠিক তদন্তে সর্বোচ্চ চেষ্টা রয়েছে।
বাবুল আক্তারকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সেখানে নজরদারি কেন?
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন