আপডেট :

        ১৬০ বছরের ঐতিহ্যে ইতি টানছে নিউইয়র্ক, নিরাপত্তা ও প্রাণী নির্যাতনের উদ্বেগে ঘোড়ার গাড়ি নিষিদ্ধ

        টপ গান ও এলিয়েন তারকা টম স্কেরিটের মৃত্যু, হলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, লস এঞ্জেলেসে বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে

        ক্লাসরুমে বন্দুক নিয়ে শিক্ষার্থী, ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুলে পুলিশের ব্যাপক অভিযান

        ক্যালিফোর্নিয়ার কারাগারে নিজের কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল মেক্সিকান মাফিয়ার সদস্যকে

        বেতন বৃদ্ধি ও বাসা থেকে কাজের দাবিতে ক্যালিফোর্নিয়ায় হাজারো সরকারি কর্মীর ধর্মঘট

        যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের পথ কঠিন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিপাকে ভারতীয় প্রযুক্তিকর্মীরা

        কেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তরুণদের চেয়ে বয়স্ক নেতারাই বেশি দিন ক্ষমতা ধরে রাখছেন

        যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কানাডার বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলল ওয়াশিংটন

        ক্যালিফোর্নিয়ার করোনা হাইস্কুলে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রিভারসাইড কাউন্টির দুই কিশোর গ্রেপ্তার

        প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঝড় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায়, বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ

        টানা ৯০০ মাইল সাঁতরে ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূল পাড়ি, প্রথম নারী হিসেবে রেকর্ড গড়লেন তিনি

        ক্যালিফোর্নিয়ার মৃত গাছগুলো কোথায় যাচ্ছে, রহস্য খুঁজতে গোয়েন্দার ভূমিকায় পরিবেশকর্মী

        ভয়ংকর ঢেউয়ে ধ্বংস হচ্ছে লং বিচের উপদ্বীপ, শীতের এল নিনোতে আরও বাড়তে পারে বিপর্যয়

        পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের বৈঠকের সময় রাশিয়ার মুক্তি পেলেন মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ড

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ৭ হাজারের বেশি ভোটার পেলেন দুটি করে ব্যালট, ভুলটি যেভাবে হলো

        এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের ভর্তি নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা, বদলাতে পারে স্কুলের নিয়ম

        জ্বালানির উচ্চ দাম ও সরকারি প্রণোদনায় ইউরোপে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি রেকর্ড গতিতে বাড়ছে

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইলন মাস্কের

        যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১৫ লাখ পাউন্ডের বেশি হট ডগ, ডেলি মিট ও অন্যান্য মাংসজাত পণ্য প্রত্যাহার

গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ক্রেডিটবাজি করছে রাজনৈতিক দলগুলো

গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ক্রেডিটবাজি করছে রাজনৈতিক দলগুলো

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ক্রেডিটবাজি করছে। এই গণঅভ্যুত্থান এই দেশের সাধারণ জনগণের।  

 

৬ আগস্ট দুপুরে ররাজধানীর পুরানা পল্টনে আলরাজী কমপ্লেক্সে জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। 

 

নুর বলেন, কিছুদিন আগে পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, ১৩৩ জন শিশু মারা গেছে। শিশু কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিল? কৃষক-শ্রমিক-সাধারণ জনতা যারা জীবন দিয়েছিল, তারা কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলেন? রাজনৈতিক দলগুলো তো ক্রেডিটবাজি করছে। রাজনৈতিক দলের নেতাদের বলতে চাই, কোন নেতার কয়জন ছেলে মেয়ে মারা গেছে, দেখেন কয়জন এমপির ছেলে, কয়জন মন্ত্রীর ছেলে, কয়জন বড় বড় নেতার ছেলে মেয়ে আত্মীয়-স্বজনরা মারা গেছে। এই দেশের আম জনতা সবসময় যারা জীবন দিয়েছে, ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় যারা সংগ্রাম করেছে, সাধারণ খেটে খাওয়া কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষ মারা গেছে। তাদের লাশের উপর দিয়ে আজকে অনেকে নেতা হচ্ছেন, অনেকে এমপি হচ্ছেন, অনেকে পয়সা কামাচ্ছেন, অনেকে উপদেষ্টা হয়েছেন।

তিনি বলেন, আজকে অনেকে হিরো হয়ে গেছেন। ১০-১৫ দিনের মধ্যে আন্দোলনে হিরো হয়ে গেছেন। অন্যদের সব অবদানকে অস্বীকার করে আজকে সরকারের ক্ষমতাকে ব্যবহার করে, সরকারকে ব্যবহার করে, উপদেষ্টা পরিষদকে ব্যবহার করে কিংস পার্টি গঠন করা হয়েছে। আর সেই কিংস পার্টির কার্যকলাপ আপনারা দেখছেন যে, কিংস পার্টি আজকে তরুণ প্রজন্মকে বিপদগামী করছে। রাজনীতিকে কলুষিত করছে। যেই তরুণদেরকে নিয়ে মানুষ পরিচ্ছন্ন রাজনীতির স্বপ্ন দেখেছিল, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিল। আজকে সেই তরুণরা চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি, তদবির, লুটপাটে ব্যস্ত। এই ইতিহাস কারা রচনা করেছে? এগুলো কারা তৈরি করেছে? তাদের বিচারও এই দেশে আগামীতে হবে। এই দেশের মানুষের যে তরুণদের নিয়ে স্বপ্ন ছিল, তরুণদের নিয়ে আশা ছিল, সেই আশা-আকাঙ্ক্ষায় যারা গুড়েবালি দিয়েছে, সেই আশা-আকাঙ্ক্ষাকে যারা ধ্বংস করেছে, তাদের বিচার হবে। আজকে তরুণ হিসেবে আমরাও নিজেরা প্রশ্নের সম্মুখীন হই। তোমাদের ভাই বন্ধু সহকর্মীরা এগুলো কি করছে? তাই সরকারকে বলতে চাই, আপনারা আশকারা দিয়ে এগুলো করেছেন। আপনাদের দায় রয়েছে, সেই দায় মোচনের জন্য হলে অন্তত এই আন্দোলনের অন্যান্য অংশীজনদেরকে যথাযথ মূল্যায়ন করে এই ঘোষণাপত্রে তার সঠিক বিবৃতি জাতির সামনে প্রকাশ করবেন। 

 

নির্বাচন নিয়ে সবার একটা উদ্বেগ ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারপ্রধান জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের বিষয়ে একটা সম্ভাব্য ভালো এবং উপযুক্ত সময়ের ঘোষণা করেছেন। এটাকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি। একইসঙ্গে নির্বাচন করার জন্য যেই এলিমেন্টগুলো প্রয়োজন, যেই বিষয়গুলো প্রয়োজন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, সৎ দক্ষ পেশাদার অফিসারদের মাধ্যমে প্রশাসনের পুনর্গঠন এবং প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা, নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঢেলে সাজানো সেই কর্মযজ্ঞ শুরু করতে হবে।

সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে নুর বলেন, আপনাদেরকেও আমরা কিন্তু ছেড়ে দেব না। আপনাদের অনেক প্রশংসা করেছি, আপনাদের পাশে ছিলাম। নির্বাচনের বাকি যে ছয় মাস আছে আপনাদের ছয় মাসের প্রত্যেকটি পদক্ষেপে এখন থেকে আমাদের মুখোমুখি হওয়া লাগবে। কারণ আমরা আপনাদেরকে বসিয়েছি, আমাদের রক্তের উপর দিয়ে আমাদের আবেগকে পুঁজি করে আপনারা ওখানে উপদেষ্টা হয়েছেন। আমরা আপনাদেরকে সম্মান করে ওইভাবে এতদিন কিছু বলিনি। আপনারা গত এক বছরে যা করেছেন, আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আমাদের বঞ্চিত করেছেন। এখনো আপনাদের প্রতি আস্থাটুকু রাখতে চাই। আপনারা সেই আস্থাটুকু ধরে আমাদের এই আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশকে একটা নতুন দিকে নিয়ে যাবেন। সেই প্রত্যাশা রইল। 

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত