আপডেট :

        ক্যালিফোর্নিয়ায় কিছু টায়ার বিক্রিতে নতুন নিয়ম, বাড়তে পারে দাম

        খেলনা পিস্তল হাতে দাঁড়ানো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে পুলিশের গুলি, অল্পের জন্য বাঁচলেন

        ভয়ংকর পুতুলের মুখোশ পরে ফিলাডেলফিয়ায় বাসিন্দাদের ধাওয়া, আতঙ্ক

        মর্গের ব্যবস্থাপক দেহের অঙ্গ বিক্রি করায় ৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার দেবে হার্ভার্ড

        কানাডার ওপর নতুন শুল্ক তিন দিন পিছিয়ে দিলেন ট্রাম্প, চুক্তির কাছাকাছি দুই দেশ

        যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া ছয় দিন কমল

        বাজেট সংকটে রিভারসাইড কাউন্টিতে ৬২২ শেরিফের পদ কমানোর আশঙ্কা

        লস এঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে বাসকে এগিয়ে দেখানো জরিপটি ভুয়া

        ই জিন ক্যারল মামলায় ট্রাম্পের আবেদন ফের খারিজ

        ওমানকে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের, ইরান চুক্তি নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা

        ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলিতে ৫ জন আহত, আলমারি থেকে তরুণ আটক

        ইউএসএস লিংকনে মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: মার্কিন কমান্ডার

        হারিকেন লালার তাণ্ডবে হাওয়াইয়ে শতাধিক বাড়ি ভেসে গেছে

        দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

        আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকায় সীমান্ত দেয়াল: ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে আদালতের রায়

        ৫ ফ্রিওয়েতে ৮ লাখ ডলারের কোকেন জব্দ, গ্রেপ্তার চালক

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ফের তীব্র গরম, ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে তাপমাত্রা

        যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করছেন অনেক কানাডিয়ান, ভ্রমণে বেছে নিচ্ছেন নতুন গন্তব্য

        ভার্জিনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে গুলিতে আহত ৫, একাধিক সন্দেহভাজন পলাতক

        হাওয়াইয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় লালা, ৩৪ বছর পর সরাসরি আঘাতের আশঙ্কা

প্রধান বিচারপতির কিছু বক্তব্যের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর দ্বিমত

প্রধান বিচারপতির কিছু বক্তব্যের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর দ্বিমত

‘দ্বৈত শাসনের ফলে বিচার বিভাগের কাজে বিঘ্ন ঘটছে’ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির বক্তব্য আমি দেখেছি, পড়েছি এবং উপলদ্ধি করার চেষ্টা করেছি। সবকিছু মিলিয়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী এ কথাগুলো বলেন।

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরনের নবম বর্ষপূর্তিতে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বাণীতে সোমবার প্রধান বিচারপতি বলেন, সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন সব আদালত ও ট্রাইব্যুনালের ওপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রয়েছে। অপরদিকে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের ধীরগতির অন্যতম কারণ। ১১৬ অনুচ্ছেদের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি, বদলি এবং শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে এককভাবে গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্বৈত শাসনের ফলে বহু জেলায় শূন্যপদে সময়মতো বিচারক নিয়োগ প্রদান সম্ভব হচ্ছে না। এতে বিচারকাজে বিঘ্ন ঘটে। এবং বিচারপ্রার্থী জনগণের ভোগান্তি বেড়ে যায়’।

এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন ষোড়শ সংশোধনীতে অনুচ্ছেদ ৯৬-কে (বিচারপতি অপসারন ক্ষমতা সংসদের হাতে) ১৯৭২’র সংবিধানে যা ছিল তা হুবহু প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। সেটি হাইকোর্ট বাতিল করে দিয়েছে যে আলট্রা ভায়ার্স অব কনস্টিটিউশন। বিষয়টি আপিল বিভাগে বিচারাধীন। এখন বলা হচ্ছে ১১৬ অনুচ্ছেদ বাহাত্তরে যা আছে তাতে ফিরে যেতে হবে। এটা তো স্ব বিরোধী কথা। তিনি বলেন, ১১৬ অনুচ্ছেদ ৭২’র সংবিধানে ফিরে যেতে পারলে ৯৬ অনুচ্ছেদে কেন নয়?

তিনি বলেন, ১১৬ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতিকে গুরু দায়িত্ব দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন হেড অব দ্য স্টেটস। রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ না করে বিচার বিভাগের কোন কিছু পরিবর্তন করেছেন এমন তথ্য আমাদের কারো জানা নেই। যা করা হয়েছে প্রধান বিচারপতির অনুমতি নিয়েই করা হয়েছে। আমি মন্ত্রী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের সব সুপারিশ মানার চেষ্টা করি। সুপ্রিম কোর্ট দেশের সম্পদ। মানুষের শেষ ভরসার স্থল। সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে কোন কিছু করতে হলে আমি অতি সাবধানতা অবলম্বন করি। সুপ্রিম কোর্ট এবং বঙ্গভবনের মধ্যে সেতুর ভূমিকা পালন করে আইন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রী বলেন, বিচার প্রক্রিয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিচার বিভাগের গতিশীলতা আনতে সরকার সব কাজই করবে। সরকারের পক্ষ থেকে আমি বলতে চাই বিচার বিভাগের কাজে সরকার কখনই হস্তক্ষেপ করবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় বিশ্বাস করেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রয়োজন হলে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করা হতে পারে। তিনি বলেন, ‘তাভেল্লা সিরাজ হত্যা মামলার আসামিকে নিম্ন আদালত জামিন দেয়নি। কিন্তু উচ্চ আদালত জামিন দিয়েছেন। মাহমুদুর রহমানও জামিন পেয়েছেন। সরকার যদি হস্তক্ষেপ করতো তাহলে এই স্বাধীনতা কি থাকতো বিচার বিভাগের?


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত