Updates :

        মাসিক শিশুভাতা প্রদান শুরু জুলাই থেকে

        কোয়ারেন্টিনে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

        দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে হলো ২২২৭ ডলার

        ইসরাইলের হামলায় ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা ২০০

        পশ্চিমবঙ্গের ৪ মন্ত্রী গ্রেফতার

        মিতু হত্যা: জবানবন্দি দেননি বাবুল আক্তার, কারাগারে প্রেরণ

        ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন লীগের পুরস্কার পেলেন জাতীয় অধ্যাপক মালিক

        মিস ইউনিভার্স মুকুট জিতলেন মেক্সিকান সুন্দরী

        কর্মীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক ছিল বিল গেটসের !

        লস এঞ্জেলেসের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিনামূল্যে রেফ্রিজারেটর প্রদান

        ফ্রি কনসার্ট নিয়ে ফিরছে হলিউড বাউল

        লস এঞ্জেলেসে বাড়ানো হচ্ছে টিকাদান কার্যক্রমের ব্যাপ্তি

        লস এঞ্জেলেসে দাবানলের আগুন দ্বিগুণ হলো

        অভিবাসনে স্বাস্থ্যসেবার শর্ত বাতিল করলো যুক্তরাষ্ট্র

        দেশের করোনা পরিস্থিতি এখন অনেকটা ভালো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

        বিনোদন পার্কে মাস্ক ব্যবহার নির্দেশমালায় পরিবর্তন

        লস এঞ্জেলেসে দাবানল: অন্যত্র সরে যেতে বাসিন্দাদের নির্দেশ

        হামাস প্রধানের বাড়িতে ইসরায়েলের বোমা হামলা

        লস এঞ্জেলেসে ১২ থেকে ১৫ বছর বয়েসীদের টিকাদান শুরু

        উগ্রবাদী হামলা নিয়ে সতর্কবার্তা জারি

পশ্চিমবঙ্গে হার বিজেপিতে ক্ষোভ: অভিযোগের আঙুল মোদি-শাহের দিকে

পশ্চিমবঙ্গে হার বিজেপিতে ক্ষোভ: অভিযোগের আঙুল মোদি-শাহের দিকে

‘এ বার, ২০০ পার’ স্লোগান নিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে নির্বাচনের ভোট গণনার প্রথম পর্বে সেই স্লোগানের বদলে বিজেপি কার্যত ১০০ আসন পার হওয়া নিয়ে ভাবছে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তথা নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের দিকে আঙুল তোলা শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতাদের একাংশ।

নির্দিষ্ট করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম করে আঙুল না তুললেও বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের ইঙ্গিত স্পষ্ট। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির এক শীর্ষ নেতার ভাষায়, ‘সেনাপতি হয়েছিলেন যারা, জিতলে তারা কৃতিত্ব নিতেন। এখন হারের দায়ও তাদের নিতে হবে।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, প্রথম থেকেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব রাজ্যের হাত থেকে নিয়ে নেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কোন এলাকায় দল কেমন অবস্থায় রয়েছে তা দেখতে ৫ জন কেন্দ্রীয় নেতার হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপরে কী কী না করেছে বিজেপি! ২৯৪টি আসনে আলাদা আলাদা কর্মসূচি।

কৃষক সুরক্ষা যাত্রা থেকে কৃষকদের সঙ্গে ‘একসঙ্গে বসে খাবার খারওয়ার’ মতো কর্মসূচির পর কর্মসূচি পরিচালনা করেছে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই সব কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে রাজ্যে সাংগঠনিক কাজে জোর দেওয়া যায়নি বলে সেই সময়েই বিজেপির অনেক নেতা অভিযোগ তুলেছিলেন। তারা বলেছিলেন, ‘আমরা জিতলে রাজ্যের সংগঠনের জোরেই জিতব। আর হারলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কর্মকাণ্ডের জন্য।’

রোববার নির্বাচনী ফলাফলের প্রাথমিক ধারণা সামনে আসার পরপরই সেই নেতারা আরও স্পষ্ট করে সেসব অভিযোগ তুলছেন। রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতা বলছেন, ‘জেলায় জেলায় অন্য রাজ্য থেকে আসা পর্যবেক্ষকরা স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি অবিশ্বাস দেখিয়েছেন। বাংলার রাজনীতি সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও নিজেদের রাজ্যের অভিজ্ঞতা বাংলায় প্রয়োগ করতে চেয়েছেন। বারবার বলেও কাজ হয়নি। যে ফল হতে চলেছে তাতে এটা স্পষ্ট যে, সেটা ঠিক হয়নি।’

বিজেপির অভ্যন্তরের পারস্পরিক দোষারোপ এখনও তীব্র ভাবে সামনে না এলেও এমন আলোচনাও শুরু হয়েছে যে, অনেক জায়গাতেই দলের পুরনো নেতা, কর্মীদের ওপরে ভরসা না রেখে অনভিজ্ঞদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত