আপডেট :

        বাজেট সংকটে রিভারসাইড কাউন্টিতে ৬২২ শেরিফের পদ কমানোর আশঙ্কা

        লস এঞ্জেলেস মেয়র নির্বাচনে বাসকে এগিয়ে দেখানো জরিপটি ভুয়া

        ই জিন ক্যারল মামলায় ট্রাম্পের আবেদন ফের খারিজ

        ওমানকে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের, ইরান চুক্তি নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা

        ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলিতে ৫ জন আহত, আলমারি থেকে তরুণ আটক

        ইউএসএস লিংকনে মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: মার্কিন কমান্ডার

        হারিকেন লালার তাণ্ডবে হাওয়াইয়ে শতাধিক বাড়ি ভেসে গেছে

        দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

        আদিবাসী সংরক্ষিত এলাকায় সীমান্ত দেয়াল: ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে আদালতের রায়

        ৫ ফ্রিওয়েতে ৮ লাখ ডলারের কোকেন জব্দ, গ্রেপ্তার চালক

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ফের তীব্র গরম, ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে তাপমাত্রা

        যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করছেন অনেক কানাডিয়ান, ভ্রমণে বেছে নিচ্ছেন নতুন গন্তব্য

        ভার্জিনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে গুলিতে আহত ৫, একাধিক সন্দেহভাজন পলাতক

        হাওয়াইয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় লালা, ৩৪ বছর পর সরাসরি আঘাতের আশঙ্কা

        দক্ষিণ লস এঞ্জেলেসের স্কুলে বন্দুকসহ শিক্ষার্থী আটক

        ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর নির্বাচনে বেসেরার বড় ব্যবধান, পিছিয়ে হিলটন

        লস এঞ্জেলেসে অভিযানে প্রায় ২ লাখ ডলারের চোরাই পণ্য উদ্ধার

        হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট পদ ছাড়ছেন

        টেক্সাসে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২

        ক্যালিফোর্নিয়ায় উবার-লিফট চালকদের ইউনিয়ন গঠনের পথে বড় অগ্রগতি

পশ্চিমবঙ্গে হার বিজেপিতে ক্ষোভ: অভিযোগের আঙুল মোদি-শাহের দিকে

পশ্চিমবঙ্গে হার বিজেপিতে ক্ষোভ: অভিযোগের আঙুল মোদি-শাহের দিকে

‘এ বার, ২০০ পার’ স্লোগান নিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে নির্বাচনের ভোট গণনার প্রথম পর্বে সেই স্লোগানের বদলে বিজেপি কার্যত ১০০ আসন পার হওয়া নিয়ে ভাবছে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তথা নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের দিকে আঙুল তোলা শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতাদের একাংশ।

নির্দিষ্ট করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম করে আঙুল না তুললেও বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের ইঙ্গিত স্পষ্ট। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির এক শীর্ষ নেতার ভাষায়, ‘সেনাপতি হয়েছিলেন যারা, জিতলে তারা কৃতিত্ব নিতেন। এখন হারের দায়ও তাদের নিতে হবে।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, প্রথম থেকেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব রাজ্যের হাত থেকে নিয়ে নেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কোন এলাকায় দল কেমন অবস্থায় রয়েছে তা দেখতে ৫ জন কেন্দ্রীয় নেতার হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপরে কী কী না করেছে বিজেপি! ২৯৪টি আসনে আলাদা আলাদা কর্মসূচি।

কৃষক সুরক্ষা যাত্রা থেকে কৃষকদের সঙ্গে ‘একসঙ্গে বসে খাবার খারওয়ার’ মতো কর্মসূচির পর কর্মসূচি পরিচালনা করেছে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই সব কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে রাজ্যে সাংগঠনিক কাজে জোর দেওয়া যায়নি বলে সেই সময়েই বিজেপির অনেক নেতা অভিযোগ তুলেছিলেন। তারা বলেছিলেন, ‘আমরা জিতলে রাজ্যের সংগঠনের জোরেই জিতব। আর হারলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কর্মকাণ্ডের জন্য।’

রোববার নির্বাচনী ফলাফলের প্রাথমিক ধারণা সামনে আসার পরপরই সেই নেতারা আরও স্পষ্ট করে সেসব অভিযোগ তুলছেন। রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতা বলছেন, ‘জেলায় জেলায় অন্য রাজ্য থেকে আসা পর্যবেক্ষকরা স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি অবিশ্বাস দেখিয়েছেন। বাংলার রাজনীতি সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও নিজেদের রাজ্যের অভিজ্ঞতা বাংলায় প্রয়োগ করতে চেয়েছেন। বারবার বলেও কাজ হয়নি। যে ফল হতে চলেছে তাতে এটা স্পষ্ট যে, সেটা ঠিক হয়নি।’

বিজেপির অভ্যন্তরের পারস্পরিক দোষারোপ এখনও তীব্র ভাবে সামনে না এলেও এমন আলোচনাও শুরু হয়েছে যে, অনেক জায়গাতেই দলের পুরনো নেতা, কর্মীদের ওপরে ভরসা না রেখে অনভিজ্ঞদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত