আপডেট :

        ক্যালিফোর্নিয়ার করোনা হাইস্কুলে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে রিভারসাইড কাউন্টির দুই কিশোর গ্রেপ্তার

        প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঝড় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায়, বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ

        টানা ৯০০ মাইল সাঁতরে ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূল পাড়ি, প্রথম নারী হিসেবে রেকর্ড গড়লেন তিনি

        ক্যালিফোর্নিয়ার মৃত গাছগুলো কোথায় যাচ্ছে, রহস্য খুঁজতে গোয়েন্দার ভূমিকায় পরিবেশকর্মী

        ভয়ংকর ঢেউয়ে ধ্বংস হচ্ছে লং বিচের উপদ্বীপ, শীতের এল নিনোতে আরও বাড়তে পারে বিপর্যয়

        পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের বৈঠকের সময় রাশিয়ার মুক্তি পেলেন মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ড

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ৭ হাজারের বেশি ভোটার পেলেন দুটি করে ব্যালট, ভুলটি যেভাবে হলো

        এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের ভর্তি নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা, বদলাতে পারে স্কুলের নিয়ম

        জ্বালানির উচ্চ দাম ও সরকারি প্রণোদনায় ইউরোপে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি রেকর্ড গতিতে বাড়ছে

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইলন মাস্কের

        যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১৫ লাখ পাউন্ডের বেশি হট ডগ, ডেলি মিট ও অন্যান্য মাংসজাত পণ্য প্রত্যাহার

        ক্যালিফোর্নিয়ায় নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে ২৮ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা

        লস এঞ্জেলেসের আলোচিত ‘আবর্জনার বাড়ি’ আবারও ভরে গেছে, নগর কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ প্রতিবেশীরা

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় কমছে তাপমাত্রা, সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনায় আবহাওয়ায় পরিবর্তনের আভাস

        লিংকন মেমোরিয়াল পুলে ভাঙচুর হলে কী হবে, নতুন মন্তব্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন ট্রাম্প

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ভাগ্য বদলের চমক, আনাহেইমে বিক্রি হলো ৬৪ মিলিয়ন ডলারের লটারি টিকিট

        পর্যটনের নতুন স্বপ্ন ঘিরে বিতর্ক, উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার দীর্ঘ ট্রেইল নিয়ে উদ্বেগে আদিবাসীরা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথমবার আদিবাসীদের নেতৃত্বে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা গড়ার উদ্যোগ

        লস এঞ্জেলেসের পরবর্তী মেয়রের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, এলএএক্সের পিপল মুভার প্রকল্পেই স্পষ্ট সমস্যা

        যুক্তরাষ্ট্রে ঘরে তৈরি ও কৃত্রিম মা দকের বিস্তার, আরও গভীর হচ্ছে জনস্বাস্থ্য সংকট

বিস্তার করছে ইসলামপন্থী আন্দোলন, লক্ষ্য ‘খিলাফত’

বিস্তার করছে ইসলামপন্থী আন্দোলন, লক্ষ্য ‘খিলাফত’

ইসলামপন্থী আন্দোলন ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ ফ্রান্সে তাদের প্রভাব বিস্তার করে চলছে। এই আন্দোলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে দেশটিকে শরিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত খিলাফতের অংশ করা।


ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিরেক্টরেট ফর টেরিটোরিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রধান বার্ট্রান্ড চামোলাউড চলতি সপ্তাহে ফরাসি দৈনিক লে মঁদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই মন্তব্য করেন।


তিনি বলেন, মুসলিম ব্রাদারহুড পরিচালিত মসজিদগুলোতে লাখেরও বেশি মুসল্লি উপস্থিত থাকেন। তারা সহিংসতার পরিবর্তে 'খুব সাবলীল' বক্তৃতার মাধ্যমে তাদের ধারণা ছড়িয়ে দেন।

বার্ট্রান্ড চামোলাউড বিষয়টিকে ভালোভাবে দেখছেন না বলেও জানান। তিনি বলেন, এটি আমাদের উদ্বিগ্ন করে, কারণ তাদের প্রবেশ সমস্ত ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করছে।


চামোলাদ বলেন, যখনই একটি মসজিদ বন্ধ করা হয় বা একজন ইমামকে বহিষ্কার করা হয়, তখন ইসলামপন্থীরা 'ইসলামফোবিক রাষ্ট্র' বলে এর নিন্দা করে।

তিনি উদাহরণ হিসেবে কালেক্টিভ এগেইনস্ট ইসলামোফোবিয়া ইন ফ্রান্স বা 'ফ্রান্সে ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে যৌথ' নামক আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেন। এটি ২০০৩ সালে মুসলমানদের প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

২০২০ সালে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আন্দোলনটি 'ইসলামোফোবিয়া' শব্দ ব্যবহারের কারণে ফ্রান্সে বারবার সমালোচিত হয়। তাদের সঙ্গে 'ইসলামপন্থী যোগসাজশ' রয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়।

দ্য সোসাইটি অফ দ্য মুসলিম ব্রাদার্স, মুসলিম ব্রাদারহুড নামে বেশি পরিচিত। এটি একটি বহুজাতিক সুন্নি ইসলামপন্থী সংগঠন। ১৯২৮ সালে মিশরে একজন ইসলামিক পণ্ডিত এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি সমাজের সকল ক্ষেত্রে ইসলামী আইন প্রয়োগকে সমর্থন করে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে মুসলিম প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিদেশি প্রভাব সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটির পরিসংখ্যান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭০ লাখ মুসলমানের বসবাস ফ্রান্সে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ। ক্যাথলিক ধর্মের পরে ইসলাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম।

 

এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত