বুলিং ও অর্থ ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বাধা চাইলেন ইউসিএলএ কর্মকর্তা
হিটলারের আনবিক বোমার সন্ধান!
জার্মানির এক শৌখিন ঐতিহাসিক দাবি করেছেন তিনি হিটলারের আনবিক বোমার সন্ধান পেয়েছেন। ওই শৌখিন ঐতিহাসিক (যারা শখের বসে ইতিহাস চর্চা করে থাকেন) জার্মানির পূর্বাঞ্চলের ভূগর্ভস্থ বাংকারে এই বোমার সন্ধান পেয়েছেন বলে দাবি করেন।
সৌখিন ওই ঐতিহাসিক ৭০ বছর বয়স্ক পিটার লোর থুরিঙ্গিয়া এলাকার জোনাস উপত্যকায় অনুসন্ধানের সময়ে ভূগর্ভে ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত করতে সক্ষম জিও রাডার ব্যবহার করেন। মেকানিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং-এ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোর বলেন, রাডারের সংকেত দেখে মনে হয়, বাঙ্কারে বিশাল আকারের পাঁচটি ধাতব বস্তু রয়েছে।
এরপর তিনি জানার চেষ্টা করেন ওগুলো কি ধরনের বস্তু। এরপর ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি জানতে পারেন, বিশাল পাঁচটি বস্তুর অন্তত দুটি পারমাণবিক বোমার মত।
৭১ বছর ধরে ধাতববস্তুগুলো ভূগর্ভে পড়ে আছে। বস্তুগুলোর কোনো কোনো জায়গা ক্ষয়ে গেছে বলে তিনি জানান। স্থানীয় পত্রিকা বিল্ডকে তিনি বলেন যেহেতু এগুলো ক্ষয়ে যাচ্ছে এ কারণে এ থেকে চেরনোবিলের মতো আরেকটি পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এরই মধ্যে জার্মান কর্তৃপক্ষ লোরকে তার গবেষণা কাজ বন্ধ রাখতে বলেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে জোনাস উপত্যকার পার্বত্যময় এলাকায় যুদ্ধবন্দিদের দিয়ে জোর করে অন্তত ২৫টি সুড়ঙ্গপথ খুড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই সেগুলো আবার পরিত্যাগ করা হয়। কিন্তু কেন এগুলো খোড়া হয়, আবার কেনই বা পরিত্যাগ করা হয় তা শেষ পর্যন্ত ধোয়াশা হয়েই রয়ে গেছে পৃথিবীর মানুষের কাছে। ওহরড্রাফ বন্দিশিবির এবং জোনাস উপত্যকা আমেরিকান সৈন্যরা দখলে নেয় ১৯৪৫ সালের ৪ এপ্রিল।
সেখানে প্রবেশ করেই আমেরিকানরা ডিনামাইটের বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে সুরঙ্গগুলোর প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেয়। এরপর সরিয়ে নেয়া হয় প্রযুক্তিগত সব সরঞ্জাম। এছাড়া ওহারড্রাফ বন্দিশিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র কমপক্ষে এক শ’ বছরের জন্য গোপন রাখার ব্যবস্থা করা হয়।
২০১৫ সালে দুজন শখের ঐতিহাসিক দাবি করেন যে, পোল্যান্ডের একটি সুড়ঙ্গ পথে তারা নাৎসি সোনা বোঝাই একটি ট্রেন খুঁজে পেয়েছেন। কিন্তু সেখানে তল্লাশি চালিয়ে কিছুই পাওয়া যায়নি।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন