আপডেট :

        অবসরে রোমান সানা

        বিদায় নিচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

        বিমান থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের

        বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস

        আবদুল কাদের জিলানী (র:) এর মাজার জিয়ারতের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

        মিসরে পৌঁছেছে হামাস

        কারাগারে ওসমানীর সাদেক

        দ্রুত বিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল পাস

        বিজেপির প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

        শাবি প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির অভিষেক

        অনির্বাচিত কেউ সংসদে আসতে পারে না: সংসদ স্পিকার

        পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

        সময়ের আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

        এবারের নির্বাচন সবচেয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

        এই বাংলাদেশির জন্য ২০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার

        কৃষি বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা

        বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমবেদনা

        মন্ত্রীর সংবর্ধনায় দু’পক্ষের উত্তেজনা, চেয়ার ভাঙচুর

        যুক্তরাজ্যে গেলেন রাষ্ট্রপতি

        বাসচাপায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

‘এ’ প্লাস ক‍্যাপসুল পাবে ৪ লাখ ৩৪ হাজার শিশু

‘এ’ প্লাস ক‍্যাপসুল পাবে ৪ লাখ ৩৪ হাজার শিশু

দেশব‍্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে আগামী মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সিলেট অনুষ্ঠিত হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এদিন সিলেট জেলায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় সিলেট জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী এ তথ্য দেন।

পরে মূল প্রেজেন্টেশনে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডা. স্নিগ্ধা জানান, ‘আগামী ১২ ডিসেম্বর দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সারাদেশে পালন করা হবে। সিলেট জেলায় মোট স্থায়ী কেন্দ্র ১৩টি এবং অস্থায়ী কেন্দ্র ২৪০০টি। এই কেন্দ্রগুলোতে ১২ ডিসেম্বর ৬-১১ মাস বয়সী ৪৭,৬৫৫ জন শিশুকে ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৩,৮৬,৪৩১ জন শিশুকে ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।’

মতবিনিময় সভায় আরও জানানো হয়- শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা,স্বাভাবিক বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ‘এ’ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুপুষ্টি । ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা থেকে শুরু করে জেরোপথ্যালমিয়া র মত রোগ হতে পারে যাতে চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ লোপ পেতে পারে। এছাড়া ভিটামিন এ এর অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল বৃদ্ধি পায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও ত্বকের শুষ্কতা বৃদ্ধি পায়।

এতে বলা হয়- জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা তাই সম্পূরক খাদ্য হিসেবে বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। কোভিড ১৯ প্রেক্ষাপটে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন এর গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে কারন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খেলে কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এ লক্ষ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশু দের জন্য নীল ক্যাপসুল (১ লক্ষ ইউনিট ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য লাল ক্যাপসুল (২ লক্ষ ইউনিট) খাওয়ানো হবে ।

এছাড়া জন্মের পর পর ই নবজাতককে শাল দুধ খাওয়ানো, জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো, শিশুর ৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি অন্যান্য সুষম খাবার খাওয়ানো, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবুজ শাক সবজি ও হলুদ ফল মূল খাওয়ানো এবং রান্নায় ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্য তেল ব্যবহার করা এ সকল পুষ্টি বার্তা ও প্রদান করা হবে।

এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত