যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৯ অগাস্ট, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 01:18am

|   লন্ডন - 08:18pm

|   নিউইয়র্ক - 03:18pm

  সর্বশেষ :

  পদ্মা সেতু নির্মাণের মেয়াদ ও ব্যয় দুটোই বাড়ছে   ডেঙ্গুতে আরো ৫ জনের মৃত্যু   ৩০ বছরে তলিয়ে যেতে পারে জাকার্তা   গ্রীনল্যান্ড বিক্রির প্রস্তাব হাস্যকর : ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী   গ্রীনল্যান্ড বিক্রির প্রস্তাব হাস্যকর : ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী   ভার্জিনিয়াতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা   গভীর চক্রান্তে হজ্জ, মুসলিম সেজে বোরকা পরে মদিনায় মহিলা সেকশনে পুরুষ ই’হুদী চর   পুড়ে যাওয়া বস্তি যেন দর্শনীয় স্থান!   ডেঙ্গু: চব্বিশ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৭০৬   আসামের এনআরসি ও কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল: নেপথ্যে মোদির মুসলিমবিদ্বেষ   কাশ্মীর ইস্যুতে আরব দেশগুলোর নীরবতার নেপথ্য কারণ কী?   কাবুলে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা, নিহত ৬৩   মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর সোহেল’র ইন্তেকাল   ভারতের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার এখন ফ্যাসিস্ট মোদির হাতে : ইমরান খানের হুঁশিয়ারি   রাঙ্গামাটিতে সন্ত্রাসীদের সাথে গুলি বিনিময়ে এক সেনাসদস্য নিহত

মূল পাতা   >>   কলাম

এবারের নির্বাচন সাঈদী মুক্তির নির্বাচন

সিরাজী এম আর মোস্তাক, নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-২৫ ১৪:১৬:৩৯

সিরাজী এম আর মোস্তাক: মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার। এ ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক হলেও, এর বিচারক ও অপরাধী সবাই বাঙ্গালী। আওয়ামীলীগের বিচারকগণ এ ট্রাইব্যুনালে বসে পাকবাহিনীর পরিবর্তে শুধু নিজের দেশের নাগরিকদের অভিযুক্ত করেছেন। তারা প্রমাণ করেছেন, ১৯৭১ সালে সকল অপরাধকর্ম বাঙ্গালিরাই করেছে। পাকবাহিনী অপরাধী নয়। বাঙ্গালিরাই ৩০লাখ শহীদের ঘাতক। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তেমনি একজন বাঙ্গালী ঘাতক। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে দেশেই ছিলেন। পাকবাহিনী থেকে বাঁচতে ভারতে যাননি। তিনি বঙ্গবন্ধু জামাতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রয়াত ড. ওয়াজেদ মিয়াসহ যুদ্ধকালে মহকুমা প্রশাসক ম.খা. আলমগীর ও অন্যান্যদের মতো পাকিস্তান সরকারের বেতনভুক্ত আমলা বা ভাতাপ্রাপ্ত রাজাকার ছিলেন না। তিনি বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে কোলাবরেটরস্ বা দালাল আইনে পরিচালিত মামলার আসামীও ছিলেননা। তিনি ছিলেন যুদ্ধাক্রান্ত, ভুক্তভোগী ও একজন সাধারণ বাঙ্গালী। তিনি বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দানকারী সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালির অন্তর্ভুক্ত। অথচ স্বাধীনতার ৪০ বছর পর, তিনি বাংলাদেশের আওয়ামী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত।
মাওলানা সাঈদী যে ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত হয়েছেন, এটি বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরদের ট্রাইব্যুনাল। মীরজাফর যেভাবে নিজ দেশের স্বাধীনতা ইংরেজদের কাছে বিকিয়েছিল, তেমনি আওয়ামী বিচারকগণ আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে পাকবাহিনীর পরিবর্তে বাঙ্গালীদের অভিযুক্ত করে নিজ দেশকে কলঙ্কিত করেছে। তারা পাকবাহিনীর অপরাধ খুঁজে পায়নি। তারা পাকবাহিনীর অপরাধে সাঈদীকে অভিযুক্ত করেছে। এ বিচারে পাকিস্তানিরা কলঙ্কিত হয়নি, বাঙ্গালীরাই কলঙ্কিত হয়েছে। এখন বাংলাদেশের নাগরিকগণ বিদেশে গেলে ঘাতক, যুদ্ধাপরাধী ও তাদের প্রজন্ম হিসেবে লান্থিত হয়। পাকিস্তানিরা লান্থিত হয়না। আওয়ামী বিচারকগণ তাদের নিজস্ব আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সাঈদীকে অভিযুক্ত করে এভাবেই বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করেছে।
দেশের জনগণ বাংলাদেশকে যেভাবে চেনে, সাঈদীকেও তেমনি চেনে। সাঈদী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার, জনগণ তা ভালোভাবেই জানে। জনগণ সাঈদীর জন্য প্রাণ দিতেও জানে। সাঈদীকে চাঁদে দেখার গুজবে শত শত মানুষ গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছে মাত্র একদিনে। সাঈদীভক্ত এ বিশাল জনতা সাঈদীকে মুক্ত করতে জীবন দিয়ে হলেও ভূমিকা রাখবে, একাদশ নির্বাচনে। তারা আওয়ামীলীগকে হটাবে, মূলত দুটি কারণে। তাহলো- সাঈদীর মুক্তি ও বাংলাদেশ থেকে যুদ্ধাপরাধের কলঙ্ক মোচনে। তাই এবারের শ্লোগান- একাদশ নির্বাচন সাঈদী মুক্তির নির্বাচন। একাদশ নির্বাচন কলঙ্ক মুক্তির নির্বাচন।
এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পরাজয় হলে, সাঈদী মুক্ত হবে। আর সাঈদী মুক্ত হলে, বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধের কলঙ্কমুক্ত হবে। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়ন হবে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দানকারী ১৯৭১ এর সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালী মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃত হবে। প্রাণ বিসর্জনকারী ৩০লাখ শহীদও মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃত হবে। প্রচলিত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা, প্রদত্ত ভাতা ও মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আর বাঙ্গালী নয়, পাকবাহিনী অভিযুক্ত হবে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৩০ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত