মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে দিতে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়: মিজানুর রহমান মিজু
বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর দেশ থেকে চিরতরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে ফেলতে জাতীয় চার নেতাকে জেলে হত্যা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান জননেতা মিজানুর রহমান মিজু।
সম্প্রতি রাজধানীর মেহেরা প্লাজায় জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মিজানুর রহমান মিজু বলেন, “৩রা নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর ও কলঙ্কময় দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় এই দিনটি। বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম দেশটিকে পরাজিত শক্তিরা তাদের কব্জায় নেওয়ার জন্য ইতিহাসের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল ১৯৭৫ সালে। স্বাধীনতা প্রাপ্তির সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় ১৫ আগস্ট ভোরে। এর আড়াই মাস পর ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে চার জাতীয় নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। কারারুদ্ধ থাকা অবস্থায় বর্বরোচিত এ ধরনের হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।”
তিনি বলেন, “৭৫’র সেই প্রতাত্মারা এখনো সক্রিয়। ইতোমধ্যে তারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে তৎপর হয়েছে। তাদেরকে প্রতিহত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রত্যেকটি স্বাধীনতা প্রিয় মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কোনোভাবেই তাদেরকে আরেকটি ১৫ই আগষ্ট বা ৩রা নভেম্বর ঘটানোর সুযোগ দেয়া যাবে না। স্বাধীনতা বিরোধী সকল শক্তিকে দেশ থেকে সমূলে নির্মূল করতে হবে।”
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (শাহজাহান সিরাজ) এর সভাপতি আব্দুল জলিল, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কাজী মাসুদ আহমেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান এ. আর. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মুফতি মাসুম বিল্লাহ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা ওবায়দুল হক, তৃণমূল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মো. আক্কাস আলী খান, জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আবু আহাত দিপু মীর, নারীনেত্রী রোকসানা আমিন সুরমা, এলিজা রহমান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির যুগ্ম সম্পাদক সি এম মানিক, ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা উত্তরের সভাপতি মঈনুল হোসেন মিলন জোয়ার্দার সহ পার্টির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে জাতীয় চার নেতার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
এলএবাংলাটাইমস/এনএইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার করুন