আপডেট :

        ইসরায়েলের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ, আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি নেতানিয়াহুর দলের

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ি কেনা সহজ করতে ২৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি, ভোট হবে প্রস্তাব ৩৭-এ

        আবাসন ব্যয় কমানোর লক্ষ্য, ক্যালিফোর্নিয়ায় পরিবেশগত পর্যালোচনার নিয়ম বদলাতে প্রস্তাব ৪৫

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রেনের পণ্য চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৯, সিনালোয়া কার্টেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার দাবি পুলিশের

        কোরিয়ান স্পার ভিড় পেরিয়ে লস এঞ্জেলেসে রুশ বাথহাউসের ভিন্ন জগৎ, আছে পুরোনো ঐতিহ্য

        কাজ করে, গাড়ি চালায়, করও দেয় কিশোরেরা, এবার ভোটাধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ক্যালিফোর্নিয়ার এই শহর

        হলিউড সাইনের পাশে বসবাস যেন দুর্ভোগ, পর্যটকদের ফেলে যাওয়া ময়লায় অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা

        নিউপোর্ট বিচে এল নিনোর দাপট, জোয়ার ও বন্যার চাপে বিপর্যস্ত উপকূলীয় জনজীবন

        লস এঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে ব্যবধান ঘুচিয়ে রমনের সঙ্গে সমান অবস্থানে বাস, বলছে নতুন জরিপ

        কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্পের পরিবার থেকে পেন্টাগন, চারটি তদন্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে ডেমোক্র্যাটরা

        যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কিংবদন্তি ডোলোরেস হুয়ের্তার মৃত্যু, ৯৬ বছর বয়সে থামল দীর্ঘ সংগ্রাম

        ক্যালিফোর্নিয়ার নির্বাচনে ১৪ প্রস্তাব, ভোটারদের সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে আবাসন, কর ও পরিবেশনীতি

        মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েও চাপে ট্রাম্প, বাইডেনের মতো একই সংকটে হোয়াইট হাউ

        ইরানের গোয়েন্দা সংস্থাকে সহায়তার অভিযোগে ব্রিটেনে দুই নাগরিক অভিযুক্ত, তদন্তে নতুন মোড়

        ৬০ লাখ ডলারে বিক্রির অপেক্ষায় বিরল ডাইনোসরের কঙ্কাল, জনসমক্ষে দেখা যাবে কি ভবিষ্যতে

        হ্যালোইন সাইকেল রাইডে গাড়ির ধাক্কায় দুইজনের মৃ ত্যু, এক ব্যক্তিকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গেল চালক

        ক্যানসারের চিকিৎসার মধ্যে আইনজীবীকে বিষ দিয়ে হ ত্যার অভিযোগ, সম্পত্তি দখলে সৎপুত্র গ্রেপ্তার

        হাসপাতাল ও ক্লিনিক বাড়াচ্ছে ইউসিএলএ, তবু কম আয়ের রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে কয়েক দিনের বন্যার শঙ্কা, রেকর্ড উচ্চতায় উঠতে পারে সমুদ্রের পানি

        ক্যালিফোর্নিয়ার বিলাসবহুল প্রাসাদে সারোগেসিতে জন্ম নেওয়া ২৬ শিশু, নি র্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার দম্পতি

প্রশাসনের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শীঘ্রই

প্রশাসনের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শীঘ্রই

এবার গণবিক্ষোভ আওয়ামীলীগের বিরূদ্ধে নয়; নীতিবিবর্জিত ও স্বার্থান্ধ প্রশাসনের বিরূদ্ধে। জনগণ যেকোন সময় প্রশাসনের বিরূদ্ধে গণবিক্ষোভে ফেটে পড়তে পারে। প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ আওয়ামীলীগ সরকারের কাছ থেকে বেপরোয়া সুযোগ-সুবিধা পেয়ে স্বার্থান্ধ ও তাবেদারে পরিণত হয়েছে। তারা ইতিহাসের নিকৃষ্টতম প্রশাসক বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরের স্বার্থান্ধ ও তাবেদারি চরিত্রকেও হার মানিয়েছে। মীরজাফর স্বার্থের মোহে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার স্বাধীনতা ইংরেজদের কাছে বিকিয়েছে। বর্তমান প্রশাসন স্বার্থের বশে একাদশ নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে অন্যায়ভাবে আওয়ামীলীগকে বিজয়ী করেছে। অথচ তাদের স্বার্থ জনগণের করের পয়সা থেকেই আসে। তারা তাদের মেধা, মনন ও নৈতিকতার গৌরবোজ্জ্বল অবস্থান থেকে কলঙ্কের আস্তাকুড়েঁ পতিত হয়েছে। এর মূল নায়ক সাবেক প্রশাসক ও বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। পুলিশ, সেনা, বিজিবি ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাও নিকৃষ্ট ভূমিকা পালন করেছে। নির্বাচনের পূর্বমুহুর্তে বিরোধী নেতাকর্মীদের বেআইনী আটক করে ইতিহাসে কালো অধ্যায় সূচণা করেছে। জনগণ তাদের করের পয়সায় এমন অন্ধ ও তাবেদার প্রশাসন পুষবেনা। দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে তাবেদার প্রশাসনকে সরিয়ে তদস্থলে যোগ্যদের নিযুক্ত করবে।
একাদশ নির্বাচনের পর জনগণ আওয়ামীলীগকে গ্রহণ করেছে ইংরেজ শাসক হিসেবে আর বর্তমান প্রশাসনকে গ্রহণ করেছে বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর হিসেবে। বাংলার জনগণ ইংরেজদের চেয়ে বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরকে অধিক ঘৃণা করে। একাদশ নির্বাচনের পর বর্তমান প্রশাসনও তেমনি ঘৃণিত হয়েছে। এখন গণআন্দোলনের পালা। জনগণ তাবেদার প্রশাসনের বিরূদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলবে।
১৯৭১ সালে এদেশের অসংখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা পাক হানাদার বাহিনীর তাবেদারি করেছে। তাদের মধ্যে বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জামাতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রয়াত ড, ওয়াজেদ মিয়া পরমাণু কমিশনের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া ম, খা, আলমগীর ও আশিকুর রহমান গং মহকুমা প্রশাসক ছিলেন। তারা পাক হানাদারদের তাবেদারি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন বাধাগ্রস্থ করেছে। দেশের জনগণ তাদের ক্ষমা করেনি। অধিকাংশই করুণ পরিণতি ভোগ করেছে। বাঙ্গালি জাতির পিতা নিজের জামাতার প্রতি দয়াপরবশ হয়ে কতিপয়কে দায়মুক্ত করেছেন। নইলে তাদের পরিণতিও একই হতো। বর্তমান প্রশাসন তাদের চেয়েও নিকৃষ্ট। তারা জনগণের মৌলিক অধিকার ও ভোটাধিকার কেড়ে বেপরোয়া গুম, খুন ও অবিচারে মেতেছে। একটি অনুমিত সুত্র থেকে জানা গেছে, আওয়ামীলীগ সরকার বেশ কয়েকজন জেলা প্রশাসককে দু’একটি করে আসন ঐক্যফ্রন্টকে ছাড়তে বলেছিল। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তারা অতি উৎসাহী হয়ে নিজেদের পদোন্নতির আশায় একচেটিয়া আওয়ামীলীগকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে। এতে নির্বাচন শতভাগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগও অতি উৎসাহী কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছে। তারাও প্রশাসনের বিরূদ্ধে গণবিক্ষোভে অংশ নিতে পারে। মূলত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় বর্তমান মীরজাফর প্রশাসনকে হটানো জরুরী।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত