Updates :

        সামলে উঠছে বিপর্যস্ত অর্থনীতি, তবে কাটেনি শঙ্কা

        নির্বাচনে বাগড়া দিলে দেশব্যাপী আন্দোলনের হুমকি

        শীঘ্রই দৈনিক ১ লাখ বাসিন্দা আক্রান্ত হবে করোনায়

        দেশজুড়ে জরিপে এগিয়ে বাইডেন, তবে স্বস্তি নেই শিবিরে

        প্যাটারসনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুই বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী

        মাস্ক পড়তে বলায় গার্ডকে ছুরিকাঘাত করলো দুই বোন!

        মহানবী ( সা.) এর কার্টুন প্রকাশে জাতিসংঘের উদ্বেগ

        নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়ে যা বললেন সাকিব

        মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ লিখতে হবে

        দেশে করোনায় ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮১

        ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্যে ম্যাক্রোঁকে পূর্ণ সমর্থন জানালো ভারত

        রায়হান হত্যাকাণ্ড: আরেক পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

        কুর্দিদের না সরালে সিরিয়ায় সামরিক হামলার হুমকি তুরস্কের

        মাল্টিব্রান্ড ইনফোটেক-এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

        ৮ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান পেল স্বাধীনতা পুরস্কার

        ফ্রান্সে ফের লকডাউন জারি

        সৌদিআরবে বিলুপ্ত হচ্ছে কফিল পদ্ধতি

        এন্টিবডি ড্রাগ উৎপাদনের চুক্তি করলো যুক্তরাষ্ট্র

        ট্রাম্পের ২৭০ মিলিয়ন ডলার দেনা মওকুফ করলেন পাওনাদার!

        ধেয়ে আসছে হারিকেন জেটা, সতর্কতা সংকেত জারি

এসএমপির ফাঁড়িগুলো যেন টাকার খনি!

এসএমপির ফাঁড়িগুলো যেন টাকার খনি!

সেটা খুব সম্ভব আমার ভারত যাওয়ার ঠিক দশ বা পনের দিন আগের ঘটনা। সাল ২০১৯! মাস জুলাই।  আমি তখন দৈনিক জালালাবাদ এর ক্রাইম বিটের দায়িত্ব পালন করছি।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) এর কোতোয়ালি থানার বন্দর ফাঁড়ির ইনচার্জ তখনকার  এস আই আমার পূর্ব পরিচিত।  পাঠানটুলায় আমি যে বাসায় থাকতাম, তার অন্যপাশের এক বাসায় থাকেন সেই পুলিশ সাহেব। তাঁর ফাঁড়ির এক এ এস আই( যিনি সদ্য কনেষ্টেবল থেকে এএসআই হয়েছেন।) ভোরে ক্বীনব্রীজের পাশ থেকে এক জোড়া ছেলে মেয়ে আটক করেছেন। যারা দাবি করছিলো, ঢাকা থেকে চাকুরীর পরিক্ষা দিয়ে আসছে বলে। তিনি তাদের কে অন্য বিষয়ে ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে টাকা চান!

পরে ওদের পরিচিত এসএমপির বড় এক কর্মকতার ফোনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মাত্র কয়দিন পর, সিলেটে বেড়াতে আসা এক মহিলাকে একই রকম ফাঁসানোর ঘটনা সবার নজরে আসলে এ নিয়ে আলোচনা- সমালোচনা শুরু হয়। এই ঘটনাটি ঘটে শাহজালাল মাজার ফাঁড়িতে!

রাত গভীর হলেই ফাঁড়িগুলোতে টাকার ধান্দা শুরু হয়।
এই ঘটনাটি আমাকে নিজ থেকে শুনান সেই বর্ড়কতা, খুব মায়া করতেন এসএমপির সেই বড় কর্তা আমাকে। বলেন, ভাই এই ফাঁড়ির সব অবৈধ কাজের ভাগ কমিশনার, এসি, ওসি-সহ অনেকেই পান। তাই ওসির খুব বিশ্বস্থ না হলে এই ফাড়িতে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয় না।

হ্যাঁ, এই বড় কর্তা শুধু পদবীতে ছিলেন। কারণ তিনি নিজেও কিছু করার ক্ষমতা রাখেন না বলে আফসোস করেছেন। কিন্তু আমার সময় কম থাকায় আর অনুসন্ধান করে নিউজ করতে পারি নি!

তাই ফাঁড়ির এই বিষয়গুলো বিশদ ভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। একই অবস্থা, কদমতলী বাস স্ট্যান্ড ফাঁড়ি ও শাহপরান ফাঁড়ির!  সেখানে মানুষ কে দিয়ে টাকা বানানো হয়। রাত হলেই টাকা উড়ে এসব ফাঁড়িতে। এর ভাগ সবাই পান।

রায়হানকে ফাঁড়িতে মেরে ফেলার পর শুধু বরখাস্ত করা হয়েছে এস আই আকবর ও অন্যদের।  আসামীদের বিরোদ্ধে খুনের প্রমাণ থাকার পরও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না?

পুলিশের দায়িত্বশীলতার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে!


লেখকঃ প্রবাসী সাংবাদিক

শেয়ার করুন