আপডেট :

        পেনসিলভানিয়ার রিসোর্টে স্বামী ও তিন বছরের ছেলেকে ছু রিকাঘাতে হ ত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার নারী

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন দাবানল, সামনে শক্তিশালী সান্তা আনা বাতাস ও রেড ফ্ল্যাগ সতর্কতা

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার হান্টিংটন বিচে বিশাল সাদা হাঙরের দেখা, সমুদ্রের পানি থেকে দূরে থাকার সতর্কতা

        আইসিইর অভিযান ও প্যালিসেডসের আগুন নিয়ে বিতর্ক, মেয়র পদে শেষ লড়াইয়ে বাস-রামানের পাল্টাপাল্টি আক্রমণ

        টুপাক শাকুর হ ত্যাকাণ্ডে বড় রায়, সাবেক গ্যাংপ্রধান ডুয়েন ডেভিসের ৪০ বছরের কারাদণ্ড

        শিকাগো ম্যারাথনে একাই দৌড়াতে গিয়ে অবাক ইথান, শত শত অপরিচিত মানুষের উল্লাসে আবেগাপ্লুত ব্রিটিশ তরুণ

        দলবদ্ধ যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ঘিরে চাপের মুখে কর্নেল, ভ্রাতৃসংঘের পার্টিতে জারি নিষেধাজ্ঞা

        সমুদ্রের তাপমাত্রা বদলাতেই দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় আসছে অচেনা সব সামুদ্রিক প্রাণী

        ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ১৫ হাজার মানুষকে বহিষ্কার, জানাল ইউসিএলএর গবেষণা

        সহকর্মীর বিরুদ্ধে বিষপ্রয়োগের অভিযোগ, কারাদণ্ড এড়ানো ব্যক্তির গোপন ভিডিও প্রকাশ করলেন ভুক্তভোগী

        লস এঞ্জেলেসে দুই ছেলেকে গু লি করে হ ত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে, পরে নিজেকেও গু লি

        হ্যাকারদের কবলে ফ্রান্সের সুপারমার্কেট, ফ্রিজে তাপমাত্রা বাড়িয়ে আগুন ও খাদ্যপণ্য নষ্ট

        ইলহান ওমরের বাড়িতে অভিবাসন কর্মকর্তাদের তল্লাশি, তদন্তের কারণ নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক বিতর্ক

        সিক্স ফ্ল্যাগসে রোলারকোস্টার দুর্ঘটনায় একজনের মৃ ত্যু, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন

        সোমবারও বৃষ্টি থাকবে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায়, এরপর আবারও বাড়বে তাপমাত্রা

        ঝড় র‍্যাচেলের বিপদ কাটলেও দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন শঙ্কা, সামনে দাবানলের ঝুঁকি বাড়াবে সান্তা আনা বাতাস

        লস এঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় নিথ্যা রমন, নীতিগত অবস্থানে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন

        পুরোনো জনপ্রিয় নামেই নতুন গাড়ি আনছে জিপ, ফিরছে বহুল বিক্রীত রেনেগেড

        খরচ বাড়ছে, লাভ কমছে, তবু ট্রাম্পের প্রতি আনুগত্য ধরে রাখতে লড়ছেন মার্কিন খামারিরা

        জ্বালানি যুদ্ধবিরতির পরও রুশ হামলায় ইউক্রেনে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, অন্ধকারে বহু এলাকা

‘মুরসির রক্তের প্রতিটি ফোটা আমাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করবে’

‘মুরসির রক্তের প্রতিটি ফোটা আমাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করবে’


কারাগারে ‘চিকিৎসায় অভাবে’ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির পরিবারের ইচ্ছে ছিল তাকে নিজ শহরেই দাফন করা হোক। কিন্তু সিসি সরকার সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি।

ভোরের আলো ফোটার আগেই অনেকটা জোর করে নেসার সিটিতে তাকে দাফন করা হয়। মুরসির জানাজায় পরিবারের দু’একজন সদস্য ছাড়া অন্যদের অংশ নিতে দেয়া হয়নি।

কঠোর নিরাপত্তা সত্বেও মুরসির মৃত্যুর পরদিন মঙ্গলবার তার জন্মস্থানে কয়েক হাজার মানুষ গায়েবানা জানাজা আদায় করে। জানাজার পর পূর্বাঞ্চলীয় মস্কাট প্রদেশের আদওয়াহ এলাকার বিভিন্ন সড়কে মুরসির ছবি নিয়ে প্রতিবাদ জানায় এলাকাবাসী।

এ সময় বিভিন্ন ব্যানারে লেখা ছিল, ‘শহীদ মুরসি, তোমার রক্তের প্রতিটি ফোটা আমাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করবে। স্বৈরশাসকের পতন হবেই। মুরসির হত্যার জন্য সিসিই দায়ী।’

তারা জানায়, মুরসির রক্তের প্রতিটি ফোটা আমাদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করবে।

মঙ্গলবার ওই ঘটনার পর থেকে আদওয়া গ্রামে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। তবে ব্যাপক বিক্ষোভের আশঙ্কায় শনিবার থেকে সেনাবাহিনীকে নামানো হয়।

সেনাবাহিনী গত কয়েকদিন যাবত আদওয়া ও তার পাশ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ধরপাকড় চালাচ্ছে। এ সময় তারা বেশ কয়েকটি ঘর ভেঙে ফেলে এবং কয়েকজনকে আটক করে।

আটককৃতদের মধ্যে মুরসির কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও রয়েছেন। তাদেরকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি সেনাবাহিনী। তাদেরকে গুম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত