আপডেট :

        ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিভ্রাটের পর ভেরিজনের নেটওয়ার্ক সেবা স্বাভাবিক

        মিনিয়াপোলিসে আইসিই গুলিকাণ্ড ঘিরে বিচার বিভাগে নজিরবিহীন পদত্যাগ

        ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন কংগ্রেসনাল মানচিত্র বহাল রাখল ফেডারেল আদালত, ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়

        ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তে মানসিক স্বাস্থ্য ও মাদকাসক্তি খাতে ২ বিলিয়ন ডলার অনুদান বাতিল

        ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র, তালিকায় বাংলাদেশ

        ক্যালিফোর্নিয়ায় দুই বড় হোম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রিমিয়াম বাড়ছে

        ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে পারে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

        ভেনেজুয়েলায় আটক কিছু মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র

        ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুব শক্ত প্রতিক্রিয়া’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

        লস এঞ্জেলেসে সপ্তাহান্তে ICE তল্লাশিতে অন্তত এক ডজন মানুষ গ্রেফতার

        ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় লস এঞ্জেলেস কাউন্টির একাধিক সৈকতে সমুদ্রজলে সতর্কতা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় কাজের জায়গায় ল্যান্ডস্কেপার দম্পতিকে নির্মমভাবে মারধর, সরঞ্জাম লুট

        অরেঞ্জ কাউন্টিতে হাইস্কুল ফুটবল কোচের প্রাণ বাঁচালেন ছুটিতে থাকা ফায়ারফাইটার

        হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো

        ইরান ইস্যুতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে—জটিল সিদ্ধান্তের মুখে যুক্তরাষ্ট্র

        আইসিই এজেন্টের তহবিলে ১০ হাজার ডলার দিলেন বিল অ্যাকম্যান

        এলএ শেরিফের ডেপুটিকে দেওয়া কফির কাপে ‘শূকরের ছবি’

        ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ

        ইরানে বিক্ষোভে শতাধিক নিহত, ‘খুব শক্ত’ সামরিক বিকল্প ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

        মিনিয়াপোলিসে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণ, বহুজন গ্রেপ্তার

চীনের কাছ থেকেও ‘খয়রাতি’ নিয়েছিল ভারত, পরিমাণ বেশি বাংলাদেশ থেকেও

চীনের কাছ থেকেও ‘খয়রাতি’ নিয়েছিল ভারত, পরিমাণ বেশি বাংলাদেশ থেকেও

বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য বিনা শুল্কে রফতানির সুযোগ দিয়েছে চীন। তবে সম্প্রতি চীনের দেয়া এমন সুবিধাকে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম খয়রাতি উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অথচ এই ভারতই বিভিন্ন দেশ থেকে ঋণ নিয়েছে, দেশটির গণমাধ্যমের ভাষায় যা খয়রাতি। ২০০৫ সালে ভারতে চীনা দূতাবাস থেকে এমনই একটি অনুদান দেয়া হয় দেশটির কংগ্রেস পরিচালিত রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশনকে।

গেল বৃহস্পতিবার বিজেপি অভিযোগ করেছে, ভারতে অবস্থিত চীনা দূতাবাস থেকে অর্থ অনুদান পেয়েছে কংগ্রেস পরিচালিত রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশন। প্রথম ইউপিএ আমলে অর্থাৎ ২০০৫-০৬ সালে এই লেনদেন হয়েছে।

জানা গেছে, এই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধি। অন্য সদস্যরা হলেন-প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, রাহুল গান্ধি আর পি চিদম্বরম।

সম্প্রতি বিজেপির এমন অভিযোগের জবাবও দিয়েছে কংগ্রেস। তাদের যুক্তি, সাধারণ দাতা হিসেবে চীনা দূতাবাস ২০০৫-০৬ সালে এই অনুদান দিয়েছে।

আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদের প্রশ্ন, ইউপিএ সরকার কি চীন থেকে ঘুষ নিয়েছিল? এই অনুদান নেয়ার পরেই অবাধ বাণিজ্য করতে চীনা সংস্থাকে ভারতীয় বাজার ছেড়েছিল ইউপিএ সরকার। এটা কি সত্যি?

এমনকী, সরকারি কোনো নথিতে এই অনুদানের প্রসঙ্গ নেই। এমনটাও অভিযোগ তুলেছেন ওই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কংগ্রেসের প্রতি তার প্রশ্ন, কোন খাতে সেই অনুদান ব্যবহার করা হয়েছিল? জবাবদিহি করুক কংগ্রেস।

এদিকে, ভারতের বিদেশ থেকে নেয়া মোট খয়রাতির বা বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৩১ মার্চ, ২০২০ পর্যন্ত ৫৬৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। এই পরিমাণ খয়রাতি দেশটির মোট জিডিপির প্রায় ২০ শতাংশের বেশি। এই ঋণগুলো ভারত নিয়েছে বিভিন্ন মাল্টিল্যাটারাল, বাইল্যাটারাল উৎস থেকে- যার মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আইডিএ, আইবিআরডি, আইএফআইডি এবং অন্যান্য জায়গা থেকে।

মাল্টিল্যাটারাল উৎস থেকে ভারতের নেয়া খয়রাতি বা ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬০ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে বাইল্যাটারাল উৎসের ভেতর ভারত ঋণ করেছে জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র এমনকি চীন থেকেও। এসব উৎস থেকে পাওয়া ভারতের মোট ঋণ এখন ২৬.৩৩ বিলিয়ন ডলার।

ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের পাবলিক; ঋণ ২০২১ অর্থবছরে ৪০ দশমিক ১২ শতাংশ হতে পারে। ফিস্কাল মনিটরের এপ্রিল ২০২০ অনুযায়ী আইএমএফ শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান এবং নেপালের গ্রস ঋণ প্রকাশ করেছে। আইএমএফের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের মোট ঋণ এখন তাদের জিডিপির ৭৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই হিসাব অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক ঋণ মিলিয়ে।

এত ঋণ বা খয়রাতির বিপরীতে ভারতের রিজার্ভ আছে ১২ জুন, ২০২০ পর্যন্ত ৫০৭ দশমিক ৬৪৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বিদেশ থেকে নেয়া তাদের ঋণের পরিমাণ ৫৬৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন। এখানে উল্লেখ্য ভারতের এই রিজার্ভ তাদের স্বর্ণ রিজার্ভসহ। আরও নির্দিষ্ট করে বললে তাদের ৫০৭ দশমিক ৬৪৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের ভেতর ফরেন এক্সচেঞ্জ অ্যাসেটসের (এফসিএ) পরিমাণ ৪৬৮ দশমিক ৭৩৭ বিলিয়ন, স্বর্ণের রিজার্ভের বাজার মূল্য ৩৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন, এসডিএআরএস ১ দশমিক ৪৫৪ বিলিয়ন এবং বাকি ৪ দশমিক ২৮০ বিলিয়ন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কাছে।

এদিকে বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণও ভারতের থেকে অনেক কম। শতাংশের হিসাবে অর্ধেক। এখন প্রশ্ন থেকে যায় বাংলাদেশ সুবিধা পেলে ভারতের মিডিয়ায় যদি তা খয়রাতি বলে আখ্যায়িত হয় তবে ভারতের ঋণ কেন খয়রাতি হবে না?

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত