আপডেট :

        সমুদ্রের তাপমাত্রা বদলাতেই দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় আসছে অচেনা সব সামুদ্রিক প্রাণী

        ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ১৫ হাজার মানুষকে বহিষ্কার, জানাল ইউসিএলএর গবেষণা

        সহকর্মীর বিরুদ্ধে বিষপ্রয়োগের অভিযোগ, কারাদণ্ড এড়ানো ব্যক্তির গোপন ভিডিও প্রকাশ করলেন ভুক্তভোগী

        লস এঞ্জেলেসে দুই ছেলেকে গু লি করে হ ত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে, পরে নিজেকেও গু লি

        হ্যাকারদের কবলে ফ্রান্সের সুপারমার্কেট, ফ্রিজে তাপমাত্রা বাড়িয়ে আগুন ও খাদ্যপণ্য নষ্ট

        ইলহান ওমরের বাড়িতে অভিবাসন কর্মকর্তাদের তল্লাশি, তদন্তের কারণ নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক বিতর্ক

        সিক্স ফ্ল্যাগসে রোলারকোস্টার দুর্ঘটনায় একজনের মৃ ত্যু, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন

        সোমবারও বৃষ্টি থাকবে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায়, এরপর আবারও বাড়বে তাপমাত্রা

        ঝড় র‍্যাচেলের বিপদ কাটলেও দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন শঙ্কা, সামনে দাবানলের ঝুঁকি বাড়াবে সান্তা আনা বাতাস

        লস এঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় নিথ্যা রমন, নীতিগত অবস্থানে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন

        পুরোনো জনপ্রিয় নামেই নতুন গাড়ি আনছে জিপ, ফিরছে বহুল বিক্রীত রেনেগেড

        খরচ বাড়ছে, লাভ কমছে, তবু ট্রাম্পের প্রতি আনুগত্য ধরে রাখতে লড়ছেন মার্কিন খামারিরা

        জ্বালানি যুদ্ধবিরতির পরও রুশ হামলায় ইউক্রেনে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, অন্ধকারে বহু এলাকা

        উপকূলে বন্যার শঙ্কা, দেড় মাইল রুট বদলে শুরু হলো লং বিচ ম্যারাথন

        ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকতে পানিতে উপুড় হয়ে ছিলেন এক ব্যক্তি, পরে তাঁর মৃ ত্যুর খবর

        বাসের সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে উত্তাল বৈঠক, লস এঞ্জেলেসের গৃহহীন সেবা সংস্থা বদলের উদ্যোগে বাধা

        ঝড় র‍্যাচেলের প্রভাব কমলেও দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বন্যা অব্যাহত

        পেনসিলভানিয়ার বাড়িতে বন্দুক হামলায় নিহত আটজন, তাদের মধ্যে দুই শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারী

        রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিপজ্জনক মোড় নেওয়ার আশঙ্কা

        ১২ বছরের শিশুকে যৌন নি র্যা তনের অভিযোগে কুইন্সে ৭২ বছর বয়সী ব্যক্তি গ্রে প্তা র

রোহিঙ্গাদের গুলি করে মারার নির্দেশ ছিল, মিয়ানমারের দুই সেনার স্বীকারোক্তি

রোহিঙ্গাদের গুলি করে মারার নির্দেশ ছিল, মিয়ানমারের দুই সেনার স্বীকারোক্তি

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নৃশংসতার ভয়াবহ বর্ণনা দিয়েছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর দুই সদস্য। হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদলতে (আইসিসি) দেওয়া স্বীকারোক্তিতে তারা বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের যাকে দেখবে তাকে গুলি করার’ নির্দেশ ছিল তাদের ওপর।

আইসিসিতে রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অপরাধের তদন্তে স্বীকারোক্তি দেওয়া মিয়ানমারের এই দুই সেনা মিও উইন তুন (৩৩) ও জ নায়েং তুন (৩০)। ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে কীভাবে রোহিঙ্গাদের একে একে গ্রামের পর গ্রাম, গণকবর, হত্যা ও ধর্ষণ করেছে তার বর্ণনা দেয় মিয়ানমারের দুই সেনা।

রাখাইনের নিরাপত্তা চৌকিতে কথিত হামলার ধুয়ো তুলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের নামে বর্বর হামলা শুরু করে। নির্বিচারে হত্যা ধর্ষন বাড়িঘরে আগুন লাগানোর ঘটনায় প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশের দিকে ঢল নামে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের।

ওই সময় রাখাইনে গণহত্যা হচ্ছে বলে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলি অভিযোগ করে এলেও মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত সরকার কোনো ভ্রুক্ষেপই করেনি। উল্টো নানা টালবাহানা করে প্রায় সব রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়।

ফরটিফাই রাইটসের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে বলেছে, আইসিসিতে স্বীকারোক্তিকে মিও উইন তুন জানিয়েছেন, তিনি কেবল তার কর্মকর্তাদের আনুগত্য করেছেন। তাদের নির্দেশে ৩০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যায় অংশ নিয়েছিলেন। সেসময় সেল টাওয়ার ও সামরিক ঘাঁটির কাছে একটি গণকবর দিয়েছেন।

অন্যদিকে জ নায়েং তুন বলেছেন, ‘তার দল প্রায় ২০টি গ্রাম নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। পরে শিশু ও বয়স্কদের মৃতদেহ একটি গণকবরে ফেলে তারা।’

মিয়ানমারের এই দুই সেনার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, কেবল তারা দুজনই কমপক্ষে ১৫০ জন রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া কয়েক ডজন গ্রামও ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল তারা। ওই সৈনিকরা ১৯ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছে যারা সরাসরি এ ধরনের নৃশংসতা করেছে। এছাড়া ছয় জন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এসবের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

মানবাধিকার সংস্থা ফরটিফাই রাইটসের বলছে, মিয়ানমারের দুই সেনার এই স্বীকারোক্তির ফলে ধারণা করা হচ্ছে, তারা আদালতের কাছে নিজেদের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে ভবিষ্যতে মামলায় কাজ করবে।

আইসিসির বিভিন্ন ধরনের সাক্ষী সুরক্ষার (উইটনেস প্রটেকশন) নিয়ম আছে এবং তার অধীনে এ ধরনের সাক্ষীদের সব ধরনের সুরক্ষা দেওয়া হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত