আপডেট :

        ক্যালিফোর্নিয়ার দম্পতি: ‘জানতাম, এবার মারা যাব’—নেপালের বন্যা থেকে বাঁচার গল্প

        ডানপন্থী ভাষ্যকার মিলো ইয়ান্নোপোলাসকে আটক করেছে আইসিই

        ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র

        লস এঞ্জেলেসে হিট-অ্যান্ড-রান মামলার অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

        অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে বেআইনি প্রতিশোধ নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন: আদালত

        ক্যালিফোর্নিয়ায় গৃহহীন প্রায় ৩ লাখ শিক্ষার্থী

        নতুন স্ক্রিনিং নীতিতে সব অভিবাসী ভিসা আবেদন স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

        সোফি স্টেডিয়াম এলাকায় ২৬১ মিলিয়ন ডলারের পরিবহন প্রকল্প

        বিশ্বজুড়ে ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

        মাঠে আঘাতে কিশোর ফুটবলারের মৃত্যু, স্কুল ডিস্ট্রিক্টের বিরুদ্ধে মামলা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় স্ত্রীর প্রেমিককে হত্যার অভিযোগে দম্পতি গ্রেপ্তার

        আশ্রয় চাওয়া বিদেশিদের স্বল্পমেয়াদি ভিসা বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র

        যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক কানাডার

        লুইজিয়ানায় ১০ হাজার কোটি ডলারের মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বানাবে স্পেসএক্স

        ডাউনটাউন লস এঞ্জেলেসে দুটি ভবনে এফবিআইয়ের অভিযান

        ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত নীতি আটকালেন মার্কিন বিচারক

        লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য নতুন সহায়তা কর্মসূচি

        কলোরাডো নদীর পানি কমে যাওয়ায় তিন অঙ্গরাজ্যে বড় ধরনের পানি কাটছাঁট

        ক্যালিফোর্নিয়ায় সামরিক স্মৃতিসৌধ থেকে ব্রোঞ্জের সৈনিকের ভাস্কর্য চুরি

        মার্কিন ফ্লাইটে ল্যাপটপে আগুন, হাসপাতালে চিকিৎসা পেলেন এক যাত্রী

রোহিঙ্গাদের গুলি করে মারার নির্দেশ ছিল, মিয়ানমারের দুই সেনার স্বীকারোক্তি

রোহিঙ্গাদের গুলি করে মারার নির্দেশ ছিল, মিয়ানমারের দুই সেনার স্বীকারোক্তি

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নৃশংসতার ভয়াবহ বর্ণনা দিয়েছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর দুই সদস্য। হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদলতে (আইসিসি) দেওয়া স্বীকারোক্তিতে তারা বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের যাকে দেখবে তাকে গুলি করার’ নির্দেশ ছিল তাদের ওপর।

আইসিসিতে রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অপরাধের তদন্তে স্বীকারোক্তি দেওয়া মিয়ানমারের এই দুই সেনা মিও উইন তুন (৩৩) ও জ নায়েং তুন (৩০)। ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে কীভাবে রোহিঙ্গাদের একে একে গ্রামের পর গ্রাম, গণকবর, হত্যা ও ধর্ষণ করেছে তার বর্ণনা দেয় মিয়ানমারের দুই সেনা।

রাখাইনের নিরাপত্তা চৌকিতে কথিত হামলার ধুয়ো তুলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের নামে বর্বর হামলা শুরু করে। নির্বিচারে হত্যা ধর্ষন বাড়িঘরে আগুন লাগানোর ঘটনায় প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশের দিকে ঢল নামে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের।

ওই সময় রাখাইনে গণহত্যা হচ্ছে বলে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলি অভিযোগ করে এলেও মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত সরকার কোনো ভ্রুক্ষেপই করেনি। উল্টো নানা টালবাহানা করে প্রায় সব রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়।

ফরটিফাই রাইটসের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে বলেছে, আইসিসিতে স্বীকারোক্তিকে মিও উইন তুন জানিয়েছেন, তিনি কেবল তার কর্মকর্তাদের আনুগত্য করেছেন। তাদের নির্দেশে ৩০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যায় অংশ নিয়েছিলেন। সেসময় সেল টাওয়ার ও সামরিক ঘাঁটির কাছে একটি গণকবর দিয়েছেন।

অন্যদিকে জ নায়েং তুন বলেছেন, ‘তার দল প্রায় ২০টি গ্রাম নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। পরে শিশু ও বয়স্কদের মৃতদেহ একটি গণকবরে ফেলে তারা।’

মিয়ানমারের এই দুই সেনার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, কেবল তারা দুজনই কমপক্ষে ১৫০ জন রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া কয়েক ডজন গ্রামও ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল তারা। ওই সৈনিকরা ১৯ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছে যারা সরাসরি এ ধরনের নৃশংসতা করেছে। এছাড়া ছয় জন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এসবের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

মানবাধিকার সংস্থা ফরটিফাই রাইটসের বলছে, মিয়ানমারের দুই সেনার এই স্বীকারোক্তির ফলে ধারণা করা হচ্ছে, তারা আদালতের কাছে নিজেদের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে ভবিষ্যতে মামলায় কাজ করবে।

আইসিসির বিভিন্ন ধরনের সাক্ষী সুরক্ষার (উইটনেস প্রটেকশন) নিয়ম আছে এবং তার অধীনে এ ধরনের সাক্ষীদের সব ধরনের সুরক্ষা দেওয়া হয়।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত