Updates :

        সামলে উঠছে বিপর্যস্ত অর্থনীতি, তবে কাটেনি শঙ্কা

        নির্বাচনে বাগড়া দিলে দেশব্যাপী আন্দোলনের হুমকি

        শীঘ্রই দৈনিক ১ লাখ বাসিন্দা আক্রান্ত হবে করোনায়

        দেশজুড়ে জরিপে এগিয়ে বাইডেন, তবে স্বস্তি নেই শিবিরে

        প্যাটারসনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুই বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী

        মাস্ক পড়তে বলায় গার্ডকে ছুরিকাঘাত করলো দুই বোন!

        মহানবী ( সা.) এর কার্টুন প্রকাশে জাতিসংঘের উদ্বেগ

        নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়ে যা বললেন সাকিব

        মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ লিখতে হবে

        দেশে করোনায় ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮১

        ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্যে ম্যাক্রোঁকে পূর্ণ সমর্থন জানালো ভারত

        রায়হান হত্যাকাণ্ড: আরেক পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

        কুর্দিদের না সরালে সিরিয়ায় সামরিক হামলার হুমকি তুরস্কের

        মাল্টিব্রান্ড ইনফোটেক-এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

        ৮ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান পেল স্বাধীনতা পুরস্কার

        ফ্রান্সে ফের লকডাউন জারি

        সৌদিআরবে বিলুপ্ত হচ্ছে কফিল পদ্ধতি

        এন্টিবডি ড্রাগ উৎপাদনের চুক্তি করলো যুক্তরাষ্ট্র

        ট্রাম্পের ২৭০ মিলিয়ন ডলার দেনা মওকুফ করলেন পাওনাদার!

        ধেয়ে আসছে হারিকেন জেটা, সতর্কতা সংকেত জারি

কেঁদেকেটে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন কিম জং উন!

কেঁদেকেটে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন কিম জং উন!

কঠোর ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে বরাবরই খবরের শিরোনাম হন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। কিন্তু এবার তাকে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন মেজাজে।

করোনা মহামারি পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জনসাধারণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এমনকি তাকে চোখ মুছতেও দেখা যায়। এই প্রথম কোনো ইস্যুতে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে দেখা গেল।

‘দ্য গার্ডিয়ান’এর তথ্যমতে, পার্টির ৭৫তম বার্ষিকীতে বক্তব্য রাখার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কিম। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার মানুষের প্রত্যাশা মতো তিনি কাজ করতে পারেননি। এজন্য তিনি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন। এই কথা বলার সময় নিজের চশমা খুলে চোখও মোছেন।

পূর্বপুরুষ ও ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে কিম জং উন বলেন, কিম ২ সাং ও কিম জগ ইলের উদ্দেশ্য পূরণ করার দেশের মানুষ আমাকে এই দায়িত্ব অর্পণ করেছে। কিন্তু আমি অত্যন্ত চেষ্টা করেও নাগরিকদের জীবনের সব অসুবিধা কমাতে পারিনি। এর জন্য আমার আফসোস রয়েছে।

সমালোচকেরা বলছেন, কিম জং উনের এভাবে বদলে যাওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে করোনা ভাইরাস ও পারমাণবিক অস্ত্রের ওপরে বিধিনিষেধ। করোনা ও পারমাণবিক অস্ত্রের উপর বিধিনিষেধের কারণে তার নেতৃত্বের ওপর প্রচুর চাপ রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

নিজের আবেগময় বক্তৃতায় করোনার জেরে সারা বিশ্বজুড়ে চ্যালেঞ্জিং সময়ের কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নেরর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি। যদিও আমেরিকা নিয়ে তেমন কিছু বলেননি।

বরাবরই বিতর্কিত নেতা হিসেবে দেখা গিয়েছে কিম জংকে। খবরের নানান শিরোনামে থাকেন তিনি। সেই তার চোখে জল দেখে কিছুটা অবাক গোটা বিশ্ব।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আই

শেয়ার করুন