আপডেট :

        সাত বছরেও শেষ হয়নি লস এঞ্জেলেস বিমানবন্দরের দুই মাইলের ট্রেন

        এথেন্সে বিস্ফোরণে ভবন ধস, নিহত ৬ জনের মধ্যে ৪ জনই মার্কিন নাগরিক

        হারিকেন পোলোর প্রভাবে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ঢেউ, বন্যা ও ভাঙনের শঙ্কা

        সান্তা মনিকায় স্বামী-স্ত্রীর মৃ-ত্যু, ১৫ ঘণ্টা পর মিলল সন্ধান

        হারিকেন পোলোর ঢেউ মোকাবিলায় প্রস্তুত লং বিচ, বাড়ছে উপকূলীয় ঝুঁকি

        ব্যাংক অব আমেরিকা আরও ১,০০০ শিক্ষানবিশ নিয়োগ করবে, কর্মী উন্নয়নে দেবে ১৫ কোটি ডলার

        ট্রাম্পের মৃত্যুতে ফ্রি বিয়ার দেওয়ার ঘোষণা, এবার বন্ধের মুখে উইসকনসিনের ব্রুয়ারি

        ট্রাম্পের উপস্থিতি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, প্রেসিডেন্টস কাপ জয়ের পর বললেন মার্কিন অধিনায়ক

        ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইরানের বার্তা, সংঘাত থামাতে দরকার শুধু আলোচনা

        পোলো ও ওডালিসের প্রভাবে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় বড় ঢেউয়ের আশঙ্কা

        সিমি ভ্যালিতে একের পর এক দুর্ঘটনা, ফায়ারফাইটার গু রুতর আ হ ত

        হারমোসা বিচ এলাকায় ৩.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই

        ২০২৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় নেকড়ের আ ক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত বহু খামারের পশু

        বেলফ্লাওয়ারে আগুনের ঘটনায় গু লি বি দ্ধ ব্যক্তি, মুখোশধারী দুইজনকে সন্দেহ

        গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নারীর ম রদেহ, পুলিশ বলছে মৃ ত্যুর পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল

        ৩১ বছর আগের হ ত্যা মামলায় মৃ ত্যুদণ্ড, শৈশবের নি র্যাতনকে সামনে আনছেন ক্রিস্টা পাইকের আইনজীবীরা

        সুপার এল নিনোর প্রভাবে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

        শক্তিশালী নর’ইস্টারে বিপর্যস্ত বিমান চলাচল, প্রভাব পড়েছে এলএএক্সেও

        চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এআই নিয়ে নতুন যোগাযোগ চ্যানেল চালুর ঘোষণা

        হারিকেন পোলো: ঝড়ের গতিপথে সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় কী প্রভাব পড়তে পারে

বাংলাদেশি ধরার নামে ভারতীয় নাগরিকদের হেনস্থার অভিযোগ

বাংলাদেশি ধরার নামে ভারতীয় নাগরিকদের হেনস্থার অভিযোগ

উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্য আসামে অবৈধ বাংলাদেশি চিহ্নিতকরণের নামে ভারতের নাগরিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বরাক উপতক্যা সহ আসামের অনেক এলাকাতেই বৈধ ভারতীয় নাগরিকদের গত একমাসে বাংলাদেশি বলে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। আজ রাজ্য বিধানসভায় ক্ষমতাসীন দল কংগ্রেসের তরফ থেকেই এই অভিযোগ তোলা হয়েছে।
ওই রাজ্যে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি হালনাগাদের কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত যাতে অবৈধ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার অভিযান বন্ধ থাকে, তার জন্য আদালতে আবেদন করার কথা ভাবছে সরকার।
আসামে ১৯৯৭ সাল থেকে অবৈধ বিদেশী নাগরিক বলে সন্দেহ হলেই ভোটার তালিকায় তাঁদের ডি ভোটার – অর্থাৎ ডাউটফুল বা সন্দেহজনক ভোটার বলে চিহ্নিত করা হয়। এঁদের তালিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয় বিদেশী ট্রাইবুনালে – আর আটক করে রাখা হয় শিবিরে।
বিদেশী চিহ্নিতকরণ ট্রাইবুনাল যাঁদের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বিদেশী বলে কয়েক বছর আগেই নোটিশ জারি করেছিল, অথচ মামলাগুলির নিষ্পত্তি হয় নি, তাঁদেরই গত এক মাসে তড়িঘড়ি গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানো হচ্ছে। এই নিয়েই আজ বিধানসভায় প্রশ্ন তোলেন ক্ষমতাসীন কংগ্রেস দলেরই বিধায়ক সিদ্দিক আহমেদ।
তিনি বলছিলেন, “যাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তাদের প্রায় সকলেই ভারতীয়। কিন্তু অনেকেই অর্থের অভাবে উকিল লাগিয়ে ট্রাইবুনালে মামলা লড়তে পারেন নি – তাই একতরফা রায়ে তারা সন্দেহজনক বিদেশী বলে চিহ্নিত হয়ে গেছেন। এঁদেরই এখন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এমন একটা সময়ে যখন নাগরিক পঞ্জী হালনাগাদ করার কাজ চলছে।“
শুধু শিলচরের শিবিরেই আটক হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা জুন মাসের শেষে ৩৩ থেকে গতকাল পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০-এ। এছাড়াও অনেকেই আবার নিজেদের ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ দাখিল করে ছাড়া পেয়েছেন। যেমন ১০২ বছরের এক ব্যক্তি ও তাঁর ৯০ বছর বয়সী স্ত্রীকেও গ্রেপ্তার হয়ে জেলে থাকতে হয়েছে কয়েকদিন। আবার শিলচরের বাসিন্দা সুচন্দ্রা গোস্বামীর বাড়িতে এক অপরিচিত পুরুষ মানুষের নামে আদালতের নোটিশ এসেছিল, তবুও পুলিশ তিন দিন তাঁকে জেলে আটকে রেখেছিল। পরে জামিনে তিনি ছাড়া পান আর আদালত রায় দেয় যে তিনি আসলে জন্মসূত্রেই ভারতীয়।
বিধায়ক সিদ্দিক আহমেদ আরও অভিযোগ করছিলেন যে ডি ভোটার চিহ্নিতকরণের প্রাথমিক কাজেই গন্ডগোল থেকে গেছে।
আসাম সরকারের মুখপাত্র ও মন্ত্রী রকিবুল হোসেন বলছিলেন, “এই বিষয়টাতে সরকারের কিছু করণীয় নেই। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইবুনালের মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে, সেজন্যই গ্রেপ্তারী চলছে। তবে এটাও ঠিক যে অনেক ভারতীয় নাগরিক এর জন্য হেনস্থা হচ্ছেন। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে উচ্চ আদালতে আপীল করা হবে, যাতে নাগরিক পঞ্জী হালনাগাদ শেষ করার আগে বিদেশী ট্রাইবুনালের পুরণো মামলাগুলি নিয়ে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়।“ আসামে ডি ভোটার বা বিদেশী ইস্যু রাজনৈতিকভাবে খুবই স্পর্শকাতর। সব দলই এই ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসে ভোটের সময়ে – যাতে অসমীয়া জাতীয়তাবাদী ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখা যায়।


শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত