আপডেট :

        বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকা থেকে ছিটকে গেলেন আদানি

        ৩১ লাখ ডলারে বিক্রি অ্যান্থনি ভ্যান ডাইকের ছবি

        বাংলাদেশ নিয়ে যা বললেন আইএমএফের সভাপ্রধান

        যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ জরুরি অবস্থা উঠে যাচ্ছে ১১ মে

        পেশোয়ারে মসজিদে বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৮৩

        বাংলাদেশের ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন দিল আইএমএফ

        যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামি রাজধানীতে গ্রেপ্তার

        ১৯১ অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধে চিঠি দেওয়া হয়েছে

        চট্টগ্রামে মেট্রোরেলের মাস্টার প্ল্যান ও সম্ভাব্যতা যাচাই কাজের উদ্বোধন

        এবার তারেক-জোবায়দাকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ

        এক মাসে মেট্রোরেলে চড়েছে ৩ লাখ ৩৫ হাজার যাত্রী

        জ্বালানি তেল বিক্রিতে এশিয়ার জন্য ব্যাপক মূল্যছাড় সৌদি আরবের

        শীত কি আবারও আসছে?

        জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২১ পাচ্ছেন যারা

        দিল্লি যাবেন ড. মোমেন

        অনুর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম শিরোপা ভারতের

        এবার পাইকারি ও খুচরায় বাড়ল বিদ্যুতের দাম

        বসন্ত ডাকছে ওই

        মোশন ভিউতে জি-টাইড কলিং স্মার্টওয়াচ

        হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট বন্ধ

জন্মহার কমে যাওয়ায় চিন্তিত জাপান সরকার

জন্মহার কমে যাওয়ায় চিন্তিত জাপান সরকার

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা জানিয়েছেন, জন্মহার কমে যাওয়ায় তার দেশের সমাজব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে ‘এখন অথবা কখনোই না’। জাপানের বর্তমান জনসংখ্যা ১২৫ মিলিয়ন। গত বছর ৮ লাখেরও কম শিশুর জন্ম হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ১৯৭০-এর দশকে এই সংখ্যা ছিল ২০ লাখের বেশি। খবর বিবিসির

জাপানের প্রতিবেশী দেশগুলোসহ অনেক দেশেই জন্মহার কমছে। তবে এই সমস্যাটি জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে। তার কারণ সাম্প্রতিক দশকগুলোতে আয়ু বেড়েছে, যার অর্থ সেখানে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বাড়ছে এবং তাদের সেবার জন্য শ্রমিকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষুদ্র রাজ্য মোনাকোর পর জাপানে এখন বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা রয়েছে। যা প্রায় ২৮ শতাংশ।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কিশিদা বলেছেন, 'শিশু এবং শিশু লালন-পালন সংক্রান্ত নীতির প্রতি মনোযোগ দেওয়া এখন এমন একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে যা নিয়ে অপেক্ষা বা স্থগিত করা সম্ভব না।' তিনি জানান, শেষ পর্যন্ত সরকার শিশু-সম্পর্কিত কর্মসূচিতে দ্বিগুণ ব্যয় করতে চান। এ ছাড়া এই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া জন্য এপ্রিল মাসে একটি নতুন সরকারি সংস্থা স্থাপন করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।




এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত