নগদে ভাড়া নেওয়ার সুযোগ দিল উবার, চালকদের উদ্বেগ বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে
কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান মনোনীত ডোনাল্ড ট্রাম্পের থেকে
নিউইয়র্ক টাইমস এর প্রেসিডেনশিয়্যাল ইলেকশন ট্র্যাকারে অন্তর্ভুক্ত তিনটি নতুন পুলে, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটিক প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান মনোনীত ডোনাল্ড ট্রাম্পের থেকে এগিয়ে আছেন। ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনের আগে, চলাকালীন এবং তার পরে এই নির্বাচন ট্র্যাকার পরিচালিত হয়। আগস্ট ১৫-২৩ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত হওয়া অ্যাক্টিভোটের পোলিং অনুসারে, কমলা হ্যারিস পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। আগস্ট ১৯-২৩ অ্যাঙ্গাস রিড গ্লোবালের পোলিং-এ হ্যারিসকে পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। ফেয়ারলি ডিকিনসন ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ পুলিং অনুসারে, আগস্ট ১৬-২০ পর্যন্ত দেশব্যাপী জনগণের ভোটে হ্যারিস ট্রাম্পের থেকে সাত পয়েন্টে এগিয়ে আছেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের ট্র্যাকারে দেখা যায়, জাতীয় গড়ে হ্যারিস ৪৯ শতাংশ, ট্রাম্প ৪৬ শতাংশ। মিশিগানে হ্যারিস ৪৯ শতাংশ, ট্রাম্প ৪৭ শতাংশ, উইসকনসিনে হ্যারিস ৪৯ শতাংশ, ট্রাম্প ৪৭ শতাংশ, পেনসিলভানিয়ায় হ্যারিস ৪৮ শতাংশ, ট্রাম্প ৪৮ শতাংশ, অ্যারিজোনায় হ্যারিস ৪৭ শতাংশ, ট্রাম্প ৪৭ শতাংশ এবং জর্জিয়ায় ট্রাম্প ৫০ শতাংশ ও হ্যারিস ৪৬ শতাংশে আছেন।
টাইমস এবং পোলিং ওয়েবসাইট ফাইভথার্টিএইট সম্মত হয়েছে যে, স্বতন্ত্র প্রার্থী রবার্ট এফ কেনেডির প্রত্যাহার এবং ট্রাম্পের প্রতি তার সমর্থন থেকে প্রচারণার উপর ন্যূনতম প্রভাব পড়বে। টাইমসের মতে, কেনেডির সিদ্ধান্ত নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা নেই কারণ তার সমর্থকরা নভেম্বরে তাদের ভোট দেওয়ার অভিপ্রায় ঘোষণা করার সম্ভাবনা কম ছিল। কেনেডির সমর্থন ইতোমধ্যেই হ্রাস পেয়েছে। এবং সাম্প্রতিক ভোটে তিনি ট্রাম্প বা হ্যারিসের থেকে বেশি ভোট পাবেন কিনা তা অস্পষ্ট ছিল। কেনেডি মাত্র ৪ শতাংশ ভোট নিয়ে রেসে আছেন, যেখানে হ্যারিস ৪৬ শতাংশ এবং ট্রাম্প ৪৪ শতাংশ।
নিউ ইয়র্ক টাইমস এর মতে, 'সিলেক্ট পুলস্টার্স' থেকে সাম্প্রতিকতম ভোটে নির্ভরযোগ্যতার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণে হ্যারিসের নেতৃত্ব শক্তিশালী হচ্ছে৷ আগস্ট ২০-২২ পরিচালিত এমারসন কলেজ পুলিংয়ে হ্যারিস +৭ শতাংশ,
আগস্ট ১৭-২০ এর পুলিংয়ে ফেয়ারলি ডিকিনসন-এ হ্যারিস +৭ শতাংশতে আছেন। আগস্ট ১৫-১৯ পুলিংয়ে ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয় স্টেট ভোটগ্রহণে মেইনে, হ্যারিস +১৭ শতাংশ,
নিউ হ্যাম্পশায়ারে হ্যারিস +৫ শতাংশ এবং ভার্মন্টে হ্যারিস +৪১ শতাংশে আছেন।
পাঁচ সপ্তাহ আগে জো বাইডেন যখন প্রতিযোগিতা থেকে প্রত্যাহার করে নেন, তখন নিউইয়র্ক টাইমসের জাতীয় গড় অনুযায়ী ট্রাম্প তিন-পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু হ্যারিস প্রতিযোগিতায় মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। মিশিগান, পেনসিলভানিয়া এবং উইসকনসিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেটে বাইডেন চার বা তার বেশি পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন। নির্দলীয় অ্যাঙ্গাস রিড গ্লোবাল বলছে, ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনের সময় নেওয়া নতুন ডেটা দেখায় যে, নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে কমলা হ্যারিস ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর তার জাতীয় নেতৃত্ব প্রসারিত করেছে। বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্টের সমর্থনের ভিত্তি ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীরা। এর মধ্যে ৫৯ শতাংশ সমর্থনে হ্যারিস, অন্যদিকে ট্রাম্প ৩০ শতাংশে। ৬৭ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গদের সমর্থনে হ্যারিস, ট্রাম্প ১৬ শতাংশে এবং হিস্পানিকদের ৫৭ শতাংশ সমর্থনে হ্যারিস, ট্রাম্প ৩৩ শতাংশে রয়েছে। তবে ট্রাম্প, ৫৪ বছরের বেশি বয়সীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে যেখানে ট্রাম্পের সমর্থন ৪৯ শতাংশ, হ্যারিসের সমর্থন ৪০ শতাংশ এবং শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থন ৫১ শতাংশ এবং হ্যারিসের সমর্থন রয়েছে ৩৯ শতাংশ।
রোরাল ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প এগিয়ে আছেন, কিন্তু হ্যারিস শহুরে ভোটারদের মধ্যে এগিয়ে আছেন। অ্যাক্টিভোটের মতে, শহরতলির ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের সামান্য সুবিধা রয়েছে। ৩০-৬৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ট্রাম্প সামান্য এগিয়ে আছেন তবে হ্যারিস সবচেয়ে কম বয়সী এবং সবচেয়ে বয়স্ক ভোটারদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন। পুরুষদের মধ্যে ট্রাম্প এগিয়ে, নারীদের মধ্যে হ্যারিস এগিয়ে। স্বতন্ত্রদের মধ্যে হ্যারিস সামান্য এগিয়ে আছেন। কৃষ্ণাঙ্গ এবং ল্যাটিনোদের মধ্যে হ্যারিস এগিয়ে থাকলেও শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প এগিয়ে আছেন। উভয়েরই নিজ নিজ দলের অভ্যন্তরে নেতৃত্ব রয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
শেয়ার করুন