আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি’র ১৪ বছর পূর্তি: প্রযুক্তি খাতে নতুন মাইলফলক
তুরস্কে বিরোধীদের আন্দোলন নিয়ে যা বলছেন এরদোয়ান
২০১৩ সালে গেজি পার্কের আন্দোলনের পর এত বড় বিক্ষোভ তুরস্ক দেখেনি। ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামোগলুর গ্রেপ্তারের পর তুরস্কজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা মূলত অবস্থান বিক্ষোভের মাধ্যমে প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত করছেন। কোথাও আইন ভাঙেননি তাঁরা। আন্দোলন সহিংসও হয়নি। কিন্তু তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গতকাল সোমবার এ আন্দোলনকে ‘সহিংস’ আন্দোলন বলে উল্লেখ করেছেন। দ্রুত বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এ আন্দোলন মানুষকে উসকানি দিচ্ছে।
গতকালই ইমামোগলুর দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিপিএইচ) তরফে জানানো হয়েছে, তাঁকেই ২০২৮ সালে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
এরদোয়ানের বক্তব্য
গতকাল এরদোয়ান বলেছেন, ইমামোগলুর গ্রেপ্তার ঘিরে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তা সহিংস চেহারা নিয়েছে। সিপিএইচ দলকে সতর্ক করে এরদোয়ান বলেছেন, প্রশাসনের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙতে দেবেন না। তার আগেই এই বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হোক। প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, সিপিএইচ মানুষকে উত্তেজিত করে তুলছে।
এরদোয়ানের অভিযোগ, এ আন্দোলনের জেরে পুলিশ কর্মীরা আহত হয়েছেন। দোকানের কাচ ভেঙেছে। বেশ কিছু সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। এই সবকিছুর উত্তর চাওয়া হবে সিপিএইচের কাছে। পার্লামেন্টে রাজনৈতিক উত্তর দিতে হবে তাদের। আর আদালতে আইনি লড়াই লড়তে হবে।
এরদোয়ানের এ বক্তব্যের পরও বিক্ষোভ-আন্দোলনে ভাটা পড়েনি। গতকাল দেশজুড়ে এ আন্দোলন ষষ্ঠ দিনে পড়েছে।
ইমামোগলুর পোস্ট
কারাগারে বসেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক পোস্ট করে যাচ্ছেন ইস্তাম্বুল নগরের মেয়র ইমামোগলু। জনগণকে রাজপথে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, কেউ যেন কোনো উসকানিতে পা না দেন। পুলিশের সঙ্গে যেন কেউ সংঘর্ষে জড়িয়ে না পড়েন। তিনি লিখেছেন, ‘সাধ্যের বেশি চেষ্টা করছি এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে।’
জার্মানির বক্তব্য
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজের মুখপাত্র গতকাল জানিয়েছেন, ইস্তাম্বুলের মেয়রের গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন মামলায় তাঁকে হয়রানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কেন এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত জানাতে হবে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তুরস্কে যা ঘটছে, তা গণতন্ত্রের পক্ষে শুভ নয়। এ ঘটনা তুরস্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে বলেও জানিয়েছে জার্মানি।
সূত্রঃ প্রথম আলো
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
নিউজ ডেক্স
শেয়ার করুন