মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নয়, ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানা এখন পুতিনের কাজ: ট্রাম্প
রাশিয়ার পরমাণুচালিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘বুরেভেস্তনিক’-এর সফল পরীক্ষার ঘোষণার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এখন কাজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নয়, বরং ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানা। এক সপ্তাহে যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার কথা ছিল, তা এখন চার বছর ছুঁইছুঁই।’ ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, পুতিনের এ ধরনের ঘোষণা ‘যথার্থ নয়’।
এর আগে বুরেভেস্তনিক নামের পরমাণুচালিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করে রাশিয়া। পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর দিয়ে চলার পাশাপাশি তেজস্ক্রিয় গ্যাস নির্গত করার আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা একে ‘উড়ন্ত চেরনোবিল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্যালেরি গেরাসিমভের বরাতে মস্কো টাইমস জানিয়েছে, গত ২১ অক্টোবরের পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ হাজার কিলোমিটার উড়েছে এবং প্রায় ১৫ ঘণ্টা আকাশে ছিল। পরমাণুচালিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ‘এসএসসি-এক্স-নাইন স্কাইফল’ নামকরণ করেছে ন্যাটো।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাশিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি এক ধরনের শক্তি প্রদর্শন। ইউক্রেন যুদ্ধে চাপের মুখে পড়লেও এই পরীক্ষার মাধ্যমে পুতিন দেখাতে চাইছেন যে, রাশিয়া এখনও সামরিকভাবে শক্তিশালী এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকেও এগিয়ে।
২০১৯ সালে এমন এক পরীক্ষায় বিস্ফোরণে পাঁচ রুশ বিজ্ঞানী নিহত হয়েছিলেন, যারা বুরেভেস্তনিক প্রকল্পে কাজ করছিলেন বলে ধারণা করা হয়। সে সময় পুতিন বলেছিলেন, তারা ‘অতুলনীয়’ এক অস্ত্র তৈরিতে যুক্ত ছিলেন।
রয়টার্স জানায়, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় মস্কোর দোমোদেদোভো ও ঝুকোভস্কি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার কথা জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার রাতেই ১৯৩টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রায়ানস্ক অঞ্চলের পোগার গ্রামে এক মিনিবাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় চালক নিহত এবং পাঁচজন আহত হন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞায় রুশ তেল রপ্তানিতে বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম ৬ শতাংশ বেড়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রতি মাসে রাশিয়ার ৭.৪ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে।
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
নিউজ ডেক্স
শেয়ার করুন