আপডেট :

        লস এঞ্জেলেস কাউন্টিতে এ বছর হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ

        নস্যাৎ হওয়া সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্য ছিল লস এঞ্জেলেসের ইহুদি প্রতিষ্ঠান

        রিপাবলিকান সিনেটরকে হারালেন ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থী

        ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর তাইওয়ানের ঘোষণা: আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র

        যুক্তরাষ্ট্রে গোপন নজরদারি ও প্রচারণা: প্রবাসীদের ওপর চীনের গুপ্তচরবৃত্তির নতুন তথ্য ফাঁস

        যুক্তরাষ্ট্র-নাইজেরিয়ার যৌথ অভিযানে আইএসের শীর্ষ নেতা নিহত

        দমকা হাওয়ার কারণে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার কিছু এলাকায় অগ্নিঝুঁকির সতর্কতা

        নিরাপত্তা অনুমতির জটিলতায় লং বিচ প্রাইড উৎসব বাতিল

        তাইওয়ানকে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

        রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্র

        ইহুদি স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা, ইরাকি কমান্ডার গ্রেপ্তার

        ট্রাম্প–শি বৈঠক শেষ: অত্যন্ত সফল আলোচনা, তবে বড় কোনো চুক্তির স্পষ্ট ঘোষণা নেই

        লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিযান, জব্দ ৫০ লাখ ডলারের বেশি নকল বিলাসপণ্য

        ভয়াবহ আগুনে শিশুসহ তিনজন নিহত, পারিবারিক সহিংসতার সন্দেহ

        হাভানায় সিআইএ প্রধানের সফর, কিউবাকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রস্তাব

        বেইজিং সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ সিইওরা, তবু বড় কোনো অর্থনৈতিক চুক্তি হয়নি

        সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে গর্ভপাতের ওষুধ সরবরাহ আপাতত বহাল

        যুক্তরাষ্ট্রের বর্ডার প্যাট্রোল প্রধান মাইকেল ব্যাংকসের আকস্মিক পদত্যাগ

        ইরান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

        ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক গভর্নর প্রার্থী স্টিফেন ক্লুবেক গ্রেপ্তার

কাবুলে প্রতিবাদ সমাবেশে হামলায় নিহত ৮০, আইএস’র দায় স্বীকার

কাবুলে প্রতিবাদ সমাবেশে হামলায় নিহত ৮০, আইএস’র দায় স্বীকার

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে এক প্রতিবাদ সমাবেশে হামলায় নিহত হয়েছে কমপক্ষে ৮০ জন, আহত হয়েছে ২৩০ জনেরও বেশি জন।

কথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠী দাবি করেছে, এ হামলার নেপথ্যে তারাই ছিল।

এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা ও বিবিসি। খবরে বলা হয়েছে, আইএস’র সঙ্গে সম্পর্কিত আমাক বার্তাসংস্থা জানিয়েছে, আইএস’র দুই যোদ্ধা কাবুলে ‘শিয়া সমাবেশে বিস্ফোরন ঘটিয়েছে’।

কাবুলের দেহ মাজাং চত্বরে চালানো এ হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল সংখ্যালঘু শিয়া হাজারা জনগোষ্ঠীর হাজার হাজার মানুষ। নতুন একটি বিদ্যুৎ লাইন নিয়ে তারা প্রতিবাদে নেমেছিলেন। এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে তালিবান। তালিবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক ইমেইলে জানান, তারা এ হামলার নেপথ্যে ছিলেন না।

প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে আইএস’র উপস্থিতি রয়েছে। কিন্তু এর আগে কখনই কাবুলে চালানো কোন হামলার দায় জঙ্গি সংগঠনটি স্বীকার করেনি। বিবিসি আফগানের এক প্রতিবেদক জানান, ঘটনাস্থলের সর্বত্র রক্ত আর লাশ। আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি বলেন, তিনি এ ঘটনায় ‘গভীরভাবে ব্যাথিত’। তিনি যোগ করেন, ‘প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রয়েছে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার। কিন্তু সুযোগসন্ধানী সন্ত্রাসীরা ভিড়ের মধ্যে ঢুকে এ হামলা চালায়। আহত করে নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্য সহ বহু নাগরিককে হত্যা করে।’ তবে হামলার আগে কাবুল শহরের মূলকেন্দ্রের বিশাল অংশ প্রতিবাদ সভা উপলক্ষে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

প্রতিবাদকারীদের হাতে ছিল ব্যানার। তারা ‘বৈষম্যের মৃত্যু হোক’ বলে শ্লোগান দিচ্ছিল। তুর্কমেনিস্তান থেকে কাবুলে ৫০০ কিলোভোল্টের ট্রান্সমিশন লাইন শিয়া হাজারা-অধ্যুষিত বামিয়ান ও ওয়ারডাক প্রদেশের মধ্য দিয়ে যাবে না বলে প্রতিবারকারীরা ক্ষুদ্ধ ছিলেন। এ জনগোষ্ঠী মূলত দেশের মধ্যভাগে বসবাস করেন। তারা অনেকদিন ধরেই আফগানিস্তানে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করে আসছিলেন। বিশেষ করে, নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে তালিবান শাসনের সময় তাদের এ অভিযোগ ছিল বেশি। এ সম্প্রদায়ের অনেকে তখন পাকিস্তান, ইরান ও তাজিকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন।


 এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত