আপডেট :

        গ্রাহকসেবায় ৫ মিনিটের বেশি অপেক্ষা নয়: ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন বিল, মানবিক যোগাযোগ নিশ্চিতের উদ্যোগ

        লস এঞ্জেলেসের দাবানল-পরবর্তী পুনর্গঠন অনুমতির নিয়ন্ত্রণ নিতে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর ট্রাম্পের

        মিনিয়াপোলিসে গুলিকাণ্ডের পর ফেডারেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে মামলা সহজ করতে বিল পাস করল ক্যালিফোর্নিয়া সিনেট

        ট্রাম্প নীতির প্রভাবে বিদেশি জনসংখ্যা কমল ১৫ লাখ, হুমকিতে ক্যালিফোর্নিয়ার অর্থনীতি

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ২ লাখ ৬০ হাজার ডলারে বাড়ি! কোথায় মিলছে সবচেয়ে সস্তা বাড়ি?

        ম্যাজিক জনসনের উদ্যোগে লস এঞ্জেলেস বন্দরে নতুন ক্রুজ টার্মিনাল

        মিনিয়াপলিসে অ্যালেক্স প্রেটি হত্যাকাণ্ড: তদন্তের দাবিতে রিপাবলিকানদের চাপ বাড়ছে

        ফুলারটনে বিদ্যালয়ের কাছে অস্ত্রধারী সন্দেহভাজন: সতর্কতা না পাওয়ায় প্রশ্নে অভিভাবক ও বাসিন্দারা

        মিনেসোটায় আইসিই অভিযানে হত্যাকাণ্ড: ডেমোক্র্যাটদের বিদ্রোহে আবারও যুক্তরাষ্ট্রে সরকার শাটডাউনের শঙ্কা

        মিনিয়াপোলিসে আলেক্স প্রেটির হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ, উত্তাল লস এঞ্জেলেস

        মিনিয়াপোলিসে আলেক্স প্রেটির হত্যাকাণ্ড: তদন্তের দাবি ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ৭ বিলিয়ন ডলারের জালিয়াতির দাবি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের, মিনেসোটাকেও ছাড়িয়ে গেছে পরিমাণ

        লস এঞ্জেলেসে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯০ মৃত্যুর প্রতিবাদে সিটি হলের সামনে ব্যতিক্রমী ‘ডাই-ইন’ বিক্ষোভ

        মিনিয়াপোলিসে ফের এক মার্কিন নাগরিকের গুলিতে মৃত্যু, বিক্ষোভ আবারও জারি

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের পর ডব্লিউএইচওর রোগ পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্কে যোগ দিল ক্যালিফোর্নিয়া

        লস এঞ্জেলেসে গৃহহীন তহবিল আত্মসাৎ: দাতব্য সংস্থার প্রধান গ্রেপ্তার

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির দামে মৃদু পতন: ৮৮% এলাকায় মূল্য কমেছে

        বিচারকের পরোয়ানা ছাড়াই বাড়িতে ঢোকার নির্দেশ আইসিইকে—ফাঁস মেমো

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ফেডারেল অভিযানে গুলি, ব্যাপক নিরাপত্তা তৎপরতা

        প্রথম প্রজন্মের গৃহক্রেতাদের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্ট সহায়তা কর্মসূচি আবার চালু

রোহিঙ্গা হত্যার তদন্ত দাবি জাতিসংঘের

রোহিঙ্গা হত্যার তদন্ত দাবি জাতিসংঘের

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের সংঘাতময় রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা ও গ্রেফতার করছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনী এসব করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, মিয়ানমারের নেতা অং সান সুচি অসন্তুষ্ট হতে পারেন এই আশংকায় বহু কূটনীতিক ও সাহায্য সংস্থাই এই পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলতে আগ্রহী হচ্ছেন না।

তবে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার চারজন বিশেষ প্রতিনিধি এক প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে গ্রেফতার, নির্যাতন ও বিচার বহির্ভূত হত্যার কথা উল্লেখ করেছে।

প্রথমবারের মতো বিষয়টি তারা ওই প্রতিবেদনে এই অভিযোগ তদন্তের জন্য মিয়ানমারকে জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কয়েকটি চৌকিতে হামলায় ৯ জন পুলিশ সদস্য নিহত হবার পর সে অঞ্চলে ত্রাণকর্মী ও সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। পুলিশ চৌকিতে হামলার ঘটনায় রাখাইনে ব্যাপক অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী।

গ্রেফতার হওয়া এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ সে পুলিশ চৌকিতে হামলার সাথে জড়িত ছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযান শুরুর পর থেকেই সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলমানদের দেখলেই বিনা প্রশ্নে গ্রেফতার করছে।

ওই হামলার জন্যে মূলত রোহিঙ্গা মুসলমানদের দায়ী করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এ ঘটনার পর রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনী ব্যাপক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।

খবরে বলা হয়, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। অনেককে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে।

যদিও সংঘাত শুরুর পর থেকে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে যাতায়াত সীমিত করা হয়েছে, তারপরও বিবিসির কাছে সেনাবাহিনীর হত্যা ও অগ্নিসংযোগের বিষয়ে কথা বলেছেন একজন স্থানীয় বাসিন্দা।

এক বাসিন্দা বিবিসিকে বলেন, ‘তারা তরুণ বা কোনো ভদ্রলোককে দেখামাত্র প্রশ্ন ছাড়াই গ্রেফতার করছে এবং ভীষণভাবে মারছে। আমরা খুবই ভয়ে আছি। গত ৯ অক্টোবর থেকে তারা এখন পর্যন্ত অনেককেই হত্যা করেছে, সঠিক সংখ্যা আমাদের জানা নেই। আমরা গ্রাম ছেড়ে একটি পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছি।’

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিষয়-সম্পত্তিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অগ্নিসংযোগ করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এরই মধ্যে রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন পীড়নের বিভিন্ন ছবি এবং ভিডিও নানাভাবে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রকাশ পাচ্ছে।

রাখাইন রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বৌদ্ধ এবং সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে। সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের সে দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকারই করে না।


এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি



শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত