আপডেট :

        বুলিং ও অর্থ ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বাধা চাইলেন ইউসিএলএ কর্মকর্তা

        সংকটে থাকা সংবাদমাধ্যমকে সহায়তায় ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐতিহাসিক আইন

        শুক্রবার থেকে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় শুরু হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী তীব্র তাপপ্রবাহ

        দুই মরদেহ উদ্ধারের পর ল্যানকাস্টারে আরও মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি

        মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক ঘণ্টা আগে আদালতে থামল ক্রিস্টা পাইকের শাস্তি

        যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে বড় কাটছাঁট আনছেন হেগসেথ

        আমেরিকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের কাছে যাচ্ছে ৫০০ ডলারের চেক

        ককপিটে পাইলটদের সংঘর্ষের পর সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ ইসরায়েলগামী বিমানের

        ‘গণহত্যা’ শব্দ ব্যবহার নিয়ে বাস-রামানের মতপার্থক্য, গাজা ইস্যুতে উত্তাপ

        আদালতের আদেশ অমান্য করে ৪ সন্তানকে নিয়ে মা নিখোঁজ, অ্যাম্বার অ্যালার্ট

        ওকল্যান্ডে ট্রাম্পের কয়লা টার্মিনাল নিয়ে নতুন তথ্য, বাড়ছে দূষণের আশঙ্কা

        এলএপিডিতে শ্বেতাঙ্গরা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, তবু বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ

        দুই বছর পর কর্নেলের ভ্রাতৃসংঘে ওঠা যৌ ন নি পী ড়নের অভিযোগের তদন্ত শুরু

        গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব, বাতিল হতে পারে ডাইভারসিটি ভিসা লটারি

        গাড়ি তৈরির খরচ কমাতে মাইলেজের মান কমাল যুক্তরাষ্ট্র, ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রভাব কতটা

        হারিকেন মেরির ধাক্কার পর এবার পোলো, ক্ষতির শঙ্কায় ক্যাপিস্ট্রানো বিচ

        লস এঞ্জেলেসের স্কুলের কাছে ডাস্টবিনে নবজাতক, পরে মৃ ত্যু

        আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘটনায় বিদেশি পক্ষের হাত রয়েছে, বললেন রুবিও

        হাসপাতালে নেওয়ার আগেই রক্ত সঞ্চালন, প্যাসাডেনায় নতুন জরুরি চিকিৎসায় ইতিহাস

        ভোটারদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ে পাসপোর্ট রেকর্ড ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

আমেরিকার মহাযুদ্ধ: প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি

আমেরিকার মহাযুদ্ধ: প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি

বাংলাদেশের মতো আমেরিকাতেও ১৮ বছর বয়স হলে ভোট দেওয়ার অধিকার মেলে। প্রতি চার বছর অন্তর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। তাও আবার একটি নির্দিষ্ট দিনে। প্রতিবারই নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ হয়। জয়ী প্রার্থীর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনটাও নির্দিষ্ট। সেটা হল ২০ জানুয়ারি। গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এই দুটি দিনের নড়চড় হয় না।
এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কীভাবে এই নির্বাচন হয়।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে থাকে গোটা বিশ্ব। হোয়াইট হাউসের লড়াইকে ঘিরে উত্সাহের অভাব নেই। কারণ এটি এমন এক নির্বাচন, যেখানে কেউ বেশি ভোট পেলেই চোখ বুজে জিতে যাবেন, এমনটা নাও হতে পারে। কম ভোট পেয়েও, কোনও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী যদি বেশি সংখ্যক ইলেক্টরাল ভোট পেয়ে যান, শেষ হাসি হাসবেন তিনিই।
আমেরিকায় রয়েছে ৫২টি প্রদেশ এবং ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়া। সব প্রদেশের প্রতিটি মানুষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেন। প্রতিটি প্রদেশ বা রাজ্য থেকে একজন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হয়। প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট, ব্যালটে এই দুটি পছন্দের উল্লেখ থাকে। প্রথমে একটি রাজ্যের সব ভোট গোণা হয়। যে দলের ঝুলিতে সবচেয়ে বেশি ভোট যায়, ওই রাজ্য থেকে তাঁকেই সমর্থন করা হয়। কিন্তু শুধুমাত্র রাজ্য ভিত্তিক পছন্দের ফলাফলেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শেষ হয় না। আমেরিকার বা ৫২টি রাজ্যের কোনওটি আয়তনে বড় আবার কোনওটি ছোট। কোনও রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, আবার কোনও রাজ্যে তা খুবই কম। স্বাভাবিক ভাবেই যে রাজ্যের লোকসংখ্যা বেশি, নির্বাচনে সেই রাজ্যের প্রভাবও বেশি।
অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিটি রাজ্যেরই যথেষ্ট পরিমাণ ভূমিকা থাকা উচিত। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইলেক্টরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচনে কোন রাজ্যের প্রভাব কত, ইলেক্টরদের মাধ্যমেই তা নির্ধারিত হয়। আমেরিকার প্রতিটি রাজ্যে দুজন করে সেনেটর থাকেন। রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত মোট জেলার সংখ্যা এবং তার সঙ্গে দুজন সেনেটরের সংখ্যা যোগ করলে যেটা দাঁড়ায়, সেটাই হল সেই রাজ্য থেকে মোট ইলেক্টরের সংখ্যা। কোনও রাজ্য থেকে যিনি জয়ী হবেন, তিনি ওই রাজ্যের সব ইলেক্টরের ভোটই পাবেন। তাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেক্টরকে ব্যালটবন্দি করা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ৫৩৮ টি ইলেক্টরাল ভোটের মধ্যে কেউ যদি একক ভাবে ২৭০টি পান, তাহলে তিনিই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবেন। অর্থাত্ হোয়াইট হাউসের দখল নেবেন তিনিই।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত