আপডেট :

        সান্তা মনিকার অ্যাপার্টমেন্টে নারীর মরদেহ উদ্ধার, একজন আটক

        মিশিগানে বাড়িতে আগুনের পর ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার, কয়েকজনের শরীরে গুলির চিহ্ন

        সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

        হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা নৈশভোজে গণমাধ্যমকে কটাক্ষ ট্রাম্পের

        লস এঞ্জেলেস মেট্রোকে ভাড়ামুক্ত করার পরিকল্পনা মেয়র কারেন ব্যাসের

        সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর যুক্তরাষ্ট্র, নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় তাপপ্রবাহ, কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ১১৪ ডিগ্রি

        নতুন পানির পাইপে লিক, আবারও জলাবদ্ধতা পশ্চিম হলিউডে

        হুথিদের হামলায় সৌদি ট্যাংকারে আগুন, ইরানে নতুন মার্কিন হামলা

        ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেই সৌদির সঙ্গে পরমাণু চুক্তি: ট্রাম্প

        ট্রাম্পকে অপছন্দ করলেও আমাকে ভোট দিন: হিলটন

        মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি: বিশ্বজুড়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি

        সংকটাপন্ন অবস্থায় বিগ বিয়ারের ঈগল ‘জ্যাকি’, বাসায় সঙ্গীকে খুঁজে ডাকছে ‘শ্যাডো’

        শিশুদের বিরল ক্যানসারের রহস্য: তদন্তের দাবিতে অরেঞ্জ কাউন্টিতে বিক্ষোভ

        ৭৪ বছর পর সমুদ্রের তলদেশে মিলল বিধ্বস্ত প্যান অ্যাম বিমানের ধ্বংসাবশেষ

        ইরান যুদ্ধে ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার, নতুন অর্থ চাইল পেন্টাগন

        ট্রাম্পের শুল্ক নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রে উত্তর আয়ারল্যান্ডের রপ্তানি ১৫% কমতে পারে: গবেষণা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্স কর্মসূচি বড় পরিসরে সম্প্রসারণ

        মাদক সম্রাট ‘এল মায়ো’ জাবাম্বাদার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানাও

        মার্কিন হামলা অব্যাহত, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

আমেরিকার মহাযুদ্ধ: প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি

আমেরিকার মহাযুদ্ধ: প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি

বাংলাদেশের মতো আমেরিকাতেও ১৮ বছর বয়স হলে ভোট দেওয়ার অধিকার মেলে। প্রতি চার বছর অন্তর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। তাও আবার একটি নির্দিষ্ট দিনে। প্রতিবারই নভেম্বরের প্রথম মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ হয়। জয়ী প্রার্থীর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনটাও নির্দিষ্ট। সেটা হল ২০ জানুয়ারি। গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এই দুটি দিনের নড়চড় হয় না।
এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কীভাবে এই নির্বাচন হয়।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে থাকে গোটা বিশ্ব। হোয়াইট হাউসের লড়াইকে ঘিরে উত্সাহের অভাব নেই। কারণ এটি এমন এক নির্বাচন, যেখানে কেউ বেশি ভোট পেলেই চোখ বুজে জিতে যাবেন, এমনটা নাও হতে পারে। কম ভোট পেয়েও, কোনও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী যদি বেশি সংখ্যক ইলেক্টরাল ভোট পেয়ে যান, শেষ হাসি হাসবেন তিনিই।
আমেরিকায় রয়েছে ৫২টি প্রদেশ এবং ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়া। সব প্রদেশের প্রতিটি মানুষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেন। প্রতিটি প্রদেশ বা রাজ্য থেকে একজন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হয়। প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট, ব্যালটে এই দুটি পছন্দের উল্লেখ থাকে। প্রথমে একটি রাজ্যের সব ভোট গোণা হয়। যে দলের ঝুলিতে সবচেয়ে বেশি ভোট যায়, ওই রাজ্য থেকে তাঁকেই সমর্থন করা হয়। কিন্তু শুধুমাত্র রাজ্য ভিত্তিক পছন্দের ফলাফলেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শেষ হয় না। আমেরিকার বা ৫২টি রাজ্যের কোনওটি আয়তনে বড় আবার কোনওটি ছোট। কোনও রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, আবার কোনও রাজ্যে তা খুবই কম। স্বাভাবিক ভাবেই যে রাজ্যের লোকসংখ্যা বেশি, নির্বাচনে সেই রাজ্যের প্রভাবও বেশি।
অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিটি রাজ্যেরই যথেষ্ট পরিমাণ ভূমিকা থাকা উচিত। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইলেক্টরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচনে কোন রাজ্যের প্রভাব কত, ইলেক্টরদের মাধ্যমেই তা নির্ধারিত হয়। আমেরিকার প্রতিটি রাজ্যে দুজন করে সেনেটর থাকেন। রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত মোট জেলার সংখ্যা এবং তার সঙ্গে দুজন সেনেটরের সংখ্যা যোগ করলে যেটা দাঁড়ায়, সেটাই হল সেই রাজ্য থেকে মোট ইলেক্টরের সংখ্যা। কোনও রাজ্য থেকে যিনি জয়ী হবেন, তিনি ওই রাজ্যের সব ইলেক্টরের ভোটই পাবেন। তাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেক্টরকে ব্যালটবন্দি করা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ৫৩৮ টি ইলেক্টরাল ভোটের মধ্যে কেউ যদি একক ভাবে ২৭০টি পান, তাহলে তিনিই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবেন। অর্থাত্ হোয়াইট হাউসের দখল নেবেন তিনিই।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত