মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপি গবেষণায় নোবেল পেলেন তিন রসায়নবিদ
জটিল রোগের নতুন নতুন ওষুধ আবিষ্কারের জন্য সবচেয়ে জরুরি মানবদেহের সরল ও জটিল প্রোটিন অণুর গঠন-কাঠামো এবং দেহে তাদের চলাচলকে আরও ঝকঝকে ও নিখুঁতভাবে দেখার জন্য ‘এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্র্যাফি’ (এক্সআরসি) ও ‘নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স’ (এনএমআর) এর চেয়ে অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপ।
ক্রায়ো ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপি বা ক্রায়ো-ইএম নামের এই যন্ত্রটি হচ্ছে সেই শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপি, যেটি
জটিল থেকে জটিলতর প্রোটিনগুলির (কমপ্লেক্স প্রোটিন) পরমাণু স্তরের খবরাখবরও এখন দিতে পারছে। এর ফলে, জটিল প্রোটিনগুলির গঠন-কাঠামো আর আমাদের শরীরে তাদের চলাচলকে ওই অসম্ভব শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপি ‘ক্রায়ো-ইএম’-এর মাধ্যমে চাক্ষুষ করাটা সম্ভব হচ্ছে, আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ হচ্ছে এবং স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর (হাই রেজিলিউশনের কারণে) হচ্ছে।
এই ক্রায়ো-ইএমের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লাউসেনের জ্যাকুইস ডাবোচেট, যুক্তরাষ্ট্রের, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জোয়াচিম ফ্রাঙ্ক এবং যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজের এমআরসি ল্যাবরেটরি অব মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের রসায়নবিদ রিচার্ড হ্যান্ডারসন।
রসায়নে এই অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য বুধবার রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স তাদের তিনজনকে নোবেল সম্মাননা প্রদান করেছে।
পুরষ্কার হিসেবে দেওয়া ৯০ লাখ ক্রোনার (সুইডিশ মুদ্রা) ভাগ করে নেবেন তিন রসায়নবিদ।
রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স এক বিবৃতিতে বলেছে, ক্রায়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপি জৈব অণুর চিত্র দেখার ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও সাধারণিকরণ করেছে। এই প্রক্রিয়া রসায়নকে নতুন একটি যুগে নিয়ে গেছে।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন