দাবানলের আশঙ্কায় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় রেড ফ্ল্যাগ সতর্কতা, বইছে প্রবল সান্তা আনা বাতাস
মাটি খুঁড়লেই মিলছে সোনা, তাতেই বিপদ
সুদানে স্বর্ণখনি নিয়ে সরকারের ভূমিকার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিবাদ ক্রমশই বাড়ছে। বিদেশী কোম্পানিকে স্বর্ণখনির স্বত্ব দিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে সেখানে শুরুতে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় নাগরিকেরা। পরে সে বিক্ষোভ রূপ নেয় আবাদী জমি রক্ষার লড়াইয়ে। বিক্ষোভের ওপর খনির নিরাপত্তা কর্মীদের গুলি চালানোর ঘটনায় এক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন গত মাসে।
উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের প্রত্যন্ত ওয়াদি আলিসিংগাইর এলাকার ওই খনিতে স্বর্ণ উত্তোলন করছে রাশিয়ার কোম্পানি মিরো গোল্ড। গত বছর অক্টোবরে এক চুক্তিতে সুদান সরকার খনি থেকে উত্তোলিত সম্পদের মালিকানা ওই কোম্পনিটিকে দেয়। এর প্রতিবাদে শুরু থেকেই বিক্ষোভ করতে থাকে খনি শ্রমিক ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা। ছোট্ট ওই উপত্যকাটিতে বসবাস করেন কয়েক হাজার স্থানীয় বাসিন্দা। গ্রামটির আবাদী জমিগুলো এখন খনি ও এর সংশ্লিষ্ট কাজের দখলে চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া খনি শ্রমিকদের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হাসপাতাল, স্কুল ও সড়কেও স্থানীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ। খনিটির নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছে রাশিয়ার একদল নিরাপত্তা কর্মী, তাদের সহযোগিতা করছে সুদানি পুলিশ। রুশ নিরাপত্তা কর্মীরা বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
বিক্ষোভকারীদের একজন আমদে আলসাইম বলেন, আমাদের সাথে আলোচনা না করেই জমি দখল করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আমাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে গুলি চালানো হয়েছে। একজন স্নাইপারসহ সেখানে যে রাশিয়ার নিরাপত্তাকর্মী রয়েছে তারাই গুলি চালিয়েছে। গত মাসের ওই ঘটনায় আল হাবোব ফারাহ (২৮) নামে বিক্ষোভকারীদের এক তরুণ নেতা গুলিতে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অন্তত পাঁচজন।
এরপর থেকেই সুদানের জাতীয় সম্পদে বিদেশী কোম্পানিগুলো আধিপত্য বৃদ্ধি নিয়ে জনগণের ক্ষোভ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও এ বিষয়ে সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে। অনেকেই সুদানে বিদেশী কোম্পানির আধিপত্য বৃদ্ধির ঘটনাকে তুলনা করছেন মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ব্লাকওয়াটারের সাথে।
প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মীরা ইরাকে ২০০৭ সালে ১৪ বেসামরিক নাগরিক হত্যা করেছিলো। আফ্রিকা মহাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্বর্ণ উত্তোলনকারী দেশ সুদান।
এলএবাংলাটাইমস/আই/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন