Updates :

        সামলে উঠছে বিপর্যস্ত অর্থনীতি, তবে কাটেনি শঙ্কা

        নির্বাচনে বাগড়া দিলে দেশব্যাপী আন্দোলনের হুমকি

        শীঘ্রই দৈনিক ১ লাখ বাসিন্দা আক্রান্ত হবে করোনায়

        দেশজুড়ে জরিপে এগিয়ে বাইডেন, তবে স্বস্তি নেই শিবিরে

        প্যাটারসনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুই বাংলাদেশি কাউন্সিলম্যান প্রার্থী

        মাস্ক পড়তে বলায় গার্ডকে ছুরিকাঘাত করলো দুই বোন!

        মহানবী ( সা.) এর কার্টুন প্রকাশে জাতিসংঘের উদ্বেগ

        নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়ে যা বললেন সাকিব

        মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ লিখতে হবে

        দেশে করোনায় ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮১

        ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্যে ম্যাক্রোঁকে পূর্ণ সমর্থন জানালো ভারত

        রায়হান হত্যাকাণ্ড: আরেক পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

        কুর্দিদের না সরালে সিরিয়ায় সামরিক হামলার হুমকি তুরস্কের

        মাল্টিব্রান্ড ইনফোটেক-এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

        ৮ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান পেল স্বাধীনতা পুরস্কার

        ফ্রান্সে ফের লকডাউন জারি

        সৌদিআরবে বিলুপ্ত হচ্ছে কফিল পদ্ধতি

        এন্টিবডি ড্রাগ উৎপাদনের চুক্তি করলো যুক্তরাষ্ট্র

        ট্রাম্পের ২৭০ মিলিয়ন ডলার দেনা মওকুফ করলেন পাওনাদার!

        ধেয়ে আসছে হারিকেন জেটা, সতর্কতা সংকেত জারি

২০২২ পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে: গবেষণা

২০২২ পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে: গবেষণা

২০২২ সাল পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে বিশ্বকে। না হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অতিমহামারীতে আক্রান্ত হবেন। হাসপাতালে তাদের জায়গা দেয়া যাবে না।

সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এ হুশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘আগামী দিনে নির্দিষ্ট ঋতুতে বারবার ফিরে আসতে পারে কোভিড ১৯। ওই রোগ সাধারণ সর্দিকাশির চেয়ে অনেক বেশি ছোঁয়াচে। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা এখনও নতুন রোগটির সম্পর্কে বেশিকিছু জানি না। একবার সংক্রমণ হলে শরীরে কী ধরনের প্রতিরোধক্ষমতা জন্মায়, সেই ক্ষমতা কতদিন বজায় থাকে, আমরা কিছুই জানি না।’

বিজ্ঞানীদের অন্যতম স্টিফেন কিসলার বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, কিছুদিনের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই যথেষ্ট নয়। আমেরিকার চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ভবিষ্যতে দফায় দফায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোভিড ১৯ এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। রোগ ঠেকাতে বারে বারে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখাই হল পথ।’

বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে যখনই রোগটি ফের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে, তখনই ব্যাপক হারে টেস্ট করা প্রয়োজন। করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলে লকডাউনের সময়সীমা কমানো যেতে পারে।

লকডাউনের সময় কিছু ছাড়ও দেয়া যেতে পারে। কিন্তু যতদিন ভ্যাকসিন না বেরোচ্ছে, ততদিন মাঝে মাঝেই লকডাউন চালিয়ে যেতে হবে। যখনই ছাড় দেয়া হবে, তখনই বাড়বে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু মাঝে মধ্যে লকডাউন হলে হাসপাতালগুলো তাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ক্ষমতা বাড়াতে পারবে।

একইসঙ্গে টানা দীর্ঘদিন লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিরোধিতা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সময় জনসাধারণের মধ্যে কোনো প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয় না। সেজন্য মাঝে মাঝে লকডাউনে ছাড় দেয়া দরকার।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এলএস

শেয়ার করুন