আপডেট :

        নতুন আইফোন উন্মোচন অ্যাপলের, থাকছে ফোল্ডেবল ‘ডুও’

        গার্ডেনায় গাড়ি থামিয়ে মিলল ৫ লাখ ডলারের চোরাই ও নকল পণ্য, গ্রেপ্তার ১

        ক্যালিফোর্নিয়ার খালে মিলল বরফযুগের ১০ হাজার বছরের পুরোনো ম্যাস্টোডনের দাঁত

        অপ্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টার অভিযোগে ক্যালিফোর্নিয়ায় স্কুলের অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার

        নভেম্বরের নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ চলবে: ট্রাম্প

        যুক্তরাষ্ট্র-হুথি হামলার পর প্রথমবার ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম

        রিপাবলিকানরা জিতলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিককে ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র গরম ও আর্দ্রতা, তাপমাত্রা উঠবে তিন অঙ্কে

        নিকোলাস কেজের মালিবুর বাড়ির সামনে বিশাল গর্ত, জরুরি অবস্থা জারি

        মিয়ামিতে বিমান দুর্ঘটনা, নিহত পাঁচজনই মাটিতে থাকা দুটি গাড়িতে ছিলেন

        ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

        ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ক্রিপ্টো চুরির মামলায় দোষ স্বীকার সিঙ্গাপুরের যুবকের

        লস এঞ্জেলেসের উপকূলে ২৪ অভিবাসীসহ নৌকা আটক

        কানাডার মদ, মোটরবাইকসহ বিভিন্ন পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি নিষেধাজ্ঞা

        প্রশান্ত মহাসাগরে একসঙ্গে দুই হারিকেন, ঝুঁকিতে হাওয়াই ও দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া

        ঝড়-বৃষ্টিতে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট, অচল ট্রাফিক সিগন্যাল

        রাস্তার পাশে নবজাতকের মরদেহ, ১৪ বছরের কিশোরীকে খুঁজতে অ্যাম্বার অ্যালার্ট

        মার্কিন হামলার জবাব আরও দ্রুত ও ভয়াবহ হবে: ইরানের হুঁশিয়ারি

        ৯/১১ হামলার মামলার কেন্দ্রীয় ব্যক্তির উগ্রপন্থী যোগাযোগের নতুন ভিডিও প্রকাশ

        মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

লস এঞ্জেলেসে ট্রাম্পের গণনির্বাসন অভিযানে যোগ দিল ন্যাশনাল গার্ড পুলিশের ইউনিট

লস এঞ্জেলেসে ট্রাম্পের গণনির্বাসন অভিযানে যোগ দিল ন্যাশনাল গার্ড পুলিশের ইউনিট

ছবিঃ এলএবাংলাটাইমস

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (DoD) জানিয়েছে, ন্যাশনাল গার্ড পুলিশের একটি ইউনিট লস এঞ্জেলেসে মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনী সেখানে ইতোমধ্যে থাকা হাজারো সৈন্যের সঙ্গে যুক্ত হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গণনির্বাসন অভিযানে ফেডারেল কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এদের মূল কাজ। নতুন এই মোতায়েন শহরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।

ইউএস নর্দান কমান্ড (USNORTHCOM) জানায়, ৪৯তম মিলিটারি পুলিশ ব্রিগেড এবার ৭৯তম ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড কমব্যাট টিম এবং দুইটি মার্কিন মেরিন ইউনিটের সঙ্গে কাজ করবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৪,১০০ সৈন্য একত্রে লস এঞ্জেলেস অঞ্চলে কাজ করবে। এই সৈন্যদের অনেকেই আগে সীমান্ত নিরাপত্তা ও বন আগুন নিয়ন্ত্রণে যুক্ত ছিলেন। এখন তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে অভিবাসন তৎপরতায়।

প্রথমে প্রতিরক্ষা বিভাগ এই সৈন্যদের “অতিরিক্ত” বলে উল্লেখ করলেও পরে জানায়, তারা পূর্ব থেকেই চলমান মোতায়েনের অংশ। ইউএস নর্দান কমান্ড এক বিবৃতিতে বলে, ৯ জুনের নির্দেশ অনুসারে প্রায় ২,০০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য ‘টাইটেল ১০’ স্ট্যাটাসে নিয়োজিত হয়েছে। তাদের দায়িত্ব হলো ফেডারেল সম্পত্তি, কর্মকর্তা ও কার্যক্রম রক্ষা করা।

গভর্নর গ্যাভিন নিউজমের দপ্তর থেকে জানানো হয়, এই মোতায়েন “নতুন কিছু নয় বরং রাজনৈতিক নাটকের অংশ।” তিনি বলেন, “এই সৈন্যরা যারা আগুন নিয়ন্ত্রণ বা সীমান্তে জরুরি কাজে ছিল, এখন তাদের নিষ্ক্রিয় করে রাখা হচ্ছে ট্রাম্পের শোয়ের জন্য।” এই পদক্ষেপকে রাজ্য প্রশাসন অপ্রয়োজনীয় এবং বিভ্রান্তিকর বলেও মন্তব্য করেছে।

শহরে সম্প্রতি আইসিই (ICE) তৎপরতা ও সৈন্য মোতায়েন ঘিরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় লস এঞ্জেলেসের মেয়র কারেন ব্যাস শহরের এক বর্গমাইল এলাকায় জারি করা কারফিউ তুলে নেন। যদিও মানুষজনের মধ্যে এখনও ক্ষোভ রয়েছে। শহরের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বলছে, সেনা মোতায়েন অভিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প Truth Social-এ এক পোস্টে বলেন, ICE-কে “ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণনির্বাসন কার্যক্রম সফল করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে হবে।” G7 সম্মেলনেও তিনি বলেন, “নিউ ইয়র্ক ও লস এঞ্জেলেসের মতো শহরগুলোতে বিপুল সংখ্যক অবৈধ অভিবাসী রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এসব শহরই হচ্ছে সাংচুয়ারি অঞ্চল, যেখানে অভিযান চালানো জরুরি।”

তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত গভর্নর নিউজম ও মেয়র ব্যাসসহ অনেক রাজ্য নেতার সমালোচনার মুখে পড়েছে। একটি জেলা আদালত ট্রাম্পকে নির্দেশ দেয় ন্যাশনাল গার্ডের নিয়ন্ত্রণ রাজ্য গভর্নরের কাছে ফিরিয়ে দিতে। যদিও আপিল আদালত ইঙ্গিত দিয়েছে, বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারবেন।

এই ঘটনা ১৯৬৫ সালের পর প্রথমবার, যখন কোনও প্রেসিডেন্ট কোনও গভর্নরের অনুমতি ছাড়াই রাজ্যের ন্যাশনাল গার্ড সক্রিয় করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান এবং এটি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের মধ্যে ক্ষমতা দ্বন্দ্বের নতুন নজির হয়ে থাকবে।

এলএবাংলাটাইমস/ওএম

 

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত