আপডেট :

        . শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে শীতে আবহাওয়ার রেকর্ড ভাঙার ৭০ শতাংশ সম্ভাবনা

        যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে আলোচিত ফোর্ট হুড হামলাকারীর মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের ঘোষণা পেন্টাগনের

        নতুন প্রযুক্তিতে জানা যাবে বিশ্বের বৃহত্তম বন্যপ্রাণী পারাপার নিয়ে প্রাণীদের অনুভূতি ও আচরণের পরিবর্তন

        লস এঞ্জেলেসে গোপন পতিতালয়ের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিল পুলিশ, এখনো গ্রেপ্তার হননি এর মালিক

        ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস, ক্ষতি ৩৩০ কোটি ডলার

        এইচ-১বি ভিসার ফি এক হাজার থেকে এক লাখ ডলার করার নির্দেশ ট্রাম্পের

        লস এঞ্জেলেসের স্কিড রো এলাকায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান জোরদার

        ক্যালিফোর্নিয়ায় কৃষিশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ১৯.৭৫ ডলার

        লস এঞ্জেলেসের আলোচিত ‘আবর্জনার বাড়ি’ আবারও ময়লায় ঢেকে গেছে

        বাবাকে দিয়ে ১৪ বছরের মেয়েকে নি র্যাতন ও গর্ভবতী করার ঘটনায় গ্রে প্তার মা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় পানির বিল দেশের সবচেয়ে বেশি: বাড়ছে বাসিন্দাদের খরচ

        লস এঞ্জেলেসের উপকূলে আঘাত হানছে ‘কেলভিন ওয়েভ’, এল নিনোর প্রভাবে বাড়ছে বন্যার শঙ্কা

        জরিপে উদ্বেগ: ট্রাম্প ও কংগ্রেস এআইয়ের ঝুঁকি যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না

        ট্রাম্পের বার্তা: ইরান লস এঞ্জেলেস বা সান দিয়েগোতে হা মলা চালাতে পারবে না

        ট্রাম্পের বিলাসবহুল ফ্লোরিডা গলফ ক্লাবেই হতে পারে নতুন ‘ক্যাম্প ডেভিড’

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার তাপপ্রবাহ এখনো কাটেনি, তবে আসছে স্বস্তির শীতলতা

        সিলভার লেকে বাড়িতে আগুন, চার এলএফডি ফায়ারফাইটারসহ আহত ৫

        প্রায় এক মাস ধরে নিখোঁজ দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার দুই কিশোর লস এঞ্জেলেসের এলাকায় থাকতে পারে

        কুলভার সিটি বাসচালক ব্রুস রদ্রিগেজকে হত্যার অভিযোগে লস এঞ্জেলেসের ব্যক্তি অভিযুক্ত

        সারোগেসিতে জন্ম নেওয়া অন্তত ১৪ শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ ক্যালিফোর্নিয়ার দম্পতির বিরুদ্ধে

লিবিয়ায় শান্তির সুবাতাস, ৩ মাসের মধ্যে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার

লিবিয়ায় শান্তির সুবাতাস, ৩ মাসের মধ্যে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার

লিবিয়ায় যুদ্ধরত দুইপক্ষ দেশটির স্থায়ী যুদ্ধবিরতি দিয়ে শান্তিচুক্তি করতে সম্মত হয়েছে।  শুক্রবার যুদ্ধরত প্রধান দুই পক্ষ এ পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়।  এর ফলে কয়েক বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সমাপ্তি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  

এ ছাড়াও দেশটি থেকে রাশিয়া, তুরস্ক ও অন্যাক্ত আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সেনাদের ফিরিয়ে নেয়া হতে পারে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

শুক্রবার জাতিসংঘের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়, লিবিয়ায় যুদ্ধরত উভয় পক্ষের সামরিক প্রধানরা আলোচনার মধ্য দিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। একে ঐতিহাসিক চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ।  এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধ চলা দেশটিতে শান্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়, শান্তিচুক্তিতে মধ্যস্ততা করেছে জাতিসংঘের দূত স্টিফেন টুরকো উইলিয়ামস।  এতে স্বাক্ষর করেছে খলিফা হাফতারের বাহিনী এলএনএ এবং ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার জিএনএ।  ক্ষমতার প্রক্রিয়া কেমন হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে আগামী মাসে তিউনিশিয়ায় বসবে দুইপক্ষ।

জাতিসংঘের দূত স্টিফেন উইলিয়ামসের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, আগামী ৩ মাসের মধ্যে দেশটিতে থাকা বিভিন্ন দেশের সেনাদের প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

স্টিফেন উইলিয়ামস বলেন, ‘স্রষ্টার ইচ্ছায় এটা পুরো লিবিয়ার শান্তির চাবিকাঠি হতে পারে।’

লিবিয়াকে ঘিরে তুরস্ক-মিসরের যুদ্ধের আশংকা

লিবিয়ায় তুরস্ক-মিসরের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের দাবানল বেজে উঠেছিল।

আলজাজিরা জানিয়েছে, লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতারের অনুগত সংসদ দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করার জন্য মিসরকে অনুমোদন দেয়ার পর ওই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে যুদ্ধ বিরতির আগেই লিবিয়ার সিত্রে শহর এবং যুফরা বিমানঘাঁটি ত্রিপোলি ভিত্তিক জাতিসংঘ অনুমোদিত সরকারের কাছে হস্তান্তর করার শর্ত দেয় তুরস্ক।

যেভাবে যুদ্ধের শুরু

২০১১ সালে আরব বসন্তের প্রভাবে বিক্ষোভ ও গৃহযুদ্ধে লিবিয়ার দীর্ঘকালীন শাসক মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফির পদচ্যুতি ও নিহত হওয়ার পর দেশটি দু’পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

জাতিসংঘ স্বীকৃত লিবিয়ার সরকার রাজধানী ত্রিপোলিসহ দেশটির পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে।

অন্যদিকে বেনগাজিকে কেন্দ্র করে মিসর, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থিত বিদ্রোহী জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনী দেশটির পূর্বাঞ্চলের দখল নেয়।

এক পর্যায়ে মিসরের স্বৈরশাসক জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ আস-সিসি বলেন, লিবিয়ার সিত্রে শহর এবং যুফরা বিমানঘাঁটি হচ্ছে মিসরের জন্য রেড লাইন।

সিত্রে শহর এবং যুফরা বিমানঘাঁটির পতনের আশঙ্কা দেখা দিলে তা ঠেকানোর জন্য মিসরের সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন জেনারেল সিসি।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত