আপডেট :

        নির্বাচনের আগে উদ্বেগ বাড়াল রহস্যময় চিঠি, ক্যালিফোর্নিয়ার অন্তত ৯ আইনপ্রণেতা লক্ষ্যবস্তু

        প্রথমবার হারান ৫ লাখ ডলার, এরপরও একই প্রতারণার ফাঁদে পা দিলেন ক্যালিফোর্নিয়ার অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় সান্তা আনা বাতাসের দাপট, শেষ দিনে বাড়ছে তীব্র গরম ও অগ্নিঝুঁকি

        ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ আন্দোলনে সরব ক্যালিফোর্নিয়া, ভোটারদের আগেভাগে ভোট দিতে আহ্বান

        ওরেগনের স্কুলে কিশোরের গু লি বর্ষণ, বন্দুক কেড়ে নিতে শিক্ষিকার লড়াই, বাবার পাল্টা আঘাতে হামলাকারী নি হ ত

        ফ্লোরিডায় মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে ৭১ বছর বয়সী বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃ ত্যু

        ক্যালিফোর্নিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া দাবানলে পুড়ছে বাড়িঘর, বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ

        পরিবারের আদরের হাস্কি কুকুরের রহস্যজনক মৃ ত্যু, লিনউডের গলিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধারের পর তদন্তের দাবি

        নিজের সাবেক স্কুলেই প্রাণঘাতী হা মলা, ওরেগনে তিন শিশু ও শিক্ষক নি হ ত, অভিযুক্ত কিশোরও মৃ ত

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে বাড়িঘর, ৪৬৫ একর এলাকায় ছড়িয়ে পড়া আগুনে জারি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

        ক্যালিফোর্নিয়ার সান ক্লেমেন্তেতে নর্তে ফায়ারের হুমকি, ঝুঁকিতে আশপাশের স্থাপনা

        ২০৩১ সাল পর্যন্ত ইউরোপের দ্রুততম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথে মাল্টা, কসোভোসহ পাঁচ দেশ

        পুলিশপ্রধান জিম ম্যাকডোনেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্বন্দ্ব, বাসের সমর্থনে রামানের নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি

        লস এঞ্জেলেসে আবাসন ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি, মেয়র পদপ্রার্থী বাস ও রামানের পরিকল্পনায় কী রয়েছে

        সান্তা আনা ঝড়ের তাণ্ডবের আশঙ্কায় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় এক লাখের বেশি গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

        দাবানলের আশঙ্কায় দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় রেড ফ্ল্যাগ সতর্কতা, বইছে প্রবল সান্তা আনা বাতাস

        ঘণ্টায় ৭০ মাইল বেগের সান্তা আনা বাতাসে লস এঞ্জেলেসে সড়ক বন্ধ, পার্কিং নিষেধাজ্ঞা

        বন্যার পানিতে ডুবলে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারিতে আগুন, ক্যালিফোর্নিয়ার চালকদের সতর্কবার্তা

        সান্তা আনা বাতাসের শক্তি কমাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন, তবু লস এঞ্জেলেসে দাবানলের আশঙ্কা

        লস এঞ্জেলেসের সুপারমার্কেটে ঘুরছে এআই রোবট, ক্রেতা ও কর্মীদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ

ট্রাম্পের অভিবাসী নীতি পাল্টানো সহজ হচ্ছে না

ট্রাম্পের অভিবাসী নীতি পাল্টানো সহজ হচ্ছে না

ছবি: এলএবাংলাটাইমস

ক্ষমতায় আসার আগে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, ট্রাম্প আরোপিত কঠোর অভিবাসী নীতি ঢেলে সাজাবেন তিনি। ইতোমধ্যে অভিবাসী নীতি সংস্কারে বেশ কিছু নির্বাহী আদেশেও সই করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

তবে বাস্তবতা হলো, খুব সহজেই সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরোপিত অভিবাসন নীতি সংস্কার সম্ভব নয়। ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩০০টির মতো নিবর্তনমূলক নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। এসবের ফলে পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াতে একটি ছন্দপতন হয়েছে।

এছাড়া ইমিগ্রেশন পলিসি ট্র্যাকিং প্রজেক্ট জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় এক হাজারটির মতো অভিবাসী বিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। এসব সিদ্ধান্ত বাতিল করে একটি গ্রহণযোগ্য অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা খুবই দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল প্রক্রিয়া।

ট্রাম্পের এসব নীতি পরিবর্তন করতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে জো বাইডেন প্রশাসনকে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণের বর্ডারে অভিবাসীপ-সংকট মেটাতে বেশ বেগ পোহাতে হচ্ছে বাইডেন প্রশাসনকে।

ইতোমধ্যে, অভিবাসীদের সঙ্গে থাকা শিশুদের নিরাপদে রাখার জন্য ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট (ফেমা) কর্মকর্তাদের দক্ষিণের সীমান্তে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য হোমল্যান্ড সেক্রেটারি আলেজান্দ্রো মেওয়রকাস গত শনিবার ফেমা কর্মকর্তাদের সীমান্তে পাঠিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নির্দেশে ফেমা কর্মকর্তারা সীমান্তে আসা শিশুদের মানবিক আবাসন ও জরুরি চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করবেন।

এই প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দক্ষিণ সীমান্তের ইন-চার্জ রবের্তা জ্যাকবসন বলেন, ‘আমরা চাইলেই খুব সহজে গত চার বছরের নিয়ম-কানুন রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবো না। অভিবাসীদের জন্য কিছু সুবিধা খুব সতর্কভাবে নষ্ট করে রেখে গেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তার উপর মহামারি যোগ হয়ে এগুলো সামলানো আরো কঠিন হয়ে গেছে’।

প্রসঙ্গত, শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই এক লাখের বেশি অভিবাসী প্রত্যাশী দক্ষিণের সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। এই ক্রমবর্ধিত অভিবাসী চাপের কারণে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না।

কোনো কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে ধারণ ক্ষমতার সাতগুণ বেশি মানুষকে রাখতে হচ্ছে। আর সীমান্তের এই সংকটময় মুহুর্তের জন্য দায়ি করা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনকে। রিপাবলিকান পার্টির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সীমান্তের এই সংকটময় পরিস্থিতির মূল কারণ বাইডেন প্রশাসনের অভিবাসী শিথিল নীতি।

তবে ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতারা একে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করছেন। এল পাসোর কংগ্রেসওমেন ভেরোনিকা এস্কোবার রোববার বলেন, ‘মূলত জো বাইডেনের উদারপন্থী নীতির কারণে নয় বরং ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে অভিবাসী দমন নীতির প্রভাব স্বরূপ দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে এবং মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হচ্ছে’।

এলএবাংলাটাইমস/ওএম

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত