আপডেট :

        বাধা ছাড়াই ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠিত

        ঈদ উল আযহা উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ১৪ নির্দেশনা

        যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এবার পাল্টা ব্যবস্থা নিল রাশিয়া

        তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজ তুলে শুরু হচ্ছে ইউরো

        ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি

        স্ট্রোকে আক্রান্ত নোয়াম চমস্কি

        ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি

        রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাহ তে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

        রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাহ তে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

        ২১ জুন দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

        ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখা গেলো যুক্তরাজ্যের প্রিন্সেস

        ২১ জুন দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

        জমে উঠেছে রাজধানীর গরুর হাট

        লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকটি স্থাপনায় হামলা

        কোরবানির গরু বহনকারী ট্রাকে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

        ‘আয় আয়’ ডাকে ছুটে এলো খরগোশ দল

        রাঙামাটিতে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু

        টানা ৭ দিনের ছুটি পেয়ে অনেকেই ছুটছেন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে

        কাজী কামাল ওরফে গ্যাস বাবুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

        ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপের দেশ সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে উড়োজাহাজ চলাচলে দুটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি

ডিএনএ টেস্টে ৫০ বছর পর দেখা হয়ে গেল দুই বোনের

ডিএনএ টেস্টে ৫০ বছর পর দেখা হয়ে গেল দুই বোনের

ছবি: এলএবাংলাটাইমস

আরও একজন বোন থাকার কথা জানতেন না দুই বোনের কেউই। তবু ৫০ বছর পর ডিএনএ পরীক্ষা মিলিয়ে দিল তাঁদের।

যুক্তরাষ্ট্রের কারেন স্যান্ডিন এবং জেনিফার জনসনের মা একই হলেও তাঁদের বাবা ছিলেন আলাদা। এই ব্যবধানটুকুই একই মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া দুই বোনকে আলাদা করে রেখেছিল দশকের পর দশক।

বোনকে পাওয়ার অনুভূতিকে যেন কোনো শব্দেই প্রকাশ করতে পারছিলেন না কারেন স্যান্ডিন। বর্তমানে স্যান্ডিনের বয়স ৫৫ বছর, আর জেনিফার জনসন পা রেখেছেন ৫২ বছরে।
একই মায়ের গর্ভে জন্ম হলেও ইতিপূর্বে তাঁদের মধ্যে কোনো দিনও দেখা হয়নি। জন্মের পর থেকেই দাদা-দাদির কাছে বেড়ে উঠেছিলেন স্যান্ডিন।

স্যান্ডিন জানান, সম্প্রতি স্বামী মারা যাওয়ার পর একসঙ্গে ২৫ বছর ধরে বসবাস করা নিজের বাড়িটি তিনি পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় তিনি তাঁর দাদির রেখে যাওয়া সব ছবি, চিঠি ও সার্টিফিকেটগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছিলেন। এসব দেখতে দেখতেই স্যান্ডিনের মনে হলো—তাঁর মা হয়তো এখনো বেঁচে আছেন। হয়তো তাঁর আরও ভাই-বোনও রয়েছে। এমন ভাবনা থেকেই শেষ পর্যন্ত পারিবারিক বংশ পরিক্রমা নিয়ে কাজ করা অ্যাঙ্কেস্ট্রি ডটকমের দ্বারস্থ হন তিনি।

এদিকে জেনিফারও অ্যাঙ্কেস্ট্রি ডটকমে গিয়েছিলেন আরও পাঁচ বছর আগেই। এর ফলে চলতি বছর অ্যাঙ্কেস্ট্রি ডটকমে স্যান্ডিন যোগ দিয়েই বোন জেনিফারকে তিনি পেয়ে যান।

স্যান্ডিন জানান, অ্যাঙ্কেস্ট্রি ডটকমের সাহায্যে তিনি তাঁর এক মামাকেও খুঁজে পেয়েছেন। স্যান্ডিনের মা তথা নিজের বোনকে খুঁজছিলেন সেই ব্যক্তি। অবশেষে স্যান্ডিনকে পেয়ে যাওয়ায় অনেক বড় উপকার হয়েছে তাঁর। কারণ বর্তমানে কিছু মানসিক অক্ষমতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

একে অপরকে আবিষ্কারের পর থেকেই দেখা হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি সন্ধ্যায় একে অপরের সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন স্যান্ডিন এবং জেনিফার। কারণ তাঁরা দুজন আমেরিকার দুই অঙ্গরাজ্যে বসবাস করেন। এর মধ্যে জেনিফার থাকেন ওকলাহোমায় এবং স্যান্ডিন থাকেন আরকানসাসে।

দুঃখজনক বিষয় হলো—বহু বছর আগে জেনিফারও তাঁর মায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ তাঁকে দত্তক নিয়েছিল আরেকটি পরিবার। এবার তাঁরা দুই বোন এক হয়ে হারানো মাকে খুঁজে পাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। এ জন্য একে অপরকে আরও জানতে এবং একসঙ্গে আরও সময় কাটানোরও পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা।

স্যান্ডিন বলেন, ‘আমরা আশা করি, আমাদের জৈবিক মাকে আমরা খুঁজে পাব এবং আমাদের পরিবার সম্পর্কে আরও জানতে চাচা এবং কিছু কাজিনের সঙ্গে সময় কাটাব।’

এলএবাংলাটাইমস/এজেড

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত