মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
মৃদু শৈত্যপ্রবাহে আজকেও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে টানা দ্বিতীয় দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। আজ বুধবার সকাল নয়টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার শ্রীমঙ্গলে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, তিন দিন ধরেই উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে অবস্থান করছে। সে হিসাবে আজ শ্রীমঙ্গলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আগামী কয়েক দিন এ ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে।
গতকাল শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য ওঠায় ঠান্ডা কম অনুভূত হয়েছিল। কিন্তু আজ বেলা ১১টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা ছিল শ্রীমঙ্গল। শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেও লোকজন কাজে বের হয়েছেন। তবে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাতের বেলা ঘন কুয়াশার কারণে ধীরগতিতে যানবাহন চালাচ্ছেন চালকেরা। চা–বাগান অধ্যুষিত শ্রীমঙ্গলে চা–শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের লোকজন ঠান্ডায় বেশি কষ্ট পাচ্ছেন।
আজ বুধবার সকালে বিটিআরআই–সংলগ্ন চা–বাগানে পাতা তুলছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। তাঁদের একজন বলেন, ‘প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও চা–পাতা তুলতে বের হয়েছি। সূর্য ওঠেনি, অনেক ঠান্ডা। গাছের পাতাগুলো বরফ হয়ে আছে। হাত দিয়ে পাতা তুলতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। পেটের দায়ে তবু কাজ করতে হচ্ছে।
এ ধরনের ঠান্ডা থাকলে আমাদের কাজ করা কঠিন হবে।’ উপজেলার ভাড়াউড়া চা–বাগানের শ্রমিক সজল বলেন, ‘চা–বাগানে সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা। রাতের বেলা চা–বাগানে মারাত্মক ঠান্ডা পড়ে। আমরা অনেক কষ্ট করে থাকি। শ্রমিকদের সবার ঘরে তো ভালো কাপড় নেই, কম্বল নেই। গতবার অনেকেই সাহায্য করেছেন। এবার কেউ শীতবস্ত্র দিচ্ছে না।’
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
নিউজ ডেক্স
শেয়ার করুন