আপডেট :

        কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্র্যাটার্নি হাউসে যৌ ন নি পী ড়নের অভিযোগ: দুই বছর পর কেন আবার তদন্ত

        শুক্রবার থেকে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় দীর্ঘ তাপপ্রবাহ, তীব্র গরমের সঙ্গে বাড়ছে আগুনের ঝুঁকি

        সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় মেগা মিলিয়নে ৭.৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি জিতলেন এক খেলোয়াড়

        আলতাডেনায় সরিয়ে নিতে ব্যর্থতা, প্যাসিফিক প্যালিসেডসে অব্যবস্থাপনা: দাবানল তদন্তে উঠে এল নানা ভুল

        লস এঞ্জেলেসের কাইজার পারমানেন্টের পার্কিং লটে গাড়ির ভেতর নারীর মরদেহ

        যুক্তরাষ্ট্রে কতটা ব্যাপকভাবে মৃত্যুদণ্ড ব্যবহার করা হয়?

        ব্যর্থ দণ্ড কার্যকরের পর সংকটাপন্ন ক্রাইস্টা পাইক অচেতন অবস্থায় ভেন্টিলেটরে

        ৫ কোটি ডলারের গোপন লবিং কাণ্ডে সাবেক মার্কিন কংগ্রেসম্যানের ১০ বছরের জেল

        ল্যাঙ্কাস্টারের প্রত্যন্ত সম্পত্তিতে মাটির নিচে পাওয়া দুই মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

        জনপ্রিয় বিষয়ে পড়েও বেশি বেতনের চাকরি মিলছে যেসব ক্যালিফোর্নিয়ার কলেজে

        মালিবুতে স্পিড ক্যামেরার পরীক্ষাতেই ধরা পড়ল ১ লাখের বেশি গতিসীমা লঙ্ঘন

        ক্যাটালিনা দ্বীপের কাছে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নিহতদের বিষয়ে নতুন তথ্য

        ব্যাংকগুলোতে এআইয়ের সুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে বড় ঝুঁকি

        নিজেদের জ্বালানি সংকট সামলাতে ইউরোপের ডিজেল মজুত চায় ট্রাম্প প্রশাসন

        বুলিং ও অর্থ ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বাধা চাইলেন ইউসিএলএ কর্মকর্তা

        সংকটে থাকা সংবাদমাধ্যমকে সহায়তায় ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐতিহাসিক আইন

        শুক্রবার থেকে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় শুরু হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী তীব্র তাপপ্রবাহ

        দুই মরদেহ উদ্ধারের পর ল্যানকাস্টারে আরও মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি

        মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক ঘণ্টা আগে আদালতে থামল ক্রিস্টা পাইকের শাস্তি

        যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে বড় কাটছাঁট আনছেন হেগসেথ

এবার দুই কারণে স্বাধীনতা চায় স্কটল্যান্ড, ভেঙে যাবে ইংল্যান্ড?

এবার দুই কারণে স্বাধীনতা চায় স্কটল্যান্ড, ভেঙে যাবে ইংল্যান্ড?

ইংলিশদের অধীনে আর থাকতে চাচ্ছে না স্কটল্যান্ড। দেশটির নাগরিকদের মাঝে নতুন করে স্বাধীতার দাবি মাথাচাড়া দিয়েছে।  বর্তমানে ব্রিটেনের স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যটির ৫১ থেকে ৫৯ শতাংশ মানুষই স্বাধীন স্কটল্যান্ড দেখতে চান। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত এক গণভোটে অবশ্য ৫৫-৪৫ শতাংশ ভোটে স্বাধীনতার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছিল স্কটিশরা।

সর্বশেষ ১৪টি জরিপের ফল বলছে, বেশিরভাগ স্কটিশের মনোভাবে পরিবর্তন এসেছে। কারণ, এর আগে কখনও এত বেশি মানুষ স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা চাননি।

স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজিওনের বক্তব্যেও উঠে এসেছে বিষয়টি। শনিবার তিনি বলেন, এর আগে কখনও ‘স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার বিষয়ে এত বেশি নিশ্চিত তিনি ছিলেন না।’ খবর রয়টার্স।

২০১৪ সালে প্রত্যাখ্যান করলেও বর্তমানে অনেক বেশি মানুষের ব্রিটেনের সঙ্গে যুক্ত না থেকে স্বাধীনতা চাওয়ার কারণ হল- ব্রেক্সিট তথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া এবং ব্রিটেনের করোনাভাইরাস মোকাবেলার পদ্ধতি পছন্দ না হওয়া। এ কারণে আবারও গণভোট আয়োজনে করে ব্রিটেন থেকে বেরিয়ে যেতে চায় স্কটল্যান্ড। মূলত, মদ ও তেলশিল্পসহ নিজেদের উপার্জনে আরও উন্নত হতে পারবে বলে মনে করে স্কটিশরা। সে ধারণা থেকেই বিভিন্ন সময় স্বাধীনতার প্রশ্ন সামনে আনা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৪ সালে গণভোট দেয়া হয়। তাতে স্বাধীনতার দাবি প্রত্যাখ্যাত হলেও স্বাধীনতার পক্ষে ভোট পড়ে ৪৫ শতাংশ। এর পর থেকে ব্রেক্সিট ইস্যুতে স্কটিশরা ইইউতে থেকে যাওয়ার পক্ষে। কিন্তু ব্রেক্সিট গণভোটে পাস হওয়ার পর থেকে মানুষের মধ্যে পরিবর্তন আসতে থাকে।
এই সুযোগে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতাপন্থী স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) নিকোলা স্টরজিওন আবারও গণভোটের পক্ষে অবস্থান নেন। আগামী বছর পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে গণভোট দেয়ার প্রতিশ্র“তি দিচ্ছেন স্টারজিওন। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা হচ্ছে আমাদের সুস্পষ্ট লক্ষ্য। লক্ষ্যে প্রতি একাÍতা, মানবতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা এটি অর্জন করব। এর আগে আমি কখনও স্বাধীনতার বিষয়ে এত বেশি নিশ্চিত ছিলাম না।’

নতুন বছর ইইউ থেকে বের হয়ে যাচ্ছে ব্রিটেন। তার দগদগে ক্ষতের মধ্যেই হতে পারে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে আরেকটি গণভোট। পর্যবেক্ষকরা বলছেনÑ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের হাতে দুটি বিকল্প আছে। হয় তিনি গণভোট আয়োজন করতে দেবেন না। সেটি হলে তার জনপ্রিয়তা কমে যাবে। আরেকটি তিনি করতে পারেন গণভোটের অনুমতি দেয়া। এটি করা হলে স্কটল্যান্ড আর ব্রিটেনের মানচিত্রের অংশ থাকবে না। এ কারণে বরিস বলেছেন, ২০১৪ সালে একটি গণভোট হয়েছে এবং স্কটল্যান্ডের মানুষ স্বাধীনতার দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এখন আরেকটি গণভোটের আয়োজনের কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

যদিও শেষ পর্যন্ত আরেকটি গণভোট হয় এবং স্কটল্যান্ড ব্রিটেন থেকে স্বাধীন হয়ে যায় তবে একশ’ বছর আগে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার পর ব্রিটেনের জন্য আরেকটি বড় আঘাত। আর এই আঘাতটি হবে ব্রেক্সিটের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে। এক সময় স্কটল্যান্ড স্বাধীন দেশ ছিল। ১৬০৩ সালে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের রাজবংশ রাজা জ্যাকবের নেতৃত্ব একত্রিত হয়। ১৭০৭ সালে দেশ দুটির আইনসভাও একীভূত করা হয়। তবে শিক্ষা, বিচার ও মুদ্রার ক্ষেত্রে স্বকীয়তা বজায় রেখেছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৯ সাল থেকে নিজস্ব পার্লামেন্টও রয়েছে এবং সেটি স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে তখন থেকে।

 

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/ইউ

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত