আপডেট :

        আমাদের আগামীরা আজকে দেশব্যাপী রাজপথে

        দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

        দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

        নৌ অবরোধের কারণে দেউলিয়া হয়ে গেছে ইসরায়েলের ইলাত বন্দর

        ‘ধাতব স্যুটের বর্ম’ তৈরি করতে চান টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক

        শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নৃশংস হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

        হামলায় আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের ছবি-ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই ঝড় তোলেছে ইন্টারনেট

        পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা

        কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ নিহত

        কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ নিহত

        শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে জনগণকে সাড়া দেওয়ার আহ্বান

        শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে জনগণকে সাড়া দেওয়ার আহ্বান

        ডান কানে বড় একটি ব্যান্ডেজ নিয়ে জাতীয় সম্মেলনে উপস্থিত ট্রাম্প

        ট্রাম্পকে মাসে ৪৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইলন মাস্কের

        শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

        আম্বানি পুত্রের বিয়েতে নিক-প্রিয়াঙ্কার উজ্জ্বল উপস্থিতি নজর কেড়েছে নেটিজেনদের

        প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন

        সাহিত্যিক যাত্রার শুরু এবং কাশবন পত্রিকার সম্পাদনার পিছনে অনুপ্রেরণা

        নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন

        নারী শিক্ষার অগ্রদূত হিসেবে "তমগায়ে কায়েদে আজম "

‘ম্যারাডোনার জন্যই আমি সম্মানিত’

‘ম্যারাডোনার জন্যই আমি সম্মানিত’

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে ম্যারাডোনার দুই গোল স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। একটি পরিচিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নামে, অন্যটি ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি।’

‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের চার মিনিট পর চোখ ধাঁধানো দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন ম্যারাডোনা। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে গত বুধবার অসীমের পথে পাড়ি জমান ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন গ্রেট চলে যাওয়ায় ফুটবল বিশ্ব হয়ে পড়েছে শোকাচ্ছন্ন। স্বাভাবিকভাবে বারবার উঠে আসছে ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে যাওয়া ম্যারাডোনার সেই ‘কুখ্যাত’ ও ‘বিখ্যাত’ দুই গোল।

সেই ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করা তিউনিশিয়ান আলী বিন নাসের বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ম্যারাডোনার মতো কাউকে রেফারিং করার সময় তার ওপর থেকে চোখ সরানো যায় না। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তিনবার ম্যারাডোনাকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু লক্ষ্য অর্জনের ক্ষুধা তাকে শুধু সামনেই এগিয়ে নিচ্ছিল। বক্সের বাইরে থেকে আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম, কীভাবে তিন ডিফেন্ডারকে সে কাটাল।

তিনি আরও বলেন, ম্যারাডোনা প্রায় ৫০ মিটার দৌড়েছিল। ভেবেছিলাম, ডিফেন্ডাররা তাকে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করবে। সেরকমই ভাবছিলাম এবং পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম। এক ডিফেন্ডার এবং গোলকিপারকে কাটিয়ে অবিশ্বাস্য গোলটি করেন ম্যারাডোনা। তার ওই ঐতিহাসিক অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকায় ব্যক্তি ও রেফারি হিসেবে আমি গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করি। ইংলিশদের প্রথম তিন চ্যালেঞ্জে যদি আমি ফাউলের বাঁশি বাজাতাম তাহলে এমন জাদুকরি কিছুর সাক্ষী আমরা হতে পারতাম না। যে অ্যাডভান্টেজ আমি দিয়েছি, তা আমার সেরা অর্জনগুলোর একটি।

 

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত