আপডেট :

        এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের ভর্তি নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা, বদলাতে পারে স্কুলের নিয়ম

        জ্বালানির উচ্চ দাম ও সরকারি প্রণোদনায় ইউরোপে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি রেকর্ড গতিতে বাড়ছে

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইলন মাস্কের

        যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১৫ লাখ পাউন্ডের বেশি হট ডগ, ডেলি মিট ও অন্যান্য মাংসজাত পণ্য প্রত্যাহার

        ক্যালিফোর্নিয়ায় নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে ২৮ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা

        লস এঞ্জেলেসের আলোচিত ‘আবর্জনার বাড়ি’ আবারও ভরে গেছে, নগর কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ প্রতিবেশীরা

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় কমছে তাপমাত্রা, সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনায় আবহাওয়ায় পরিবর্তনের আভাস

        লিংকন মেমোরিয়াল পুলে ভাঙচুর হলে কী হবে, নতুন মন্তব্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন ট্রাম্প

        ক্যালিফোর্নিয়ায় ভাগ্য বদলের চমক, আনাহেইমে বিক্রি হলো ৬৪ মিলিয়ন ডলারের লটারি টিকিট

        পর্যটনের নতুন স্বপ্ন ঘিরে বিতর্ক, উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার দীর্ঘ ট্রেইল নিয়ে উদ্বেগে আদিবাসীরা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথমবার আদিবাসীদের নেতৃত্বে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা গড়ার উদ্যোগ

        লস এঞ্জেলেসের পরবর্তী মেয়রের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, এলএএক্সের পিপল মুভার প্রকল্পেই স্পষ্ট সমস্যা

        যুক্তরাষ্ট্রে ঘরে তৈরি ও কৃত্রিম মা দকের বিস্তার, আরও গভীর হচ্ছে জনস্বাস্থ্য সংকট

        পশ্চিম তীরে সাংবাদিক ও কূটনীতিকদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হা মলা, গ্রে প্তা র ১০

        টেক্সাসে কলেজ ফুটবল ম্যাচ শুরুর আগে প্যারাশুট অবতরণে দুর্ঘটনা, প্রাণ হারালেন মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্য

        নির্বাচনের আগে উদ্বেগ বাড়াল রহস্যময় চিঠি, ক্যালিফোর্নিয়ার অন্তত ৯ আইনপ্রণেতা লক্ষ্যবস্তু

        প্রথমবার হারান ৫ লাখ ডলার, এরপরও একই প্রতারণার ফাঁদে পা দিলেন ক্যালিফোর্নিয়ার অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় সান্তা আনা বাতাসের দাপট, শেষ দিনে বাড়ছে তীব্র গরম ও অগ্নিঝুঁকি

        ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ আন্দোলনে সরব ক্যালিফোর্নিয়া, ভোটারদের আগেভাগে ভোট দিতে আহ্বান

        ওরেগনের স্কুলে কিশোরের গু লি বর্ষণ, বন্দুক কেড়ে নিতে শিক্ষিকার লড়াই, বাবার পাল্টা আঘাতে হামলাকারী নি হ ত

দুর্নিবার আর্জেন্টিনা ফাইনালে

দুর্নিবার আর্জেন্টিনা ফাইনালে

শুধু উল্ক্কার মতো ছুটে চলা। পেছনে তাড়া করা প্রতিপক্ষের তিন খেলোয়াড়, সামনে দাঁড়িয়ে গোলরক্ষক। কোনো কিছুই আটকাতে পারেনি আলভারেজকে। তাঁর স্নায়ুতে তখন যেন প্রলয়ের ঝড়, শরীরে যেন ভর করেছে উসাইন বোল্ট! মাঝমাঠে মেসির কাছ থেকে বল পেয়ে আলভেরেজের গোলেই কেঁপে ওঠে লুসাইল। আনন্দের স্পন্দনে মরুর নিঝুম আকাশেও আর্জেন্টিনার জয়ধ্বনি। মেসির পেনাল্টি থেকে গোলের পর আলভারেজের ওই স্বপ্নের মতো গোল, যার ঘোর কাটতে না কাটতেই আরেকটি গোল সেই আলভারেজেরই। এমন শৌর্যের ম্যাচে ৩-০ গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়েই ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ইতিহাস বলে, এ নিয়ে ছয়বার বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চে লাতিনের এ দেশ। ইতিহাসের পাতায় কাল এটাও লেখা হয়েছে, এদিনের ম্যাচেই মেসি দেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১১ গোলের রেকর্ড গড়েছেন।

আসলে এদিন বেশ গুছিয়ে দল সাজিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন কোচ স্কালোনি। ৪-৪-২ ফরমেশনে আলভারেজ আর মেসিকে সামনে রেখে এগিয়েছিলেন। মাঝমাঠ থেকে এদিন কিছুটা উপরে উঠে খেলতে থাকেন মেসি। কিন্তু ম্যাচ শুরুর পর ক্রোয়াটরাই তাদের স্বভাবগতভাবে মাঝমাঠের বল দখলে বেশি মনোযোগী হয়। দারুণ সব পাসিং আর প্লেসিংয়ে ৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্রোয়াটরাই এগিয়ে ছিল। বরং আর্জেন্টিনার সুযোগ ছিল কাউন্টার অ্যাটাকে। আর তেমনই একটি সুযোগ চলে আসে ম্যাচের ৩২ মিনিটে। বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া আলভারেজকে আটকাতে গিয়ে লিভাকোভিচ ধাক্কা দিয়ে বসেন। গগনবিদারী চিৎকারে লুসাইলের গ্যালারি রায় দিয়ে দেয়- ওটা পেনাল্টি! রেফারির মতও ছিল তাই। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল গ্রিপ করার সময় আলভারেজকে ধাক্কা দেন ক্রোয়াট গোলরক্ষক। এদিন নিজে থেকেই বল কুড়িয়ে নিয়ে নিভুল পেনাল্টি কিক নেন। এ নিয়ে মেসির বিশ্বকাপে গোলের সংখ্যা ৯ (এই বিশ্বকাপে ৫), যা কিনা কোনো আর্জেন্টাইনের সবচেয়ে বেশি। আগের ৮টি ছিল বাতিস্তুতার। এদিন তাঁকে ছাড়িয়ে যেতে সময় লাগেনি বেশি তাঁর।

একটি গোল খেয়েই যেন খেই হারিয়ে বসে ক্রোয়াটরা। ডিফেন্স ঢিলা দিয়ে আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। আর সে সুযোগেই মাঝমাঠ থেকে মেসির সেই মাপা পাস। তারপর আলভারেজ যে দৌড়টা দিলেন! ম্যাচের পর মিডিয়া সেন্টারে আর্জেন্টাইন সাংবাদিকরা বলাবলি করছিলেন- ছিয়াশি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে ওই গোলটির সঙ্গেই কেবল আলভারেজের কালকের গোলটি তুলনা করা যায়। যদিও ম্যারাডোনাকে প্রতিপক্ষের কয়েকজনকে কাটিয়ে এগিয়ে যেতে হয়েছিল। আর এদিন আলভারেজ ভাগ্যবান এ জন্যই যে, ডি-বক্সে দুই ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল ফের তাঁর কাছে চলে আসে। তার পরও আলভারেজের এই গতি আর রিফ্লেক্সে ভীষণ খুশি সে দেশের মিডিয়া। তারা আরও মুগ্ধ, এত দিনে মেসি অন্তত একজন সহকারী পেয়েছেন; পাস দিলে যিনি কিনা গোল করতে পারেন। আলভারেজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় গোলটিই যার উদাহরণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে অন্তত ছয় ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডান দিক থেকে যে পাসটি বাড়িয়েছিলেন মেসি, তা গোলমুখে ফেলতে বিন্দুমাত্র সংশয়ে ভুগতে হয়নি আলভারেজকে। মেসির এই ছন্দময় আর্জেন্টাইন ব্রিগেডকেই এবারের ফাইনাল ম্যাচেও দেখতে চান সবাই- তা ফাইনালের প্রতিপক্ষ যে-ই হোক না কেন।


এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত