নিখোঁজের রহস্যের মধ্যেই প্রাইমারিতে জয়ী কংগ্রেসম্যান, পাশে ট্রাম্প
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের অর্জন
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ২০০৯ ও ২০১৩ আসরে যোগ্যতা না থাকায় খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে দিন পাল্টেছে, গত দু’বছর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেই এবার ২০১৭ আসরে জায়গা করে নিয়েছে টাইগাররা। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশ শীর্ষ ছয় ওয়ানডে দল হিসেবে খেলবে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশ। যাকে গ্রুপ অব ডেথ বললেও ভুল বলা হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে এই গ্রুপে আছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মতো দল। তবে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অতীত ইতিহাস ভুলে এবার টাইগারদের প্রথম লক্ষ্য সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করা।
আজ বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠছে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির অষ্টম আসরের। এরপর ৫ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে টাইগাররা। লাল-সবুজের জার্সিধারীদের তৃতীয় ম্যাচ আগামী ৯ জুন, প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে টাইগাররা খেলেছে ৮টি ম্যাচ। যার সাতটিতেই হেরেছে। একমাত্র জয়টি ২০০৬ সালে ভারতের মটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। বাংলাদেশ আর দলের ক্রিকেটারদের অর্জনগুলো দেখে নেওয়া যাক।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে বাংলাদেশ:
* ২০০০-প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল
* ২০০২-গ্রুপ পর্ব
* ২০০৪-গ্রুপ পর্ব
* ২০০৬-বাছাই পর্ব
সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরি: শাহরিয়ার নাফিস, ৩ ম্যাচে করেছেন ১৬৬ রান। টাইগারদের একমাত্র সেঞ্চুরিটির মালিকও নাফিস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জেতা ম্যাচে জয়পুরে তিনি খেলেছিলেন অপরাজিত ১২৩ রানের দারুণ এক ইনিংস।
দলীয় সর্বোচ্চ: ২০০৬ সালে মোহালিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলেছিল ২৬৫ রান।
দলীয় সর্বনিম্ন: ২০০২ সালে কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৭৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
সবচেয়ে বেশি উইকেট: মোহাম্মদ রফিক। ৬৬ ওভার বল করে নিয়েছেন ৬টি উইকেট।
সেরা বোলিং: সাকিব আল হাসান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পাওয়া ম্যাচে ১৮ রানের বিনিময়ে সাকিব নেন তিনটি উইকেট।
এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন