যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭ ইং

|   ঢাকা - 02:51am

|   লন্ডন - 08:51pm

|   নিউইয়র্ক - 03:51pm

  সর্বশেষ :

  ধর্ম অবমাননা নিয়ে রংপুরে সহিংসতা, আদালতে টিটু রায়ের স্বীকারোক্তি   টিকাতেই নিরাময় হবে ক্যান্সার   মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা ‘জাতিগত বৈষম্যের’ শিকার : অ্যামনেস্টি   ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতি, আটক ৮   নাইজেরিয়ায় মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫০   রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চলতি সপ্তাহে সমঝোতার আশা সু চি’র   জানুয়ারি থেকে সব বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ ভাতা: প্রধানমন্ত্রী   আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে সেরা হলেন যারা   পদত্যাগ নয়, জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন মুগাবে   কেন সৌদি আরব এমন করছে?   মরক্কোয় ত্রাণ নেওয়ার সময় পদদলিত হয়ে নিহত ১৫   ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট   শাহজালালের মাজারের কুপের পানিকে জমজমের পানি বলে প্রতারণা : তদন্তের নির্দেশ আদালতের   এলপিজি আমদানির জাহাজ কিনলো বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম   রোহঙ্গিা সঙ্কট নিরসনে চীনের ৩ ধাপের প্রস্তাব

>>  স্বাস্থ্য এর সকল সংবাদ

টিকাতেই নিরাময় হবে ক্যান্সার

ক্যান্সারের চিকিৎসায় এখন থেকে আর কষ্টকর কেমোথেরাপি কিংবা রেডিয়েশন পদ্ধতির প্রয়োজন হবে না। এবার মারণ ব্যাধি ক্যান্সার নির্মূল করা যাবে মাত্র একটি টিকাতেই। কিউবার বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এমন যুগান্তকারী আবিস্কার করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ২৪ ঘণ্টার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্যান্সারের মতো রোগের ওষুধ আবিষ্কার করতে দীর্ঘদিন ধরে নানা পরীক্ষা করে আসছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এই রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনও সহজ পদ্ধতি এখনও আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি।

এবার সেই কাজটিই করে দেখালেন কিউবার বিজ্ঞানীদের একটি দল। ইতিমধ্যেই তাদের আবিষ্কৃত ওই টিকা ৪ হাজার মানুষের

বিস্তারিত খবর

ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার সঠিক নিয়ম

 প্রকাশিত: ২০১৭-১১-০৯ ১১:৩৪:৪১

ইসবগুলের ভুসি আভ্যন্তরীণ পাচন তন্ত্রের সমস্যার ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারের জন্য বেশ উপকারী। তবে এই সাদা ভুসিটির উপকারিতা শুধু হজমতন্ত্রের মাঝেই সীমিত নয়। এর অনেক ধরনের উপকারিতা রয়েছে। চলুন তাহলে একে একে জেনে নিই ইসবগুলের ভুষির আরো অনেক উপকারিতা।কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে
ইসবগুলের ভুষিতে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হিসেবে কাজ করে। ইসবগুলের ভুষি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে জলগ্রাহী হওয়ার কারনে পরিপাকতন্ত্র থেকে পানি গ্রহণ করে মলের ঘনত্বকে বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ২ চামচ ইসবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে পান করে নিন।ডায়রিয়া প্রতিরোধে
যদিও শুনলে অবাক লাগে, ইসবগুল একই সাথে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দুটিই প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ইসবগুল দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে খুব কম সময়ের মাঝে ডায়রিয়া ভালো করতে পারে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ২ চামচ ইসবগুল ৩ চামচ টাটকা দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবার পর খেতে হবে। এভাবে দিনে ২ বার খেলে বেশ কার্যকরী ফলাফল পাওয়া সম্ভব।অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে
বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুলের ভুষি হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।ওজন কমাতে
ওজন কমানোর উদ্দেশ্যকে সফল করতে ইসবগুলের ভুষি হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার। এটি খেলে বেশ লম্বা সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় এবং ফ্যাটি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে কমায়। এছাড়াও ইসবগুলের ভুষি কোলন পরিষ্কারক হিসেবেও পরিচিত।এটি পাকস্থলী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, হজম প্রক্রিয়াকে আরো বেশি কার্যকর করে স্বাস্থ্যবান থাকতে সাহায্য করে। ভেষজ শাস্ত্র অনুযায়ী এটি পাকস্থলীর দেয়ালে যেসব বর্জ্য পদার্থ থাকে তা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে যা অন্যান্য হজমজনিত সমস্যাও দূর করে। কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুলের ভুষি ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে ভাত খাবার ঠিক আগে খেতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলেও তা ওজন কমাতে সাহায্য করবে। হজমক্রিয়ার উন্নতিতে
দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুলের ভুষি হজম প্রক্রিয়াকে সঠিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে।এটি শুধু পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতেই সাহায্য করে না এটি পাকস্থলীর ভেতরের খাবারের চলাচলেও এবং পাকস্থলীর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনেও সাহায্য করে।তাই হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে নিয়মিতভাবে ইসবগুল খেতে পারেন। এছাড়া মাঠা বা ঘোলের সাথে ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন ভাত খাওয়ার পরপরই। তবে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে তা হল ইসবগুল মিশিয়ে রেখে না দিয়ে সাথে সাথেই খেয়ে ফেলতে হবে।হৃদস্বাস্থ্যের সুস্থতায়
ইসবগুলের ভুষিতে থাকা খাদ্যআঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যা আমাদেরকে হৃদরোগের থেকে সুরক্ষিত করে।হৃদরোগের সুস্থতায় ইসবগুল সাহায্য করে কারন এটি উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরিযুক্ত। ডাক্তাররা সব সময় হৃদরোগ প্রতিরোধে এমন খাবারের কথাই বলে থাকেন।এটি পাকস্থলীর দেয়ালে একটা পাতলা স্তরের সৃষ্টি করে যার ফলে তা খাদ্য হতে কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয় বিশেষ করে রক্তের সিরাম কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়াও এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরিয়ে দেয় যা থাকলে ধমনীতে ব্লকের সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে তা হৃদরোগ এবং কোরোনারী হার্ট ডিজিজ থেকে আমাদের রক্ষা করে। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ভাবে খাবারের ঠিক পরে বা সকালে ঘুম থেকে উঠে ইসবগুল খান। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
ইসবগুলের ভুষি যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য খুবই ভালো। এটি পাকস্থলীতে যখন জেলির মত একটি পদার্থে রূপ নেয় তখন তা গ্লুকোজের ভাঙন ও শোষণের গতিকে ধীর করে। যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। খাবার পর নিয়মিতভাবে দুধ বা পানির সাথে ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে পান করুন ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে।তবে দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন না এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।পাইলস প্রতিরোধে
প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুলের ভুষি যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম। এটা শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম করতে সাহায্য করে অন্ত্রের পানিকে শোষণ করার মাধ্যমে এবং ব্যাথামুক্ত অবস্থায় তা দেহ থেকে বের হতেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাবার আগে পান করুন।সতর্কতা
এটি শুধুমাত্র উল্লেখিত সমস্যা গুলোর ঘরোয়া সমাধান। যদি খুব বেশি গুরুতর অবস্থা হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।ইসবগুল কেনার সময় দেখে নিন
ইসবগুলের ভুষি আমাদের দেশে বাজার থেকে শুরু করে সুপার মার্কেট সব জায়গাতেই বেশ সহজলভ্য। তবে কেনার আগে কিছু ব্যাপার অবশ্যই খেয়াল রাখবেন-প্যাকেটজাত ইসবগুল কিনুন
কখনোই খোলা ইসবগুল কিনবেন না সেগুলো নষ্ট ও ভেজাল থাকতে পারে যার ফলে এটি খেয়ে হয়তো ভালো ফলাফল নাও পেতে পারেন।আজকাল প্যাকেটজাত বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুলের ভুষিপাওয়া যায়। তবে ভালো ফলাফল পেতে গেলে এসব কৃত্রিম স্বাদের ইসবগুল না খেয়ে সাধারণ ইসবগুল খান।বিভিন্ন দোকানে সাধারন ইসবগুলে কৃত্রিম স্বাদ ও রঙ যোগ করে বিশেষ কার্যকারিতার কথা বলে তা বিক্রয় করা হয় যা মূলত স্বাস্থ্যের জন্য খুবই খারাপ। তাই সাধারণ ইসবগুলের ভুষি খাওয়াই সবচেয়ে উত্তম।

বিস্তারিত খবর

যৌনতৃপ্তি যেভাবে বাঁচায় পুরুষের জীবন!

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-২৭ ০৮:০৮:৩৫

পুরুষের প্রোস্টেটের স্বাস্থ্য নিয়ে সচরাচর কথা বলতে চান না তারা। কিন্তু সুস্থ থাকার জন্য এ ব্যাপারে জেনে রাখা জরুরী। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির এই গবেষণাটি যদিও পুরুষের জন্য বিব্রতকর মনে হতে পারে, তবে তাদের জীবন রক্ষার জন্য তা জরুরী।

কী বলা হয়েছে এই গবেষণায়? গবেষকেরা বলেন, নিয়মিত অর্গাজম হলে পুরুষের শুক্রাণু উৎপাদনকারী গ্রন্থি সুস্থ থাকে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়ানো যায়। ইউরোপিয়ান ইউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত ৩২ হাজার পুরুষের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চ মাত্রার যৌন সক্রিয়তা প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় ৩৩ শতাংশ।

তাহলে কী পরিমাণে অর্গাজম হওয়াটা আপনার জন্য ভালো? গবেষণাটির মতে, মাসে ২১ বার। মোটামুটি বছরের ২৫২ বার, বছরের ৭০ শতাংশ দিনে অর্গাজম হওয়াটা এক্ষেত্রে উপকারী। গবেষকেরা নিশ্চিত নন ঠিক কীভাবে অর্গাজম কমায় ক্যান্সারের ঝুঁকি। কিন্তু তারা ধারণা করছেন এতে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টক্সিন শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অফ সিডনির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার সবচাইতে বেশি দেখা যাওয়া ক্যান্সার হলো প্রোস্টেট ক্যান্সার, আর ক্যান্সারে মৃত্যুর দিক থেকে তৃতীয়। বয়স্ক মানুষে তা বেশি দেখা যায়। ৮৫ শতাংশ প্রোস্টেট ক্যান্সার দেখা যায় ৬৫ বা তার চাইতে বেশি বয়সী পুরুষে।

তবে অর্গাজম সুখকর হলেও, শুধু সেটাই আপনাকে সুস্থ রাখবে এমনটা বলা যায় না। হার্ভার্ডের গবেষকেরা বলেন, সক্রিয় যৌনজীবন থাকা মানে এর পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক সার্বিক স্বাস্থ্যও ভালো ছিল। সব দিক দিয়ে সুস্থ থাকার কারণে তা প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। এ কারণে খাদ্যভ্যাস এবং ব্যায়াম বজায় রাখা এবং ডাক্তারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখাটাও আপনার জন্য জরুরী।

সুত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

বিস্তারিত খবর

দিনে তিন কাপ কফি আয়ু বাড়াবে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-১৮ ০৯:৪৪:১০

দিনে তিন কাপ কফি পান আপনার আয়ু বাড়াবে। ১০টি ইউরোপীয় দেশের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের ওপর চালানো এক গবেষণার ভিত্তিতে গবেষকরা এই দাবি করছেন।  
একটি গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত (অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিন) এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, এক কাপ অতিরিক্ত কফি মানুষের আয়ু বাড়াতে পারে। এই কফি যদি ডিক্যাফিনেটেড বা ক্যাফিনবিহীনও হয়।  
  লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা বলেন, বেশি কফি পানের সঙ্গে মৃত্যু ঝুঁকি কমার, বিশেষ করে হৃদরোগ এবং পাকস্থলীর রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে।
  ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার ডেভিড স্পিগেলহালটার বলেন, যদি এই গবেষণা সঠিক হয়, তাহলে প্রতিদিন এক কাপ অতিরিক্ত কফির কারণে একজন পুরুষের আয়ু তিন মাস এবং একজন নারীর আয়ু এক মাস বেড়ে যেতে পারে।
  তবে এই গবেষণার ব্যাপারে অনেকের প্রশ্ন আছে। তারা বলছেন, কফি মানুষের আয়ু বাড়াচ্ছে, নাকি কফি পানকারীদের জীবন প্রণালীর কারণে তারা বেশিদিন বাঁচছেন সেটা পরিষ্কার নয়।
  এর আগের গবেষণাগুলোতে অবশ্য মানবদেহের ওপর কফির প্রভাব সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী ফল পাওয়া গিয়েছিল। কফিতে যে ক্যাফিন থাকে, তা সাময়িক সময়ের জন্য মানুষকে অনেক বেশি সজাগ রাখতে পারে। কিন্তু বিভিন্ন মানুষের ওপর ক্যাফিনের প্রভাব বিভিন্ন রকমের।
  ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস সন্তানসম্ভবা নারীদের দিনে ২০০ গ্রামের বেশি ক্যাফিন গ্রহণ করতে নিষেধ করে। কফি বেশি পান করলে নবজাতক শিশুর আকার খুব ছোট হতে পারে বলে আশংকা করা হয়।  

বিস্তারিত খবর

টিস্যু ব্যবহারের ভালমন্দ জানুন

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-১৮ ০৯:৪২:১৬

দৈনন্দিন জীবনে আমরা সবাই কমবেশি টিস্যু ব্যবহারে অভ্যস্ত। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই এর ভালোমন্দ চিন্তা না করেই ব্যবহার করি। তবে টয়লেট পেপারও কখনো কখনো আপনার স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। গবেষকদের মতে, টয়লেট পেপারকে দেখতে যতটা নিরীহ দেখায় আসলে তা অতটা নিরীহ নয়।

নরম সুন্দর টয়লেট পেপার অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে শরীরে। বিশেষ করে অমসৃণ টয়লেট পেপার ব্যবহারে আপনার ত্বক কেটে যেতে পারে। তবে এটা হয়তো খালি চোখে দেখা যায় না।

❏ কীভাবে এই সমস্যা হয়: নরম বা মসৃণতার ওপর নির্ভর করে বাজারে টয়লেট পেপারের ভিন্নতা রয়েছে। অনেক সস্তা টয়লেট পেপার রয়েছে যেগুলো খুব অমসৃণ। এগুলো আপনার শরীরের স্পর্শকাতর জায়গার জন্য ক্ষতিকর। সাধারণত দাবি করা হয়, পরিবেশবান্ধব টয়লেট পেপার যে সমস্ত জিনিস দিয়ে তৈরি সেগুলোতে ভালো ফাইবার থাকে।

অমসৃণ পেপারগুলো সাধারণত অফিসে ব্যবহার করা হয় অথবা গণবিশ্রামাগারে ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া অর্থ বাঁচাতে সাধারণত বাথরুমে এগুলো ব্যবহার করা হয়। যখন আপনি বারবার টয়লেট পেপার স্পর্শকাতর জায়গায় ব্যবহার করেন, এর অমসৃণ ফাইবারগুলো অস্বস্তির সৃষ্টি করতে পারে এবং ত্বক কেটে ফেলতে পারে। যদিও এই কাটা হয়তো অতটা তীব্র নয় তবুও এটা ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য যথেষ্ট।

❏ কখন এটি ঘটে: হাঁটার সময় ত্বকের এই হালকা কাটা আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারে। তবে হাঁটার এই অস্বস্তির কারণ কেবলমাত্র টয়লেট পেপারই নয়। তবে এটিও একটি বড় কারণ হতে পারে। এর কারণে আপনার স্পর্শকাতর জায়গায় ঘা হতে পারে।

গবেষকরা জানান, নারীর শরীরে স্পর্শকাতর ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হওয়ার একটি বড় কারণ টয়লেট পেপার। নারীর যোনিদ্বারে বিভিন্ন ধরনের অস্বস্তিকর সমস্যা তৈরি হয় এর ফলে।

গবেষকরা আরো জানান, যেসব নারী দীর্ঘদিন যোনিপথের সমস্যায় বা অস্বস্তিতে ভুগছেন তাঁরা যেন মৃদুভাবে চেপে টিস্যুটিকে ব্যবহার করেন। জোরে না মোছেন। এ ছাড়া সম্ভব হলে সাদা টয়লেট পেপার ব্যবহার করাই ভালো।

প্রকৃতির কাজের পর প্রথমে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ফেলুন। পরে আস্তে চেপে স্পর্শকাতর জায়গা পরিষ্কার করুন। সামনে থেকে পেছনে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। ভালো করে পরিষ্কার না করার ফলে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে আবারও যোনিপথে ইনফেকশন বা ঘা হতে পারে। তবে এর পরও যদি অস্বস্তি হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে পারেন। পুরুষদেরও টয়লেট পেপার ব্যবহারে সচেতন হওয়া দরকার।

সমস্যা এড়াতে টয়লেট টিস্যু কেনার সময় এটির মসৃণতা, রং, গন্ধ এসব বিষয় দেখে কিনুন। সাধারণত দুই অথবা তিন স্তর (প্লাই) টয়লেট পেপার সব সময় মসৃণ হয়। এক স্তরবিশিষ্ট টয়লেট পেপার অতটা মসৃণ হয় না। তাই দেখে টয়লেট পেপার কেনার চেষ্টা করুন।

বিস্তারিত খবর

মিউজিক যেভাবে আমাদের ব্রেন ভালো রাখে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-১৮ ০৯:৩৯:৪৫

স্ট্রেস বর্তমানে আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা। তবে স্ট্রেসের মোকাবিলা করতে, অবসাদ কাটাতে মিউজিক থেরাপির গুরুত্ব ক্রমশই বাড়ছে। ফলে কাউন্সেলিংয়ের পাশাপাশি মিউজিক থেরাপিকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন মনোবিদরা। শুধু বড়দের নয়, ছোটদেরও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে মিউজিক থেরাপি। জেনে নিন কীভাবে কাজ করে এই থেরাপি।

জ্ঞান
মোজার্ট এফেক্টের উপর বেশ করা বেশ কিছু গবেষণার ফলে গবেষকরা দেখিয়েছেন বেশ কিছু কাজ করার আগে বা সমস্যা সমাধানের আগে মোজার্ট শুনলে সেই কাজ আরও নিপুণভাবে করার এবং সূক্ষ্ণভাবে ভাবার ক্ষমতা বাড়ে।

দীর্ঘকালীন স্মৃতি
মিউজিক দীর্ঘকালীন স্মৃতি বাড়াতে সাহায্য করে। সিন্যাপসিস যত শক্তিশালী হবে স্মৃতিশক্তি ততই বাড়বে। স্ট্রেস বাড়লে তা স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে। পড়াশোনা, কাজ, যে কোনো বিষয়ের স্ট্রেস সিন্যাপসিসকে দুর্বল করে দেয়। স্ট্রেস শরীরের ফিল গুড হরমোন ডোপেমাইন ও সিরোটোনিনের মাত্রাও কমিয়ে দেয়। ফলে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়। মিউজিক শুনলে ফিল গুড হরমোন বাড়ে। যা স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করে।

কর্টিসল
স্ট্রেস শুধু দীর্ঘকালীন স্মৃতিশক্তির উপরই প্রভাব ফেলে না, নতুন স্মৃতি ধরে রাখতেও বাধা দেয়। মস্তিষ্কে কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) উত্পন্ন করে কার্যকারিতায় বাধা দেয়। মিউজিক কর্টিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে মাথা যেমন হালকা হয়, তেমনই তথ্য বোঝার ও বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও বাড়ে।

ভাবনা-চিন্তার স্বচ্ছতা
মিউজিকের ছন্দ-তাল কোনো কিছুতে মনোনিবেশ করতে ও ভাবনা-চিন্তা গুছিয়ে নিতে সাহায্য করে। গবেষকরা দেখিয়েছেন আমাদের মস্তিষ্ক ছন্দে চলে। গানের ছন্দ, বিশেষ করে যেই গান কোনও স্মৃতি জাগিয়ে তোলে তা গুছিয়ে ভাবনা-চিন্তা ও পড়াশোনা করতে সাহায্য করে। কোনো মিউজিক্যাল বাদ্যযন্ত্র শোনা ও বাজানোও মস্তিষ্কে একই প্রভাব ফেলে।

বিস্তারিত খবর

সজনে ডাঁটার বিস্ময়কর পুষ্টিগুণ

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৭-১৮ ০৯:৩১:৩৪

বাজার উঠতে শুরু করেছে সজনে ডাঁটা। সবজি হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়। সজনের ডাঁটা শুধু নয় এর পাতাও শাক হিসেবে খাওয়া যায়। এটি গরমে রসনায় তৃপ্ত করেও এর বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা আমাদের অনেকেরই অজানা। সজনে সবজি হিসেবে যতটা জনপ্রিয়, তার চেয়ে বেশি জনপ্রিয় ঔষধি গুণের জন্য।

❏ বাতের ব্যথা উপশমে: বাতের ব্যথা উপশমে সজনে গাছের ছাল বেশ কার্যকর। এই পদ্ধতি বেশ প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। সজনে গাছের ছাল তুলে তা বেটে রস চিপে নিয়ে এই রস নিয়মিত প্রতিদিন ৪-৬ চা চামচ খেলে বাতের ব্যথা প্রায় ৬৫% উপশম হয়।

❏ পেটের সমস্যা সমাধানে: বহুকাল আগে থেকে সজনে হজমের সহায়ক খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পেটে গ্যাস হলে, বদহজম হলে এবং পেটে ব্যথা হলে সজনের তৈরি তরকারীর ঝোল খেয়ে নিন। দেখবেন পেটের গোলমাল অনেক উপশম হয়ে গিয়েছে।

❏ উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে: সজনে ডাঁটা খাওয়া উচ্চ রক্ত চাপের রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। সজনে দেহের কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া উচ্চ রক্ত চাপের চিকিৎসায় সজনের পাতাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সজনের পাতার (কচি নয়) রস প্রতিদিন নিয়ম করে ৪-৬ চা চামচ খেলে উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।


❏ দাঁতের মাড়ির সুরক্ষায়: অনেক সময় দাঁতের মাড়ির সমসসায় ভুগে থাকেন অনেকে। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়া এবং মাড়ি ফুলে যাওয়া সমস্যায় ইদানীং অনেককে পড়তে দেখা যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে সজনে পাতা। সজনে পাতা ১/২ মগ পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানি দিয়ে ভালও করে প্রতিদিন কুলকুচা করতে হবে। এতে মাড়ির সকল সমস্যার সমাধান হয়।


❏ টিউমার বা আঘাতজনিত ফোলা উপশমে: টিউমার যখন একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় থাকে তখন সজনের পাতা এই টিউমার নিরাময় করতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় টিউমার ধরা পরলে তাতে সজনে পাতা বেটে প্রলেপের মতো ব্যবহার করলে টিউমারের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ব্যথা বা আঘাত পেলে দেহের কোনো অংশ ফুলে উঠলে একই উপায়ে তা নিরাময় করা সম্ভব।


❏ হেঁচকি ওঠা উপশমে: হেঁচকি ওঠা যে কতো কষ্টের তা যারা ভুক্তভোগী তারা ঠিকই জানেন। একবার হেঁচকি উঠা শুরু করলে তা বন্ধ হতে চায় না সহজে। কিন্তু সজনে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে বেশ সহজে। সজনে পাতার রস ৯/১০ ফোঁটা আধ গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে পান করে ফেলুন এক নিঃশ্বাসে। দেখবেন হেঁচকি ওঠা দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।

বিস্তারিত খবর

বাগান করলে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১৪ ০৯:০২:৫৭

নতুন একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, মধ্যবয়সে বাগান করলে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। দ্যা টেলিগ্রাফ এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, বাগানে সক্রিয়ভাবে কাজ করলে ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ১৩ শতাংশ কমে। প্রধান গবেষণাটি এক দশক সময় নিয়ে করা হয়। এখানে ব্রেস্টের উপর ব্যায়াম, ডায়েট এবং অ্যালকোহলের প্রভাব দেখা হয়। ব্রেস্ট ক্যান্সার নারীদের সবচেয়ে সাধারণ ক্যান্সার। 
বিশ্বব্যাপী গবেষণার ফলাফল পরীক্ষা করে জীবন যাত্রার ফ্যাক্টরগুলো ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকির উপর যে প্রভাব ফেলে তা দ্যা ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার রিসার্চ ফান্ড ৬,০০০ টি কেস পর্যবেক্ষণ করে জানায় যে, যদি নারীরা প্রতিদিন  ৩০ মিনিট ব্যায়াম করে তাহলে তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়।
মেনোপোজের আগে তীব্র ব্যায়াম যেমন- দৌড়ানো, ব্যাপক পার্থক্য তৈরি করে। যারা প্রতিদিন এই কাজটি করেন তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমে যারা কম সক্রিয় থাকে তাদের তুলনায়। কিন্তু নারীদের তীব্র সক্রিয়তার বিষয়টি মেনোপোজের পরে কমে যায়। বস্তুত, অনেক নমনীয় ব্যায়াম যেমন – বাগান করা বা হাঁটা, মেনোপোজ পরবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে অনেক উপকারী হিসেবে জানা গেছে। এতে তাদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ১৩ শতাংশ কমে।
তাই যদি আপনার বাগান করার অভ্যাসটি থাকে তাহলেতো খুবই ভালো। আর যদি না থাকে তাহলে শীঘ্রই এটি রপ্ত করুন ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকার জন্য।  

বিস্তারিত খবর

খাদ্যের ভেজাল নির্ণয়ের ১১ টি উপায়

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১৪ ০৯:০০:২৩

খাদ্যের ভেজাল এখন একটি সাধারণ বিষয়। আর এ কারণেই নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। খাদ্যের ভেজাল শনাক্ত করা গেলে ভেজাল খাদ্য খাওয়া থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।  সহজ কিছু কৌশলে শনাক্ত করা যায় খাদ্যের ভেজাল। চলুন তাহলে জেনে নিই বিভিন্ন খাবারের ভেজাল শনাক্ত করার কিছু সহজ উপায়।
১। দুধদুধে সাধারণত যে ভেজাল মেশানো হয় তা হল – অপরিশোধিত পানি, চকের গুঁড়া, সাবানের গুঁড়া বা গুঁড়া সাবান, স্টার্চ, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও ইউরিয়া। ভেজাল মেশানো দুধ খাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব হচ্ছে – ফুড পয়জনিং, হৃদপিণ্ডের সমস্যা, ক্যান্সার, বমি ও বমি বমিভাব হওয়া। দুধের ভেজাল নির্ণয়ের জন্য যা করতে পারেন -  একটি খাড়া/ঢালু স্থানে ১ ফোঁটা দুধ ফেলুন। যদি দুধের ফোঁটা সোজা গড়িয়ে পড়ে তাহলে এটি বিশুদ্ধ দুধ। আর যদি সোজা হয়ে না পড়ে তাহলে তাতে ভেজাল আছে বুঝতে হবে। তাপ দেয়ার পড়ে যদি দুধ হলুদ হয়ে যায় তাহলে এবং এর স্বাদ যদি তেতো বা সাবানের মত মনে হয় তাহলে বুঝতে হবে যে এর মধ্যে কৃত্রিম উপাদান মেশানো আছে।
২। কফির গুঁড়ো কফির গুঁড়োয় যে ভেজাল মেশানো হয় তা হচ্ছে – তেঁতুলের বীজ ও চিকোরি গুঁড়ো। এগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব হচ্ছে- ডায়রিয়া, পাকস্থলীর সমস্যা, মাথা ঘোরা এবং জয়েন্টে ব্যথা ইত্যাদি। কফিতে মিশ্রিত ভেজাল শনাক্ত করার জন্য ১ গ্লাস পানির উপরে সামান্য কফির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। কফি পানির উপরে ভাসতে থাকলেও চিকোরি পানির নীচে চলে যাবে এবং রঙের সারি দেখা যাবে।
৩। মরিচের গুঁড়ো সাধারণত মরিচের গুঁড়োর সাথে ইটের গুঁড়ো বা কাঠের গুঁড়ো মেশানো হয়। এই ভেজাল মিশ্রিত মরিচ খেলে পাকস্থলীর সমস্যা ও ক্যান্সার হতে পারে। মরিচের গুঁড়োর ভেজাল শনাক্ত করার জন্য ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মরিচের গুঁড়ো মেশান। যদি পানির রঙ পরিবর্তিত হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে এই মরিচে ভেজাল আছে।
৪। হলুদের গুঁড়ো হলুদের গুঁড়োয় হলুদ অ্যানালিন ডাই এর মেটানিল ইয়েলো মেশানো হয়। এগুলো কার্সিনোজেনিক এবং পাকস্থলীর সমস্যা তৈরি করে। ভেজাল নির্ণয়ের জন্য একটি টেস্ট টিউবে হলুদের গুঁড়ো নিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা গাড় হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিন। যদি হলুদের রঙ গোলাপি, রক্তবর্ণ বা বেগুনী হয় তাহলে নিশ্চিতভাবেই বোঝা যায় যে এতে ভেজাল আছে।
৫। সরিষা বীজ এবং তেল সরিষায় মেশানো হয় আর্গেমন বীজ। এর প্রভাবে এপিডেমিক ড্রপ্সি (যে রোগে জলীয় পদার্থ জমে শরীরের কোন অংশ ফুলে ওঠে) এবং তীব্র গ্লুকোমা হয়। সরিষার ভেজাল নির্ণয়ের জন্য কয়েকটি সরিষা বীজ নিয়ে চূর্ণ করুন। আরগেমন বীজ চূর্ণ করলে এর ভেতরে সাদা গঠন দেখা যাবে। অন্যদিকে সরিষার বীজের ভেতরে হলুদ অংশ দেখা যাবে।
৬। আইসক্রিম আইসক্রিমের মধ্যে ওয়াশিং পাউডার মেশানো হয়। এই আইসক্রিম খেলে লিভার ড্যামেজ ও পাকস্থলীর সমস্যা হয়। আইসক্রিমের ভেজাল নির্ণয়ের জন্য এর উপর কয়েকফোটা লেবুর রস ফেলুন। যদি ফেঁপে ওঠে তাহলে এতে ওয়াশিং পাউডার থাকাকে নির্দেশ করে।
৭। সবুজ মরিচ কৃত্রিম রঙ মেলাসাইট গ্রিন মেশানো হয় সবুজ মরিচে। এটি এক ধরনের কার্সিনোজেনিক উপাদান। ভেজাল নির্ণয়ের জন্য প্যারাফিনের মধ্যে সামান্য তুলা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর এই তুলা দিয়ে মরিচের একটি অংশ অথবা যেকোন সবুজ সবজির এক অংশে লাগিয়ে ঘষুন। তুলাটি সবুজ হয়ে গেলে বুঝতে আর বাকী থাকেনা যে এর মধ্যে কৃত্রিম সবুজ রঙ মেশানো ছিল।
৮। ঘি ঘি এর মধ্যে ভেজিটেবল অয়েল এবং প্রাণীজ চর্বি মেশানো থাকে। এই ঘি খেলে অ্যানেমিয়া ও হার্ট বড় হয়ে যাওয়ার মত সমস্যা হয়। একটি টেস্ট টিউবে ১ মিলিলিটার পানি নিয়ে এর মধ্যে ০.৫ গ্রাম ঘি মেশান এবং মিশ্রণটিতে তাপ দিন। ঠান্ডা হওয়ার পরে এর মধ্যে ১ ফোঁটা আয়োডিন যোগ করুন। যদি এর রঙ নীল হয়ে যায় তাহলে বোঝা যায় যে, এর মধ্যে ভেজাল আছে।
৯। চিনি চিনিতে চকের গুঁড়া মেশানো হয়। এই চিনি খেলে পাকস্থলীর সমস্যা হয়। চিনির ভেজাল নির্ণয়ের জন্য ১ গ্লাস পানিতে চিনি মেশালে যদি সরাসরি নীচে চলে যায় তাহলে তা বিশুদ্ধ চিনি, আর যদি এর মধ্যে ভেজাল থাকে তাহলে এটি পানির উপরে ভাসতে থাকবে।
১০। গোলমরিচ পেঁপের বীজ মেশানো হয় গোলমরিচে। এর ক্ষতিকর প্রভাব হচ্ছে যকৃতের সমস্যা এবং পাকস্থলীর সমস্যা হয়। কয়েকটি গোল মরিচ যদি অ্যালকোহলের মধ্যে দেয়া হয় তাহলে বিশুদ্ধ গোল মরিচ ভাসতে থাকবে এবং ভেজালযুক্ত থাকলে তা নীচে চলে যাবে।
১১। চা রঙিন ও প্রক্রিয়াজাত চায়ের পাতা মেশানো থাকলে তা ভেজাল চা। এর ক্ষতিকর প্রভাব হচ্ছে যকৃতের সমস্যা হওয়া। একটি নষ্ট ব্লটিং পেপারের উপরে কিছু চায়ের গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। যদি ব্লটিং পেপারের রঙ হলুদ, কমলা বা লাল হয়ে যায় তাহলে বোঝা যায় যে, এর মধ্যে কৃত্রিম রঙ মেশানো আছে।  

বিস্তারিত খবর

স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ডিমের ৫ প্যাক

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১৪ ০৮:৫৩:৫৮

ত্বকের যত্নে রান্নাঘরের উপাদানগুলো ব্যবহার হয়ে আসছে আদিকাল থেকে। স্পা, ফেসিয়াল, বিউটি ট্রিটমেন্টের ভিড়ে এদের আবেদন একটুও কমেনি।  হারবাল উপাদানের মধ্যে অন্যতম একটি উপাদান হলো ডিম। চুলের প্রোটিন ট্রিটমেন্টে ডিমের ব্যবহার সম্পর্কে আমরা জানি। শুধু চুল নয়, ত্বকের যত্নেও ডিমের ভূমিকা রয়েছে। পার্লারে ফেসিয়ালের পর ডিমের প্যাক ব্যবহার করা হয়। এখন নিজেই ঘরে তৈরি করতে পারবেন ডিমের প্যাক। ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করুন এই প্যাকগুলো।  
১। শুষ্ক ত্বকের জন্যএকটি ডিমের কুসুম, এক চা চামচ মধু একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের রক্ষতা দূর করে ত্বক আর্দ্র করে তুলবে।
২। তৈলাক্ত ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্যকিছু ডিমের সাদা অংশের সাথে মুলতানি মাটি মিশিয়ে নিন। প্যাকটি ভালো করে মেশান। খুব বেশি পাতলা যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। এই প্যাকটি ত্বকে ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শুষে নিবে। ব্রণ হওয়ার প্রবণতা হ্রাস করবে।
৩। সবধরণের ত্বকের জন্য  ডিমের সাদা অংশ এবং দুধ ভাল করে মিশিয়ে নিন। এরসাথে কিছু গাজরের রস  দিয়ে দিন। এবার মুখটি ধুয়ে এই প্যাকটি ত্বকে ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি সব ধরণের ত্বকের জন্য উপযোগী।
৪। বলিরেখা রোধের জন্যডিমের কুসুম থেকে সাদা অংশ আলাদা করে নিন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নিন। একটি তুলোর বল ডিমের সাদা অংশে ভিজিয়ে সেটি মুখে ভাল করে লাগান। ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বকের রক্ত চলাচল সচল রাখে। এটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বক ক্লিয়ার রাখতে সাহায্য করবে।
৫। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্যকিছু বেসনের সাথে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন। এরসাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মেশান। লেবুর রস মিশ্রণের সাথে ভালো করে মেশান। এটি ত্বকে ব্যবহার করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।

বিস্তারিত খবর

পুরুষেরা কেন নারীদের চেয়ে বেশি দ্রুত দৌড়ান?

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১১ ০৬:৫৯:৩৪

দৌড়ানো এমন একটি ক্রীড়া যা নারী এবং পুরুষ উভয়েই উপভোগ করে, সেটা ৫ কিলোমিটারের দৌড় প্রতিযোগিতাই হোক অথবা ম্যারাথন বা কোন দল বা দেশের হয়ে প্রতিযোগিতাই হোক না কেন। ভেন্যু যেটাই হোক না কেন নারীদের চেয়ে পুরুষদেরই বেশি দ্রুত দৌড়াতে দেখা যায়। নারী এবং পুরুষ উভয়েই কঠোর পরিশ্রম করে প্রশিক্ষণ নেয়, তাহলে কেন নারীদের চেয়ে পুরুষেরা দ্রুত দৌড়ায়? এমনকি বিশ্বের দ্রুততম মানব ১০০ মিটার দৌড়ে বিশ্বের দ্রুততম মানবীর চেয়ে ১ সেকেন্ড দ্রুত দৌড়ায়: উসাইন বোল্ট ৯.৫৮ সেকেন্ডে সম্পন্ন করে, অন্যদিকে প্রয়াত ফ্লোরেন্স গ্রিফিথ জয়নার এটা করেন ১০.৪৯ সেকেন্ডে।
চিকিৎসক লাইভ সায়েন্সকে বলেন, এর বহুবিধ কারণ থাকতে পারে, কিন্তু হরমোন এবং শরীরের আকার এতে অনেক ভূমিকা রাখে।হেলথ লাইন এর মতে, ছেলে এবং মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছানোর আগে তাদের শরীর একই রকম থাকে। বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের আধিক্য তৈরি হয়। পূর্ণবয়স্ক হতে হতে কিছু পুরুষের টেস্টোস্টেরন ২০ গুণ বৃদ্ধি পায় নারীদের তুলনায়। সোসাইটি অফ এন্ডোক্রাইনোলজি এর মতে, টেস্টোস্টেরন বিভিন্ন ধরণের ভূমিকা রাখে যেমন- শরীরকে নতুন কোষ তৈরি করতে বলা, হাড় ও পেশীকে শক্তিশালী রাখা এবং বৃদ্ধিকে উৎসাহিত  করা ইত্যাদি।  
ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড হেলথ কেয়ার এর প্রাইমারী কেয়ার স্পোর্টস মেডিসিন ফিজিশিয়ান ডা. এমিলি ক্রাউস বলেন, ‘কারণ নারীদের শরীরে কম টেস্টোস্টেরন উৎপন্ন হয়, তাই পেশীর ক্ষেত্রে তারা প্রতিকূল অবস্থায় থাকে’। ‘পুরুষের পেশীর আয়তন বেশি হয়’। ক্রাউস বলেন, পুরুষের পায়ে ৮০ শতাংশ পেশী থাকে, অন্যদিকে নারীদের পায়ে থাকে ৬০ শতাংশ পেশী। অতিরিক্ত পেশী তাদেরকে দ্রুত দৌড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও পুরুষের পেশীর তন্তুর দ্রুত আকস্মিক টান দেয়ার প্রবণতা থাকে বলে তারা নারীদের তুলনায় দ্রুত দৌড়াতে পারে। নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন বেশি থাকে পুরুষের তুলনায়, যা তাদের শরীরের চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এটা দৌড়ানোর পারফরমেন্সের অসুবিধার সৃষ্টি করে।
মেডিসিন এন্ড সায়েন্স ইন স্পোর্টস এন্ড এক্সারসাইজ নামক সাময়িকীতে প্রকাশিত ১৯৯৮ সালের গবেষণা মতে, আরেকটি ফ্যাক্টর হচ্ছে শরীরের আকার। গড়ে পুরুষের তুলনায় নারীদের ফুসফুস ছোট হয়, অর্থাৎ তাদের সর্বোচ্চ অক্সিজেন গ্রহণ (VO2 max) কম হয়। প্রতি মিনিটে বসে থাকা অবস্থায় একজন নারীর শরীরে ৩৩ মিলিমিটার অক্সিজেন সঞ্চালিত হয় তার শরীরের ভরের প্রতি কিলোগ্রামের জন্য। অন্যদিকে বসে থাকা অবস্থায় একজন পুরুষের ৪২ মিলিমিটার অক্সিজেন সঞ্চালিত হয় তার শরীরের ভরের প্রতি কিলোগ্রামের জন্য।  
অভিজাত দৌড়বিদ গণের VO2 max উচ্চতর থাকে, কিন্তু পরুষের নারীদের চেয়ে বেশীই থাকে। ক্রাউস বলেন, নারীদের তুলনায় পুরুষের অক্সিজেন উৎপাদনের মাত্রা বেশি। তাই নারীদের পেশীতে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পরিশ্রম করতে হয়। পুরুষের তুলনায় নারীর হৃদপিণ্ড ছোট হয়। নারীদের পেশীতে কম রক্ত ও কম অক্সিজেন পৌঁছায়। ক্রাউস বলেন, নারীদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম থাকে, এই লাল রক্ত কণিকার প্রোটিন যা পেশী সহ শরীরের কোষ-কলায় অক্সিজেন সরবরাহ করে।  
বায়োমেকানিক্সজন্স হপকিন্স মেডিসিন এর ওমেন্স স্পোর্টস মেডিসিন প্রোগ্রাম এর পরিচালক এবং অর্থোপেডিক সার্জারির সহকারী অধ্যাপক ডা. মিহো তানাকা বলেন, বায়োমেকানিক্স অনুযায়ী নারীর তুলনায় পুরুষের পা লম্বা হয়, অর্থাৎ তাদের পেশীর জন্য অনেক বেশি স্থান থাকে বলে তারা লম্বা পা ফেলতে পারে। তানাকা বলেন, পুরুষের চেয়ে নারীর কোমর চওড়া হয় বলে তারা পুরুষের মত দক্ষ ভাবে দৌড়াতে পারে না। এর অর্থ এই নয় যে, নারীর কোমর প্রশস্ত হয় বলেই তার দৌড়াতে পারে না। কিন্তু গড়ে পুরুষেরা কেন নারীদের তুলনায় দ্রুত দৌড়ায় তার অনেক ফ্যাক্টরের মধ্যে একটি এটি।

বিস্তারিত খবর

আপনি কতদিন বাঁচবেন তা বলে দিতে পারে এআই

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১১ ০৬:৪৩:৪৫

সায়েন্টিফিক রিপোর্ট নামক সাময়িকীতে প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্বারা খুব সহজেই অনুমান করা সম্ভব আপনি কতদিন বাঁচবেন। এ ধরনের প্রথম গবেষণায় অ্যাডেলেইড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (যন্ত্রের দ্বারা প্রদর্শিত বুদ্ধি) ব্যবহার করেন কোন রোগীরা আগামী ৫ বছরের মধ্যে মারা যাবেন তা গণনা করার জন্য, এক্ষেত্রে তাদের ভবিষ্যৎবানী ৬৯ শতাংশ সঠিক হয়। গবেষকেরা বলেন তাদের এই অনুমান প্রশিক্ষিত চিকিৎসকদের মতোই হয়েছিলো।
এআই এ ৪৮ জন মানুষের বুকের সিটি স্ক্যান করা হয়, তাদের সবার বয়স ৬০ এর নীচে ছিল। তারপর মেশিন লার্নিং টেকনিক এর মাধ্যমে প্রচুর উপাত্ত সংগ্রহ করা হয় এবং ব্যাতিক্রমসমূহ ও অস্বাভাবিক গঠনের চিত্র তৈরি করা হয়। মোট ১৫,৯৫৭ বায়োমার্কার বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় এই  ছবিগুলো থেকে। তারপর তারা আর কতদিন বেঁচে থাকবেন তা হিসাব করা হয়। অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেলথ এর পিএইচডি এর ছাত্র এবং একজন রেডিওলজিস্ট ডা. লুক ওয়াকডেন-রেয়নার বলেন, রোগীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানা উপকারী হতে  পারে কারণ এর মাধ্যমে চিকিৎসক তার চিকিৎসার বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। জৈবিক বয়স সম্পর্কে সঠিক পরিমাপ করতে পারা এবং রোগীর আয়ু সম্পর্কে ধারণা করতে পারাকে সীমিত করা হয়েছে চিকিৎসকের দ্বারা রোগীর শরীরের প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ভেতরে দেখতে পারার অক্ষমতার জন্য।
যদিও এই গবেষণাটির এখনো উন্নয়ন হওয়া বাকি, বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন এই ধারণার প্রমাণের জন্য। তারা আশা করছেন যে তারা ক্রমান্বয়ে হার্ট অ্যাটাকের মত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়েও ভবিষ্যৎবানী করতে পারবেন। গবেষণার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে তারা এআই এর যথাযথতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেবেন হাজার হাজার ছবি প্রসেস করতে দিয়ে। 
ডা. ওয়াকডেন-রেয়নার বলেন, যদিও এই গবেষণায় নমুনা হিসেবে খুব কম রোগীকে নেয়া হয়েছিলো, আমাদের গবেষণায় ধারণা করা হয় যে, কম্পিউটার শিখেছে কীভাবে জটিল রোগের ছবিকে চেনা যায়, হিউম্যান এক্সপার্টদের আরো ব্যাপক প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন। নির্ণীত রোগের প্রতি ফোকাস না করে স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম চিকিৎসার ফলাফল বলতে পারবে যার জন্য চিকিৎসকেরা প্রশিক্ষিত হননি।আমাদের গবেষণাটি নতুন যাত্রার পথ উন্মুক্ত করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কৌশল ব্যবহার করার মাধ্যমে মেডিকেল ইমেজ বিশ্লেষণ করার এবং গুরুতর অসুস্থতার প্রাথমিক শনাক্তকরনের জন্য নতুন আশা প্রদান করতে পারে, যার জন্য নির্দিষ্ট মেডিকেল হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন ঘটিয়েছেন যা চিকিৎসকদের মতোই সঠিকভাবে স্কিন ক্যান্সার শনাক্ত করতে পারে ছবি থেকে।
সূত্র: আই এফ এল সায়েন্স

বিস্তারিত খবর

ইফতারে আমের লাচ্ছি

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-১০ ০৯:৪৬:৩২

মধু মাসের রসালো ফল আম। নানান পুষ্টিগুণে ভরা এই ফল। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর রয়েছে অনেক জাদুকরী স্বাস্থ্য উপকারিতা। আর পাকা আম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ বাংলাদেশে কমই আছেন। তাছাড়া রমজানে রসনা তৃপ্তিতে খাবারের তালিকায় আমের নাম থাকা খুবই সাধারণ বিষয়। বিশেষ করে এই গরমে ইফতারে পাকা আমের লাচ্ছি হতে পারে বেশ উপকারি। রইলো রেসিপি-

উপকরণ
আমের পাল্প আধা কাপ,
টক দই ১ কাপ,
তরল দুধ আধা কাপ,
চিনি ২ টেবিল-চামচ।।

প্রস্তুত প্রণালী
সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। ঠাণ্ডা হলে ইফতারে পরিবেশন করুন।

বিস্তারিত খবর

রোজায় হৃদরোগীদের জন্য কিছু টিপস

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৬-০৭ ০৮:৪২:২৮

পবিত্র রমজান মাস চলছে। অন্যান্যদের মতো অনেক হৃদরোগীও রোজা রাখছেন। তবে এসময় নিঃসন্দেহে সব হৃদরোগীরা রমজান মাসে খাবার-দাবার নিয়ে একটু ভাবনায় পড়েন। কারণ রমজান মাসে ইফতারের আয়োজনে প্রচুর পরিমাণে তেলে ভাজা খাবার থাকে যা হৃদরোগীদের জন্য মোটেও ভালো নয়। ওষুধের মাত্রার কিছুটা পরিবর্তন করতে হয় তাদের। এছাড়াও রমজানে হৃদরোগীদের আরো অনেক কিছুই মেনে চলতে। তারপরও হৃদরোগীরা অনেক স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্য রইলো কিছু টিপস-
যে সমস্যা হতে পারে রোজায় বুক জ্বালাপোড়া, বাতব্যথা, পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস রোগীর রক্ত-সুগার কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, রোগীর রক্তচাপ কমে যাওয়াসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বুকব্যথা বা জ্বালাপোড়া করলে রোজায় কখনও কখনও হঠাৎ বুক জ্বালাপোড়া, বুকব্যথা হতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার খেলে অথবা ভাজা খাবার বেশি খেলে এসিডিটি বাড়ে, বুকজ্বালা বা বুকব্যথা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে এন্টাসিড বা ওমিপ্রাজল গ্রুপের ওষুধ খেলে ভালো হয়ে যায়। কিন্তু বুকব্যথা তীব্র হলে ও ওমিপ্রাজল ওষুধে না কমলে, প্রচুর ঘাম হলে বা বমি হলে তাড়াতাড়ি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে অথবা যে কোনো কার্ডিয়াক হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে যোগাযোগ করে ইসিজি বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সাপেক্ষে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা নিতে হবে।
ওজন বৃদ্ধি ঠ্যাকাতে হ্যাঁ, রোজায় ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। যদি কেউ সেহরি ও ইফতারে অধিক পরিমাণে ও অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবার খায়। মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগের একটি অন্যতম কারণ। তাই অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাদ্য, মিষ্টি, কোমল পানীয় পরিহার করে অধিক পরিমাণে শাকসবজি ও ফলের রস খেতে হবে। 
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে রোজায় পানি ও তরল খাবার কম খাওয়া হয় বা খাবার সুযোগ কম থাকে। গ্রীষ্মকালে রোজা হলে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। হৃদরোগের ক্ষেত্রে অনেক ওষুধ খেতে হয় বলে কোনো কোনো ওষুধের কারণেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। প্রচুর পরিমাণ পানি ও তরল খাবার এবং আঁশযুক্ত খাবার- শাকসবজি, ইসুবগুলের ভুসি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানো সম্ভব। শ্বাসকষ্ট বাড়লে রোজা অবস্থায় হৃদরোগীদের শ্বাসকষ্ট বাড়লে প্রয়োজনে অক্সিজেন ও ইনহেলার লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। ইনহেলারের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কাজ করে এমন ইনহেলার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়।
ডায়াবেটিস থাকলে ডায়াবেটিস রোগী ইনসুলিননির্ভর হলে সেহরির আগে ও প্রয়োজনে ইফতারির আগে ইনসুলিন নিতে পারেন।
রোজা অবস্থায় হৃদরোগ নির্ণয়ের জন্য রোজা অবস্থায় হৃদরোগ নির্ণয়ের জন্য ইসিজি, ইকো করতে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু ইটিটি যেহেতু শ্রমসাধ্য ও প্রচুর ঘাম হতে পারে তাই রোজা রাখা অবস্থায় অধিক কষ্ট হতে পারে। সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙার পর সন্ধ্যার পরে ইটিটি করা যেতে পারে।  

বিস্তারিত খবর

যে ৮ টি জিনিস আপনার মস্তিষ্কের ক্ষতি করছে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-২১ ০৯:৪৯:২৫

মস্তিষ্ক আপনার শরীরের সবচেয়ে জটিল অঙ্গ। শরীরের প্রতিটা সূক্ষ্ম কাজের সাথে এটি জড়িত। তাই এর বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন। আপনার চারপাশের কিছু বিষয় মস্তিকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর এমন ৮ টি প্রাত্যহিক বিষয়ের কথাই জানবো আজকের ফিচারে।
১। স্ট্রেসস্ট্রেস মস্তিষ্কের উপর প্রভাব ফেলে। স্ট্রেসের কারণে মস্তিষ্কে করটিকোস্টেরয়েড নামক যৌগ নিঃসৃত হয়। এই হরমোন নিউরনের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং নিউরনকে স্নায়বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ প্রবণ করে তোলে। আমেরিকার আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের করা গবেষণা মতে নিয়মিত স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে  মানুষের মস্তিষ্কের পরিবর্তন হয় এবং এর ফলে স্বল্প মেয়াদী স্মৃতি নষ্ট হয়।
২। ধূমপানস্বাস্থ্যের উপর ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব আছে, কিন্তু সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের উপর। ধূমপানের ফলে শুধু মস্তিষ্কে রক্তের প্রবাহ কমে যায় তাই নয় বরং অঙ্গের মেরামতের কাজকে ধীর গতির করে দেয় এবং স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।
৩। অ্যালকোহলরুতগর বিশ্ববিদ্যালয়ের করা গবেষণায় জানা যায় যে, মধ্যম থেকে বেশি মাত্রায় অ্যালকোহল সেবন করলে মস্তিষ্কের গঠনগত অখন্ডতা নষ্ট হয় এবং মস্তিষ্কের কোষের উৎপাদনকে ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয়।
৪। কম ঘুমআপনি যদি নিদ্রাহীন রাত যাপন করেন তাহলে আপনার মস্তিষ্কের কাজের উপর প্রভাব পড়বে। এটা শুধু আপনার চেতনার উপরই প্রভাব ফেলবেনা আপনার ফোকাসের ক্ষমতা, মনে রাখা এবং মেজাজের ওপরেও প্রভাব ফেলবে।
৫। ব্যায়াম না করাব্যায়াম করলে স্ট্রেস কমে এবং সংবহনের উন্নতি ঘটে। ব্যায়াম না করলে হরমোনের উৎপাদন এবং অন্য ক্ষতিকর রাসায়নিকের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় শরীরে। জ্ঞানীয় দক্ষতা এবং স্মৃতি হ্রাসের প্রবণতা দেখা যায়।
৬। জাঙ্ক ফুডজাঙ্ক ফুড অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়াকে পাল্টে দেয় যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। এর ফলে শুধু মেজাজের উপরই প্রভাব পরেনা আপনার আচরণকেও পরিবর্তন করে দিতে পারে, উদ্বিগ্নতা বৃদ্ধি করে, বিষণ্ণতার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দেয়।  
৭। কীটনাশকআমরা যে ফল ও সবজিগুলো কিনি তার বেশীরভাগেই প্রচুর কীটনাশক থাকে। মস্তিকের উপর কীটনাশকের প্রভাব আছে যার ফলে নিউরনের মৃত্যু হয়। দীর্ঘ সময় যাবৎ কীটনাশক গ্রহণ করলে পারকিনসন্স ডিজিজ হতে পারে।
৮। বায়ু দূষণনর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের করা গবেষণায় জানা গেছে যে, ঘরের ও বাইরের উভয় ধরনের বায়ু দূষণের ফলেই শ্বাসনালীতে ইনফ্লামেশন হতে পারে, যার কারণে মস্তিষ্কের কোষের মৃত্যু হয়।
সূত্র: দ্যা হেলথ সাইট  

বিস্তারিত খবর

সকালের নাস্তার পরেও ক্ষুধা লাগে যে ৫ কারণে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৫-১১ ০৯:০৪:০৩

সকালের নাস্তার সাথে আপনি স্মুদি পান করেছেন বলেই আপনি দুপুর পর্যন্ত তৃপ্ত থাকতে পারবেন তা নয়। যদি সকালের নাস্তায় সিরিয়াল ও ফল খান তাহলে এগুলো চিনিতে পরিবর্তিত হবে এবং খুব দ্রুত হজম হবে। ফলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি ক্ষুধার্ত অনুভব করবেন। পুষ্টিবিদের মতে সকালের নাস্তার কিছু ভুলের কথাই জানবো আমরা আজকের ফিচারে।
১। টোস্ট ও জ্যাম খাওয়া অফিসে যাওয়ার ব্যাস্ততার সময় পাউরুটি ও জ্যাম খুবই সুবিধাজনক একটি নাস্তা। কিন্তু এটি আপনার পেট ভরা থাকতে সাহায্য করবে না। একের অধিক শস্য দিয়ে তৈরি পাউরুটি – মাল্টিগ্রেইন ব্রেড এর সাথে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আপনার সকালের নাস্তার প্লেটে রাখুন এবং এর সাথে চিনিযুক্ত জ্যামের পরিবর্তে পিনাট বাটার খান। কয়েক টুকরো বেরি ফল যোগ করুন যা স্বাদ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি পেট ভরা রাখতেও সাহায্য করবে।
২। সকালের পানীয়তে চিনি যোগ করা আপনি যদি সব সময় আপনার সকালের চা বা কফিতে চিনি যোগ করেন তাহলে আপনার ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ক্লান্তি বা ঝিমুনি অনুভব করবেন। চিনি ছাড়া গ্রিনটি বা ব্ল্যাক কফি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৩। গ্লুটেনমুক্ত খাবার খাওয়াআপনি যদি সকালের নাস্তায় গ্লুটেন মুক্ত পাউরুটি বা কেক খান তাহলে তা আপনার জন্য ভালো নয়। উচ্চমাত্রায় পরিশোধিত স্টার্চ, আলু এবং সাগুসদৃশ শস্য থাকে গ্লুটেনমুক্ত খাবারে যা পরিপাকনালীতে খুব দ্রুত ভেঙ্গে যায় বলে আপনি চূড়ান্ত রকমের ক্ষুধা অনুভব করেন। সকালের নাস্তায় কিছু কলা ও ডিম খেলে আপনার শরীর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার পাবে বলে দীর্ঘক্ষণ আপনার পেট ভরা থাকবে।
৪। স্মুদিতে অনেক বেশি ফল যোগ করা স্মুদিতে প্রচুর ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে স্মুদিতে অনেকবেশি ফল যোগ করা ভালো বুদ্ধি নয়। ফলের অতিরিক্ত চিনি আপনার রক্তের চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আপনি ক্ষুধা অনুভব করবেন বেশি। শক্তির বিপর্যয় কমানোর জন্য আপনার স্মুদিতে ৫০% সবজি যোগ করুন।
৫। আপনার সকালের নাস্তায় মধু ও শুকনো ফল থাকে বেশি দই বা অন্য নাস্তা সাজানোর সময় উপরে মধু ও শুকনো ফল যোগ করেন অনেকেই। কিন্তু আপনার প্রোটিন ও ফাইবারে সমৃদ্ধ নাস্তার বাটিটিকে চিনির বাটিতে পরিণত করতে পারে এগুলো। এগুলোর পরিবর্তে বাদাম ও কলা যোগ করতে পারেন নাস্তায়, এই উপাদানগুলো আপনার নাস্তার স্বাদ বৃদ্ধি করবে চিনি যোগ করা ছাড়াই।
সূত্র: দ্যা হেলথ সাইট   

বিস্তারিত খবর

জানতে চান গ্রীন টি পানে কি হয়

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২৬ ১০:৪১:১০

চা শব্দটি শুনলেই যেন তেষ্টা পেয়ে যায় আর চোখের সামনে ভেসে উঠে এক কাপ ধুমায়িত গরম চা৷ সকালে চা না হলে ঠিকমতো ঘুমই ভাঙে না৷ কাজের ফাঁকে মস্তিষ্ক সচল রাখতে চায়ের তুলনা নেই একথা চা প্রেমীদের অনেকেই বলেন৷ শোনা যায় কবি, সাহিত্যিক বা লেখকদের গরম চা না হলে নাকি তাঁদের লেখাই আসে না৷ আর এই চায়ের সাথে যদি হয় মচমচে ঝাল মুড়ি আর সিঙ্গারা তা হলেতো কথাই নেই।
এছাড়াও মাথা ব্যথা বা শরীর ম্যাজম্যাজ করলে প্রথমেই আমাদের কিসের কথা মনে পড়ে? ঘন দুধ আর চিনি দিয়ে তৈরি এক কাপ গরম চা, দার্জিলিং, আসাম চা বা অন্য কোন কালো চা৷ আর এই চায়ের সাথে কিন্তু আমরা সবাই পরিচিত বিশেষ করে উপমহাদেশের চা ভক্তরা৷ জার্মানরা অবশ্য আমাদের মতো সেভাবে চা পান করেন না, ওদের চা হয় হয় খুব হালকা লিকারচিনিসহ বা চিনি ছাড়া৷ তবে আজ আমরা আপনাদের শোনাবো জার্মানদের গ্রীন টি বা সবুজ চা পানের কথা৷
বিশ্বজুড়ে গ্রীন টি-এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে৷ বিশেষ করে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের কাছে৷ আর এই চায়ের প্রতি এই প্রজন্মের ছেলে মেয়েদেরও বেশ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে৷ বলা যায় ফিগার ঠিক রাখতে অনেকেই এইগ্রীন টি-এর প্রতি বেশি ঝুঁকছেন৷ জাপানি দার্শনিক কাকুসো ওকাকুরা বলেছেন, গ্রীন টি প্রথমে ছিল ওষুধ, তারপর পানীয়তে পরিণত হয়েছে৷ গ্রীন টির রয়েছে নানা গুণ- নিয়মিত এই চা পানে শরীরে ভালোভাবে রক্ত চলাচল করে৷ পেট পরিষ্কার থাকে আর মস্তিষ্ককে রাখে সচল৷ এই চা কেবল পিপাসাই মেটায় না দূর করে ক্লান্তি৷ এই তথ্যগুলো বিভিন্ন গবেষণার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে এসেছে৷
জাপানের একটি গবেষণায় দেখা গেছে টহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. শিনিচি কুরিয়ামা বলেছেন, যারা দিনে দুই কাপের বেশি গ্রীন টি পান করেন তারা মানসিকভাবে অনেক বেশি ফিট৷ তিনি একথাও বলেছেন, যারা শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফিট তাদের জন্য গ্রীন টি বেশি উপকারে আসে৷ গ্রীন টি ইমিউন সিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করে৷ তবে এই চা নিয়মিত পান করতে হবে৷ এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ই, সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও বিভিন্ন মিনারেল যা প্রতিটি মানুষের শরীরেই প্রয়োজন৷ স্বাস্হ্য ঠিক রাখতে সাহায্য তো করেই এমনকি নিয়মিত এই চা পান মানুষের আয়ু বাড়াতেও ভূমিকা রাখে৷ শুধু চায়ের জন্য রয়েছে জার্মানিতে কিছু বিশেষ দোকান৷ সেসব দোকানে মন ভোলানো সুন্দর কাপে গরম চা টেস্ট করে দেখারও ব্যবস্থা থাকে৷ বেশির ভাগ গ্রীন টি আমদানি করা হয় চীন থেকে। তারপর রয়েছে জাপানের স্থান৷
চীন থেকে আমদানি লুং শিং, মু- ডান, মাউ ফেং, জেসমিন ইত্যাদি৷ জাপান থেকে আসা চায়ের মধ্যে রয়েছে সেনচা, বানচা, কোকাইচা আরো কত কি।  

বিস্তারিত খবর

২০৫০ সালের পর কেনো ওষুধই কাজ করবে না !

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২৪ ১০:৫০:৪৬

মানুষ মরণশীল। বাস্তব থেকেও অতি বাস্তব। রূঢ় সত্য। কিন্তু মানুষ এই জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতেই সাহায্য নেন ওষুধের। তবে গবেষকদের আশঙ্কা, ২০৫০ সালের মধ্যেই ওষুধও হবে ‘বিষ’।
এমনিতেই মানবদেহে যে কোন ধরনের রোগের প্রতিরোধক হিসেবে যে অ্যান্টিবায়োটিকস ব্যবহার করা হয়, তা ওই শরীরের জার্ম, ব্যাকটেরিয়ার ওপর বিষের মত কাজ করে। শরীর থাকলে রোগ হবে, আর রোগ সারাতে অ্যান্টিবায়োটিকস আছে, এই চিরাচরিত মিথ খুব শীঘ্রই ভাঙতে চলেছে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে নতুন পর্যবেক্ষণে।
পেনিসিলিনের আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানকে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিংয়ের পেনিসিলিন প্রতিটি মারণ রোগের প্রতিরোধক হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিকসে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। ১৯২৮ থেকে বর্তমান সময়, প্রায় এক শতকের দিকে এগিয়ে যাওয়া এই প্রথাতেই ভাঙতে চলেছে ‘অ্যান্টিবায়োটিকস প্রয়োগেই সব রোগের মুশকিল আসান’-এই মিথ।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে জার্ম কিল করতে যে অ্যান্টিবায়োটিকস প্রয়োগ করা হচ্ছে তাতে তৈরি হচ্ছে এক ধরনের ‘বাগ’। যারা অ্যান্টিবায়োটিকসকেও অকেজো করে দিতে পারে। আর এর ফলেই আর কাজ করবে না অ্যান্টিবায়োটিকস। ব্যাধি সারাতে যে অ্যান্টিবায়োটিকস সঞ্জীবনীর মত কাজ করে, তারও ধার কমবে। মানুষের মৃত্যুকে আর কোনও ভাবেই আটকানো যাবে না।  

বিস্তারিত খবর

নবীজির প্রিয় ১২ খাবার ও তার গুণাবলী

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২৪ ১০:৪১:৫৪

হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর পছন্দের ১২টি প্রিয় খাবার ছিল। এসব খাবার তিনি প্রতিনিয়তই আহার করতেন। নবীজী (সা.) এর পছন্দের খাবারের গুলো হল বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি। এসব খাবারের গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো।
বার্লি (জাউ): এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী। অসুস্থ অবস্থায়, মূলত জ্বর হলে রাসুল (সা.) এই খাবারটি বেশি গ্রহণ করতেন বলে জানা যায়।
খেজুর: খেজুর রাসুলের (সা.) খুব প্রিয় একটি খাবার। প্রিয়নবী (সা.) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীল সতেজ রাখে।
ডুমুর: ডুমুরও রাসুলের (সা.) প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম। ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার।
আঙ্গুর: প্রিয়নবী (সা.) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। তার প্রিয় খাবারের তালিকায় আঙ্গুর অন্যতম। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্যশক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন।
মধু: মধু ছিল রাসুলের (সা.) অত্যন্ত প্রিয় একটি খাদ্য। বিভিন্ন সময় তিনি মধু খেতেন। মধুর নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানীয় ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথওয়াশ হিসেবে উপকারী।
তরমুজ: প্রিয়নবী (সা.) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। নিজেও বেশ পরিমাণে তরমুজ খেতেন। সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। যেসব গর্ভবর্তী মা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়।
দুধ: দুধ রাসুলের (সা.) অত্যন্ত প্রিয় ছিল। দুধকে জান্নাতি খাবার বলা হয়। দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। দুধ পানে মেরুদণ্ড সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।
মাশরুম: প্রিয়নবী (সা.) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে। আজ বিশ্ব জুড়ে মাশরুম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা।
জলপাই তেল: অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।
ডালিম-বেদানা: প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, ডালিম-বেদানা আহারকারীদের শয়তানও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে। বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে।
ভিনেগার: ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা.) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
খাবার পানি: প্রিয়নবী (সা.) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পানির অপর নাম জীবন। পানির ভেষজগুণ অপরিসীম। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যরক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলেন।  

বিস্তারিত খবর

জেনে নিন চকলেটের ৫টি উপকারিতা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-২০ ১০:৪৭:৪৮

কোকোয়া সমৃদ্ধ ডার্ক চকলেট রক্তনালীর কাজের উন্নতি ঘটায়।
ছোট বড় নির্বিশেষে প্রায় সকল মানুষই চকলেট খাওয়া পছন্দ করে। বিজ্ঞানের মতে চকলেট খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ও উপকারী, তবে সেটা হতে হবে ডার্ক চকলেট। কেন চকলেট খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী তা জেনে নিই চলুন।
১। এটি আপনার হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখবেযদি আপনি দীর্ঘজীবী হতে চান এবং স্বাস্থ্যবান থাকতে চান তাহলে আপনার ডায়েটের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। ভালো খবর হচ্ছে প্রতিদিন অল্প পরিমাণে চকলেট খেয়ে আপনি আপনার হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে পারেন। বিভিন্ন গবেষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কোকোয়া সমৃদ্ধ ডার্ক চকলেট রক্তনালীর কাজের উন্নতি ঘটায়, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ইনসুলিনের মাত্রা কমে যাওয়া হ্রাস করে।
২। আলঝেইমার্সকে দূরে রাখতে পারেএই বিষয়ে হালকা কিছু গবেষণা হয়েছে। আরো কিছু নির্দিষ্ট গবেষণা হওয়া প্রয়োজন এই বিষয়ের সমর্থনে। রেসভেরাট্রল এমন একটি রাসায়নিক যা ডার্ক চকলেটে থাকে। এটি মানসিক দক্ষতা কমার হার কমায় এবং ডিমেনশিয়ার বৃদ্ধিকে ধীর করে দেয়। তাই আপনার ডিনারে খেতে পারেন ডার্ক চকলেট।
৩। উদরের ক্যান্সার প্রতিরোধ করেগবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন দুপুরে অফিসে ডার্ক চকলেট খাওয়া রোগ হওয়া থেকে সুরক্ষা দিতে পারে, বিশেষ করে পেটের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে। কারণ ডার্ক চকলেট পলিফেনলে ভরপুর থাকে।
৪। মেজাজের উন্নতি ঘটায়বিজ্ঞান বলছে যে, ডার্ক চকলেট খেলে মস্তিস্কে এন্ডোরফিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং আপনাকে ভালো অনুভূতি দেয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে, আপনি ফ্যামিলি সাইজের ডেইরী মিল্ক খাবেন।
৫। আপনাকে স্লিম হতে সাহায্য করেআপনার হয়তো শুনতে অবাক লাগছে যে, চকলেট খেয়ে শুকানো যায়! আসলেই ওজন কমানোর জন্য চকলেট খাওয়া একটি ভালো উপায়।  যদিও এটি সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিৎ, গবেষণায় দেখা গেছে যে, চকলেটের মত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করলে, কিছুদিন পরেই আর এই ডায়েট অনুসরণ করা সম্ভব হয়না।
এছাড়াও চকলেট যে খুবই সুস্বাদু খাবার তাতো আমরা সবাই এক বাক্যে স্বীকার করবো, তাইনা।

বিস্তারিত খবর

যেভাবে ক্যানসার প্রতিরোধ করে রসুন

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-১৩ ১০:৪৯:১৭

যুক্তরাষ্ট্রের হিউম্যান নিউট্রিশন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক জন মিলনার বলেছেন “খাবারে ব্যবহার হয় এমন বিভিন্ন মশলা ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। কয়েকটি আবার টিউমার বৃদ্ধি দমন করতে পারে।’’
ক্যান্সার দমনে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি মশলার ব্যাপারে নিশ্চিত হলেও আরও কিছু মশলা নিয়ে গবেষণা চলছে বলে যানা যায়। তেমনি একটি মশলার নাম রসুন।
উদ্ভিদজাত হওয়ায় রসুন একটি সবজি হলেও খাবারে ঝাঁঝ আনতে ব্যবহার হয় বলে একে মূলত মশলা বলা হয়। বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, বিভিন্ন গুণের জন্য রসুন নিয়ে গবেষণা করা হলেও, সালফার সম্বলিত হওয়ায় এর গুরুত্ব বেড়ে যায় কয়েকগুণ। রসুনে থাকা সালফাইড শরীরের ভিতরে গিয়ে নানা ধরনের প্রভাব ফেলে।
এই প্রভাবের মাঝে একটি হলো- ক্যানসারের সম্ভাবনা কমানো বা তা প্রতিরোধ করা। রসুনে রয়েছে এন্টিমাইক্রোবায়েল বৈশিষ্ট ডিএনএ। এটিই আসলে কোষের মেরামত ও মৃত্যু হ্রাস করে ক্যানসার থেকে আমাদের রক্ষা করতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত খবর

জানতে চান কেন হারাচ্ছে আপনার স্মৃতিশক্তি?

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-১২ ২৩:৫৯:৩৩

ভারসাম্যপূর্ণ খাবার এবং ব্যায়াম মস্তিষ্কের জন্য উত্তম বলে মনে করেন স্বাস্থ্যবিদরা। আর এতে আলঝেইমার্সের মতো রোগের ঝুঁকি কমে আসে। এটা সেই রোগ যার কারণে স্মৃতিশক্তির বারোটা বেজে যায়। ক্রমেই ক্ষয় ঘটে স্মৃতিশক্তির। বয়সের সঙ্গে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। স্মৃতিশক্তি নষ্টের আরো কিছু অদ্ভুত কারণ বিশেষজ্ঞরা মতে নিচে তুলে ধরা হলো-
থায়ামিনের অভাব:আমাদের দেহে থায়ামিনের অভাব হলে আমরা স্মৃতিশক্তি দুর্বলতা রোগে পরে থাকি। থায়ামিন এবং ভিটামিন-বি আমাদের নার্ভ সিস্টেমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। থায়ামিনের অভাবে নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডারে ভুগতে দেখা যায় অনেককে। তাই স্মৃতিশক্তির দুর্বলতাকে অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।
সব সময় বিষণ্ণ থাকা:জীবনে অনেক কিছুই থাকে মন খারাপ করে থাকার জন্য। কিন্তু তাই বলে সব সময় বিষণ্ণ থাকাটা একেবারেই উচিত নয়। এতে মনের ওপর তো চাপ পরেই সেই সাথে ভাপ পড়ে আপনার মস্তিষ্কের ওপরে। এতে মস্তিষ্কে ‘কারটিসোল’ নামক হরমোনের নিঃসরণ ঘটে যা মস্তিষ্কের ‘সিন্যাপ্স’ যা মস্তিষ্কের নিউরনের মধ্যকার সংযোগ বজায় রাখে তা নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়।তাই নিজেকে খুশি রাখার চেষ্টা করুন একটু কষ্ট হলেও। অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া ও দুশ্চিন্তা করা অনেকেই কারণে অকারনে অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ে থাকেন এবং দুশ্চিন্তা করতে থাকেন। অতিরিক্ত মানসিক চাপের অর্থ মস্তিষ্কের ওপর অনেক বেশি মাত্রায় চাপ ফেলা।এতে করেও স্ট্রেস হরমোন কারিসোলের নিঃসরণ ঘটে যা মস্তিষ্কের নিউরনের মধ্যকার সংযোগে ব্যাঘাত ঘটায় ‘সিন্যাপ্স’ নষ্ট করে দিয়ে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা করে তো লাভ হচ্ছে না। তাই অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করে সমাধান খুঁজুন সব কিছুর।
ধূমপান করা:দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায়। কারণ ধূমপানের ফলে আমাদের হৃদপিণ্ড মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহের ক্ষমতা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে।এতে করে মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ করে না। এবং এর প্রথম প্রভাবই পড়ে স্মৃতিশক্তির ওপর। তাই ধূমপান বন্ধ করুন আজই।
একাকিত্ব:বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকার কারণ স্মৃতিশক্তিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। মোটকথা একাকিত্ব মস্তিষ্কের বারোটা বাজায়। তবে অনেকে বলেন, একাকী থাকার কারণে আলঝেইমার্স হয় না। বরং আলঝেইমার্সে আক্রান্তরা ধীরে ধীরে সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম:অসময়ে খাওরার অভ্যাস কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। তেমনি ভালো নয় স্মৃতিশক্তির জন্যেও। সময়ের চেয়ে দেরি করে খুব বেশি পরিমাণ খেলে ভয়াবহতার মাত্রা আরো বৃদ্ধি পায়। আলঝেইমার্স রোগীদের দ্রুত রাতের খাবারের পর সকালের নাস্তার আগে কোনো কিছু খেতে মানা করেন চিকিৎসকরা।
অপর্যাপ্ত ঘুম:স্মৃতিশক্তি তীক্ষ রাখতে চাইলে ভালো ঘুমের বিকল্প নেই। রাতে যদি নিয়মিত ঘুম না হয় তাহলে মস্তিষ্কে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং এতে স্মৃতিবিধ্বংসী রোগের সৃষ্টি হতে পারে। তাই অকালে স্মৃতিশক্তি হারাতে না চাইলে নিয়মিত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
দূষণ:সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যায়, দূষিত এলাকায় বসবাসকারী নারীদের মাঝে স্মৃতিভ্রংশ রোগে আক্রান্তের হার বেশি। তবে পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত এলাকায় এ রোগের হার কম। দূষিত পদার্থ নানাভাবে আমাদের দেহে প্রবেশ করে স্মৃতিশক্তি নষ্ট করে।
অস্বাস্থ্যকর খাবার:আপনি কী খাচ্ছেন, এর ওপরও নির্ভর করে আপনার স্মৃতিশক্তি। আপনি যদি অস্বাস্থ্যকর খাবার খান, তাহলে স্মৃতি দুর্বল হয়ে পড়বে। একইভাবে আপনি যদি রাতে দেরি করে খান এবং অতিরিক্ত খান তাহলেও স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।
সামাজিকতার অভাব:বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা একাকিত্বে ভোগে তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়। একইভাবে অসামাজিক ব্যক্তিরাও স্মৃতিশক্তির দুর্বলতায় ভোগে। তাই স্মৃতিশক্তি ভালো করতে চাইলে সামাজিকতার গুরুত্ব দিতে হবে।
উচ্চ রক্তচাপ:উচ্চ রক্তচাপ শুধু আপনার দেহের জন্যই ক্ষতিকর নয়, এটি মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করে। আর এ কারণে স্মৃতিশক্তিও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে রক্তচাপ সঠিক মাত্রায় রাখা জরুরি।

বিস্তারিত খবর

যে খাবারগুলোতে দূর হবে রক্তশূন্যতা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-১০ ০৬:২১:১২

অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা সাধারণ একটি রোগ। মহিলা এবং বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা দিলেও এটি সব বয়সী মানুষেরই হতে পারে। যে কয়েকটি লক্ষণে এ রোগ নির্ণয় করা যায়, তা হলো অবসন্নতা, ক্লান্তিভাব, বমি, ঘাম হওয়া, মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, ছোট শ্বাস, বেশি ঠাণ্ডা অনুভব করা ইত্যাদি। রক্তশূন্যতা দূর করবে যে খাবার-
১. পালং শাকপালং শাকে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, বি৯, ই, সি, বিটা কারটিন এবং আয়রন রয়েছে। যা রক্ত তৈরি করে থাকে। আধা কাপ পালং শাক সিদ্ধতে ৩.২ মিলিগ্রাম আয়রন আছে যা মহিলাদের দেহে ২০% আয়রন পূরণ করে থাকে। 
২. ডালিমপ্রচুর পরিমাণ আয়রন এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল হল ডালিম। এটি দেহে রক্ত প্রবাহ সচল রেখে দুর্বলতা, ক্লান্ত ভাব দূর করে থাকে। 
৩. বিটবিট আয়রন সমৃদ্ধ খাবার হওয়া খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটি রক্ত স্বল্পতা দূর করে দেয়। এটি লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি করে। এবং দেহে অক্সিজেন সরবারহ সচল রাখে। 
৪. টমেটোটমেটোতে ভিটামিন সি আছে যা অন্য খাবার থেকে আয়রন শুষে নেয়। এছাড়া টমেটোতে বিটা ক্যারটিন, ফাইবার, এবং ভিটামিন ই আছে। প্রতিদিন কমপক্ষে একটি টমেটো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এর বেশি খেলে আরও ভালো হয়। ৫. চিনাবাদাম ও পিনাট বাটারআয়রনের আরেকটি উৎস হল পিনাট বাটার। দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটারে ০.৬ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া যায়। আপানি যদি পিনাট বাটারের স্বাদ পছন্দ না করেন চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটিও শরীরে আয়রন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। 
৬. তাছাড়া ডিম, সয়াবিন, বাদাম, সামুদ্রিক মাছ, খেজুর, কিশমিশ ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে যা দেহের রক্ত স্বল্পতা রোধ করে। 
সূত্র: ইন্টারনেট।

বিস্তারিত খবর

টাক মাথায় চুল গজাবেন যেভাবে

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-১০ ০৬:১৪:৪৬

চুল ঝরে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। ব্যয়বহুল কসমেটিক সার্জারির মাধ্যমে টাকে নতুন করে চুল গজানোর বন্দোবস্ত করা যায় ঠিকই, কিন্তু তার ঝামেলা অনেক। তা ছাড়া হেয়ার গ্রাফটিং-এর পেছনে একগাদা টাকা খরচ করার মতো আর্থিক সচ্ছলতাও সকলের থাকে না। ফলে মানুষ খোঁজেন মাথায় চুল গজানোর সহজ ও প্রাকৃতিক কৌশল।
‘ডে বাই ডে থ্রি সিক্সটি ফাইভ’ নামক লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন এ বার তেমনই এক ঘরোয়া কৌশল বাতলে দিয়েছে তাদের সাম্প্রতিক সংস্করণে। একটি বিশেষ ঘরোয়া মিশ্রণের সাহায্যে চুলহীন মাথাকে ম্যাজিকের মতো ঢেকে ফেলা যাবে কালো চুলে— এমনটাই জানানো হয়েছে ওই পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে। কী কী লাগবে এই মিশ্রণ তৈরি করতে? লাগবে চারটি সামান্য জিনিস—১. ২০০ গ্রাম তিসি তেল। ২. ৪টি পাতি লেবু। ৩. ১ কেজি মধু। ৪. ৩টি রসুনের কোয়া।
এ বার জেনে নিন, কীভাবে তৈরি করবেন এই মিশ্রণ: প্রথমে রসুন আর পাতি লেবু ছোট ছোট টুকরো করে এক সঙ্গে বেটে নিন। ব্লেন্ডারে ফেলে মিশিয়েও নিতে পারেন। তার পর তিসি তেল এবং মধু তার সঙ্গে মিশিয়ে দিন। এবার সেই মিশ্রণ একটি পাত্রে ভরে ফ্রিজের ভিতর রেখে দিন। ব্যস, আপনার ম্যাজিক মিশ্রণ তৈরি।
এবার জানা যাক, এই মিশ্রণ সেবনের নিয়ম। দিনে তিন বার খেতে বসার আধ ঘন্টাখানেক আগে ফ্রিজ থেকে বার করে এই মিশ্রণ খান এক চা-চামচ। তার পর পাত্রটিকে আবার ফ্রিজে রেখে দিন।
এই মিশ্রণের ফল পেতে সপ্তাহ দু’য়েকের বেশি সময় লাগবে না। তার মধ্যেই টাকে চুল গজাতে শুরু করবে। পাশাপাশি এই মিশ্রণ স্বাস্থ্যের সামগ্রিক উন্নতি ঘটাবে। বাড়বে চোখের দৃষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কী? বিশ্বাস হচ্ছে না? তা হলে নিজেই একবার ট্রাই করে দেখুন। 

বিস্তারিত খবর

জেনে নিন কি কারণে মদপান নিষেধ করে ডাক্তাররা

 প্রকাশিত: ২০১৭-০৪-০৯ ১২:৩৬:২০

সারাদিন অফিসের চাপ সামলে একটুআধটু ইয়ে না হলে চলে নাকি? রাতে খাবার পর বারান্দায় বা ড্রয়িং রুমের সোফায় গা এলিয়ে মদ্যপান। মাথা হাল্কা। মেজাজ ফুরফুরে। কিন্তু, এই মদ্যপান করে ঘুমানোর ফলটা কী হয়, সেটা কি জানেন? জেনে নিন কেন মদ খেতে নিষেধ করে ডাক্তাররা। 
● প্রচুর পরিমাণে মদ্যপান করলে আপনার গভীর ঘুম হবে না। যাকে আমরা বলি ‘টাইট স্লিপ’।
● মদ্যপানের ফলে বেড়ে যায় হৃদস্পন্দন। রক্তসঞ্চালন অনিয়মিত হয়ে পড়ে। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
● দেখলেন হয়তো ঘুম থেকে উঠে আর কাউকে চিনতে পারছেন না। আপনার স্মৃতিভ্রংশ হয়েছে!
● ঘন ঘন ঘামবেন আর ভ্যাসোপ্রেসিন হরমোনের ফলে স্বাভাবিকের থেকে বেশি মূত্রত্যাগ হতে পারে আপনার।
● নাসিকা গর্জন অত্যন্ত বেড়ে যাবে। যার ফলে স্ত্রী বা পার্টনারের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যেতে পারে।
● সবসময় ঘুম ঘুমভাবে আচ্ছন্ন হয়ে থাকবেন আপনি। অথচ ঘুমাতে পারবেন না।

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত