আপডেট :

        আবারও একবার টিভি পর্দায় ফিরে এলো ডকুড্রামা ‘হাসিনা

        এশিয়ার ফুটবলে নতুন করে বর্ষপঞ্জি সাজিয়েছে এএফসি

        যারা একবেলা খেতে পারতো না, তারা এখন চারবেলা খায়ঃ শেখ হাসিনা

        এশিয়ার ফুটবলে নতুন করে বর্ষপঞ্জি সাজিয়েছে এএফসি

        দরজায় কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর

        ১০ হাজার বাংলাদেশি অভিবাসীদের ফেরত পাঠাচ্ছে ব্রিটেন

        সহজেই কিছু ফেসপ্যাক বানানোর টিপস

        অন্ততপক্ষে ২০ এমবিপিএসেক আমরা সর্বনিম্ন ব্রডব্যান্ড হিসেবে ঘোষণা করবঃ পলক

        সবজির বাজারে লাফিয়ে বাড়লো কাঁচা মরিচের দাম

        ঝুঁকি বিবেচনায় এআই আইন করা হবে

        গুগল ট্রান্সলেটরে মুখের কথা অন্য ভাষায় অনুবাদ করার পদ্ধতি

        বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ তাই দুই মাস পর পর ঋতু পরিবর্তন

        বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ তাই দুই মাস পর পর ঋতু পরিবর্তন

        বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তায় ছাত্রলীগ হলগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ

        বাংলাদেশে আসতে চলেছেণ তুর্কি সুপারস্টার অভিনেতা বুরাক ঔজচিভিত

        পিরামিড তৈরির রহস্য সমাধানের আশা গবেষকদের

        সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ঋষি সুনাকের

        সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ঋষি সুনাকের

        ছোট ভাইয়ের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সঙ্গে ছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি

        ছোট ভাইয়ের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সঙ্গে ছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি

জরুরি বিভাগে জায়গা নেই, সুরক্ষা উপকরণ সংকট

জরুরি বিভাগে জায়গা নেই, সুরক্ষা উপকরণ সংকট

ছবি: এলএবাংলাটাইমস

ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালগুলো করোনা রোগীতে প্রায় পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। বেশিরভাগ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসন সংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতিও রয়েছে৷ এরই মধ্যে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন সপ্তাহগুলোতে করোনার সংক্রমণ আরো বাড়বে৷

মহামারি শুরু পরে লস এঞ্জেলেসে বেশকিছু অস্থায়ী হাসপাতাল ও করোনা চিকিৎসাকেন্দ্র খুলেছিলো। এছাড়া স্যান পেড্রো হারবরে নেভি হাসপাতালও চালু করা হয়েছিলো। তবে পরবর্তীতে এসব হাসপাতালে প্রয়োজনীয় উপকরণ সংকট দেখা দেয়। এছাড়া এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অন্যান্য হাসপাতালগুলোর কতো চিকিৎসা সেবাও ছিলো না।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এভাবে বিপর্যস্ত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ শুধু খুব জরুরি রোগীদেরই আগে চিকিৎসা দেওয়ার কথা ভাবছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই জরুরি বিভাগ পূর্ণ হয়ে যাবে।

ইতোমধ্যে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া কর্তৃপক্ষ। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দাকে স্টে হোমের আওতায় আনা হয়েছে।

যেসব অঞ্চলের হেলথ কমপ্লেক্স কিংবা হাসপাতালে ইনসেনটিভ কেয়ারের স্থান সংকুলান ১৫ শতাংশে কমে আসবে, সেসব অঞ্চলেই 'স্টে-এট-হোম' অর্ডার জারি করা হয়েছে।

সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতাগুলোতে ইনসেনটিভ কেয়ারের স্থান সংকুলান ব্যবস্থা নেমে এসেছে ১২ শতাংশে, আর স্যান জোয়াকুইন এ মাত্র ৮ শতাংশ আসন খালি রয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/ওএম

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত