মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
জোটের শরিকদের জন্য ৬৫-৭৫ আসন রাখছে আ.লীগ
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনশ আসনের মধ্যে শরিক দলগুলোকে ৬৫ থেকে ৭৫টি আসনে ছাড় দেয়ার পরিকল্পনা করছে আওয়ামী লীগ। তবে এটা চূড়ান্ত কিছু নয় জানিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জিততে পারবে, এমন প্রার্থীই কেবল মনোনয়ন পাবেন।
শনিবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক।
কাদের বলেন, ‘আমাদের জোটের জন্য ৬৫ থেকে ৭৫ সিট ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা ভাবনা আছে।’
‘এখানেও কথা আছে, এটা কোন বাইন্ডিং (বাধ্যবাধকতা) বিষয় না’- এমন মন্তব্য করে আরও বলেন, ‘ভালো প্রার্থী হলে আমরা একসেপ্ট করব। উইনেবল প্রার্থীকে আমরা মনোনয়ন দেব।’
‘এলায়েন্সের (জোট) যেকোনো দলেরই হোক আমরা তাদের একসেপ্ট করব, প্রার্থী উইনেবল (জয়ের মতো) হলে আমরা মনোনয়ন দেব।’
আগামী জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বরের শেষে-নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন। আর এই নির্বাচন ২০১৪ সালের মতো হয় নাকি বিএনপি-জামায়াত জোটের অংশগ্রহণের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়-এ নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে।
আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা সরাসরি জানাচ্ছেন, বিএনপি ভোটে এলে ২০০৮ সালের মতোই আবার মহাজোট হবে, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি এক হয়েই লড়াই করবে, আর বিএনপি আবার ভোট বর্জন করলে জাতীয় পার্টি আলাদা নির্বাচন করবে।
কাদের তার সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য এই আসন ছাড়ের পরিকল্পনা জাতীয় পার্টিকে জোটে রেখে করা হয়েছে কি না, সেটা বলেননি।
নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের প্রস্তুতি বর্ণনা করে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এ মাসেই আমাদের কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু করব। জোট নিয়েও আমরা পরোক্ষভাবে আলাপ আলোচনা করেছি। যারা আমাদের এত দিনের শরিক, তাদের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। অনেকে আসতে চাচ্ছে। তাদের সঙ্গেও আমরা কথাবার্তা বলতে শুরু করেছি।’
‘আলোচনা চলছে, এ মাসের শেষ দিকে ফাইনাল সেপ (চূড়ান্ত রূপ) নেবে। বেশিদূর গেলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারে।’
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন