মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগের মুখে বিষয় ঘোরাতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া
৬৫ হাজার ৬০২ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বিগত ১০ বছরে ১০ কোটি টাকার অধিক ঋণ নিয়েছে ৮ হাজার ৭৯১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬৫ হাজার ৬০২ কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হয়নি।
জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রুস্তুম আলী ফরাজীর (পিরোজপুর-৩) এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের (নওগাঁ-৬ আসন) অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে এখন করদাতার সংখ্যা ৩১ লাখ। এটা দেশের জন্য লজ্জাজনক। কারণ, ১৬ কোটি মানুষের দেশে করদাতার সংখ্যা হওয়া উচিত ১ কোটি ৬০ লাখ। ২০২১ সালের মধ্যে করদাতার সংখ্যা ৫০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্যের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত ৪ বছরে আয়কর আহরণ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৬৩ হাজার ৭৮২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।’
সংসদ সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির (মহিলা আসন-৩০) সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও তাদের সহযোগীরা বহু অনাচার করে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এক্ষেত্রে সব সময়ই মামলাগুলো প্রলম্বিত করার একটা চেষ্টা চলে। আর আমাদের আইন ব্যবস্থা সহজ বিধায় তা সম্ভবও হয়। তবে সরকার তাদের দুর্নীতি-অর্থপাচারের কথা ভোলেনি।’
বেগম ফিরোজা বেগমের (চিনু) (মহিলা আসন-৩৩ ) এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘খেলাপী ঋণ রোধ করতে সরকার খেলাপী গ্রাহকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সবগুলো ব্যাংকের ঋণ আদায়ের ইউনিটকে শক্তিশালী করতে বলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ঋণ খেলাপী বা অনিয়মে জড়িতদের মধ্যে কেউ কেউ মারা গেছেন। অনেকে জেলে আছেন। অনেকের বিচার চলছে। তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে।’
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
News Desk
শেয়ার করুন