আপডেট :

        ই-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১, গুরুতর আহত ১

        জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করল না ট্রাম্প প্রশাসন

        যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিস্ফোরণধর্মী ডায়রিয়া’ সৃষ্টিকারী পরজীবীর প্রাদুর্ভাব, আক্রান্ত হতে পারেন ১৮ হাজারের বেশি মানুষ

        ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

        বর্ডার প্যাট্রোল পর্যবেক্ষণের পর গ্লোবাল এন্ট্রি বাতিল, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে নারীর মামলা

        ট্রাম্পের সঙ্গে পৃথক বৈঠক জেলেনস্কি ও নেতানিয়াহুর, আলোচনায় ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধ

        ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা, ফের উত্তেজনা

        ক্যালিফোর্নিয়ায় আবার বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, সতর্ক থাকার পরামর্শ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের

        টরন্টোর মার্কিন কনস্যুলেটে আবারও গুলি, চলতি বছরে দ্বিতীয় হামলা

        ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিতাদেশ চ্যালেঞ্জের মামলা খারিজ, নতুন আবেদন করার সুযোগ দিলেন মার্কিন আদালত

        কোভিড ত্রাণ জালিয়াতি: এফবিআইয়ের জালে পলাতক নারী

        সাশ্রয়ী আবাসনের খোঁজে রিভারসাইডে বসতি, নিত্যসঙ্গী দীর্ঘ যানজট

        যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে দ্বৈত নাগরিকদের জন্য নতুন পাসপোর্ট নির্দেশনা দিল মার্কিন দূতাবাস

        সান্তা মনিকার অ্যাপার্টমেন্টে নারীর মরদেহ উদ্ধার, একজন আটক

        মিশিগানে বাড়িতে আগুনের পর ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার, কয়েকজনের শরীরে গুলির চিহ্ন

        সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

        হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা নৈশভোজে গণমাধ্যমকে কটাক্ষ ট্রাম্পের

        লস এঞ্জেলেস মেট্রোকে ভাড়ামুক্ত করার পরিকল্পনা মেয়র কারেন ব্যাসের

        সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর যুক্তরাষ্ট্র, নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা

        দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় তাপপ্রবাহ, কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ১১৪ ডিগ্রি

করোনার ভয় পেলে চলবেনা

করোনার ভয় পেলে চলবেনা

করোনার মতো কঠিন সময়ে খুব বড় একটা অসুস্থতা কাটিয়ে উঠলাম। যদিও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। ফেব্রুয়ারীর ২৪ তারিখ থেকে প্রচন্ড হাঁচি, নাক মুখ দিয়ে  অনবরত পানি পড়েছে, গায়ে ১০১ এর বেশি তাপমাত্রা বুকে ব্যাথা,  শ্বাস কষ্ট, সমস্ত শরীরে প্রচন্ড ব্যাথা। ডাষ্ট এলার্জি আছে তাই ওটাতেই আক্রান্ত হয়েছি ভাবলাম। কাজ ফেলে ছুটি নিয়ে বাসায় বসে থাকতে ভালো লাগেনা।পরদিন অফিসে গেলাম কিন্তু বসে কোনো কাজ করতে পারলামনা। তারপর নানান ওষুধে কদিন গেল। কিন্তু জ্বর বা অন্য কোনো কষ্ট কমলোনা। শ্বাস কষ্ট বেড়ে গেল, কোনো কথা উচ্চারণেও কষ্ট হচ্ছিল। এমন কষ্ট কোনোদিন হয়নি। নিজের বুক ফেড়ে নিজেই পরিস্কার করতে মন চাচ্ছিলো। ফেব্রুয়ারীর ২৯ তারিখে বক্ষ ব্যাধি বিশেষজ্ঞের কাছে গেলাম। আমার এক ভাই জোর করে নিয়ে গেলেন। ডাক্তার কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। এক্সরে রিপোর্ট দেখিয়ে বললেন বুকের ডানপাশের ফুসফুসে অনেকটা পানি জমেছে। এছাড়াও আরো কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। ডাক্তার বললেন তিনমাস ওষুধ খেতে হবে।

 আমার মনের জোর খুব বেশি কিন্তু শ্বাস কষ্টের কাছে হেরে যাচ্ছিলাম বারবার। তবুও ঘড়ির কাটা ধরে ওষুধ খেতে লাগলাম। ১০ দিন ওষুধ খাওয়ার পরে সামান্য কষ্ট কমলো। গতকাল থেকে কিছুটা ভালো আছি। ১৭ দিন প্রায় তেমন কোথাও যাইনি। ঘরে বসে আছি। এর মধ্যে বাসার অন্যান্য সদস্যদেরও জ্বর সর্দি কাশি হলো। নেবুলাইজার মেশিন কিনেছি। ইনজেকশন ওষুধ সব চলেছে এক সাথে। গত দশ বছরে এতোটা অসুস্থ হইনি। আশা করছি আগামী রবিবার থেকে  কাজ করতে পারবো। যদিও আরও আড়াই মাস ওষুধ খেতে হবে। পৃথিবীতে নিঃশ্বাস নিতে পারার সুখের তুলনা নেই।

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত