যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 05:26am

|   লন্ডন - 12:26am

|   নিউইয়র্ক - 07:26pm

  সর্বশেষ :

  মিয়ানমার কারও কথা শোনে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   পরীক্ষা ছাড়া ভর্তিকে কেন্দ্র করে ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের হাতাহাতি   ১৮টি অমুসলিম উপাসনালয়ের অনুমোদন দিচ্ছে আরব আমিরাত   দেশে দুর্নীতি মহামারী আকার ধারণ করেছে : মওদুদ   লাইবেরিয়ায় ধর্মীয় স্কুলে আগুন, নিহত ৩০   ১৮ দিনেও খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পাননি স্বজনরা, উদ্বেগ   নিউইয়র্কে ইন্টারন্যাশনাল সীরাত কনভেনশন শনিবার   নিউইয়র্কে বিয়ানীবাজার এডুকেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের ক্রিকেট টুনার্মেন্ট সম্পন্ন   ওয়াশিংটন ডিসিতে শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তি সংগঠন ‘সমস্বর’-এর আত্মপ্রকাশ   বাফলা চ্যারিটির ফান্ড রাইজিং ডিনার রবিবার   দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিবিদরা মাথা ন্যাড়া করছেন   বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আরো ভাগাভাগি হচ্ছে, গণমাধ্যমে আসছে না: আরেফিন সিদ্দিক   ‘জাবির অর্থ কেলেঙ্কারি ফাঁসকারী ছাত্রলীগ নেতারা হুমকির সম্মুখীন’   খালেদা কিছুই দেননি, হাসিনা আমাদের সম্মানিত করেছেন: আল্লামা শফী   রাখাইনে আরও ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার চরম ঝুঁকিতে : জাতিসংঘ

>>  সিলেট এর সকল সংবাদ

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারন

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ একর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার (১৪সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা থেকে আগত ৫ সদস্যের টিম নিয়ে দক্ষিণ সুরমার মোল্লারগাও ইউনিয়নের লতিফপুর এলাকায় নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী।

ঢাকা থেকে আসা ৫ সদস্যের টিম টেকনিক্যাল টিমে ছিলেন স্থাপত্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান স্থপতি মঞ্জুরুল রহমান, সহকারী প্রধান স্থপতি মাসুদ পারভেজ, সিলেট গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপ সহকারী প্রকৌশলী। এসময় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক, সহকারী

বিস্তারিত খবর

সিলেট কারাগারে ফাঁসির আসামীসহ তিন কয়েদির মৃত্যু

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০৬ ১৫:২৭:১৪

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের তিন কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। তন্মধ্যে দুজন ছিলেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত, অন্যজন এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত। বুধবার ও বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত এবং আজ শুক্রবার দুপুরে পৃথকভাবে এ তিনজন মারা যান।

এ তিন কয়েদি হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার লোহারগাঁও গ্রামের আফিজ আলী ইউনুছ (৪৯), দক্ষিণ সুরমা উপজেলার শস্যউরা গ্রামের জুবেদ আলীর ছেলে মছব্বির আলী ও নগরীর উপশহর এলাকার ৪৮নং বাসার মন্তাজ আলীর ছেলে মোহাম্মদ মনোয়ারুল হক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. আবু সায়েম ও ডেপুটি জেলার নুরুল মুবীন।

জেলার মো. আবু সায়েম বলেন, ‘প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকদের ধারণা, এরা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে, প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সঠিক কারণ জানা যাবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইউনুছ ও মছব্বিরের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মনোয়ারের মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে। এদের মধ্যে ইউনুছ ও মছব্বির ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি ছিলেন। মনোয়ার চেক ডিজওনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত।’

জানা গেছে, চাচা রুস্তম আলীকে হত্যার ঘটনার মামলায় আদালত কর্তৃক ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আফিজ আলী ইউনুছ গত বুধবার বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কতৃপক্ষ। বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন।

দক্ষিণ সুরমা মছব্বির আলী নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি ছিলেন। গত মঙ্গলবার বুকে ব্যথা অনুভব করায় তাকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে মারা যান তিনি।

এদিকে, ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার চেক ডিজওনার মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন মনোয়ারুল হক। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আজ শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।

বিস্তারিত খবর

কিনব্রিজ দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-০১ ১৪:৪৭:০৪

সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহী কিনব্রিজ দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শনিবার মধ্যেরাত থেকে সিলেট সিটি করপোরেশন যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এ প্রসঙ্গ নিয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ব্রিজটির সংস্কার কাজের জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এই ব্রিজ সিলেটের একটি ঐতিহ্য। তাই এটিকে সংরক্ষণের লক্ষে আমরা সংস্কার করার উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা কিনব্রিজকে আরো দৃষ্টিনন্দন করে পর্যটকদের জন্যও আকর্ষণীয় করে তুলবো।

বিস্তারিত খবর

৪০ বাস নিয়ে সিলেট শহরে শুরু হচ্ছে ‘নগর এক্সপ্রেস’

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-০৬ ১৪:৩৯:৩২

পরিবহন ভোগান্তি হল সিলেট নগরবাসীর  একটি অন্যতম ঝন্ঝাট। তাই পরিবহন ভোগান্তি নিরসন ও এ খাতে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতেই ‘নগর এক্সপ্রেস’ নামের বাস সার্ভিস চালু হচ্ছে । ৪০টি বাস নিয়ে শুরু  হওয়া এই বাস সার্ভিস চলবে চারটি রুটে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এমন তথ্য জানিয়েছেন। গতকাল রাতে ‘নগর এক্সপ্রেস’ বাস সার্ভিসের লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এমন তথ্য জানান তিনি।

‘নগর এক্সপ্রেস’ বাস মালিক সমিতির সদস্য মাহবুবুল হক চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মেয়র আরিফ বলেন, ‘‘নগর এক্সপ্রেস’ শুরুতে টুকেরবাজার থেকে হেতিমগঞ্জ, সুরমা মার্কেট থেকে রশিদপুর, টুকেরবাজার থেকে বটেশ্বর ও এয়ারপোর্ট থেকে হাজীগঞ্জ রুটে চলবে। প্রথম ছয় মাস টিকিট কেটে যাত্রীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকলেও পরে ডিজিটাল পেমেন্ট দিয়ে বাসে যাতায়াত করতে পারবেন নগরবাসী।’

নগরীর ভেতরে বাসগুলো চলাচলের জন্য আলাদা ‘ইমার্জেন্সি লেন’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি জানান, এই লেনে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যানবাহন ছাড়া অন্য কোন যানবাহন চলতে দেওয়া হবে না।

এছাড়া নগরবাসীর জন্য সুলভ মূল্যে আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণে এটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেও জানান তিনি। নিটোল টাটার সাপোর্টে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মালিকানাধীন একটি মালিক সমিতির মাধ্যমে এটি পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নিটোল টাটার কর্মকর্তা ও জালালাবাদ মটর্সের চেয়ারম্যান এহতেশামুল হক চৌধুরী, আব্দুল মুক্তাদির, সৈয়দ মিছবাহ উদ্দিন, এটিএম শুয়েব, সৈয়দ মঈন উদ্দিন সুহেল, আব্দুর রহমান জামিলসহ নগর পরিবহনের মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। পরে মেয়রসহ সংশ্লিষ্টরা আনুষ্ঠানিকভাবে লোগো উন্মোচন করেন।

বিস্তারিত খবর

গাঁজাসহ শাবি ছাত্রলীগের দুই নেতা আটক

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৮-০৫ ১২:০০:০৯

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতাসহ তিন শিক্ষার্থীকে গাঁজাসহ আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন, পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফজলে ইফাদ অনিক এবং সমাজকর্ম বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইফাদ আহমেদ।

তাদের মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন ও ফজলে ইফাদ অনিক নিজ নিজ বিভাগ ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বে আছেন। তারা উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের অনুসারী।

রোববার (৪ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে নগরীর লাক্কাতুরা মন্দিরের কাছ থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান বিমানবন্দর থানার ওসি শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, ‘রাতে তাদের গাঁজাসহ আটকের পর পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা (মামলা নং-৭) দায়ের করেছে। রোববার দুপুরে ২টার দিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

ডিউটি অফিসার এস আই হাসিনা বলেন, ‘আটকের সময় তাদের কাছ থেকে সাড়ে তিনশো গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। পুলিশকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছি।’

শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান বলেন, ‘আটকের ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দূরবর্তী এয়ারপোর্ট এলাকায় ঘটেছে। এই অভিযোগ সত্য হলে তাদের ব্যক্তিগত দায়ভার ছাত্রলীগ বহন করবে না।’

বিস্তারিত খবর

ঢাকায় ১০ তলার কার্নিশে ঝুলছিল সিলেটের কিশোরী খাদিজা

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-৩১ ০৬:৩৭:১৩

রাজধানীর কাকরাইলের কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির পাশে ১৫ তলা একটি ভবনের দশম তলার বারান্দার কার্নিশে ঝুলে ছিল এক কিশোরী। ভবনটি অধিক উঁচু হওয়ায় প্রথমে বিষয়টি খেয়াল করতে পারেনি পথচারীরা।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে সেখানে উৎসুক মানুষের জটলা বাঁধে। খবর পেয়ে আসে পুলিশও। ততক্ষণে বারান্দার গ্রিলের জানালা খুলে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন এক নারী।

ঝুলে থাকা কিশোরী ওই নারীর বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে। তার বাড়ি সিলেটে।

তবে কি কারণে এই কিশোরী কার্নিশে ঝুঁকি নিয়ে ‍ঝুলেছিল তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। পুলিশ জানায়, খাদিজা (১৪) নামের এই কিশোরী দশ তলায় বি-১০ ফ্ল্যাটে হাবিবুর রহমান ও লাভলী রহমানের গৃহকর্মী। অন্য এক গৃহকর্মীর সঙ্গে ঝগড়া করে সে বারান্দার গ্রিলের ফোকর দিয়ে পালাতে চেয়েছিল। তবে গৃহকর্ত্রী লাভলী রহমান তাকে উদ্ধার করেন।

লাভলী রহমান পুলিশকে জানিয়েছেন, খাদিজা ও হেলেনা নামে তার দুই গৃহকর্মী রয়েছে। দুজনের মধ্যে ঝগড়ার পর খাদিজা পালাতে চেয়েছিল। তাকে উদ্ধারের পর তিনি স্বজনদের খবর দিয়েছেন।

খাদিজা এক বছর ধরে তার বাসায় ছিল। তার বাড়ি সিলেটে।

তবে ওই কিশোরীর ঝুলে থাকা ছবিতে দেখা গেছে, বারান্দার ভেতর থেকে এক নারী তার দিকে তাকিয়ে কিছু বলছিলেন। তবে তাদের মধ্যে কি কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। এছাড়া মেয়েটি ঝূঁকিপূর্ণভাবে ঝুলে আছে কেন? নিচে থেকে তা ঠিক বোঝাও যায়নি।

তবে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ জানিয়েছে, গৃহকর্ত্রী লাভলী রহমান মেয়েটিকে পুলিশের সামনেই গালাগাল করেন। সোফায় বসিয়ে ঘটনা জানার চেষ্টা করলেও গৃহকর্ত্রী তাকে সোফায় বসতে দেয়নি। খাদিজাকে পুলিশ সোফায় বসতে বললে লাভলী রহমান বাধা দিয়ে বলেন, ‘ও আমার চাকর ও কেন বসব! ও দাঁড়িয়েই থাকব।’ গৃহকর্ত্রী নিজেকে মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দেন।

রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম বলেন, গৃহকর্ত্রী মেয়েটিকে কোনো মারধর করেছে কিনা তা জানতে চাইলে ওই কিশোরী সদুত্তর দেয়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

বিস্তারিত খবর

সিলেট হচ্ছে দেশের প্রথম ডিজিটাল সিটি: শহরজুড়ে বসছে আইপি ক্যামেরা-ওয়াইফাই জোন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-০১ ১০:০৮:০৫

দেশের প্রথম ডিজিটাল নগরী হচ্ছে সিলেট। দেশের উত্তরপূর্ব জনপদের এই পর্যটন নগরীকে প্রথম ডিজিটাল সিটি রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসাবে ফ্রি ওয়াইফাই জোন তৈরি করা হচ্ছে এ নগরীর ৬২টি পয়েন্টে। এ জন্য নগরীতে ১২৬টি ওয়াইফাই এক্সেস পয়েন্টে (এপি)ও স্থাপন করা হবে। এসব এক্সেস পয়েন্টে নগরবাসী ছাড়াও দেশি-বিদেশি পর্যটকরাও রেজিস্ট্রেশন করে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সুবিধা পাবেন।

ডিজিটাল সিলেট সিটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ মহিদুর রহমান খান জানান, সিলেটকে দেশের প্রথম ডিজিটাল সিটি হিসাবে রূপান্তরের অংশ হিসাবে এরই মধ্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আমরা নেটওয়ার্ক-এ প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিযুক্ত হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি ২০ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় নগরীতে আইপি ক্যামেরা বসানোরও কাজ চলছে।

তিনি জানান, এর মধ্যে বিনা মূল্যের ওয়াইফাই জোন চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী চার মাসের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের কাজ শেষে আগামী নভেম্বরে সিলেট নগরবাসী ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন বলে জানান এ কর্মকর্তা।

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রকল্পের কাজ শেষে বিনা মূল্যের ওয়াইফাই জোন মেইনটেইনেন্সের দায়িত্বে থাকবে সিসিক। এ জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, শাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং সিটি করপোরেশন প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হবে। তিন মাস পরপর মিটিং করে সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

যেসব এলাকায় হচ্ছে ওয়াই-ফাই জোন :
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সিলেট নগরীর ৬২ এলাকায় ১২৬টি এক্সেস পয়েন্ট থাকবে। এর মধ্যে চৌকিদেখি ১টি, আম্বরখানা পয়েন্টে ৪টি, দরগা গেইটে ২টি, চৌহাট্টায় ৩টি, জিন্দাবাজারে ৪টি, বন্দরবাজার ফুট ওভার ব্রিজ এলাকায় ৩টি, হাসান মার্কেট এলাকায় ৫টি, সুরমা ভ্যালি রেস্ট হাউজ এলাকায় ২টি, সার্কিট হাউস-জালালাবাদ পার্ক এলাকায় ৩টি, ক্বিন ব্রিজের দুই প্রান্তে ৬টি, রেলওয়ে স্টেশনে ৪টি, বাস টার্মিনালে ৩টি, কদমতলী পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকায় ৫টি, হুমায়ূন রশীদ চত্বরে ৩টি, আলমপুরের পাসপোর্ট অফিসে ২টি, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এলাকায় ৩টি, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২টি, উপশহরের রোজ ভিউ পয়েন্টে ৩টি, শাহজালাল উপশহর ই-ব্লক ও বি-ব্লকে একটি করে ২টি, শিবগঞ্জ পয়েন্টে ২টি, টিলাগড় পয়েন্টে ৩টি, এমসি কলেজ এলাকায় ২টি, দক্ষিণ বালুচরে ১টি, টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ১টি, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ১টি, শাহী ঈদগাহ এলাকায় ৩টি, কুমারপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় ৩টি এবং কুমারপাড়া রোডে ২টি এক্সেস পয়েন্ট থাকবে।

এছাড়া নগরীর নাইওরপুল পয়েন্টে ২টি, মিরাবাজার রোডে ১টি, রায়নগর এলাকায় ২টি, সোবহানীঘাট পুলিশ স্টেশন এলাকায় ২টি, ধোপাদিঘিরপাড় বঙ্গবীর ওসমানী শিশু উদ্যানে ১টি, বন্দরবাজার জামে মসজিদ এলাকায় ২টি, নয়াসড়ক পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকায় ৪টি, কাজীটুলা এলাকায় ২টি, চৌহাট্টা রোডে ৩টি, হাউজিং এস্টেট রোডে ১টি, সুবিদ বাজারে ১টি, মিরের ময়দানে ১টি, পুলিশ লাইন্স রেএড ১টি, রিকাবীবাজার জেলা স্টেডিয়ামে ২টি, মদন মোহন কলেজ এলাকায় ১টি, মির্জাজাঙ্গাল রোডে ২টি, পাঁচ ভাই রেস্টুরেন্ট এলাকায় ১টি, খুলিয়াপাড়া এলাকায় ১টি, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি এলাকায় ১টি, তালতলা হোটেল গুলশান এলাকায় ১টি, কাজিরবাজার ব্রিজ ২টি, কাজিরবাজার রোডে ২টি, খোজারখলা সিলেট টেকনিক্যাল স্কুল এলাকায় ১টি, ওসমানী মেডিকেল কলেজ এলাকায় ১টি, বাগবাড়ী ওয়াপদা মহল্লা এলাকায় ১টি, পাঠানটুলা ১টি, মদিনামার্কেট পয়েন্টে ২টি এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেইট এলাকায় ২টি এক্সেস পয়েন্ট (এপি) থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব এক্সেস পয়েন্টের একেকটিতে একসঙ্গে ৫০০ জন যুক্ত থাকতে পারবেন। এর মধ্যে একসঙ্গে ১০০ জন উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি এক্সেস পয়েন্টে ব্যান্ডউইথ থাকবে ১০ মেগাবাইট/সেকেন্ড (১০এমবিপিএস)। আর একেকটি এক্সেস পয়েন্টের চতুর্দিকের ১০০ মিটার অর্থাৎ প্রায় ৩০০ ফুট করে আওতা থাকবে।

যেভাবে যুক্ত হওয়া যাবে:
বিনা মূল্যের ওয়াই-ফাই সুবিধা ভোগ করতে হলে একজন ব্যক্তিকে এসব নিরাপত্তার জন্য মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে যুক্ত হতে হবে। যুক্ত হওয়ার প্রথম ধাপে মোবাইল বা ল্যাপটপে নিজের নাম, মোবাইল নম্বর দিতে হবে। ফিরতি এসএমএস এ একটি কোড আসবে। পরে সে কোডটি ইনপুট করলেই লগ ইন সম্পন্ন হয়ে যাবে। ফিল্টারিং করা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন গ্রাহকরা। এছাড়া ডাউনলোডেও থাকবে সীমাবদ্ধতা। গ্রাহকের সব তথ্য জমা হবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ডাটাবেজে।


বিস্তারিত খবর

১০০ দিনের কাজের ফিরিস্তি দিলেন সিসিক মেয়র আরিফ

 প্রকাশিত: ২০১৯-০৩-১২ ১২:০৭:৪৬

দ্বিতীয় মেয়াদে সিলেট সিটি করপোরেশেনের (সিসিক) মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণ হওয়া ১০০ দিনের কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরেছেন আরিফুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি কাজের ফিরিস্তি প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়রের শপথ নেয়ার তিনদিন পর দায়িত্ব নেন আরিফ। তার নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিলেন, নির্বাচিত হলে প্রতি ১০০ কর্মদিবসের কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরার পাশাপাশি উন্নয়ন ভাবনা ও কর্মপরিকল্পনা জনগণের কাছে প্রকাশ করবেন।

মঙ্গলবার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বার্তার শুরুতেই তিনি নগরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘সিলেট সিটিতে দ্বিতীয় মেয়াদের দায়িত্ব নেয়ার পর ১০০ দিনে অনেক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। নগরবাসীর আন্তরিকতা ও সহযোগিতা ছাড়া এসব কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না।’

নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়নে নগরীর নানা উন্নয়ন ভাবনা, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, জলাবদ্ধতা নিরসনে ছড়া-খাল খনন, সড়ক সম্প্রসারণ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ওয়াইফাই নগরী, স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ সহ নানা কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন তিনি।

মেয়র আরিফুল আগামীর সিলেট বিনির্মাণে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের প্রতিহিংসা পরিহার করে কোনো দলের মেয়র হিসেবে নয় বরং নগরবাসীর সবার মেয়র হিসেবে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।’

পাশাপাশি ভিডিও আপলোডের সাথে নগরীর সম্মানিত নাগরিকদের যে কোন মূল্যবান উপদেশ, পরামর্শ কমেন্ট বক্সে দেওয়ার অনুরোধও করেন তিনি।

বিস্তারিত খবর

সিলেট শহরে ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণের উদ্বোধন

 প্রকাশিত: ২০১৯-০২-০৩ ১৩:৩২:৪৫

সিলেটে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভলপমেন্টের অর্থায়নে ও সিসিকের উদ্যোগে সিলেটে ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন নির্মাণের উদ্বোধন করেছেন সিসিক মেয়র আরিফ। প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রাথমিকভাবে নগরীতে ৭ কি.মি ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন নির্মাণ করা হবে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিসিকের উদ্যোগে আম্বরখানায় আন্ডার গ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক লাইনের উদ্বোধন করেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় তিনি বলেন, ভূ-গর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন নির্মান আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিলো। নাগরিক ভোগান্তি কমাতে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যায়ে নগরীর ৭ কি.মি রাস্তায় আন্ডার গ্রাউণ্ড বৈদ্যুতিক নির্মাণ করা হবে।

তিনি জানান, সিলেট নগরীর ইলেক্ট্রিক সাপ্লাইস্থ বিদ্যুৎ সাব স্টেশন কেন্দ্র থেকে শুরু হয়ে ভূ-গর্ভস্থ বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন আম্বরখানা হয়ে যাবে চৌহাট্টায়। সেখান থেকে একটি লাইন যাবে নগরীর জিন্দাবাজার হয়ে সিটি কর্পোরেশনের দিক দিয়ে সিলেট সার্কিট হাউজ পর্যন্ত। আরেকটি লাইন চৌহাট্টা থেকে রিকাবীবাজার হয়ে ওসমানী হাসপাতাল পর্যন্ত নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

তিনি জানান, আন্ডার গ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণের ফলে দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে সিলেটবাসী। তারের জঞ্জাল কমিয়ে নগরীকে একটি স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে পুরো নগরীকে আন্ডার গ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক লাইনের আওতায় আনা হবে।

এসময় সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

শিশুদের জন্য হেলথ কার্ড চালু করবে সিলেট সিটি করপোরেশন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-১১ ১২:৩৮:২৫

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামী বছরের শুরুতেই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে হেলথ কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ফলে শিশু সুস্থ্ অবস্থায় একটি সুন্দর পরিবেশে শিক্ষাগ্রহনের সুযোগ পাবে।

তিনি মঙ্গলবার নগরীর একটি হোটেলের হল রুমে সিটি কর্পোরেশনের শিশু ও মহিলাদের জন্য বস্তি এলাকায় মৌলিক ও সামাজিক সেবা শক্তিশালীকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
 
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে ও ইউনিসেফ’র সহযোগীতায় আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মো: জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ধ্রুব পুরকায়স্থের পরিচালনায় কর্মশালায় সিসিক মেয়র আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা হেলথ কার্ডের আওতায় আসলে নগরীর সকল নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসাসেবার উন্নতি হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, ইউনিসেফের উর্ধ্বতন কর্মকতা, শিক্ষা কর্মকর্তা ও সিসিকের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের অন্ত:ত ৬০ জন কর্মকর্তা অংশনেন।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

গড়ে উঠছে নান্দনিক স্থাপত্য, এগিয়ে যাচ্ছে সিলেট

 প্রকাশিত: ২০১৮-১২-০১ ১৩:২৮:৫১

সার্বিক উন্নয়নের দিকে ক্রমেই বিস্ময়করভাবে এগুচ্ছে সিলেট। নানাক্ষেত্রে নান্দনিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা গড়ে উঠছে একের পর এক। এসবে সবেচে বেশি অবদান রাখছেন প্রবাসীরা।

সম্প্রতি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় বিশ্বমানের শিল্পসম্মত নির্মাণশৈলী নিয়ে যাত্রা শুরু করলো ‘কুশিয়ারা কনভেনশন হল’। এর মাধ্যমে সিলেটে স্থাপিত হলো দৃষ্টি নন্দন ও আন্তর্জাতিক মানের আরেকটি কনভেনশন হল। অত্যাধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও মনমুগ্ধকর হলটি শুধু সিলেট নয়, সমগ্র বাংলাদেশে এই প্রথম বলে দাবি উদ্যোক্তাদেরল তারা বলছেন, অন্যান্য কনভেনশন সেন্টারগুলোর থেকে এটি অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ও উন্নত।

দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল পয়েন্টে গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে এ কনভেনশন হলটি আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে। কুশিয়ারা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জুসনে আরা মাসুদ।

হলের পরিচালক, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ও তরুণ শিল্পপতি হুমায়ুন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিশিষ্ট্যজন ও ব্যবসায়ীরা।

হুমায়ুন আহমদ বলেন, ছাত্র জীবন থেকে সততা ও আন্তরিকতার সাথে ব্যবসা করে আসছি। বাবার মৃত্যুর পর আমরা দুই ভাই ব্যবসার হাল ধরি। মায়ের নির্দেশ ও তাঁর দোয়ার কারনে আজ ব্যবসায় সফলতা পাচ্ছি। তিনি বলেন, সিলেটকে নতুন করে চেনার জন্য আর্ন্তজাতিক মানের এই কুশিয়ারা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলটি করেছি। নিশ্চয়ই তা দক্ষিণ সুরমা তথা সিলেটের গৌরব বয়ে আনবে। তাই আগামীর পথচলায় একমাত্র প্রয়োজন সকলের সহযোগীতা।

উল্লেখ্য, প্রায় ২৫০ শতক জায়গায় আন্তর্জাতিক মানের কুশিয়ারা কনভেনশন হল নির্মাণ করা হয়েছে। তাতে বিয়ের অনুষ্ঠানসহ জন্মদিনের অনুষ্ঠান, কর্পোরেট অনুষ্ঠান, কনফারেন্স, সেমিনার ও সম্মেলনসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে। কনভেনশন হলে ৫ হাজার লোকের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। রয়েছে ১৫’শ আসনে এক সাথে বসে খাওয়ার সু-ব্যবস্থাও। তাছাড়া গাড়ি পাকিং এর জন্য রয়েছে সুবিশাল জায়গা। আছে হেলিপ্যাড ব্যবস্থাও। কনভেনশন হলের এক পাশে রয়েছে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা।

তিন শ কোটি টাকার বাড়ি :
এর আগে তিন শ কোটি টাকা দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করে আলোচনা তৈরী করেন ব্যবসায়ী মাহতাবুর রহমান। বাংলাদেশের এযাবৎকালের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাড়ি হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে সিলেটের 'কাজি ক্যাসল'। সিলেটের ইসলামপুর এলাকায় নির্মিত বাড়ির মালিক মাহতাবুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। লোক দেখানোর জন্য নয়, বাড়িটি তিনি নির্মাণ করেছেন পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে থাকার উদ্দেশ্যে। চার দেশের প্রকৌশলীর ছোঁয়া আর প্রায় আড়াই শ নির্মাণ শ্রমিকের ৮ বছরের পরিশ্রমে নির্মিত বাড়িটির দিকেই এখন তাকিয়ে আছে সবাই।

কাজি ক্যাসল

প্রাসাদোপম এই বাড়িটির নির্মাণশৈলী দেখে মুগ্ধতার পাশাপাশি বাড়িটির প্রতি সাধারণ মানুষের কৌতুহল বেড়েই চলেছে। প্রায় আট একর জায়গার ওপর নির্মিত এই বাড়িটির ছাদে আছে হেলিপ্যাড, সুইমিংপুল, স্টিমবাথ, লিফটসহ আধুনিক স্নানাগার। ২৯টি মাস্টার বেডের ডিজাইন করা হয়েছে ২৯টি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে।

২০০৮ সালে সিলেটের ইসলামপুর এলাকায় তিনতলাবিশিষ্ট এই বাড়ির কাজ শুরু করা হয়। দুবাই, ফ্রান্স, লেবানন ও জার্মানি- এই চার দেশের প্রকৌশলী দ্বারা বাড়িটি নির্মাণ করা হয়।

এ বিষয়ে মাহতাবুর রহমান বলেন, ''প্রথমে আমি দুবাই থেকে একজন ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে এসেছিলাম, উনি প্রথমে ডিজাইনটা করেছিলেন, পরবর্তীতে ইন্টেরিয়র ডিজাইনটা দিয়েছিলাম একজন লেবানিজকে। পুরো বাড়িটির লাইটিং-এর কাজ করেছেন জার্মানের কম্পানি টিফেনি লাইটিং। আর ফ্লোরগুলো করে দিয়েছে ফ্রান্সের একটি কম্পানি।''

জানা যায় প্রায় তিন শ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হয়েছে বিলাসবহুল এই বাড়িটি। নির্মাণব্যয় নিয়ে বাড়ির মালিক মাহতাবুর রহমানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ''আমি নিজের ব্যবহারের জন্য বাড়ি করেছি, তাই এইটা নির্মাণে কত ব্যয় হয়েছে আমি তা হিসেবে করে দেখিনি।''

তিনি বলেন, ''এইটা যদি আমার ব্যবসা হতো তাহলে আমি হিসাব রাখতাম। কত দিয়ে কিনেছি আর কত বিক্রি করবো, লাভক্ষতির হিসাব রাখতাম। বাড়ির প্রয়োজনে যখন যা লেগেছে আমি তা খরচ করেছি।''

গত আট বছর ২৫০ জন শ্রমিক নিরলস কাজ করে তৈরি করেছেন বাড়িটি। বর্তমানে বাড়ির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। তিনতলা এই বাড়িটির বিল্ডার এরিয়া প্রায় ৮০ হাজার স্কয়ার ফিট। পাঁচ হাজার মানুষের অনুষ্ঠান করার বন্দোবস্ত আছে এই বাড়িতেই। পারিবারিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক কক্ষ।

মাহতাবুর রহমান জানান, ২৯টি মাস্টার বেডের ডিজাইন করা হয়েছে ২৯টি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে। ভবনের শুধু নিচতলায় রয়েছে ৯টি ডায়নিং রুম, ১৪টি ড্রইং রুম, আছে দুটি লিফট, অভিজাত ইতালিয়ান বুক ম্যাচিং ওয়ান প্লেট মার্বেলের আধিক্য আছে পুরো বাড়িজুড়ে।

বাড়ির ভেতরে সৌদি আরবের ওয়াকফ মিনিস্ট্রির উপহার দেওয়া পবিত্র কাবা শরিফের দরজার রেপ্লিকাও রাখা হয়েছে অতি যত্ন করে। কেউ সরাসরি না দেখলে বুঝানো যাবে না এই বাড়ির সৌন্দর্য ও মাহাত্ম্য। 'কাজি ক্যাসল' নামের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে ঢুকলেও জানা যাবে এই বাড়ির খুটিনাটি। রাত হলেই লাইটিং দিয়ে একটার পর একটা রংয়ের খেলায় মেতে ওঠে পুরো বাড়িটি। আলোর এমন ঝলকানি আগে কখনো দেখেননি সিলেটের মানুষ।

লোক দেখানোর জন্য নয় একান্নবর্তী পরিবারের সকলকে নিয়ে একসাথে থাকার জন্যই এই বাড়িটি নির্মাণ করেছেন বলে জানালেন মাহতাবুর রহমান।

একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া স্বাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ''আমি থাকার জন্য বাড়িটি তৈরি করেছি।''
তিনি আরো বলেন, ''আমি বাংলাদেশের মধ্যে বড় বাড়ি বানাবো এইটা কখনোই আমার স্বপ্ন ছিল না। আমার স্বপ্ন ছিল আমার ভাই-বোনসহ পরিবারের সবাই কোনো একটা প্রোগ্রামে একসাথে থাকবো। সে জন্যই বাড়িটি বানানো।''

উল্লেখ্য, 'কাজি ক্যাসল'-এর স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী মাহতাবুর রহমান বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড আল-হারামাইন পারফিউমস গ্রুপ অব কম্পানিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক টানা তিনবার সিআইপি নির্বাচিত হন। মাহতাবুর রহমান ২০১৩ ও ১৪ সালে বাংলাদেশে সর্বাধিক রেমিটেন্স পাঠানোর স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ব্যাংক র‌েমিটেন্স অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

সিলেটের অন্যন্য স্থাপনা :
সম্প্রতি সিলেটের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে স্থাপিত হচ্ছে একাধিক ফাইভ স্টার হোটেল, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এসবের প্রায় সব উদ্যোক্তাই প্রবাসী।

প্রবাসী ও ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপশি সরকারি উদ্যোগেও চলছে নানা উন্নয়ন কাজ।এয়ারপোর্ট রোডে নির্মাধীন রয়েছে একটি ফাইভ স্টার হোটেল। শাহপরাণ বাইপাস এলাকায় নির্মাণের উদ্যোগ রয়েছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া মুরাদপুর এলাকায় ‘৭১ পদাতিক ডিভশন’ নামে নতুন ক্যন্টনম্যান্ট গড়ে ওঠায় আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে ঐ এলাকার। স্থাপিত হচ্ছে সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। যা ইতোমধ্যে সংসদ ও একনেকে পাস হয়ে গেছে। দেশের অন্যতম হাইটেক পার্ক স্থাপিত হচ্ছে সিলেট শহরের অদূরে কোম্পানীগঞ্জে।

সিটি করপোরেশনে মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার পর সিলেট শহরকে সাজাতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেন আরিফুল হক চৌধুরী। তার দুরদর্শী উদ্যোগে বর্তমানে নগরজুড়ে চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। সিলেটকে দেশের প্রথম ডিজিটাল নগর হিসেবে গড়ে ‍তুলতে চলছে সরকারি উদ্যোগ। শহরের মোড়ে মোড়ে স্থাপন করা হচ্ছে ফ্রি ওয়াইফাই জোন। ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকায় লাগানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। সম্প্রসারিত হচ্ছে রাস্তা-ঘাট। গড়ে ঊঠছে নতুন নতুন স্থাপনা। বৃদ্ধি হচ্ছে সুযোগ-সুবিধা। সুন্দর হচ্ছে সিলেট।

সচেন সমাজ মনে করেন এসব উদ্যোগ ও স্থাপনার জন্য সিলেট হতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম একটি উন্নত ও পর্যটনবান্ধব নগর।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ইনাম চৌধুরীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, বিএনপিতে সমালোচনা

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২৯ ০৯:৩০:০৪

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় গিয়ে তাঁর সাথে দেখা করেছেন সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমদ চৌধুরী। এসময় তিনি সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, অর্থমন্ত্রীর অনুজ একে আব্দুল মোমেনের সাথেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইনাম আহমদ নগরীর ধোপাদিঘীরপাড়ে হাফিজ কমপ্লেক্সে অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর দেখা করেন। মুহিত সিলেট-১ আসনের বর্তমান সাংসদ। এবার মুহিতের বদলে তার ভাই মোমেন এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। অপরদিকে, বিএনপি থেকে ইনাম আহমদ ও খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইনাম আহমদই এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হতে পারেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৮ নভেম্বর) সিলেট-১ আসনের জন্য জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী এমদাদুল ইসলামের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন ইনাম আহমদ চৌধুরী। মনোনয়ন জমা দানের পরদিনই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাড়িতে হাজির হন ইনাম। মোমেন ও ইনাম দু'জনই সিলেটের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান।

ইনাম আহমদ চৌধুরী সকালে বাসায় গেলে তাকে মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করেন অর্থমন্ত্রী মুহিত ।

মুহিত, ইনাম ও মোমেন তিনজনে মিলে সিলেটের রাজনৈতিক ঐতিহ্য নিয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট আলাপ-আলোচনা করেন। একাদশ সংসদ নির্বাচন সিলেটে যাতে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় সে বিষয়ে আলোচনা করেন তারা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটে কোনোভাবেই যেন রাজনৈতিক সম্প্রীতি না ভাঙে সেদিকে লক্ষ রেখে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান একে অন্যের প্রতি। এ সময় ইনাম আহমদ চৌধুরী সিলেট-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বলে অর্থমন্ত্রীকে জানান। প্রার্থী হওয়ায় অর্থমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

এ ব্যাপারে ইনাম আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আমার পছন্দের মানুষ। তার সঙ্গে শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করে কর্মজীবনে কনিষ্ঠ হিসেবে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। তাই তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি। তাকে জানিয়েছি আমি এবার সিলেট-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। তিনি শুনেই আমাকে স্বাগত জানান।’

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ও সিলেটের রাজনৈতিক ঐতিহ্য নিয়ে আমাদের কথা হয়েছে। এছাড়াও আমাদের কর্মজীবনের বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হয়।’

এ বিষয়ে কথা বলতে অর্থমন্ত্রীর ভাই ও সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বিএনপিতে সমালোচনা :
এদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়ে দলের ভেতরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইনাম আহমদ চৌধুরী।

এই সাক্ষাতকে সিলেটের রাজনীতির সম্প্রতির দৃষ্টান্ত হিসেবে অনেকে অভিহিত করলেও বিএনপির অনেক নেতাকর্মীই এই কাজকে সন্দেহের চোখে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইনাম আহমদের সমালোচনায় মেতে উঠেছেন তাঁরা।

ইনাম চৌধুরীর এই সৌজন্য সাক্ষাত নিয়ে ফেসবুকে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী লিখেছেন-
“ দেশনেত্রীকে কারাগারে রেখে, নেতাকর্মীদের প্রতিনিয়ত নির্যাতনের মুখামুখি দেখে ও যারা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের কথা চিন্তা করেন, আমি স্পষ্টভাবে মনে করি তাদের সাথে আমার চিন্তা ও ধ্যান-ধারণার মিল হতে পারে না। আমি গতকাল নির্বাচনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়াটাকে আমার স্পষ্ট ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে করছি। অনুতপ্ত বোধ করছি।“

ছাত্রদল নেতা রাজ্জাক খান রাজ ফেসবুকে লিখেছেন-
“দেশনেত্রীকে কারাগারে রেখে, নেতাকর্মীদের কারাগারে রেখে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের কথা চিন্তা করেন?
ছিঃ ছিঃ
এ কেমন রাজনৈতিক সম্প্রীতি?“

আবুল মাল আবদুল মুহিত আর ইনাম আহমদ চৌধুরী দুজনের রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হলেও পারিবারিক সম্পর্ক, চিন্তা-চেতনা,শিক্ষা আর পেশাগত কারণে দুজনের অবস্থান কাছাকাছি। একজন বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আর আরেকজন প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) ও বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান। দুজনই সিলেটের দুটি আলোকিত পরিবারের সন্তান। ইনাম চৌধুরীর বড় ভাই, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ফারুক চৌধুরী ছিলেন অর্থমন্ত্রী মুহিতের বন্ধু। ইনাম চৌধুরী, আবুল মাল আবদুল মুহিতকে বড় ভাই হিসেবে মান্য করেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন জানাতে এবং দোয়া নিতে অর্থমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎ করেন। এসময় অর্থমন্ত্রীর ছোট ভাই, আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড.এ কে এ মোমেন, বিএনপির প্রার্থী ইনাম চৌধুরী কে স্বাগত জানান।

এদিকে, দলীয় নেতাকর্মীদের এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন ইনাম আহমদ চৌধুরী।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

নিম্ন আয়ের মানুষের উন্নয়ন হলে সিলেট হবে স্মার্ট সিটি : মেয়র আরিফ

 প্রকাশিত: ২০১৮-১১-২৭ ০৩:৫৫:২৬

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ১ হাজার ২৬টি কলোনির প্রায় ১১ হাজার হতদরিদ্র পরিবারের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করতে আগ্রহী এনইউপিআরপি এবং ইউএনডিপি।

সোমবার বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে আয়োজিত এক বৈঠকে এ আগ্রহের কথা জানায় প্রতিনিধি দল।

সিসিক এলাকায় বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শীঘ্রই তারা কাজ শুরু করবে বলে জানান সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। বৈঠকে তারা বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করার লক্ষ্যে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় সিসিক মেয়র বলেন, প্রবাসী ও পর্যটন নগরী সিলেটের উন্নয়ন মানে বাংলাদেশের উন্নয়ন। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিল্প, বাণিজ্য এবং ভৌগলিক অবস্থানের কারণে সিলেটের গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে মেয়র আরিফ বলেন, কলোনিতে বসবাসরত নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নের মাধ্যমে এই নগর হয়ে উঠবে একটি স্মার্ট সিটি হিসেবে। মেয়র এনইউপিআরপি এবং ইউএনডিপি’কে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এর আগে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী প্রতিনিধি দলের সদস্যদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এসময় এনইউপিআরপি এবং ইউএনডিপি প্রতিনিধি জন উইলিয়াম টেইলর, ডিএফআইডি ওমর ফারুক, ফারজানা মোস্তফা, আনোয়ারুল হক উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে মেয়র ছাড়াও সিসিকের সচিব মোহাম্মদ বদরুল হক প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিলেটে গ্রুপিং দ্বন্দ্বে ছাত্রলীগ কর্মী খুন

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-২৫ ১৬:২৫:০৯

সিলেট নগরীর উপশহরে  গ্রুপিং দ্বন্দ্বে এক ছাত্রলীগ কর্মী খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপশহরস্থ সরকারি তিব্বিয়া কলেজের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত ছাত্রলীগ কর্মী সীমান্তিক স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র হোসাইন আল জাহিদ। সে উপশহরের তেররতনের ২৬নং বাসার আবুল কালামের ছেলে।

জানা যায়, সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মাহমুদ গ্রুপের হাতে নিহত হন জাহিদ। সে ছাত্রলীগের উপশহরের সুমন গ্রুপের কর্মী ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিব্বিয়া কলেজের সামনে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে থাকা জাহিদের ওপর হামলা চালায় জাকারিয়া মাহমুদ গ্রুপের কর্মীরা। এ সময় হামলাকারীরা জাহিদকে একাধিক ছুরিকাঘাত করে। এ সময় জাহিদের সাথে থাকা আরো ৩-৪ জনও ছুরিকাঘাতে আহত হন।

রক্তাক্ত অবস্থায় জাহিদকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানের কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ২২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট সালেহ আহমদ সেলিম সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গণামাধ্যমকে জানান, বন্ধুবান্ধবের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে ছুরিকাঘাতে তেররতন এলাকার জাহিদ নামের এক ছেলে মারা গেছে। আমি এখন ওসমানী মেডিকেলে যাচ্ছি তাকে দেখতে।

সিলেট মহানগরীর শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীন বিরোধে জাহিদ নামের একজন খুন হয়েছেন বলে শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ যাচ্ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিলেটের বিশিষ্ট আলেম প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমানের ইন্তেকাল

 প্রকাশিত: ২০১৮-১০-১৮ ১৬:৩৪:৩৩

সিলেটের বিশিষ্ট আলেম, জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজিরবাজার মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে নগরীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। তাঁর নামাজে জানাজা আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় সিলেট সরকারি আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমানের গ্রামের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের ঘনশ্যাম গ্রামে।
কাজিরবাজার মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ জানান, প্রিন্সিপাল হাবীব হার্টের সমস্যা ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। ভারত চিকিৎসা নিয়ে গত মঙ্গলবার তিনি দেশে ফেরেন। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিনি যথারীতি মাদ্রাসায়ও আসা-যাওয়া করেন।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় তার শারীরিক অবস্থার অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত তাকে ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ শুনে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়াসহ তার বিপুল সংখ্যক ছাত্র ও দলীয় নেতা-কর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

বিজয় মিছিলের পর মেয়র আরিফের বাসার সামনে সংঘর্ষ : ছাত্রদল নেতা নিহত

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-১১ ১৪:৫৭:৪২

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)-এর নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনে ছাত্রদলের দুটি গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফয়জুল হক রাজু নামের এক ছাত্রদল নেতা নিহত এবং ২ জন আহত হবার খবর পাওয়া গেছে। নিহত রাজু সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেয়র আরিফের কুমারপাড়াস্থ বাসার সামনে বিজয় মিছিল নিয়ে আসেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এসময় ছাত্রদল কমিটির নেতাকর্মীদের সাথে পদবঞ্চিত ছাত্রদলের কর্মীদের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের ছুঁড়া গুলিতে পদবঞ্চিত ছাত্রদলের ৩ জন কর্মী আহত হন।

আহতদের দ্রুত সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ছাত্রদল নেতা এখলাছুর রহমান মুন্না গ্রুপের সদস্য রাজু (২৮) মারা যান। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. দেবব্রত রায় নিহতের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। আহত অন্য দুজন হলেন উজ্জ্বল (২৮) ও সালাহ লিটন (২৮)।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। হামলাকারীদের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

‘ব্যাঙ্গাত্মক প্ল্যাকার্ড বহনের দায়ে’ সিলেটে আটক হলেন এক শিক্ষার্থী!

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৮-০৩ ১১:৩৪:০৪

সিলেটে ‘ব্যাঙ্গাত্মক প্ল্যাকার্ড বহনের দায়ে’ আটক হলেন এক শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌহাট্টা এলাকায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একজনকে মন্ত্রী ও পুলিশকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক প্ল্যাকার্ড বহনের দায়ে আটক করে পুলিশ।

আটককৃত শিক্ষার্থীর নাম জাবের আহমদ ।

তিনি সিলেটের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ৩য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।

তার সহপাঠীরা জানান, চৌহাট্টায় স্লোগান দেওয়ার সময় জাবের একটি প্ল্যাকার্ড বহন করছিল।। তাতে লিখা ছিল ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাত্রদের আপাতত রাস্তা সামলাতে দিন, মন্ত্রী-পুলিশকে স্কুলে পাঠান শিক্ষিত করেন’। এই স্লোগানের প্ল্যাকার্ড দেখে পুলিশ ভাইরা আমাদের বললেন এসব লিখা ঠিক না। তারপরই জাবেরকে চৌহাট্টার পুলিশ বক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

তারা আরো জানান, প্রথমে আইডি কার্ড ছিলনা বলে তাকে পুলিশ বক্সে রাখা হয়েছে জানানো হলেও আইডি কার্ড বাসা থেকে নিয়ে আসলেও তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অবরোধ স্থগিত করে চলে যাওয়ার পর জাবেরের বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট কোতোয়ালি থানার সহকারী কমিশনার গোলাম কাওসার দস্তগীর বলেন, তাকে আটক করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে অছাত্ররা যাতে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেই জন্য স্টুডেন্ট আইডি না থাকায় তাকে পুলিশ বক্সে নিয়ে আসা হয়। অভিভাবকের জিম্মায় তাকে ছেঁড়ে দেওয়া হয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিলেটে বিজয়ের পথে বিএনপির আরিফুল

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-৩০ ১৪:৩৭:১২

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছেন আরিফুল হক চৌধুরী। নানা প্রতিকূলতা ও রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার পর আবারো সিলেট সিটির মেয়রের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তিনি। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ও ২০ দল সমর্থিত এই মেয়রপার্থী এগিয়ে চলেছেন বিজয়ের পথে। সোমবার রাত পৌণে ১২টায় নির্বাচন কমিশনের দেয়া হিসেব মতে সিলেট সিটি কর্পেরেশনের ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৩২ট কেন্দ্রের ফলাফলে মেয়রপদে আরিফুল হক চৌধুরী ভোট পেয়েছেন ৯০৪৯৬ টি। তার নিকটম প্রতিদ্বন্দ্বি শাসকদল আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পেয়েছেন ৮৫,৮৭০ ভোট। সরকার দলীয় প্রার্থী সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ৪৬২৬ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন। দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকলেও আরিফুল হক পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন। আরিফুল হকের প্রাপ্ত ভোট এ দুটি কেন্দ্রের ভোট থেকে ১০৮ কম থাকায় তাৎক্ষণিক বেসরকারীভাবে তাকে নির্র্বাচিত ঘোষণা করা হয়নি বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে। তবে তার বিজয়ের ঘোষণা শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি কপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে ১৮ দলীয় জোট প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী (টেলিভিশন) মার্কায় এক লাখ ৭ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান (আনারস) মার্কায় পেয়েছিলেন ৭২ হাজার ১৭৩ ভোট। কামরানকে ৩৫ হাজার ১৫৭ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে নগর পিতার আসন গ্রহণ করেছিলেন। তখন দীর্ঘ ১৭ বছর যাবৎ আঁকড়ে ধরে রাখা নগরভবনের কর্তৃত্ব হারান আওয়ামী লীগ নেতা বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। চলতি নির্বাচনে সে আসন ও কর্তৃত্ব পুনরূদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালান তিনি। কিন্তু উন্নয়ন প্রত্যাশী গনজোয়ারে ভেস্তে যায় তার সকল প্রচেষ্টা। অবশেষে মেয়রের পদটি আবারো ফিরে পেতে চলেছেন জননন্দিত বিদায়ী মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। স্থগিত ২ভোট কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ শেষে চুড়ান্তভাবে বিজয়ী ঘোষনা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নানা ঘটনার সিসিক নির্বাচন
ভোটকেন্দ্র দখল, সংঘর্ষ, গাড়ি ভাংচুর, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উপর হামলা ব্যালট ছিনতাই, গুলিবর্ষণ ও গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে সোমবার সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে মেয়র কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে মোট ১৯৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৮টা পর্যন্ত ১০৪টি কেন্দ্রের ৯২৬টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের দাবি করা হলেও ভোট গ্রহণকালে ঘটে বহু অঘটন। অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে দুপুর ১২টার আগেই ভোট গ্রহণ শেষ হয়ে যায়। ভোটাররা গিয়ে তাদের ভোট পান নি বা ভোট দিতে পারেন নি। অনেক কেন্দ্রে ভোটারদের বাইরে রেখে কেন্দ্র বন্ধ করে ভোট প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সিলেট সিটির ৫নং ওয়ার্ডের খাসদবির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মদনমোহন কলেজ, বাগবাড়ি এতিম স্কুল প্রভৃতি কয়েকটি ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া হয়েছে। একই সাথে ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সকল পৌণে ১০টার দিকে খাসদবির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র দখলে নেন কাউন্সিলর প্রার্থী ও যুবলীগ নেতা রিমাদ আহমদ রুবেল ও তার কর্মীরা। এসময় তারা কেন্দ্রের গেইট বন্ধ করে দিয়ে ব্যালট পেপারে সিল মারতে থাকেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এ ঘটনায় প্রায় ১ ঘন্টা ভোট কেন্দ্র বন্ধ ছিল। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পৌণে ১১টার দিকে বিজিবি সদস্যরা কেন্দ্রে উপস্থিত হন।

সকাল ১০টার দিকে নগরের পাঠানটুলা এলাকার শাহাজালাল জামিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় ঐ ভোটকেন্দ্র প্রায় ১৫ মিনিট ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে।

প্রিজাইডিং অফিসার জামিল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কেন্দ্রের বাইরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রের ভেতরে কোনও সমস্যা হয়নি। পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ১৫ মিনিট পরেই আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের একাধিক টিম কেন্দ্রের সামনে উপস্থিত রয়েছে। রেলওয়ে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইকালে ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়।

অপরদিকে সকাল ১১টার দিকে নগরের ১৮নং ওয়ার্ডের কুমারপাড়ায় কাজী জালাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেওয়ার ঘটনায় ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এতে বন্ধ হয়ে যায় ভোটগ্রহণ কার্যক্রম। এসময় একটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িক বন্ধ থাকে। দুই কাউন্সিলর প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকরা কেন্দ্রটি দখল করে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। বখতিয়ার বিবি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে এক শিবির কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। জালভোট ও কেন্দ্র দখল নিয়ে আওয়ামী লীগের সাথে বাদানুবাদের সময় পুলিশ তার পায়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও নগরের উপশহর, দক্ষিণ সুরমা, টিলাগড়, লামাবাজার, বাগবাড়ি, পীর মহল্লা আম্বরখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চন্দনটুলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, এমসি কলেজ কেন্দ্র, হাতিম আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ নগরের বেশিরভাগ কেন্দ্র দখল করে বোট দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এসব কেন্দ্রে দুপুর ১২ টার আগেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন্ হয়ে যায়। ভোটাররা পরে গিয়ে আর ভোট দিতে পারেন নি বলে অনেক ভোটার অভিযোগ করেছেন।





বিস্তারিত খবর

ওসমানী মেডিকেলে রোগীর নাতনিকে ধর্ষণ, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১৬ ১২:৪৮:১৩

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন এক রোগীর নাতনিকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৭ নং ওয়ার্ডের ডিউটি চিকিৎসকের কক্ষে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সোমবার হাসপাতাল থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহিনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি ময়মনসিংহ মুক্তাগাছার মীর মখলিছুর রহমানের ছেলে।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘গত ৯ জুলাই টনসিলের অস্ত্রোপচারের জন্য আমার শাশুড়িকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮নং ওয়ার্ডের ১৪ নং বেডে ভর্তি করি। সেদিন থেকেই নবম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে তার নানির দেখাশোনার কাজ করছিল।’

তিনি বলেন, ‘রোববার রাতে শাশুড়ির গলায় অস্ত্রোপচার হয়। রাত দুইটার দিকে ডিউটি চিকিৎসক মাহিন কাগজপত্র নিয়ে আমার মেয়েকে তার কক্ষে যেতে বলেন। আমার মেয়ে কক্ষে গেলে তিনি দরজা লাগিয়ে ধর্ষণ করেন।’

ধর্ষিতার বাবার ভাষ্যে, রাতে অনেকবার ফোন করা হলেও মেয়ে ধরেনি। এক পর্যায়ে ডাক্তার মাহিন ফোন রিসিভ করেন। কিন্তু, মেয়ের বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি। এ অবস্থায় আমরা হাসপাতালে এসে তার রুমে মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মেডিকেলে দায়িত্বরত পুলিশকে জানালে তারা ডাক্তার মাহিনকে ওই কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। আর আমরা মেয়েকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেলের ওসিসি ওয়ার্ডে ভর্তি করি।’

বিষয়টি জানাজানি হলে সোমবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। পরে বেলা দুইটার দিকে একটি প্রাইভেটকারে করে হাসপাতালের পেছনের গেইট দিয়ে মাহিনকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়।

এ সময় কোতোয়ালি থানার এসি সাদেক কাউসার দস্তগীর, ওসি মোশাররফ হোসেন সেখানে থাকলেও তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে চাননি।

কোতোয়ালি থানার ওসি মোশাররফ হোসেন পরিবর্তন ডটকমের কাছে তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসক মাহিনকে আটকের কথা স্বীকার করেন।

তবে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। মামলার পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান ওসি।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

পরিকল্পিত নগর গড়ার অঙ্গীকার সিলেটের ৭ মেয়রপ্রার্থীর

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১১ ১৪:৫৪:১২

সিলেট নগরীকে পরিকল্পিত নগর গড়ার অঙ্গীকার করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী সাত মেয়রপ্রার্থী। বুধবার দুপুরে নগরীর রিকাবিবাজার ইনডোর জিমনেশিয়ামে ‘জনতার মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে তারা এ অঙ্গীকার করেন। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেট জেলা কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সুজনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় মেয়র প্রার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি উপস্থিত ভোটারদের সামনে তুলে ধরেন এবং নগরবাসীর বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। পরাজিত হলে ফলাফল মেনে নেয়া এবং করপোরেশনের উন্নয়নে বিজয়ী প্রার্থীকে সহযোগিতা করাসহ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য উদ্যোগ গ্রহণেরও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লটারির মাধ্যমে অনুষ্ঠানে প্রথমেই বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পান ইসলামী আন্দোলনের মেয়রপ্রার্থী ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান। তিনি দলীয় প্রতীক ‘হাতপাখা’ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করছেন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলে সকালে মসজিদ-মন্দিরে শিশুদের ধর্মীয় বিষয়ে পড়ার ব্যবস্থা করা হবে। শিশু ও নারীদের চিত্তবিনোদনে আলাদা পার্ক করব। যেখানে পুরুষরা প্রবেশ করতে পারবেন না। ভোট আল্লাহর পবিত্র আমানত, তথা সাক্ষ্য দেয়া। আর মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া পাপ। এসব কারণে কাকে দিয়ে নগরবাসীর উপকার হবে জেনে শুনে ভালো প্রার্থীকে ভোট দেয়ার আহ্বান রইল আমার।

এরপর বক্তব্য রাখেন নাগরিক ফোরামের ব্যানারে টেবিল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী নগর জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট এহসানুল হক জুবায়ের। তিনি বলেন, দেশ-বিদেশে মানুষের কাছে সম্মানের স্থান সিলেট। আমরা সেই স্থানের বাসিন্দা। আমরা নির্বাচিত হওয়ার পর বা নির্বাচিত না হলেও সিলেটকে দেখতে চাই আকর্ষণীয় সুন্দর, পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে। এ জন্য আদর্শ নীতিবান মানুষের প্রয়োজন। আমরা যে স্বপ্নের শহর দেখতে চাই, এ জন্য সিলেট শহর সম্প্রসারণ করা দরকার। নতুবা কিছু সম্ভব না।

পরে পর্যাক্রমে বক্তব্য রাখে আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন কামরান, সিপিবি-বাসদের আবু জাফর, স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসানুল হক তাহের, বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সবার শেষে বক্তব্য রাখেন বিএনপির বিদ্রোহী বদরুজ্জামান সেলিম।

নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, মেয়র হিসেবে শুধু রাস্তা-কালভার্ট ঠিক করা নয়। নাগরিকদের সকালে ঘর থেকে বের হওয়া ও ঘরে ফেরা পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্ব থাকে। রাস্তা-ঘাট ড্রেন নির্মাণ রুটিন ওয়ার্কের অংশ। নাগরিক সমস্যা থাকবে, সমাধানও করতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মই প্রতীকে সিপিবি বাসদ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী আবু জাফর বলেন, সবার জন্য বাসযোগ্য শহর গড়তে আমরা কিছু পরিকল্পনা তুলে ধরতে চাই। সিলেটকে সুন্দর করতে পুনর্বাসনে ফুটপাত হকারমুক্ত করার জন্য দ্রুত কাজ করব। সিসিকের নিজস্ব অর্থায়নে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। মাদকমুক্ত যুব সমাজ গড়তে পাড়ায় পাড়ায় লাইব্রেরি ও খেলার মাঠ করে দেবে।

হরিণ প্রতীকে মেয়র পদে স্বতন্ত্রপ্রার্থী এহছানুল হক তাহের বলেন, স্বপ্ন আমি দেখি না, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করি। সংগঠক হিসেবে মশা নিধনে মশারি মিছিল করি। আমার টার্গেট তরুণদের কাজে লাগিয়ে যেমন সোনার বাংলা গড়া সম্ভব। তেমনি আমি মেয়র হলে সবার মতামতের প্রেক্ষিতে আধুনিক শহর গড়ে তুলব।

ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বিগত নির্বাচনে জনগণ আমাকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত করেছিলেন। আমি পাঁচ বছরের মধ্যে তিনটি বছর কারাগারে থাকায় মাত্র দুই বছর সেবা দিতে পেরেছি। আমি যা করেছি, তা বাস্তবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এখন আর নগরীতে জলাবদ্ধতা হয় না। এরপরও আমরা পরিকল্পিত নগরায়নে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।

বিএনপির বিদ্রোহীপ্রার্থী নাগরিক কমিটির বদরুজ্জামান সেলিম বলেন, বিগত দিনে দুই মেয়র যা করতে পারেননি। মেয়র নির্বাচিত হলে আমি তা করে দেখাব এক বছরে। এই সিলেটকে পরিকল্পিত তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো।

সুজন সিলেট জেলা সভাপতি ফারক মাহমুদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকট শাহ শাহেদা আক্তার।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিলেট সিটি নির্বাচনে জামায়াত অটল, ছাড়ের আশায় বিএনপি

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-০৮ ১৪:২৭:৪১

প্রার্থিতা প্রত্যাহারে সুযোগ আর ২৪ ঘণ্টাও নেই। এর মধ্যে সিলেট সিটি করপোরশন নির্বাচনে মেয়র পদে জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারেনি বিএনপি।

জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এহসান মাহবুব জুবায়ের বলছেন, তিনি ভোট করবেনই। তবে এর আগে অনুরোধ জানিয়ে জামায়াতকে মানাতে অসফল বিএনপি এখনও আশা ছাড়েনি।

আগামী ৩০ জুলাই যে তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হতে যাচ্ছে তার মধ্যে সিলেটে বিএনপির কাছে ছাড় পাওয়ার দাবি আগেই জানিয়ে রেখেছিল। তবে রাজশাহীতে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বরিশালে মজিবুর রহমান সারওয়ারের মতো সিলেটে বিএনপি আরিফুল হক চৌধুরীকে প্রার্থী ঘোষণা করে।

অন্যদিকে ২০১৩ সালে সিলেটে প্রার্থী হয়েও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়া জামায়াত নেতা জুবায়ের এবার ভোটের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় জুবায়েরের অবশ্য জামায়াতের দলীয় প্রতীকে ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। তবে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে বাস বা অন্য একটি প্রতীকে ভোট করতে চান।

এর মধ্যে লন্ডন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করলেও জামসায়াত তা উপেক্ষা করেছে। একইভাবে গত ৪ জুলাই ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে বিএনপি এবং শরিক দলের অনুরোধও পাত্তা দেননি জামায়াতের প্রতিনিধি আবদুল হালিম।

এমনকি ওই বৈঠকের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ২০ দলের মুখপাত্র নজরুল ইসলাম খান যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় জামায়াত বক্তব্য দিয়ে জানায় যে, সিলেটে তাদের প্রার্থী জুবায়ের থাকছেন। ফখরুল ও নজরুল দুইজনই বলেছিলেন, তিন মহানগরেই তাদের একক প্রার্থী থাকবেন। আর এরপর বিবৃতিতে দেয় জামায়াত। 

এর মধ্যে কেউ যদি ভোট থেকে সরে দাঁড়াতে চান, তাহলে তাকে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে সোমবারের মধ্যে। কিন্তু আগের দিন রবিবারও জামায়াতকে বাগে আনতে পারেনি বিএনপি। যদিও তারা আশায় ছাড়েনি এখনও।

জানতে চাইলে সিলেটে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, ‘নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই এবং সিলেটে জোটের প্রার্থী কে হবে, জোটগতভাবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আমরা শেষ পর্যন্ত থাকব নির্বাচনী মাঠে এটাই এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত।’

তবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘গাজীপুর সিটি নির্বাচনেও প্রথম থেকেই তারা (জামায়াত) প্রার্থী ঘোষণা করেছিল, প্রচারণাতেও অংশ নিতে দেখা গেছে। তারপরও নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তাই এখনো সময় আছে। দেখা যাক শেষে কী হয়?’

বিএনপির কেন্দ্রীয় একজন প্রভাবশালী নেতা বলেন, ‘জামায়াত যদি সরে না দাঁড়ায়, তবে দলটি নিজেরই ক্ষতি করবে। আমরা এখনো প্রত্যাশা করি জামায়াত সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।’

জোটের সমন্বয়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সময় আছে। অপেক্ষা করুন। আশা করি আমাদের সিলেটে জোটের একজন মেয়র প্রার্থী থাকবে। জানতে পারবেন।’

তিন মহানগরের মধ্যে একটিতে মেয়র পদ নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে টানাপড়েন চললেও বিএনপির দুশ্চিন্তা আছে অন্য দুই মহানগর নিয়েও। কারণ, এখানে দ্বন্দ্ব মেটাতে না পারলে বাকি রাজশাহী ও বরিশালেও প্রভাব পড়বে, এমন আশঙ্কা রয়েছে।

জামায়াত এরই মধ্যে রাজশাহীতে প্রকাশ্যেই চাপ দিচ্ছে বিএনপিকে। সেখানে মেয়র পদে দলটি প্রার্থী না দিলেও তারা মোট ৪০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৬টিতে প্রার্থী দিয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী দলটি বিএনপিকে জানিয়ে দিয়েছে, এই ১৬ কাউন্সিলরকে সমর্থন দিলেই কেবল তারা মেয়র পদে বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে সমর্থন দেবে।

বরিশালেও কাউন্সিলর পদে জামায়াতের একাধিক প্রার্থী আছে। তবে এই মহানগরে দলটির তেমন কোনো অবস্থান নেই। তারপরও শরিকরা একাট্টা হয়ে লড়তে না পারলে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে যেতে পারে বিএনপির জন্য।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

পদত্যাগ করে মনোনয় জমা দিলেন সিলেটের মেয়র আরিফুল হক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-২৮ ১০:১৬:২৬

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আরিফুল হক চৌধুরী। সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিতেই তিনি পদত্যাগ করেন।

২৮ জুন বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাবরে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে মেয়র এ পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার আগে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন মেয়র। পরে তাদের কাছ থেকে বিদায় নেন আরিফুল হক।

স্থানীয় দরগাহ মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় ও মাজার জিয়ারতের পর দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপি মনোনীত এ মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এর আগে বুধবার ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সিলেটের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বৈঠক করেন। পরে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আরিফের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ জুলাই সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুন বৃহস্পতিবার। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ জুলাই পর্যন্ত।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সিলেটে ছাত্রদলের মিছিলে পুলিশের বাধা, সংঘর্ষ : আটক ৪০

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-২৩ ১৩:১৪:৫০

সিলেটে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে ছাত্রদলের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ মিছিল থেকে অন্তত ৪০ ছাত্রদলকর্মীকে আটক করেছে।

সিলেট মহানগর ছাত্রদল শনিবার বিকেলে নগরীর কাজিরবাজারের তোপখানা এলাকায় মিছিল বের করতে চাইলে এ সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রদলকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ এ সময় টিয়ারশেল ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সময় নগরীর গুলশান সেন্টার, রং মহলের সামনে ও মীরাবাজারে ছাত্রদলের বিদ্রোহী গ্রুপের মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

ছাত্রদলের নেতারা অভিযোগ করে বলেন- কর্মীরা বিভিন্নস্থানে মিছিল করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। তারা আমাদের ওপর আতর্কিত লাঠিচার্জ করে ও কাঁদুনে গ্যাস ছুঁড়ে। এ সময় আমাদের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ মিছিল থেকে অন্তত ৪০ কর্মীকে আটক করে।

সিলেট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ খান জামাল বলেন, ‘পুলিশের নির্বিচারে গুলিতে অনেককর্মী আহত হয়েছে। তাদের গোপন স্থানে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে সিলেটে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। শনিবার বিকেলে উভয়পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে কাজিরবাজারের তোপখানা এলাকার নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর হামলা চালালে বেশ কয়েকরাউন্ড টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

তিনি আরও বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে। এ কারণে এখন আর দলীয় কর্মকাণ্ড চালানো যাবে না। সেটি আমরা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে জানিয়ে দিয়েছি।

উল্লেখ্য, ১৩ জুন সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে বিদ্রোহী অংশও রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। ইতোমধ্যে কর্মসূচি পালনে দুইপক্ষ মুখোমুখি হয়েছে।

বিস্তারিত খবর

সিলেট সিটি নির্বাচন: আওয়ামী লীগ-বিএনপির টিকিট পাচ্ছেন কারা?

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৬-১৯ ১২:৪৩:৩৮

সিলেট সিটি করপোরেশন(সিসিক) নির্বাচনে এপর্যন্ত মোট ১৫৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু এখনও দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।

মঙ্গলবার সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. আলীমুজ্জামান গণমাধ্যমকে ১৫৪ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠেয় সিসিক নির্বাচন অংশ নিতে এ পর্যন্ত মেয়র পদে ৪ জন (স্বতন্ত্র প্রার্থী), সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৫ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪৫ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

তিনি আরও জানান, মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সবশেষ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকি। এর আগে এহসানুল হক তাহের, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও মুক্তাদির আহমদ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়া যাবে। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়ায় এখনও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি।

সিসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নাম কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ। সোমবার সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের জরুরি সভার সম্মতিতে পাঁচ জনের নাম নিশ্চিত করা হয়।

এই পাঁচ নেতা হলেন- সাবেক সিসিক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, যুগ্ম-সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার আলাউর, অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ।

তবে এই পাঁচ নেতার বাইরেও নৌকা প্রতীকের জন্য সংগ্রহ করবেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন সেলিম।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী সম্পর্কে জানতে চাইলে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ জানান, মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ১৮ থেকে ২১ জুনের মধ্যে দলের মনোনয়ন বোর্ডের কাছে ফরম সংগ্রহ করে জমা দেবেন।

তিনি জানান, আগামী ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই তালিকা থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই করবে মনোনয়ন বোর্ড। দল থেকে যাকেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হোক না কেন অন্যরা নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করবেন।

অন্যদিকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা আগামীকাল বুধবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ২১ জুনের মধ্যে জমা দেবে বলে জানা গেছে।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন- বর্তমান মেয়র ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুল হক চেীধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন এবং মহানগরের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম।

এদিকে আরিফুল হককে বিএনপির পক্ষ থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির সভা শেষে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী।


এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

বিস্তারিত খবর

ছাত্রলীগের কোন্দলে বন্ধ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-৩১ ১৫:১১:৫৬

ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে গোলযোগের আশঙ্কা করে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব আরটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে ছাত্রদের এবং শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেজিস্ট্রার বলেন, কয়েকদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছে। এ নিয়ে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা চলছে।

তিনি বলেন, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি

বিস্তারিত খবর

সাম্প্রতিক খবর

সর্বাধিক পঠিত