যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 10:36pm

|   লন্ডন - 04:36pm

|   নিউইয়র্ক - 12:36pm

  সর্বশেষ :

  নিজের জন্য সংগৃহীত ৪২ হাজার ডলার নিহতদের পরিবারে দান করছেন ‘এগ বয়’   অসুস্থতার কারণে আদালতে খালেদা জিয়াকে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ   এই বিশ্বে ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: কানাডার প্রধানমন্ত্রী   ‘মুজিব কোট’ পরে এসেছিল শিশুরা   ক্রাইস্টচার্চে সন্তানকে বাঁচাতে বন্দুকের সামনে বুক পাতেন বাবা!   সিনেটরের মাথায় ডিম ভেঙে রাতারাতি হিরো কনোলি   লাশ আনতে প্রতি পরিবারের একজন নিউজিল্যান্ডে যেতে পারবেন   আবারও ডাকসুর পুনর্নির্বাচন চাইলেন ভিপি নুর   ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারীর মৃত্যুদণ্ড চাইলেন তার বোন   ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু   ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশি নিহতের সংখ্যা ৮ হতে পারে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   এবার অস্ট্রেলিয়ায় মসজিদে গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়লো উগ্রবাদী   বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন আজ   যুক্তরাষ্ট্রে ৯ মিনিটে ৬ সন্তান প্রসব করে রেকর্ড   কবি আল মাহমুদ কর্মগুণে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন: স্মরণ সভায় অধ্যাপক মতিউর রহমান

স্বদেশ


অসুস্থতার কারণে আদালতে খালেদা জিয়াকে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আজ সোমবার দিন ধার্য ছিল। তবে অসুস্থতার কারণে মামলার

২০১৯-০৩-১৮ ০৪:২৯:০৪

বহিঃ বিশ্ব


এই বিশ্বে ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: কানাডার প্রধানমন্ত্রী

এই পৃথিবীতে ঘৃণা ও ইসলামবিদ্বেষের কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তিনি বলেছেন, ঘৃণা ও ধর্মবিদ্বেষের

২০১৯-০৩-১৮ ০৪:২৪:৩৭

লস এঞ্জেলেস


অমর একুশে গ্রন্থমেলায় চার লস এঞ্জেলেস প্রবাসীর বই

আতাউল খান রিপন প্রতি বছর এর মত এ বছরও শুরু হয়ে গেল বাংলা ভাষার মাস। বাঙালি জাতি তথা বাংলা ভাষা ভাষীর জন্য এ এক অনন্য শিহরনের মাস। বাংলাদেশসহ বিশ্বে ছড়িয়ে

২০১৯-০২-০৬ ১৪:১১:৫২


নিউইয়র্ক


কবি আল মাহমুদ কর্মগুণে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন: স্মরণ সভায় অধ্যাপক মতিউর রহমান

ইউএনএ : বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ, গবেষক ও লেখক এবং অধ্যাপক মুহাম্মদ মতিউর রহমান বলেছেন, বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য, স্বাধীনতা, বাংলাদেশ আর দেশের মা-মাটির সাথে

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


রেকর্ড সংখ্যক দর্শনার্থী, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় জাদুঘরের খেতাব পেল লুভর মিউজিয়াম

তোফায়েল আহমদ, প্যারিস থেকে : বিশ্বের বৃহত্তম শিল্পকলা জাদুঘর লুভর মিউজিয়াম ২০১৮ সালে রেকর্ডসংখ্যক ১ কোটি ২ লাখ দর্শনার্থী ঘুরে দেখেছে।ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের সেন

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

প্রথমবারের মত ওয়াশিংটনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘বলী খেলা’ আয়োজন

নিউজ ডেস্ক : ওয়াশিংটন: এই প্রথমবারের মত প্রবাসের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ’বলী খেলা। বাঙালির প্রানের উৎসব বৈশাখী মেলাকে ঘিরে এই ’বলী খেলা’র আয়োজন সাজিয়েছে ওয়াশিংটনের সাংস্কৃতিক সংগঠন ”ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামেলী (ডিএমভি)। এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন সংগঠনের দুই প্রধান আকতার হোসাইন ও বোরহান আহমেদ।খবর বাপসনিঊজ ।বলীখেলা এক বিশেষ ধরনের কুস্তি খেলা, যা চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে প্রতিবছরের ১২ই বৈশাখে অনুষ্ঠিত হয়।এই খেলায় অংশগ্রহনকারীদেরকে বলা হয় বলী। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কুস্তি বলীখেলা নামে পরিচিত। ১৯০৯ সালে চট্টগ্রামের বদরপাতি এলাকার ধনাঢ্য ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর এই প্রতিযোগিতার সূচনা করেন। তার মৃত্যুর পর এই প্রতিযোগিতা জব্বারের বলী খেলা নামে পরিচিতি লাভ করে। জব্বারের বলীখেলা একটি জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যমন্ডিত প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত। বলীখেলাকে কেন্দ্র করে লালদিঘী ময়দানের আশে পাশে প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয় এবং এটি বৃহত্তর চট্টগ্রাম এলাকার সবচেয়ে বৃহৎ বৈশাখী মেলা।

এবারে দেশের সাথে তাল মিলিয়ে ওয়াশিংটনের মাটিতেও আয়োজন করা হয়েছে ’বলী খেলা’র। আগামী ৬ এপ্রিল শনিবার ভার্জিনিয়ার ম্যাশন ডিষ্ট্রিক পার্ক, ৬৬২১ কলম্বিয়া পাইক, আনানডেল, ভার্জিনিয়া ২২০০৩ এ ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামেলী (ডিএমভি) আয়োজিত বৈশাখী মেলায় এই আকর্ষনীয় বলী খেলা অনুষ্ঠিত হবে। বলী খেলায় অংশগ্রহনে ইচ্ছুক বলীদেরকে আকতার হোসাইন ৭০৩-৩৮৯-৬৭৮৯ এবং বোরহান আহমেদ ২০২-৭১৪-৭০৩৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রত্যেক বলীদের জন্য মেলায় থাকবে আকর্ষনীয় পুরস্কার।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পী সহ আমন্ত্রীত শিল্পীরা নাচ গান ও সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। অনুষ্ঠানে পান্তা ইলিশ ভর্তা সহ নানা রকমের শাড়ী চুড়ি খেলনা সহ নানা ধরনের খাবারের ষ্টলে থাকবে ভরপুর। অনুষ্ঠানে থাকবে আকর্ষনীয় র‌্যাফেল ড্র পুরস্কার। প্রতি বছরের ন্যায় ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামেলী আয়োজিত এই বৈশাখী মেলায় অংশগ্রহন করবার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে কোন প্রবেশ মুল্য নাই। অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য আকতার হোসাইন ৭০৩-৩৮৯-৬৭৮৯, ও বোরহান আহমেদ ২০২-৭১৪-৭০৩৮ ’র সাথে যোগাযোগ করার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড স্পন্সর হিসাবে আছে একাত্তর ফাউন্ডেশন এর কবির পাটোয়ারী ও পারভিন পাটোয়ারী, গোল্ড স্পন্সর ডাটাগ্রুপ, বেঙ্গল কাবাব, ডাটা এন টেক, প্যানঅ্যাম কন্সট্রাকসন, ও পিপল এন্ড টেক। এছাড়াও অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসবে আছে পার্টনার রিয়েলষ্টেট রাজিব হক, রিয়েলটর নাজির নাজির উল্ল্যা, রিয়েলটর উৎপল সাহা, রিয়েলটর দিলাল আহমেদ, কমনওয়েলথ মর্টগেজ, দেশী বাজার, কাবাব কিং, হোম টাউন প্রপার্টিজ লিমিটেড, অলষ্টেট মোহাম্মদ আলী, ফেয়ারওয়ে মর্টগেজ, জিআই রাসেল, প্যানএম কর্পোরেশন, এসসিফিন, আরটিএস ট্যাক্স, খামারবাড়ী নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানের টেলিভিশন মিডিয়া পার্টনার হিসাবে আছে এনটিভি, অনলাইন মিডিয়া পার্টনার ওয়াশিংটন বাংলা ডট কম, ডিজিটাল পার্টনার আনন্দী ফটোগ্রাফী, সোস্যাল মিডিয়া পার্টনার কিরনটিভি, বিডিঅন ইত্যাদি।

ইসলামী জীবন

ঋণ থেকে মুক্তি পেতে যে দোয়া পড়তে হয়

নিউজ ডেস্ক : অর্থিক সংকট বা দুরবস্থায় পড়লেই মানুষ অন্য থেকে ঋণ নেয়। সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে ইসলামে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ঋণ কখনও কখনও কারো জীবনে অভিশাপ বয়ে আনে। ঋণদাতাকে যেমন ঋণ আদায় করতে না পারার হাতাশায় ভুগতে হয় তেমনি ঋণগ্রহীতাকেও ঋণদাতার বাক্যবাণে নাজেহাল হতে হয়।

কখনো কখনো ঋণগ্রহীতাকে অসম্মানজনক আচরণের শিকার হতে হয়। তাই ঋণগ্রহীতা সবসময় চান দ্রুত ঋণ পরিশোধ করে অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে।

দ্রুত ঋণমুক্ত হতে সক্ষম হওয়ার জন্য রাসুল (সা.) কিছু আমল ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি ঋণ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে অত্যধিক আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।

একবার ঋণ থেকে রক্ষা পেতে প্রার্থনারত অবস্থায় এক ব্যক্তি বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি ঋণ থেকে খুব বেশি বেশি আশ্রয় প্রার্থনা করে থাকেন!’ নবী কারিম (সা.) বলেন- ‘মানুষ ঋণী হলে, কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে এবং অঙ্গীকার করলে, রক্ষা করে না।’ (বোখারি, হাদিস নং : ২৩৯৭)

ঋণগ্রস্ত থাকার সময় রাসুল (সা.) সব সময় বেশি বেশি এই দোয়া পড়তেন- ‘আল্লাহুম্মা! ইন্নি আউযুবিকা মিনাল কাসালি, ওয়াল হারামি, ওয়াল মা’ছামি, ওয়াল মাদরামি।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গুনাহ এবং ঋণ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’ (বোখারি, হাদিস নং ৬০০৭)

রাসুল (সা.) এই দোয়াটিও পড়তেন- ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসলি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া গালাবাতিদ দাইনি, ওয়া কাহরির রিজাল।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট দুশ্চিন্তা, অপারগতা-অলসতা, কৃপণতা এবং কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। অধিক ঋণ থেকে ও খারাপ লোকের জবরদস্তি থেকেও আশ্রয় চাচ্ছি।’ (নাসাঈ, হাদিস নং : ৫৪৭৮)

এ দোয়াগুলো নিয়মিত পড়লে আল্লাহ তাআলা শিগগির ঋণ থেকে মুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা করে দেবেন। আর্থিকভাবে সচ্ছলতা ও স্বাচ্ছন্দ্য দান করবেন।

এলএবাংলাটাইমস/ইএল/এলআরটি

প্রবাসী কমিউনিটি

ফেয়ারফিল্ড বৈশাখী মেলা ২০১৯ এর প্রস্তুতি সভা

কাজী সুলতানা শিমি, অস্ট্রেলিয়া : আগামী ৬ই এপ্রিল শনিবার, দিনব্যাপী সিডনিতে ফেয়ারফিল্ড বৈশাখী মেলা ২০১৯ উপলক্ষে,গত ৫ই মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিডনির রকডেলের পালকি রেস্টুরেন্টে বঙ্গবন্ধু পরিষদ সিডনি, অস্ট্রেলিয়া এক  সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাসুদুল হক ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখী মেলা কমিটির মুল আহ্বায়ক গাউসুল আলম শাহজাদা | বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. রতন কুন্ডুর সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় | ড. মাসুদুল হক  মেলার ইতিহাস ও মেলার বিভিন্ন দিক, সুবিধা, অসুবিধা, নতুন সংযোজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন | তিনি জানান যে টেম্পি মেলায় বিশাল জননসমাবেশের কারণে স্থান সংকুলানের সমস্যা ও পার্কিংয়ের সমস্যার কারণে টেম্পি রিজার্ভ হতে মেলা ফেয়ারফিল্ডশোগ্রাউন্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে | নতুন ভেন্যুতে গতবারের প্রথম আয়োজনই বিশাল সাফল্য অর্জন করে | মেলা প্রাঙ্গনে ২০০০ এর উপর ফ্রি পার্কিং আছে| ATM, নামাজের ব্যবস্থা সহ আশেপাশে আরো পার্কিং এর সুবিধা আছে | দর্শক শ্রোতাদের সুবিধা বিবেচনা করে অনলাইন এ টিকেট প্রাপ্তির বন্দোবস্ত করা হয়েছে| Online Ticket link: https://www.trybooking.com/361162


মেলা চত্বর সদ্য নতুন করে উন্নীত করাতে মেলার পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে | অর্থাৎ একই জায়গায় বসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সব ধরণের সেবা ও সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারবে | মেলা ভেনুতে একসাথে হাজার হাজার লোক একত্রিত হয়ে ভেন্যুর কেন্দ্রে অবস্থিত মঞ্চের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবে | যথারীতি বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু খাবার ও বিপণন সামগ্রীর ষ্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে | বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য থাকবে বিভিন্ন রাইডস | সাটল বাস সার্বক্ষণিক ভাবে রেলওয়ে স্টেশন থেকে মেলা ভেনুতে যাত্রী পরিবনের জন্য নিয়োজিত থাকবে | সংগীত পিপাসুদের কথা বিবেচনা করে এবার দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী হাবিব ও ফেরদৌস ওয়াহিদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ও তাঁদের ভিসা নিশ্চিত হয়েছে | গেলবারের মতো এবারেও থাকছে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও ফায়ার ওয়ার্কস | সভায় জনাব শাহজাদা সবার প্রশ্নের উত্তর দেন ও তাদের পরামর্শ মোতাবেক আইটেম সংযোজন-বিয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন | সভাশেষে মূল স্পনসর অস্ট্রাল বিল্ডার্স এর কর্মকর্তাদের সাথে সবার পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় | অস্ট্রাল এম ডি মিঃ নজরুল ইসলাম  শুভেচ্ছা বক্তব্যে সবাইকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন | অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সব বাঙালিদের মেলায় আমন্ত্রণ জানান মেলা আহ্বায়ক জনাব শাহজাদা | সভাশেষে সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয় | সভায় সিডনির অধিকাংশ প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক, বেতার, ফটো, টেলিভিশন সাংবাদিক, রিপোর্টার, লেখক, কলামিস্ট ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন | এবারের মেলায় টাইটেল স্পনসর হলোঃ অস্ট্রাল বিল্ডার্স|

এলএবাংলাটাইমস/এলএ/এলআরটি

লস এঞ্জেলেস

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় চার লস এঞ্জেলেস প্রবাসীর বই

আতাউল খান রিপন : প্রতি বছর এর মত এ বছরও শুরু হয়ে গেল বাংলা ভাষার মাস। বাঙালি জাতি তথা বাংলা ভাষা ভাষীর জন্য এ এক অনন্য শিহরনের মাস। বাংলাদেশসহ বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রতিটি বাঙালির বাংলা ভাষার  জন্য অমর একুশ এক অবিনাশী চেতনা। এই চেতনাকে মনের ভিতর লালন করেই ঢাকার বাংলা একাডেমিতে চলছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯।  অমর একুশে গ্রন্থমেলায় হাজার হাজার নতুন বই বের হবে।এই মেলায় নবীন প্রবীণ লেখকদের বই বের হবে সেক্ষেত্রে প্রবাসী লেখকরাও পিছিয়ে নেই। পিছিয়ে নেই লস এঞ্জেলেসের চার লেখক ।

তপন দেবনাথ -  লস এঞ্জেলেস প্রবাসী লেখক ও সাংবাদিক এর দুইটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বই দুইটির নাম হচ্ছে-  “আমেরিকা সংলাপ” এবং “যে সবে বঙ্গেত জন্মি” (গল্প গ্রন্থ)।প্রকাশ করেছে শুদ্ধ প্রকাশ।আর বই দুইটির প্রচ্ছদ করেছেন চারু পিন্টু। পাওয়া যাবে একুশের বই মেলায় শুদ্ধ প্রকাশ এর স্টলে । তপন দেবনাথের এ যাবত  বই প্রকাশিত হয়েছে ২৫ টি ।

শাহানা পারভীন - লস এঞ্জেলেস প্রবাসী কবি লেখক উপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী তার এবারের  ২১শের বই মেলায় ২০১৯ আরেকটি  কবিতার বই বের হলো । বইটির নাম “মানবতা আমাদের  ঠিকানা “ শাহানা পারভীন  গত বেশ  কিছু দিন যাবত ঢাকাতে অবস্তান করছেন ।বইটি দু’জন প্রিয় মানুষকে (তার মা জননী আরেক জন শাশুড়ি মা) উৎসর্গ করেছেন । দু’জনই হারিয়ে গেছে না ফেরার দেশে।

জিয়াউদ্দিন আহমেদ - একজন লস এঞ্জেলেস প্রবাসী নুতন লেখক তার প্রথম বই   আসন্ন বইমেলায়  বইটি পাওয়া যাবে - বইটির নাম ' দাঁড়াও পথিকবর। ' দি রয়েল পাবলিশার্স বইটি প্রকাশ করেছে। লেখক নিজেই বইমেলায় উপস্থিত থাকবেন বলে ইতি মধ্যেয়ই ঢাকাই  গিয়েছেন ।

এম ইসলাম মাসুদ
- এরিজোনাতেই বসবাস করেন, মাঝে মধ্যে লস এঞ্জেলেস বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখা যায় ।এবারের বই মেলায় লেখা “গুম “ উপন্যাসটির প্রথম খন্ড  ২০১৯  একুশের বই মেলায় পাওয়া যাবে, স্টল নং ৫২৮-৫২৯, মুক্তচিন্তা প্রকাশনালয়ে। সংগ্রহ করে পড়ার অনুরোধ লেখকের। বাংলাদেশের একটি পরিবারের একজন উপার্জনক্ষম সদস্য যদি গুম খুন বা নিঁখোজ হয়, তাহলে পরিবারটি কিভাবে ধ্বংশ হয়ে যেতে পারে তারই একটি চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এই উপন্যাসে। ২০১৪ সাল থেকে এম ইসলাম মাসুদ নিয়মিত লিখেই চলেইছেন ।

মিডিয়ার খবরে জানা যায় যে ২০১৮ এর বই মেলাতে ৪৫০০ নতুন বই বের হয়েছিল এবং প্রায় ৭০ কোটী টাকার বাণিজ্য হয়েছিল ।

এলএবাংলাটাইমস/এলএ/এলআরটি

বিনোদন


অস্কারের মঞ্চে কারা পেলেন শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা

নিউজ ডেস্ক : লস অ্যাঞ্জেলেসে আয়োজিত হল ৯১তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস প্রদান পুরস্কার। এদিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় ক্যুইন অ্যান্ড অ্যাডাম ল্যামবার্টের

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


বাসায় তৈরি করুন বোরহানি

নিউজ ডেস্ক : অনেকে বোরহানি খেতে খুবই পছন্দ করেন। আবার কোনও কোনও সময় দেখা যায় পছন্দ না করলেও পরিবারের সদস্যদের জন্য বোরহানি আনতে হয় বাইরে থেকে। তবে নিজে এটা

বিস্তারিত


লন্ডন

নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের মতো ‘মুজিবনগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের  ১৭ এপ্রিল শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে মেহেরপুরের আ¤্রকাননে জাতীয় নেতা নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আর তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। সেই দিনের সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনকে তড়ান্বিত করে। বক্তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর করার দাবী এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পু:ননির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা আব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য অধ্যাপক ডা. এম হাবীবে মিল্লাত মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আর এজন্য শুধু আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেলেই চলবে না, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট লোকের ভোট দরকার। কেননা, আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমর্থকদের বাইরেও বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। তাদেরকে নৌকার পক্ষে ভোট দিতে প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর-কামারখন্দ)-এর সদস্য প্রফেসর ডা. হাবীবে মিল্লাত। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্বদ্যিালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. শরাফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. প্রফেসর ওয়াহেদ উল্লাহ বাকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ডা. মাসুদুল হাসান, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বদরুল হোসেন খান ও হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধা বিএম বাকির হোসেন (হিরু ভূইয়া), মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়,  সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ইউএস’র সভাপতি লিপটন এবং নিউইয়র্ক প্রবাসী ও সিরাজগঞ্জের কামারকন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল মজিদ মন্ডল ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিনাত বেগম এবং গীতা থেকে পাঠ করেন গনেশ কির্ত্তনীয়া। এরপর ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দ সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে সঙ্গীত শিল্পী রোকেয়া খানমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও জিনাত বেগম একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া সমিতি ইউএসএ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ডা. হাবীবে ডা. মিল্লাত এমপি-কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভায় ডা. হাবীবে মিল্লাত বলেন, মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ডা. হাবীবে মিল্লাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি উন্নয়নের প্রধান শত্রু। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত না হলে দেশ আবারো পিছিয়ে যাবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজয়ী করার আহবান জানান।

নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

গৃহশিক্ষকের চোখে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের শৈশব

নিউজ ডেস্ক : সৌদি আরবের বিতর্কিত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কিছুদিন আগে পর্যন্তও খুব কম লোকই চিনতেন। কিন্তু ভবিষ্যৎ সৌদি রাজা হিসেবে তার অভিষেক - রক্ষণশীল সৌদি সমাজ সংস্কারের নানা উদ্যোগ, ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ এবং সবশেষ জামাল খাসোগজি হত্যাকান্ড - এগুলোর সাথে তার নাম জড়িয়ে যাওয়ার কারণে সারা বিশ্বের নজর এখন তার দিকে।

কিন্তু কীভাবে বেড়ে উঠেছিলেন এই প্রিন্স সালমান? তার শৈশব সম্পর্কে লোকে কতটুকু জানে?

এর ওপরই খানিকটা আলোকপাত করেছেন বিবিসি আরবি বিভাগের রাশিদ সেক্কাই - যিনি শিশু প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের গৃহশিক্ষক ছিলেন, তাকে ইংরেজি শেখাতেন। সম্প্রতি তিনি বর্ণনা করেছেন তার সেই সময়কার স্মৃতি।

তিনি বলছেন, " সেটা ১৯৯৬ সাল। আমি তখন জেদ্দার নামকরা স্কুল আল-আনজালে পড়াই। তখন রিয়াদের গভর্নর ছিলেন প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ - যিনি এখন সৌদি আরবের বাদশাহ, এবং যুবারাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পিতা।"

"প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ তখন সাময়িকভাবে তার পরিবার নিয়ে জেদ্দায় এসেছেন, এবং তার দরকার হয়েছিল তার সন্তানদের জন্য একজন ইংরেজির শিক্ষক।"

"তিনি যোগাযোগ করলেন আমি যে স্কুলে পড়াতাম সেই স্কুলের সাথে। তখন আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো রাজকীয় প্রাসাদে। আমার ছাত্র হলেন তার প্রথম বিয়ে থেকে জন্মানো কয়েকজন রাজপুত্র। প্রিন্স তুরকি, প্রিন্স নায়েফ, প্রিন্স খালিদ, এবং প্রিন্স মোহাম্মদ।"

"আমি তখন জেদ্দার একটা উঠতি এলাকায় একটা ফ্ল্যাটে থাকি। প্রতিদিন সকাল বেলা সাতটার সময় একজন শোফার (ড্রাইভার) এসে আমাকে আল-আনজাল স্কুলে নিয়ে যেতো। বিকেলের দিকে স্কুল শেষ হলে এই ড্রাইভারই আমাকে নিয়ে যেতো রাজপ্রাসাদে।"

"প্রাসাদের গেটের কড়া পাহারা পার হয়ে যাবার পর গাড়িটি অনেকগুলো চোখ-ধাঁধানো বাগানওয়ালা ভিলা পার হয়ে রাজকীয় প্রাসাদের সামনে পৌঁছাতো। সামনের নিখুঁতভাবে সাজানো বাগানের পরিচর্যা করছে সাদা পোশাক পরা মালীরা।

"সেখানে একটি কার পার্ক দেখলাম - তাতে দাঁড়িয়ে আছে বহু বিলাসবহুল গাড়ি। একটা গাড়ি দেখলাম গোলাপি রঙের - মনে হলো ওটা একটা ক্যাডিলাক। এই প্রথম আমি নিজের চোখে ক্যাডিলাক দেখলাম।"

"রাজকীয় দুর্গে ঢোকার পর আমাকে স্বাগত জানালেন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি। মধ্যবয়স্ক এই ব্যক্তি প্রিন্স মোহাম্মদের খুবই প্রিয় ছিলেন।"

"প্রিন্স মোহাম্মদকে মনে হলো আমার কাছে পড়ার চাইতে প্রাসাদের রক্ষীদের সাথে সময় কাটানোর ব্যাপারেই তার বেশি আগ্রহ। ভাইদের মধ্যে সে-ই বয়েসে সবচেয়ে বড় হওয়ায় সে যা খুশি তাই করতে পারে - এমনই মনে হতো।"

"বয়েসে ছোট যে প্রিন্সরা, আমি তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতাম। কিন্তু মোহাম্মদ সেখানে হাজির হলেই পরিস্থিতি হয়ে যেতো অন্য রকম।"

"আমার মনে আছে, আমার পাঠদানের সময় মোহাম্মদ একটা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করতো - যা সে রক্ষীদের কোন একজনের কাছ থেকে ধার করেছিল। সে এটাকে ব্যবহার করতো আমাকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করার জন্য, তার ভাই এবং প্রাসাদরক্ষীদেরকে জোক শোনানোর জন্য।"

"একদিন মোহাম্মদ বললো, তার মা তাকে বলেছেন যে আমাকে দেখে নাকি 'একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক' বলে মনে হয়। আমি এটা শুনে একটু থতমত খেয়ে গেলাম। কারণ আমার মনে পড়ে না যে কখনো আমি তাকে দেখেছি, যেহেতু সৌদি রাজপরিবারের মেয়েরা অপরিচিতদের সামনে আসে না। প্রাসাদে একমাত্র নারী যাকে আমি দেখেছিলাম, সে একজন ফিলিপিনো আয়া।"

"আমাকে যে কেউ দেখছে এ ব্যাপারটা আমি আগে বুঝতে পারি নি। কিন্তু সৌদি সিংহাসনের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী তখন আমাকে দেয়ালে লাগানো কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা দেখালেন। তার পর থেকে পড়ানোর সময় আমি আত্মসচেতন হয়ে গিয়েছিলাম।"

"কিছুদিনের মধ্যেই মোহাম্মদ এবং তার ভাইদের আমার বেশ পছন্দ হয়ে গেল। তারা ছিল রাজপুত্র, এবং তাদের জগত ছিল অর্থ-বিত্ত-বিলাসে ভরা। কিন্তু তাদের সাথে আমার স্কুলের ছাত্রদের বিশেষ কোন তফাৎ ছিল না। তাদের জানার আগ্রহ ছিল কিন্তু খেলাধূলা করতেই বেশি ভালোবাসতো।"

"একদিন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি আমাকে বললেন ভবিষ্যৎ রাজার সাথে দেখা করতে। কারণ তিনি তার সন্তানদের শিক্ষায় কতটা অগ্রগতি হলো তা জানতে চান।"

"আমি ভাবলাম, প্রিন্স মোহাম্মদের দুষ্টামির ব্যাপারে কিছু করার এটা একটা সুযোগ হলো।"

"আমি প্রিন্স সালমানের অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। আমার পাশে দাঁড়ানো ছিলেন যুবরাজদের অন্যান্য শিক্ষকরা। মনে হলো, প্রাসাদের আদবকায়দা সম্পর্কে আমার চাইতে তারা বেশি ওয়াকিবহাল।"

"প্রিন্স সালমান আসার সাথে সাথে তারা উঠে দাঁড়ালেন, এবং আমি দেখতে লাগলাম কিভাবে তারা রিয়াদের গভর্নরের সামনে মাথা নত করলেন, তার হাতে চুমু খেলেন, দ্রুতগতিতে প্রিন্সদের নিয়ে কিছু কথা বললেন এবং সামনে এগিয়ে গেলেন।"

"যখন আমার পালা এলো - আমি তাদের মতো মাথা নত করতে পারলাম না। আমি কখনো এটা করি নি। আমি আমার হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং ভবিষ্যৎ রাজার সাথে করমর্দন করলাম।"

"আমার মনে আছে প্রিন্স সালমানের মুখে ফুটে ওঠা বিস্ময়সূচক মৃদু হাসির কথা। কিন্তু তিনি ব্যাপারটা উপেক্ষা করেছিলেন।"

"আমি তার সাথে কথা বলার সময় প্রিন্স মোহাম্মদের কথা তুলিনি। কারণ ততক্ষণে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে আমি এ কাজ ছেড়ে দেবো এবং যুক্তরাজ্যে ফিরে যাবো।"

"পরে মি. আল-শাহরি আমাকে রাজকীয় আদবকায়দা পালন করতে ব্যর্থ হবার জন্য আমাকে অনেক বকাঝকা করেছিলেন।"

"আমার ছাত্রদের মধ্যে প্রিন্স মোহাম্মদ ছাড়া প্রিন্স খালিদ - যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি রাষ্ট্রদূত হয়েছেন। তবে অন্য প্রিন্সরা জনসমক্ষে ততটা পরিচিত নন।"

"সৌদি রাজপুত্রদের শিক্ষাদানের এই সময়টা ছিল আমার জীবনের একটা অনন্য পর্ব।"

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


শিশুদের কার্টুনের আসক্তি দূর করতে যা করবেন

নিউজ ডেস্ক : এখনকার শিশুরা কার্টুন দেখতে খুব পছন্দ করে। তবে এটা আসক্তির পর্যায়ে গেলে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো কার্টুন না চালালে তারা

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠানোর পরও ডিলিট করবেন যেভাবে

নিউজ ডেস্ক : কয়েক মাস পরীক্ষা চালানোর পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আনসেন্ড বা রিকল ফিচার চালু করেছে ফেসবুক। এখন থেকে মেসেঞ্জারে এই সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। ফেসবুকের মালিকানাধীন আরেক প্রতিষ্ঠান হোয়াটসঅ্যাপে এই ফিচার চালু হয় গত বছর।

ধরুন, ভুল করে কাউকে কোনও মেসেজ পাঠিয়েছেন বা না পাঠাতে চাইলেও চাপ লেগে চলে গেছে যা আপনার জন্য বিব্রতকর হতে পারে। এমনকি কোনও কোনও সময় ক্ষতির কারণও হয়ে উঠতে পারে এটি। তবে এখন আর ভয় নেই। কারণ, আনসেন্ড ফিচারের মাধ্যমে আপনি পাঠানোর পরও মেসেজ ডিলিট করতে পারবেন।

ভারতীয় প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, পাঠানোর পরও মেসেজ ডিলিট করতে হলে আপনাকে সেটা ১০ মিনিটের মধ্যে করতে হবে। তা নাহলে আপনি আর ডিলিট করার সুযোগ পাবেন না।

পাঠানোর পরও যেভাবে মেসেজ ডিলিট করবেন-
০ যে মেসেজটি ডিলিট করতে চান সেটি চাপ দিয়ে ধরে রাখুন
০ সিলেক্ট হওয়ার পর দুটি অপশন আসবে
০ প্রথমটি ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’
০ দ্বিতীয়টি ‘রিমুভ ফর ইউ’
০ এখানে ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’ অপশন চাপলেই মেসেজ ডিলিট হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড উভয় অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরাই সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন। এজন্য মেসেঞ্জারের সর্বশেষ ভার্সনটি ব্যবহার করতে হবে।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

সুস্থ থাকুন

কিসমিসের উপকারিতা

নিউজ ডেস্ক : কিসমিস প্রায় সব বাসায়ই ব্যবহৃত হয়। মূলত মিষ্টি খাবার তৈরিতেই এর ব্যবহার বেশি। তবে এটা শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এর আছে অনেক পুষ্টিগুণ। দেখে নিন কিসমিস খেলে কি উপকার পাবেন-

১. কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আছে। এগুলো অ্যাসিডিটি কমায়, কিডনির পাথর দূর করে ও হৃদরোগর ঝুঁকি কমায়।

২. জ্বর, ঠাণ্ডা ও অন্য সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

৩. চোখের জন্য আদর্শ খাবার। কিসমিস দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। কিসমিসে রয়েছে ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন।

৪. ফ্যাটবিহীন ফাইবারসমৃদ্ধ কিসমিস হজমশক্তি বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।

৫. ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা কিসমিস খাওয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

এলএবাংলাটাইমস/এইচ/এলআরটি

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে হামলা, ধর্ম ও বর্ণবাদের সম্মিলিত রূপ

কাকন রেজা : নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদের হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সারা বিশ্বে যে ঘৃণার চাষ হচ্ছে তারই উৎপাদিত ফল এটা। আমাদের দেশের অনেককেই দেখলাম, তার মধ্যে কেউকেটাও অনেকে রয়েছেন। বলছেন, যারা এই নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের জঙ্গি বা সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে না কেন? এ বিষয়ে বলার আগে, এমন নৃশংতার জন্য দায়ীদের ৭৪ পৃষ্ঠার বক্তব্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হওয়া প্রয়োজন, যা তারা প্রকাশ করেছে সামাজিকমাধ্যমে। যাকে এই খুনি গোষ্ঠী বলছে, ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’।

সেই বক্তব্যটি একটু খুঁটিয়ে দেখলেই, খুনি ব্রেন্টনদের ঘৃণাবাদী চিন্তার কতগুলো কারণ পরিষ্কার হয়ে যাবে। যার মধ্যে প্রধান দুটি হচ্ছে ধর্ম ও বর্ণবাদী চিন্তা। ইসলামের প্রতি ঘৃণা এই গোষ্ঠীটির শুধু সাম্প্রতিককালের আল কায়েদা বা আইএসের পাল্টা প্রতিক্রিয়া নয়। এই ঘৃণা শত বছরের। ব্রেন্টন বা তার গোষ্ঠী জানাচ্ছে, ‘ইউরোপিয়রা দাস ছিল মুসলিমদের। মুসলিমরা তাদের ‍ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন শত বছর ধরে। সেই ইউরোপিয়ানদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিচ্ছে ব্রেন্টন টারান্ট।’ এটা হলো ধর্মীয় দিকের কথা। এর বাইরে রয়েছে বর্ণবাদী আরেকটি বক্তব্য। ব্রেন্টন বা তাদের চিন্তা জানাচ্ছে, ‘বাদামীদের কোনোভাবেই ইউরোপের মাটিতে মেনে নেওয়া হবে না।’ শুধু ধর্ম নয়, এদের ভেতর কাজ করছে বর্ণবাদী উগ্রতাও। এরা পরিষ্কার জানাচ্ছে, ‘ইউরোপের ভূমি মুক্ত করতে হবে নন হোয়াইটদের কাছ থেকে।’ একেবারে হোয়াইট সুপ্রিমিস্টদের কথা এবং তার সাথে যোগ হয়েছে ধর্মীয় চিন্তার।

এই গোষ্ঠীর চিন্তার সঙ্গে যদি আল কায়েদা বা আইএসে’র চিন্তার তুলনায় করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ধ্বংসের পরিধি এই গোষ্ঠীটির দ্বিগুন। আইএস বা আলকায়েদার কোনো বর্ণবাদী চিন্তা নেই। অনেক সাদা চামড়ার মানুষ আইএসে যোগ দিয়ে যুদ্ধ করেছে, এ ক্ষেত্রে আইএসের চিন্তায় বর্ণ কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি, তথাকথিত ধর্মীয় চিন্তাই ছিল প্রধান। কিন্তু ব্রেন্টন গোষ্ঠীর চিন্তাটা দ্বিগুণ ভয়াবহ। এরা ইসলামকে ইউরোপে ঠাঁই দিতে চায় না, সাথে সাদা বাদে অন্য চামড়ার কাউকেও নয়। অর্থাৎ এই গোষ্ঠীটি শুধু ধর্মীয়ভাবেই উগ্র নয়, উগ্র বর্ণবাদীও। আর ধ্বংসবাদী এমন দুটি চিন্তার সম্মিলন, সত্যিকার অর্থেই ভয়ানক। এমন চিন্তার মানুষের কাছে মুসলমান কেন, কোনো ধর্মের মানুষই নিরাপদ নয়। বাদামী বা কালো চামড়ার খ্রিস্টান হলেও নয়।

ব্রেন্টন গোষ্ঠী এটাকে সশস্ত্র সংগ্রাম বা যুদ্ধ হিসাবে ঘোষণা করেছে। তারা যে কোনো প্রক্রিয়ায় সাদা চামড়া ব্যতীত অন্যদের প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে এবং সেটা গণহত্যার মাধ্যমে হলেও। কী ভয়াবহ কথা। আইএসও সম্ভবত গণহত্যার কথা এমন পরিষ্কারভাবে বলেনি। ব্রেন্টন গোষ্ঠীর ক্ষোভ অভিবাসীদের প্রতি, এমন কথা যারা বলতে চান, তারা মূল সমস্যাটাকে পাশ কাটাতে চাচ্ছেন। ব্রেন্টন গোষ্ঠীর ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্টে’ এমন কথা থাকলেও এটা মূল কথা নয়। মূল কথা হলো, এক সময় ইউরোপে মুসলমানদের কর্তৃত্ব ছিল এটা তাদের ক্ষোভের বিষয় এবং হোয়াইট সুপ্রিমেসি তথা সাদা চামড়ার প্রভুত্ব তাদের দাবির বিষয়। আর অভিবাসীদের কারণে সাদা চামড়ার বর্তমান প্রাধান্য ক্ষুণ্ন হতে পারে এটা তাদের আশঙ্কার বিষয়। ধর্ম আর বর্ণ হলো তাদের ঘৃণার গাছের গোড়া আর অভিবাসী বিষয়টি হলো ডালপালা।

সুতরাং ব্রেন্টন গোষ্ঠীর মূল তথা গাছের গোড়া হলো ধর্ম ও বর্ণবাদ। দুটি ভয়ঙ্কর উগ্রপন্থার সংযোগ, সম্মিলিত রূপ। এই রূপের কাছে আল কায়েদা বা আইএস নস্যি। এই রূপকে ব্রেন্টন গোষ্ঠী লুকিয়েও রাখেনি। ব্রেন্টন নিজেকে দাবি করেছে রেসিস্ট ও ফ্যাসিস্ট হিসাবে। সত্যিকার উগ্রবাদীদের কোনো রাখঢাক থাকে না, তারা যা করবে পরিষ্কার জানায় এবং করার চেষ্টা করে। শুধু তাই নয়, এমন চিন্তার ধারকরা তাদের টার্গেটদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, তাদের নিয়ে পরিহাস করে। ব্রেন্টন গোষ্ঠীর বক্তব্যও তার প্রমাণ দেয়।

ব্রেন্টন ও তার চিন্তা বলছে, ‘তুমি যদি পরাজিত হও তবে ইতিহাস তোমাকে দানব বলবে, সেখানে পদ্ধতি কোনো ব্যাপার না। প্রথমে জয়ী হও, তারপর না হয় ইতিহাস রচিত হবে।’ নচিকেতার গানের কথা আবার উল্লেখ করতে হয়। ‘বিজয়ীরা বরাবর ভগবান এখানেতে, পরাজিতরাই পাপী এখানে’- রেসিস্ট এবং ফ্যাসিস্টরা এ কথাটাকেই তাদের মূলমন্ত্রভাবে। তারা যেকোনো মূল্যে জয়ী হতে চায়, চাণক্যের ‘সাম-দাম-ভেদ-দণ্ড’, যেকোনো উপায়ে। গুম-খুন-গণহত্যা রেসিস্ট বা ফ্যাসিস্টদের কাছে কোনো ব্যাপারই না। তারা ভাবে, ‘রাম যদি হেরে যেত রাবণ দেবতা হতো’ এবং ইতিহাসও যেত রাবণের পক্ষে।

ফুটনোট : পৃথিবীর তাবৎ আক্রান্তদের চিত্র এক, পরিবারের মর্মবেদনা এক। ধর্ম-বর্ণ, চিন্তা-দর্শনের বিভেদকে যারা ঘৃণায় রূপান্তরিত করে তাদের চেহারাও এক।

আক্রান্তদের পাশ দাঁড়ানো, সে যেই হোক মানুষের মানবিক দায়িত্ব। সমপরিমাণ দায়িত্ব ঘৃণাবাদীদের চিহ্নিত করা। ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে জানিয়ে দেওয়া, এরা ঘৃণার চাষ করে, আমরা করি মানবতার।

লেখক: সাংবাদিক ও কলাম লেখক

টুকিটাকি খবর

হীরার তৈরি বিমান!

নিউজ ডেস্ক : হীরার তৈরি আস্ত একটি বিমান। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে করা একটি পোস্ট উসকে দিল সেই জল্পনা। হাজার হাজার হীরা খচিত বিমানের গায়ে। ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়েছে হীরার তৈরি ওই বিমানের ছবি। সত্যিই এটি বিমান নাকি অন্য কিছু? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল মানুষের মনে।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের রত্নখচিত বোয়িং ৭৭৭ বিমানটিকে ‘ব্লিং ৭৭৭’ বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণ মানুষ যারা প্রথমবার এই বিমানের ছবিটি দেখেছেন তারা সবাই কমেন্টে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তবে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল ছবিটির ক্যাপশন থেকেই। এমিরেটস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে আসলে হীরা দিয়ে তৈরি করা হয়নি বিমানটি। কিন্তু সেদিকে কারও চোখ যায়নি। কারণ কয়েক লক্ষাধিক হীরার ঝলকানিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের চোখ গেছে আটকে।

‘হীরার বিমানে’র ছবি শেয়ার করে এমিরেটস লিখেছে, ‘‘দি এমিরেটস ‘ব্লিং’ ৭৭৭, ছবিটি তৈরি করেছেন সারা শাকিল।’’ 

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারা শাকিল হচ্ছেন একজন ক্রিস্টাল শিল্পী। ইনস্টাগ্রামে বিখ্যাত এই শিল্পীর প্রায় পাঁচ লাখ ফলোয়ার আছে। গত মঙ্গলবার সারা ইনস্টাগ্রামে তার এই আর্টওয়ার্কের ছবি শেয়ার করেছিলেন। ছবিটি দেখেই এমিরেটস এয়ারলাইন্সের অনেক পছন্দ হয়ে যায়। শাকিলের অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি নিয়ে নিজেদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এমিরেটস। এ ছাড়া ছবির পুরস্কার হিসেবে পাকিস্তান থেকে মিলান অবধি সারা শাকিলকে বিনামূল্যে বিমানযাত্রার ব্যবস্থা করে দেয় এমিরেটস।

সারা শাকিলের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ লাইক করেছে এটি।

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক