যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ১৫ Jul, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 02:59am

|   লন্ডন - 09:59pm

|   নিউইয়র্ক - 04:59pm

  সর্বশেষ :

  রক্তের বিনিময়ে হলেও এরশাদের লাশ পল্লী নিবাসেই দাফন করা হবে : রংপুর মেয়র   সব মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একই ডিজাইনের কবর হবে   কংগ্রেসের ভিন্ন বর্ণের নারীদের ‘দেশে ফিরতে’বললেন ট্রাম্প   নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত এরশাদ   ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আসামের মুসলমানরা   ঢাবি ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিকমুক্ত ঘোষণা   মর্মান্তিক: মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ নিহত ৯   কুমিল্লায় আদালতের ভেতর আসামির ছুরিকাঘাতে আসামির মৃত্যু   দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশের তিন চুক্তি স্বাক্ষর   সুইডেনে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯   ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ জয়   এরশাদের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া জানাতে সময় লাগবে বিএনপির   এরশাদের সন্তানরা কে কী করেন?   বৃহস্পতিবার সোহেল তাজের ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণা’   আফগানিস্তান সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে তোলপাড়

স্বদেশ


ঢাবি ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিকমুক্ত ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিকমুক্ত করার ঘোষণা

২০১৯-০৭-১৫ ১৪:৩৮:২৯

বহিঃ বিশ্ব


ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আসামের মুসলমানরা

অনুপ্রবেশকারী আখ্যায়িত হওয়া এবং নাগরিকত্ব নিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ার দুর্ভোগের কারণে ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ভারতের আসামের

২০১৯-০৭-১৫ ১৪:৪৯:৫৫

লস এঞ্জেলেস


হলিউডে যুবলীগের উদ্যোগে জাতির পিতার জন্মদিন পালন

সুবর্ন নন্দী তাপস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামী যুবলীগ এর উদ্দ্যোগে আওয়ামী পরিবারের সবাইকে

২০১৯-০৩-২২ ১৬:১৫:৩৩


নিউইয়র্ক


জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন

বাপসনিউজ : গত ১৭ এপ্রিল যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন করা হয়। দিবসটির সূচনা করা হয় জাতীয় পতাকা

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

নববধূ ঘরে তুললেন মুস্তাফিজ

নিউজ ডেস্ক : বিয়ে অনেকটা চুপিসারে হলেও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করে বউ ঘরে তুলে নিলেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান। আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন হাজার অতিথির আগমনে মুখর ছিল বৌভাত অনুষ্ঠান।

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে উপজেলার গ্রামের বাড়িতে শনিবার দুপুরের বৌভাত অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলেও অতিথিরা আসতে শুরু করেন সকাল থেকে। তবে বিয়ের আনন্দ অনুষ্ঠানেও বরাবরের মতো মিডিয়ার সামনে চুপ ছিলেন মোস্তাফিজ। সুসজ্জিত আসরে বধূ সুমাইয়া পারভীন শিমুকে নিয়ে বসেছিলেন তিনি। তবে কোনো কথা বলেননি। মোস্তাফিজুর রহমানের বাবা আবুল কাশেম গাজী ছেলে ও পুত্রবধূর জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

তেঁতুলিয়া গ্রামে বৌভাতের অনুষ্ঠানে আসেন তিন হাজারের বেশি মেহমান। খাবার টেবিলে ছিল খাসির বিরিয়ানি, গরুর মাংস, দধি ও কোমল পানীয়। সনাতন ধর্মাবলম্বী অতিথিদের জন্য অন্য ব্যবস্থা ছিল।

অনুষ্ঠানে যোগ দেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্তমান সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

গত ২২ মার্চ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার হাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমাইয়া পারভীন শিমুকে বিয়ে করেন মোস্তাফিজুর রহমান। শিমু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। শিমুর বাবা রওনাকুল ইসলাম বাবু মোস্তাফিজুর রহমানের মেজো মামা। মায়ের ইচ্ছায় পারিবারিকভাবে মামাত বোন শিমুকে বিয়ে করেন মোস্তাফিজ।

ইসলামী জীবন

২১ এপ্রিল শবে বরাত

নিউজ ডেস্ক : শনিবার সন্ধ্যায় দেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য রোববার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। আগামী সোমবার থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ২১ এপ্রিল রোববার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

শাবান মাসের ১৫তম রাতে (১৪ শাবান দিবাগত রাত) শবে বরাত পালিত হয়। সেই হিসাবে আগামী ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতই শবে বরাতের রাত। শবে বরাতের পরের দিন বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি।

শাবান মাস শেষেই মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদের আনন্দ বার্তা নিয়ে শুরু হয় সিয়াম সাধনার মাস রমজান। সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী শনিবার বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪০ হিজরির শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।

লাইলাতুল বরাতের পুণ্যময় রাতটি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াতসহ ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে কাটিয়ে থাকেন।

এলএবাংলাটাইমস/ইএল/এলআরটি

প্রবাসী কমিউনিটি

সাংবাদিক গোলাম সাদত জুয়েল বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম বন ও পরিবেশ সম্পাদক মনোনীত

নিউজ ডেস্ক : প্রবাসের নি্উজের সম্পাদক সাংবাদিক কলামিষ্ট গোলাম সাদত জুয়েল কে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন বন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসাবে মনোনিত করা হয়েছে । গত ৩০ জুন ২০১৯ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ড. জাফর ইকবাল, মোঃ সাইদুল আলম আকন প্রতিষ্টাতা ও সিনিয়র সহ সভাপতি ও ড. মোহাম্মদ ফারুক হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি এক স্বাক্ষরিত পত্রে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্ত:ভুক্ত করে যুগ্ন বন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করেন ।

জুয়েল সাদত ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন । ৯৩ সালে সাংবাদিকতা শুরুর সাথে সাথে তিনি জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট ও বঙ্গবনন্ধু পরিষদের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন । ২০০৪ সাল থেকে সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  ও  ২০১৫ থেকে যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিসাবে যুক্ত আছেন । তিনি আওয়ামী লীগের সাইবার টিমের হয়ে কাজ করছেন দীর্ঘদিন থেকে । গত ৩০ ডিসেম্বর এর জাতীয় নির্বচনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার সেলের সাথে যুক্ত ছিলেন । তিনি প্রতি বছর শেখ হাসিনার জাতি সংঘের ভাষন দেবার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আগমন উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্রের অন্যতম লেখক ।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সাম্প্রতিক কালে কিছু সামাজিক ও ধর্মিয় কাজে জড়িত, সেখানেও তিনি জড়িত । বর্তমানে হাজীদের মাঝে তথ্য সম্মৃদ্ব হজ্ব গাইড বিতরন চলছে। দেশের সেরা বুদ্ধিজীবিরা  বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন সংগঠনে সম্পৃক্ত। জুয়েল সাদতের প্রকাশিত গ্রন্থ ৬ টি । আগামী বই মেলা ২০২০ সালে তার আরও তিন টি বই প্রকাশের অপেক্ষায় । তিনি লন্ডন,কানাডা, দুবাই, সৌদিআরব, তাইওয়ান ভ্রমন করেছেন ।

লস এঞ্জেলেস

হলিউডে যুবলীগের উদ্যোগে জাতির পিতার জন্মদিন পালন

সুবর্ন নন্দী তাপস : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামী যুবলীগ এর উদ্দ্যোগে আওয়ামী পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ একাডেমীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে সমবেত হয়েছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ক্যালিফোর্নিয়া শাখা, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী লীগ, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী যুবলীগ, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট মহিলা লীগ ও লস এন্জেলেস সিটি আওয়ামী যুবলীগের নেত্রীবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ।

প্রথমেই ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মিয়া আব্দুর রব বঙ্গবন্ধুর ৯৯ জন্মদিনে তার পরিবারসহ সকলের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট যুবলীগের সভাপতি সূবর্ণ নন্দী তাপসের সভাপতিত্বে ও ভাঃ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মজুমদারের পরিচালনায় এবং লস এন্জেলেস সিটি যুবলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সাধারন সম্পাদক হাবিবুর রহমান ইমরান এর সার্বিক তত্তাবধানে যুবলীগ পরিবারের সকলে মিলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানটি সফল করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সভাপতি তৌফিক ছোলেমান খান তুহিন, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির খান, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহ আলম খান চৌধুরীসহ সকল সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সন্মানিত মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনেকেই অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করেন।
সবশেষে উপস্থিত সকলে মিলে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সমাপ্তি করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এলএ/এলআরটি

বিনোদন


সিডনীতে ঘরানার বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘দ্য বর্মণ’

কাজী সুলতানা শিমি, অস্ট্রেলিয়া : সিডনীর কিশোর কুমার নামে পরিচিত নন্দিত গায়ক জিৎ দাসের মুল পরিবেশনায় গত ২৯শে জুন শনিবার বিকেলে সিডনির ব্লাক টাউনে অনুস্থিত হলো সঙ্গীতানুষ্ঠান

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


বাসায় তৈরি করুন বোরহানি

নিউজ ডেস্ক : অনেকে বোরহানি খেতে খুবই পছন্দ করেন। আবার কোনও কোনও সময় দেখা যায় পছন্দ না করলেও পরিবারের সদস্যদের জন্য বোরহানি আনতে হয় বাইরে থেকে। তবে নিজে এটা

বিস্তারিত


লন্ডন

নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের মতো ‘মুজিবনগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের  ১৭ এপ্রিল শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে মেহেরপুরের আ¤্রকাননে জাতীয় নেতা নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আর তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। সেই দিনের সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনকে তড়ান্বিত করে। বক্তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর করার দাবী এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পু:ননির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা আব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য অধ্যাপক ডা. এম হাবীবে মিল্লাত মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আর এজন্য শুধু আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেলেই চলবে না, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট লোকের ভোট দরকার। কেননা, আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমর্থকদের বাইরেও বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। তাদেরকে নৌকার পক্ষে ভোট দিতে প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর-কামারখন্দ)-এর সদস্য প্রফেসর ডা. হাবীবে মিল্লাত। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্বদ্যিালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. শরাফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. প্রফেসর ওয়াহেদ উল্লাহ বাকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ডা. মাসুদুল হাসান, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বদরুল হোসেন খান ও হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধা বিএম বাকির হোসেন (হিরু ভূইয়া), মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়,  সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ইউএস’র সভাপতি লিপটন এবং নিউইয়র্ক প্রবাসী ও সিরাজগঞ্জের কামারকন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল মজিদ মন্ডল ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিনাত বেগম এবং গীতা থেকে পাঠ করেন গনেশ কির্ত্তনীয়া। এরপর ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দ সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে সঙ্গীত শিল্পী রোকেয়া খানমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও জিনাত বেগম একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া সমিতি ইউএসএ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ডা. হাবীবে ডা. মিল্লাত এমপি-কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভায় ডা. হাবীবে মিল্লাত বলেন, মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ডা. হাবীবে মিল্লাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি উন্নয়নের প্রধান শত্রু। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত না হলে দেশ আবারো পিছিয়ে যাবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজয়ী করার আহবান জানান।

নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

গৃহশিক্ষকের চোখে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের শৈশব

নিউজ ডেস্ক : সৌদি আরবের বিতর্কিত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কিছুদিন আগে পর্যন্তও খুব কম লোকই চিনতেন। কিন্তু ভবিষ্যৎ সৌদি রাজা হিসেবে তার অভিষেক - রক্ষণশীল সৌদি সমাজ সংস্কারের নানা উদ্যোগ, ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ এবং সবশেষ জামাল খাসোগজি হত্যাকান্ড - এগুলোর সাথে তার নাম জড়িয়ে যাওয়ার কারণে সারা বিশ্বের নজর এখন তার দিকে।

কিন্তু কীভাবে বেড়ে উঠেছিলেন এই প্রিন্স সালমান? তার শৈশব সম্পর্কে লোকে কতটুকু জানে?

এর ওপরই খানিকটা আলোকপাত করেছেন বিবিসি আরবি বিভাগের রাশিদ সেক্কাই - যিনি শিশু প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের গৃহশিক্ষক ছিলেন, তাকে ইংরেজি শেখাতেন। সম্প্রতি তিনি বর্ণনা করেছেন তার সেই সময়কার স্মৃতি।

তিনি বলছেন, " সেটা ১৯৯৬ সাল। আমি তখন জেদ্দার নামকরা স্কুল আল-আনজালে পড়াই। তখন রিয়াদের গভর্নর ছিলেন প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ - যিনি এখন সৌদি আরবের বাদশাহ, এবং যুবারাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পিতা।"

"প্রিন্স সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ তখন সাময়িকভাবে তার পরিবার নিয়ে জেদ্দায় এসেছেন, এবং তার দরকার হয়েছিল তার সন্তানদের জন্য একজন ইংরেজির শিক্ষক।"

"তিনি যোগাযোগ করলেন আমি যে স্কুলে পড়াতাম সেই স্কুলের সাথে। তখন আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো রাজকীয় প্রাসাদে। আমার ছাত্র হলেন তার প্রথম বিয়ে থেকে জন্মানো কয়েকজন রাজপুত্র। প্রিন্স তুরকি, প্রিন্স নায়েফ, প্রিন্স খালিদ, এবং প্রিন্স মোহাম্মদ।"

"আমি তখন জেদ্দার একটা উঠতি এলাকায় একটা ফ্ল্যাটে থাকি। প্রতিদিন সকাল বেলা সাতটার সময় একজন শোফার (ড্রাইভার) এসে আমাকে আল-আনজাল স্কুলে নিয়ে যেতো। বিকেলের দিকে স্কুল শেষ হলে এই ড্রাইভারই আমাকে নিয়ে যেতো রাজপ্রাসাদে।"

"প্রাসাদের গেটের কড়া পাহারা পার হয়ে যাবার পর গাড়িটি অনেকগুলো চোখ-ধাঁধানো বাগানওয়ালা ভিলা পার হয়ে রাজকীয় প্রাসাদের সামনে পৌঁছাতো। সামনের নিখুঁতভাবে সাজানো বাগানের পরিচর্যা করছে সাদা পোশাক পরা মালীরা।

"সেখানে একটি কার পার্ক দেখলাম - তাতে দাঁড়িয়ে আছে বহু বিলাসবহুল গাড়ি। একটা গাড়ি দেখলাম গোলাপি রঙের - মনে হলো ওটা একটা ক্যাডিলাক। এই প্রথম আমি নিজের চোখে ক্যাডিলাক দেখলাম।"

"রাজকীয় দুর্গে ঢোকার পর আমাকে স্বাগত জানালেন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি। মধ্যবয়স্ক এই ব্যক্তি প্রিন্স মোহাম্মদের খুবই প্রিয় ছিলেন।"

"প্রিন্স মোহাম্মদকে মনে হলো আমার কাছে পড়ার চাইতে প্রাসাদের রক্ষীদের সাথে সময় কাটানোর ব্যাপারেই তার বেশি আগ্রহ। ভাইদের মধ্যে সে-ই বয়েসে সবচেয়ে বড় হওয়ায় সে যা খুশি তাই করতে পারে - এমনই মনে হতো।"

"বয়েসে ছোট যে প্রিন্সরা, আমি তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতাম। কিন্তু মোহাম্মদ সেখানে হাজির হলেই পরিস্থিতি হয়ে যেতো অন্য রকম।"

"আমার মনে আছে, আমার পাঠদানের সময় মোহাম্মদ একটা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করতো - যা সে রক্ষীদের কোন একজনের কাছ থেকে ধার করেছিল। সে এটাকে ব্যবহার করতো আমাকে নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করার জন্য, তার ভাই এবং প্রাসাদরক্ষীদেরকে জোক শোনানোর জন্য।"

"একদিন মোহাম্মদ বললো, তার মা তাকে বলেছেন যে আমাকে দেখে নাকি 'একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক' বলে মনে হয়। আমি এটা শুনে একটু থতমত খেয়ে গেলাম। কারণ আমার মনে পড়ে না যে কখনো আমি তাকে দেখেছি, যেহেতু সৌদি রাজপরিবারের মেয়েরা অপরিচিতদের সামনে আসে না। প্রাসাদে একমাত্র নারী যাকে আমি দেখেছিলাম, সে একজন ফিলিপিনো আয়া।"

"আমাকে যে কেউ দেখছে এ ব্যাপারটা আমি আগে বুঝতে পারি নি। কিন্তু সৌদি সিংহাসনের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী তখন আমাকে দেয়ালে লাগানো কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা দেখালেন। তার পর থেকে পড়ানোর সময় আমি আত্মসচেতন হয়ে গিয়েছিলাম।"

"কিছুদিনের মধ্যেই মোহাম্মদ এবং তার ভাইদের আমার বেশ পছন্দ হয়ে গেল। তারা ছিল রাজপুত্র, এবং তাদের জগত ছিল অর্থ-বিত্ত-বিলাসে ভরা। কিন্তু তাদের সাথে আমার স্কুলের ছাত্রদের বিশেষ কোন তফাৎ ছিল না। তাদের জানার আগ্রহ ছিল কিন্তু খেলাধূলা করতেই বেশি ভালোবাসতো।"

"একদিন প্রাসাদের পরিচালক মানসুর আল-শাহরি আমাকে বললেন ভবিষ্যৎ রাজার সাথে দেখা করতে। কারণ তিনি তার সন্তানদের শিক্ষায় কতটা অগ্রগতি হলো তা জানতে চান।"

"আমি ভাবলাম, প্রিন্স মোহাম্মদের দুষ্টামির ব্যাপারে কিছু করার এটা একটা সুযোগ হলো।"

"আমি প্রিন্স সালমানের অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। আমার পাশে দাঁড়ানো ছিলেন যুবরাজদের অন্যান্য শিক্ষকরা। মনে হলো, প্রাসাদের আদবকায়দা সম্পর্কে আমার চাইতে তারা বেশি ওয়াকিবহাল।"

"প্রিন্স সালমান আসার সাথে সাথে তারা উঠে দাঁড়ালেন, এবং আমি দেখতে লাগলাম কিভাবে তারা রিয়াদের গভর্নরের সামনে মাথা নত করলেন, তার হাতে চুমু খেলেন, দ্রুতগতিতে প্রিন্সদের নিয়ে কিছু কথা বললেন এবং সামনে এগিয়ে গেলেন।"

"যখন আমার পালা এলো - আমি তাদের মতো মাথা নত করতে পারলাম না। আমি কখনো এটা করি নি। আমি আমার হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং ভবিষ্যৎ রাজার সাথে করমর্দন করলাম।"

"আমার মনে আছে প্রিন্স সালমানের মুখে ফুটে ওঠা বিস্ময়সূচক মৃদু হাসির কথা। কিন্তু তিনি ব্যাপারটা উপেক্ষা করেছিলেন।"

"আমি তার সাথে কথা বলার সময় প্রিন্স মোহাম্মদের কথা তুলিনি। কারণ ততক্ষণে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে আমি এ কাজ ছেড়ে দেবো এবং যুক্তরাজ্যে ফিরে যাবো।"

"পরে মি. আল-শাহরি আমাকে রাজকীয় আদবকায়দা পালন করতে ব্যর্থ হবার জন্য আমাকে অনেক বকাঝকা করেছিলেন।"

"আমার ছাত্রদের মধ্যে প্রিন্স মোহাম্মদ ছাড়া প্রিন্স খালিদ - যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি রাষ্ট্রদূত হয়েছেন। তবে অন্য প্রিন্সরা জনসমক্ষে ততটা পরিচিত নন।"

"সৌদি রাজপুত্রদের শিক্ষাদানের এই সময়টা ছিল আমার জীবনের একটা অনন্য পর্ব।"

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


শিশুদের কার্টুনের আসক্তি দূর করতে যা করবেন

নিউজ ডেস্ক : এখনকার শিশুরা কার্টুন দেখতে খুব পছন্দ করে। তবে এটা আসক্তির পর্যায়ে গেলে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো কার্টুন না চালালে তারা

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

লাইভ নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে ফেসবুক

নিউজ ডেস্ক : কোনো সরকার পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ফেসবুক নিজেই লাইভ স্ট্রিমিং বা সরাসরি ভিডিও প্রচারের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে।

সিডনি মর্নিং হেরাল্ড এর প্রতিবেদন মতে, গত মাসে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষিতে ফেসবুক কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে এর নীতিমালায়। যেসব ফেসবুক ইউজার ঘৃণা প্রচারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের নিয়ম ভঙ্গ করেছে তাদেরকে চিরদিনের জন্য লাইভ ভিডিও প্রচারের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ করা হবে। ফলে যারা ফেসবুককে ব্যবহার করে চরমপন্থী সহিংসতা উস্কে দিতে চায় তারা আর ফেসবুক লাইভে আসতে পারবে না।

সরাসরি খুনের ঘটনার ভিডিও প্রচার বন্ধে ফেসবুকের সঙ্গে চলতি মাসের শেষের দিকে আলোচনায় বসার কথা রয়েছে সরকারের। তার আগেই ফেসবুক এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

অস্ট্রেলিয়া সরকার এই বিষয়ে সামাজিক গণমাধ্যমগুলোকে জরিমানার বিধান রেখে একটি আইন করেছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার গুগল এবং টুইটারের সঙ্গেও এ বিষয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছে। চরমপন্থা উস্কে দিতে পারে এমন কোনো কন্টেন্ট ভাইরাল হওয়ার আগেই সেগুলো আটকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ওদিকে, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সোমবার দেশটির আদালতে ৬ জনকে বিচারের কাটগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।

এই অপরাধে আদালত তাদেরকে সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারে।

সুস্থ থাকুন

ফল খাওয়ার পর পানি পান করা কি ঠিক?

নিউজ ডেস্ক : প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান জরুরি।এছাড়া এ সময় শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে রসালো সব ফলও খেতে পারেন। পানি এবং রসালো ফল দুটিতেই প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও পুষ্টি রয়েছে যা শরীরের শক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।তবে প্রশ্ন হচ্ছে ফল খাওয়ার পর পরই পানি পান করা ঠিক কিনা?

প্রচলিত ভাষায়, ফল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি পান করলে পাকস্থলীর গতি বাঁধা প্রাপ্ত হয়। কারণ অনেক ফলে ফ্রুকটোজ থাকে। ফল খেয়ে পানি পান করলে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদনের জন্য পাকস্থলীতে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়, এতে পেটে গ্যাসের পরিমাণ বাড়ে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তরমুজের মতো ফল খেয়ে পানি পান করা ঠিক নয়।কারণ এটি ধীরে ধীরে শোষণ হয় এবং গ্যাস তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়। যাদের পাকস্থলী তুলনামুলকভাবে স্পর্শকাতর তারা এই ফলটি খাওয়ার পর পানি খেলে অস্বস্তি বোধ করেন। এমনকী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায়ও তরমুজ বা যেসব ফলে পানির পরিমাণ বেশি থাকে সেগুলি খাওয়ার পর পানি না পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কিছু বিশেষজ্ঞর মতে, কলা খাওয়ার পর পর পানি খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তাদের ভাষায়, কলায় থাকা উপাদানের সঙ্গে পানির মিল থাকায় হজমে সমস্যা তৈরি হয়।

এছাড়া সাইট্রাস জাতীয় ফল যেমন-কমলা, আঙুর, জাম্বুরা, লেবু ইত্যাদি খাওয়ার পরও পানি না পান করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, প্রচুর পানিযুক্ত ফল খাওয়ার পর পানি পান করলে শরীরে পি এইচ ভারসাম্যে সমস্যা হয় এবং হজমে সমস্যা তৈরি করে। এ কারণে বেশিরভাগ ফল খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা পর পানি পান করা উচিত।

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

তরুণ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফেসবুক, ইউটিউব এবং গুগল ব্যবহার করে

নজরুল ইসলাম তোফা : বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতেই একটি আলোচিত বিষয় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার। এমন ব্যবহারে সফলতার দিক যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি ক্ষতির সম্মুখীনও হচ্ছে মানুষ। তরুণ প্রজন্মরা বাবা মাকে ধোঁকা দিয়ে ডুবে থাকছে নিজস্ব স্মার্টফোনের ফেসবুকে। স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়েই নির্জন স্থানে বা চায়ের দোকানে অথবা পছন্দ মতো কোনো পার্কের বসে স্মার্টফোনেই খেলছে গেমস বা ব্যবহার করছে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুক ও গুগল।
'ইউটিউব এবং গুগলে' আপত্তিকর ভিডিওতে তারা আসক্ত হয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও নষ্ট করছে। আসলে বিনা প্রয়োজনে অজস্র তরুণ প্রজন্মরা সময় নষ্ট ও আপত্তিকর ভিডিও দেখেই এক ধরনের উগ্রতা সৃষ্টি করে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে লেখা পড়ার মারাত্মক ক্ষতির পাশাপাশি সামাজিক মূল্য বোধেরও অবক্ষয় ঘটছে বলা যায়। সৌখিনতা পূরণ করতে গিয়ে অভিভাবক যেন নিজ সন্তানদের হাতে অজান্তে তুলে দিচ্ছে স্মার্ট ফোন। কোমলমতি এই শিক্ষার্থীরা এমন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারেই হারিয়ে ফেলছে সৃৃৃজনশীলতা এবং বাড়ছে উগ্রতা। বলতেই হয় যে, সারা বিশ্বের মানুষদের মাঝে বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্য ছড়িয়ে দিলেও তৈরী কৃত ব্যক্তির পরিবার এর ক্ষেত্রে এসবের ভূমিকাটা ছিলো একেবারেই উল্টো। তাদের উঠতি বয়সের সন্তান'রা কোনো ভাবেই যেন প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসতে না পারে। সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করেছিল এই প্রযুক্তি বিশ্বের 'দুই দিকপাল'।২০১১ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া একটি বৃহৎ সাক্ষাৎকারে স্টিভ জবস বলে ছিল, তাঁর সন্তানদের জন্য আইপ্যাড ব্যবহারে একেবারেই নিষিদ্ধ।

শহরের ছেলে-মেয়েদের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে তরুণ প্রজন্মের বহু ছেলেমেয়েরাও এখন মোবাইল ফোনে ফেসবুুক, ইউটিউব ও গুগলে প্রবেশ করে খুব মজা করছে। তবে এই মজার মধ্যে তারা শুধু যে সীমাবদ্ধ থাকছে তা নয়। তারা রাতদিন নেটে গেমস খেলছে। বলা যায় যে, এ মজার আনন্দ গ্রামের চেয়ে শহরেই অনেক বেশী। এক পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে গ্রামের তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা সন্ধ্যায়, অন্ধকার পরিবেশে একটি নির্জন স্থানে জটলা হয়ে খুুব পাশাপাশি বসে নিজস্ব মোবাইলে গেম খেলার পাশা পাশি ফেসবুুক, ইউটিউব বা গুগলে কু-রুচি পূর্ণ ভিডিও চিত্র দেখেই যেন আনন্দ উপভোগ করছে। জানা দরকার যে এই দেশের মানুষদের সুযোগ সুবিধা জন্যে এ সরকার ৯ কোটির বেশিই ইন্টারনেট সংযোগ দিয়েছে। বর্তমান সরকারের তথ্য যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের হিসাবে ফেসবুক ব্যবহার করছে প্রায় ৩ কোটি মানুষ। এমন
ইন্টারনেট সংযোগে সকল জনগণকে সচেতন করে দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা তা অপব্যবহার করে 'চিন্তা চেতনার অবক্ষয়' যেন নিজ থেকেই সৃষ্টি করছে। এই বাংলাদেশের সচেতন কিংবা অসচেতন ফেসবুক ব্যবহারকারীর শতকরা তিরানব্বই ভাগের বয়সই হচ্ছে ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে। সুুতরাং এ বিশাল জন গোষ্ঠী "ফেসবুকের সঙ্গে সম্পৃক্ত" হয়েই সামাজিক পরিবর্তন লক্ষ্য করাও যাচ্ছে। পক্ষান্তরে, এমন তরুণরা মিথ্যা গুজব এবং অপপ্রচার চালিয়ে অসচেতন জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। পড়া শোনাকে নষ্ট করে বিশাল এক তরুণ গোষ্ঠী ফেসবুকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে এবং রাজনৈতিক চেতনার নামেই যেন ছোট বড় গোষ্ঠী সৃষ্টি করে সহিংসতার দিকে ধাবিত হচ্ছে।

বাবা-মা তাদের সন্তানদেরকে ভালোবাসে, সন্তানের ছোট বড় সৌখিন চাহিদাও পুুরণ করে থাকে। কিন্তু-ছেলেমেয়েদেরকে যেন সখের মোবাইল ফোন কিনে দিয়ে অজান্তে ভবিষ্যত নষ্ট করছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ব্যাপারে কোনো ধরনের বিকল্প পথে সুযোগ রয়েছে কি নেই তা জানা নেই। তবে এই ব্যাপারে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বি টি আর সি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বি টি আর সির কোনো সক্ষমতা নেই। তবে সরকার বা বিটিআরসি 'ফেসবুককে অনুরোধ' করতে পারে। ফেসবুক ব্যবসা করতে এই দেশে এসেছে। ফেসবুক কতৃৃপক্ষ বলেন যে ১৮ বছরের নিচের ছেলেমেয়েরা তাদের গ্রাহক। আবার ৬৫ বছরের সকল মানুষরাও একই ধরনের গ্রাহক। ফেসবুক কিন্তু সব অভিযোগ বিবেচনায় নিতে বাধ্য নয়। ফলে, প্রযুক্তিতে ভালোর চেয়ে দিনে দিনে খারাপের দিকেই যেন ঝুঁকে পড়ছে তরুণ প্রজন্ম। গবেষকদের এক সিদ্ধান্ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন অতিমাত্রায় বিচরণের ফলে মাদকাসক্তির মতো খারাপ ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছে।
অনৈতিক অবক্ষয় থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। কোমলমতী বহু ছেলে ও মেয়েদের আচার আচরণের পরিবর্তনও হচ্ছে। আবার এও দেখা যায় যে "হাতে মোবাইল পেয়ে" তারা ঠিক মতো বাসাতেই থাকতে চায় না। উড় উড় মন, লেখাপড়াতে মনযোগ দিতেই চায় না। পড়ার টেবিলে, ঘুমের ঘরে এমন কি খেতে বসেও ফোন চালাতে দেখা যায়। এক কথাতে আসি, যখনই তাদের দেখা যায়, ঠিক তখনই তাদের হাতে ফোন নামক যন্ত্রটি থাকা চাই। বয়ঃসন্ধি কালে পৌঁছার আগে ছেলে মেয়েরা যেন বহু নোংরা কাজে লিপ্ত হচ্ছে। মোবাইলে আসক্ত হয়েও তারাই প্রকাশ্য দিবালোকে অন্যদের মারপিট, খুন, গুম কিংবা ধর্ষণ করছে।

তরুণ প্রজন্মের সব ছেলেমেয়েরা তাদের মোবাইলে গেমের পাশা পাশি ইন্টারনেটেও অনেক বেশি সময় কাটাচ্ছে সেহেতু তাদের মস্তিষ্কেও নাকি রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটছে। এ আসক্তিতে তাদের মধ্যে হতাশা এবং উদ্বেগও সৃষ্টি হচ্ছে। এই বিষয়ের প্রতি অবজ্ঞা না করে তাদের প্রতি কঠিন দৃষ্ট দিতে হবে। সুতরাং-গ্রাম হোক আর শহরই হোক না কেন, বাবা মা এবং তাদের বড়দের উচিৎ ঘরে-বাহিরে তারা কি করছে। রাত্রি বেলা না ঘুমিয়ে গেম খেলছে কিনা। লেখাপড়া শেষ করে রাত ১০টায় ঘুমিয়ে পড়ত যারা তারা রাত ১২টা বা এক টাতেও ঘুমাতে যায় না। ঘুমানোর ঘরে বালিশের নিচেই রাখে ফোন। সারাক্ষণই ফোন আর ফোন। গবেষকদের গবেষণায় জানা যায় যে, ঘুমের আগেই মোবাইলের 'ডিসপ্লের আলোক রশ্মি' ঘুমের হরমোনকে নাকি অনেক বাধা সৃষ্টি করে থাকে৷ তাই মা বাবাদের প্রতি গবেষকদের পরামর্শ হলো:- ঘুমের আগে যদি সন্তানকে এই ধরনের প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসতে দেওয়া হয় তা হলে খুব ক্ষতি হবে। অবশ্যই সন্তানদেরকে 'অহেতুক অথবা অকারণে' এ ধরনের ইলেকট্রোনিক্স যন্ত্র ব্যবহারে বাধা দেওয়া প্রয়োজন। ঘুম না হলে অসুস্থভাবে বেড়ে ওঠা সকল কমলমতি তরুণ তরুণীদের বহু ক্ষতি হয়। পরিপূর্ণ ঘুম না হলে যে তাদের অমূল্য সম্পদ 'স্মৃতি শক্তির স্বাভাবিকতা' বিনষ্ট হবে। সুতরাং সঠিক সময়েই যথাযত কাজের সমন্বয়েই সন্তানদের গড়ে তোলা দরকার।

জানা যায় যে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, ১৩ বছরের নিচে "ফেসবুক আইডি" খুলতে পারবে না। কিন্তু এই চোতুর ছেলে মেয়েরা বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের ভোটার আইডি দিয়ে 'মোবাইল সিম' ক্রয় করে নিজ বয়স বাড়িয়ে ফেসবুক আইডিও খুলে ফেলছে। '১৮ বছর' বয়সের নিচে ৬৫ ভাগ ছেলেমেয়েরা ফেসবুক ব্যবহার করছে। ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ সব 'মুঠোফোন বা ইলেকট্রোনিক্স' যন্ত্রের মতো- বহু বদঅভ্যাসকেই চিহ্নিত করে তাকে পরিহার করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার চাইলে ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় ব্রাউজার তৈরি করে সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অবশ্যই বিটিআরসি ইচ্ছা করলে এ ফেসবুকের ওপরে বয়স ভেরিফিকেশন করতে পারে। এই দেশের সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ করে ভবিষ্যত প্রজন্মকেই ভালো জায়গায় পৌঁছাতে হবে। সুতরাং বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে 'চীনের মতো ব্রাউজার' তৈরি করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলেই মনে করছেন আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। এই ব্যাপারে আমাদের দেশে তেমন কোনও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেই বলেই জানান আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। আরও বলেন যে:- ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব-সহ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি আসার আগে সেটি সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা দেয়া হচ্ছে না তরুণদের। এজন্যই সমাজ ও কালচার রক্ষা করতে হলে ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব বা টিকটকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।


লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও প্রভাষক।

টুকিটাকি খবর

ভারতের নির্বাচনে গরু নিয়ে গোঁয়ার্তুমি

নিউজ ডেস্ক : ভারতে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর এখন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরেও জাতীয়তাবাদের প্রতীক বলতে সবার মুখে একটাই নাম ‘গো-মাতা’। কীভাবে ছড়াচ্ছে এই চিন্তা?

আগে ছিল রাম
নব্বইয়ের দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রতীক বা আদর্শিক মূলে ছিল অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের প্রকল্প, যাকে ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে শক্তিশালী হতে থাকে ভারতীয় জনতা পার্টি, বিজেপি। এখন রাম মন্দির নির্মাণের আন্দোলন মূলস্রোতের রাজনীতিতে হারিয়ে গেলেও তার জায়গা নিয়েছে ‘গো-রক্ষা’ ও ‘গো-মাতা’র মতো নতুন ইস্যু।

গরুর গুরুত্ব
সনাতনধর্ম প্রচলনের বহু আগে থেকেই দক্ষিণ এশিয়ায় গবাদি পশু ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ধার্মিক আচারের মধ্যে এই প্রাণীর পবিত্রতার কথা উল্লেখ থাকায় ভারতে তার গুরুত্ব বেড়েছে কয়েকগুণ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসবে গরুকে আরাধ্য হিসাবে দেখা হয়। গরুর বহু গুণের জন্য তাকে অনেকে পুজো করেন ‘মাতা’ হিসাবে।

গরু বাঁচাতে যা হলো...
২০১৪ সালে যখন বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের নির্বাচনি ইশতাহারের অনেকটা জুড়ে ছিল ‘গো-রক্ষা’র প্রচার। বলা হয়েছিল যে, ক্ষমতায় আসলে প্রতিটি রাজ্যে গো-রক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। গো-মাংস ভক্ষণ করে যারা, তাদের হাত থেকে ‘গো-মাতা’কে বাঁচাতে বেশ কয়েকটি রাজ্যে তা গঠিতও হয়েছে।

গরুর জন্য খুন!
২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গো-রক্ষার নামে ভারতে এখন পর্যন্ত ২৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন প্রাণও হারিয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে, গরুকে বাঁচানোর নামে কি তবে ভারতে চলছে মানুষ মারার উৎসব? শুধু তাই নয়, যারা হিন্দু নন তাদের বিরুদ্ধে হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা গো-মাংস ভক্ষণের অভিযোগ তুলছে, যা হিন্দুত্ববাদীদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে বলে জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের ‘গো-রক্ষা বাহিনী’র সদস্য কমল।

নিষিদ্ধ গো-মাংস
২০১৪ সালে সরকার গঠনের পর ভারতীয় জনতা পার্টি ভারতের একাধিক রাজ্যে গো-মাংস নিষিদ্ধ করে। একই সাথে রাজ্যগুলিতে বাড়তে থাকে বিভিন্ন গো-রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা, যারা প্রায়ই গো-রক্ষার নামে সংখ্যালঘু মানুষদের নানাভাবে হেনস্থা করে। উল্লেখ্য, গো-মাংস ভক্ষণ নিষিদ্ধ হলেও বর্তমানে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গো-মাংস রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় দ্বিতীয়।

আইন বড়, না গরু?
নরেন্দ্র মোদী একটি কমিটি গঠন করেন, যার উদ্দেশ্য ভারতের আদি নিবাসী যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা, তা প্রমাণ করা। এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের আধিকারিক অভিনব প্রসূন বলেন, ‘‘এটি রাজনৈতিক বিষয়।’’ এভাবেই হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীদের তালে তাল মিলিয়ে বদলাচ্ছে আইন, সরকারি কর্মসূচি। গো-রক্ষা থেকে হিন্দুত্ববাদী কমিটি- সবখানেই স্পষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা। গরু হয়ে উঠছে জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের প্রতীক।

ভোটের বাজারে গরু
ভারতে গো-রক্ষার নামে যে সহিংসতা চালু হয়েছে গত কয়েক বছরে, তা সবারই জানা। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীত্ব লাভ করেছেন এমন দু’জন ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে গো-রক্ষার নামে মানুষ খুনের অভিযোগ! গরুকে জাতীয়তাবাদের প্রতীক বানিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভয়ের পরিবেশ। কিন্তু এবারও কি নির্বাচনে গো-রক্ষার জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে?

এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক