যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 03:25pm

|   লন্ডন - 10:25am

|   নিউইয়র্ক - 05:25am

  সর্বশেষ :

  ১১ সপ্তাহ লকডাউনের পর উন্মুক্ত উহান   যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৯৭০ জনের প্রাণহানি   ‘ওয়াইএমসিএ’র ছাঁটাইকৃত কর্মীদের চাকরির ঘোষণা দিলেন লস এঞ্জেলেস মেয়র   করোনা ঠেকাতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার নিয়ম করল সান বার্নার্ডিনো কাউন্টি   করোনায় কমেছে লস এঞ্জেলেসের সকল প্রকার অপরাধঃ এলএ পুলিশ চীফ   কভিড-১৯; লস এঞ্জেলেসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৯; আক্রান্ত ৬ হাজার ৯১০   গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা লকডাউন   বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি   পুলিশের মহাপরিদর্শক হচ্ছেন বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক মামুন   করোনাভাইরাস: বিশ্বব্যাপী সুস্থ হয়ে উঠেছে ৩ লাখ মানুষ   ফ্রান্সে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো   নিউইয়র্কে মর্গে জায়গা নেই, ফ্রিজে লাশ রাখার সিদ্ধান্ত   সিঙ্গাপুরে একদিনে ৪৭ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত   বিশ্বনবীর মিম্বর থেকে করোনা নিয়ে যা বললেন শাইখ সুদাইস   এখন থেকে লস এঞ্জেলেসের যে কোন বাসিন্দা করোনা টেস্ট করাতে পারবে

CORONAVIRUS OUTBREAK

Los Angeles

6,910

Cases

169

Deaths

California

17,614

Cases

450

Deaths

USA

400,412

Cases

12,854

Deaths

স্বদেশ


পুলিশের মহাপরিদর্শক হচ্ছেন বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক মামুন

পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ এবং র‌্যাবের

২০২০-০৪-০৭ ১৮:৪১:৪১

লস এঞ্জেলেস


করোনার এই দুঃসময়েও আপনাকে চাকরি দিতে খুঁজছে যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা বিশ্ব জুড়ে এখন চলছে প্রাণঘাতী করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ। আর এতে করে বেড়ে গেছে বেকারত্ব। 


আর্থিক মন্দার এই সময়ে চাকরি

২০২০-০৪-০৬ ২৩:০৫:৩৬


নিউইয়র্ক


করোনা: নিউইয়র্কে বাংলাদেশি চিকিৎসকের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক : নিউইয়র্কে চলছে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রেখে কাজ করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


ফ্রান্সে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো

নিউজ ডেস্ক : চতুর্থ দেশ হিসেবে ফ্রান্সে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। ফ্রান্সে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১ হাজার ৪১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

ফের কন্যা সন্তানের বাবা হচ্ছেন সাকিব আল হাসান

নিউজ ডেস্ক : ফের বাবা হচ্ছেন বাংলাদেশ সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।

২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী উম্মে আহমেদ শিশিরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সাকিব।

এর প্রায় ৩ বছর পর ২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর শিশিরের কোলজুড়ে আসে আলাইনা হাসান অব্রি। এরও চার বছর পর দ্বিতীয়বার পিতৃত্বের স্বাদ নিতে যাচ্ছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

মঙ্গলবার ফেসবুকে আদরের কন্যা অব্রির একটি ছবি পোস্ট করে সাকিব লিখেছেন ‘বড় বোনের দায়িত্ব’। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, অব্রির হাতে একটি ছোট বাচ্চার জামা। তাতে লেখা, বাসায় স্বাগতম।

এখন পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে আছেন সাকিব। করোনাভাইরাসের কারণে গেল মাসে মার্কিন মুলুকে পা রাখেন তিনি। তবে বিমান যাত্রা করায় টানা ১৪ দিন স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন টাইগার অলরাউন্ডার।

নিউইয়র্কের একটি হোটেলে ২ সপ্তাহ কাটানোর পর স্ত্রী-সন্তানের কাছে ফেরেন সাকিব। আর কোয়ারেন্টিন থেকে ফিরেই সুসংবাদ দিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় বর্তমানে সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ আছেন সাকিব। আইসিসির দেয়া এক বছরের নিষেধাজ্ঞার খড়গ ঝুলছে তার ওপর। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী অক্টোবরের শেষদিকে তা উঠে যাবে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এস

ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে মসজিদে জামাতে অংশ নেয়া নিষিদ্ধ

নিউজ ডেস্ক : মসজিদে না গিয়ে মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাখাওয়াৎ হোসেন সাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধু মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমরা মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করবেন। কোনো মুসল্লি মসজিদে গিয়ে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।

এতে বলা হয়, ভয়ানক করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদের ক্ষেত্রে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম ছাড়া অন্য সব মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসায় নামাজ আদায় করতে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ অনধিক পাঁচ জন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। বাইরের মুসল্লি মসজিদে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।

অন্য ধর্মের অনুসারীদেরও উপাসনালয়ে জমায়েত না হয়ে নিজ নিজ বাড়িতে প্রার্থনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক আচার  অনুষ্ঠানেও সমবেত না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সারাদেশে ওয়াজ মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলীগি তালীম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইএল

প্রবাসী কমিউনিটি

সিঙ্গাপুরে একদিনে ৪৭ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত

নিউজ ডেস্ক : সিঙ্গাপুরে আরও ৪৭ বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

এ নিয়ে সিঙ্গাপুরে ১১৫ বাংলাদেশির করোনায় আক্রান্তের তথ্য জানা গেল।

গত কয়েক দিন ধরে সিঙ্গাপুরে করোনায় বাংলাদেশিদের আক্রান্তের হার বেড়েছে। এদের অধিকাংশই এস১১ ডরমেটরি ও তোহ গুয়ান এলাকার ওয়েস্টলাইট ডরমেটরিতে থাকতেন। আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় রোববার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই দুই ডরমেটরিতে থাকা ২০ হাজার শ্রমিককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে ১০৬ জনের করোনায় আক্রান্তের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি। আক্রান্ত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৩২ জন লং টার্ম পাসধারী এবং ১৫ জন শ্রমিক। এদের অধিকাংশই শ্রমিকদের ডরমেটরিতে থাকতেন।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

লস এঞ্জেলেস

করোনার এই দুঃসময়েও আপনাকে চাকরি দিতে খুঁজছে যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সারা বিশ্ব জুড়ে এখন চলছে প্রাণঘাতী করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ। আর এতে করে বেড়ে গেছে বেকারত্ব। 


আর্থিক মন্দার এই সময়ে চাকরি হারিয়েছেন অনেকে। কাউকে করা হয়েছে প্রত্যাহার। বেতন দিতে পারবেন না এই ভয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান আবার তার কর্মীদের ছাঁটাই করে দিচ্ছে। 

আন্তর্জাতিক এই দুর্যোগে তাই বৃদ্ধি পেয়েছে বেকারত্ব। বৃদ্ধি পেয়েছে চাকরি না পাওয়ার সম্ভাবনা। 

আর দুর্যোগের এই সময়ে আপনাকে চাকরি দিতে, আপনার চাকরি পেতে সহায়তা করছে দুটি ওয়েবসাইট। তাই বেকারত্ব ঘুচাতে বা চাকরি পেতে ঘুরে আসতে পারেন ওয়েবসাইট দুটিতে। 

https://www.indeed.com/career-advice/coronavirus-job-resources?From =here_to_help   

আর অন্যটি হচ্ছে https://www.andro.ai/

আশা করি খুব দ্রুত আপনার বেকারত্ব ঘুচে যাবে। 


/এলএ বাংলা টাইমস/   

বিনোদন


অসহায় মানুষের পাশে ‘ইত্যাদি’ পরিবার

নিউজ ডেস্ক : করোনা সংকটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জনপ্রিয় টিভি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ পরিবার। হানিফ সংকেতের নেতৃত্বে অসহায় মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


ঘরেই তৈরি করুন আপেলের চাটনি

নিউজ ডেস্ক : কাঁচা আম, জলপাই, তেঁতুল, বড়ই এসবের চাটনি হয়তো খেয়েছেন। কিন্তু মিষ্টি ফল আপেলের চাটনি কি কখনও খেয়েছেন? মুখের রুচি বাড়তে আপেলের চাটনির তুলনা হয় না। সকালের

বিস্তারিত


লন্ডন

যুক্তরাজ্যে করোনায় মৃতের গণকবরে সমাহিত করা হতে পারে!

নিউজ ডেস্ক :

ইউনিভার্সিটি অফ হডার্সফিল্ড এর গবেষকদের একটি দলের অভিমত, প্রাণহানীর ঘটনা বৃদ্ধি পেলে তা মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের পরিষেবাগুলি ভালোভাবে প্রস্তুত নয়। তারা বলছেন, করোনাভাইরাসের মহামারীতে (পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মৃতদেরকে গণকবরে কবর দিতে বাধ্য হতে পারে।

তারা পূর্বাভাস দিয়েছেন যে কোভিড-১৯-এ সংক্রামিতদের মধ্যে মৃত্যুর হার যদি এমনকি ১ শতাংশ পর্যন্তও পৌঁছে যায় তবে দাফন সংক্রান্ত পরিষেবাগুলি ব্যাহত হতে পারে। মৃত ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট দেয়া, জানাজার পরিষেবা প্রদান এবং এমনকি কবরের স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

তাদের অভিমত,সীমিত কবরস্থানও একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। যার ফলে গণকবরের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছ।

গবেষক ড. জুলিয়া মেটন, ড. আন্না উইলিয়ামস এবং  হেলেন-মেরি ক্রুগার স্বীকার করেছেন যে, এটি 'অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়। এটা অনেক সম্প্রদায়ের মন খারাপ ও ক্রুদ্ধতার বিষয় হবে'। তারা বলছেন,  গণকবরের বিষয়টা ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির বিষয় হয়ে দাড়াবে।

সম্প্রতি বার্মিংহাম বিমানবন্দরের একটি অংশকে কমপক্ষে ১,৫০০ মৃতদেহের জন্য অস্থায়ী কবরস্থানে পরিণত করার কাজ শুরু হয়েছে। এই ঘটনার পর এ ধরনের বিবৃতি আসলো।

এদিকে ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশ জানিয়েছে, মহামারীর বিস্তার যেহেতু বাড়ছে তাই কবর দেয়ার 'সক্ষমতা সম্প্রসারণের সুযোগ' বাড়াতে হবে।


এম/এইচ/টি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

সৌদিতে বাংলাদেশিদের খাবার সরবরাহ করবে কনস্যুলেট

নিউজ ডেস্ক : বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবেও এর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে দেশটির ৯ শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অসংখ্য শ্রমিক। এ অবস্থায় দেশটির বিভিন্ন শহরে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন। তাদের সহযোগিতা করবে দেশটির জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট।

এ বিষয়ে কাউন্সেলর ও কার্যালয় প্রধান মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভুঁঞা জানান, দেশটিতে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় কনস্যুলেট থেকে সোমবার (০৬ এপ্রিল) একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।  এতে উল্লেখ করা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হওয়ার কারণে জেদ্দা ও পশ্চিমাঞ্চলে যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন এবং প্রকৃতপক্ষে বিশেষ কষ্টের মধ্যে আছেন, বিশেষ করে কর্মহীন হয়ে পড়ায় প্রচণ্ড আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, তাদের বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এজন্য পাসপোর্ট কপি ও ইকামার কপি এবং টেলিফোন নম্বর দিয়ে কনস্যুলেট বরাবর সাহায্য চেয়ে আবেদন করলে ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া কনস্যুলেটের অফিসিয়াল টেলিফোন নম্বরে (012-6878465, 012-6894712 ও 012-6817149) রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ফোন করে কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে আবেদন জানানো যাবে। কারণ, করোনাভাইরাসের ভয়াবহ বিস্তার রোধে সৌদি সরকারের নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের অবস্থানকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত কনস্যুলেটে না আসার জন্য অনুরোধ করা হয়।

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আপদকালীন এই সময়ে বিদেশে অবস্থানরত কর্মীদের সাহায্য করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি দূতাবাস সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে এই বরাদ্দ দিয়ে।

এদিকে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী রিয়াদ ও প্রধান শহর জেদ্দাসহ ৯ শহরে ২৪ ঘণ্টার কারফিউ জারি করেছে সৌদি সরকার। বাকি শহরগুলো হলো- তাবুক, দাম্মাম, দাহরান, হুফুফ, তায়েফ, কাতিফ ও খোবারে। এর আগে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঢল ঠেকাতে সৌদি আরবের দুই পবিত্র নগরী মক্কা ও মদীনাতে কারফিউ জারি করা হয়।

কারফিউ অমান্য করলে পাবলিক প্রসিকিউশন হিসেবে প্রথমে ১০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। এছাড়া কারফিউর মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমের ছবি তোলা বা ভিডিও করা হলে ৫ বছরের জেল এবং ৩০ লাখ রিয়াল জরিমানা করা হবে।

তবে একান্ত জরুরি চিকিৎসাসেবা, খাদ্যদ্রব্য কেনাকাটা ও ব্যাংকিং সেবার জন্য যার যার নির্দিষ্ট বসতি এলাকার ভেতরে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিতভাবে (সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে) বের হওয়া যাবে। এজন্য কেবল প্রাপ্তবয়ষ্করা বাড়ি থেকে বের হতে পারবেন। বাইরে যেতে হলে প্রতি গাড়িতে চালকসহ আরেকজন অর্থাৎ মাত্র দুজন থাকতে পারবে।

মুদি দোকান, ফার্মেসি, ফিলিং স্টেশন, ব্যাংক, গ্যাস স্টেশন, সার্ভিস অ্যান্ড মেইন্টেন্যান্স প্রতিষ্ঠান, প্লাম্বিং- ইলেক্ট্রিক- এসি টেকনিশিয়ানের কাজে নিয়োজিত ও পানি সরবরাহের কাজে নিয়োজিত কোম্পানিগুলো কারফিউ আওতার বাইরে থাকবে। এছাড়া ওইসব শহরে সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশটিতে ২ হাজার ৬০৫ জনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩৮ জন। এছাড়া এ পর্যন্ত ৫৫১ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন বলেও দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এমই

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


মাস্ক ব্যবহারের নিয়ম-কানুন

নিউজ ডেস্ক : সর্বোচ্চ মানের মাস্ক মানেই এন ৯৫। তবে এই মাস্ক সাধারণের জন্য নয়। এই মাস্ক পরে বেশি ক্ষণ থাকাও যায় না। একমাত্র রোগীর চিকিৎসা ও দেখভালের সময় তার

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

করোনা রোগী শনাক্ত করবে চবি শিক্ষার্থীদের ‘করোনা ইনফো’ অ্যাপ

নিউজ ডেস্ক : বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যে বাংলাদেশেও আঘাত হেনেছে। কিন্তু এই দুর্যোগে দেশের স্বাস্থ্যখাত ঠিক কতটা মোকাবেলা করতে পারবে সে প্রশ্ন থেকেই যায়। এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা সন্দেহভাজনদের পরীক্ষাও সহজলভ্য হয়নি। তাই অনেকেই সর্দি-কাশি হলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। বুঝতে পারছেন না করোনা আক্রান্ত কিনা।

সম্প্রতি এই সংকট কাটিয়ে উঠতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একদল শিক্ষার্থী তৈরি করেছেন ‘করোনা ইনফো’ নামে একটি অ্যাপ। এই টিমে কাজ করেছেন মমশাদ দিনুরী, আব্দুল্লাহ জুনায়েদ খান ও মাহবুবুর রহমান। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে মমশাদ দিনুরী জানান, এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে প্রাথমিকভাবে জানতে পারবেন আপনার বর্তমান অবস্থা কি। এই তথ্যগুলো একটা সেন্ট্রাল সার্ভারে থাকবে। প্রতিটি ডাটাকে গুরুত্বভেদে বিভিন্ন লিস্ট করে সেই লিস্ট অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অ্যাপটির মাধ্যমে নিজের এবং নিজের পরিবারের সদস্যদের তথ্য দিতে পারবেন। আপনাদের সহায়তায় পুরো বাংলাদেশের একটা ডিজিটাল ট্র্যাকিং ম্যাপ তৈরি হবে। যার ফলে রেসপন্স করা খুবই সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, আপনি হিটম্যাপ থেকে বিভাগের তথ্য এবং বাংলাদেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতিও দেখতে পারবেন। ‘করোনা ইনফো’ অ্যাপটি নিয়ে সরকারের এ টু আই প্রজেক্টের অধীনে কোভিড-১৯ ইমারজেন্সি গ্রুপ বাংলাদেশ এ কাজ করা হচ্ছে।

জানা যায়, অভিজ্ঞ ডাক্তারদের একটি গ্রুপের মাধ্যমে করোনা রোগী চেনার জন্য বেশকিছু প্রশ্ন বাছাই করা হয়েছে। যেগুলার উত্তর সাবমিট করে ব্যবহারকারী প্রাথমিকভাবে তার করোনার লক্ষণ আছে কিনা বুঝতে পারবেন। আর এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সরকারের একটা ডাটাবেজে সংরক্ষিত হয়। এই ডাটাবেজের লিস্ট দেখে সরকার যদি মনে করে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা দরকার, তখন ব্যক্তির লক্ষণ সাবমিট করার সময় জমা দেয়া ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হবে।

আরো পড়ুন: এক হাজার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হবে আজ

তবে প্লে স্টোর করোনা রিলেটেড অ্যাপগুলো গ্রহণ করছে না বিধায় এই অ্যাপসটিতে অ্যাপটোইড ব্যবহার করা হয়েছে। আর যেকোনো অভিযোগ, প্রয়োজনে নিচের ফোন নম্বর এবং ই-মেইল ব্যবহার করে করোনা ইনফো টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

অ্যাপটি ডাউনলোড করার লিংকঃ https://com-tne-selfreportingapp.en.aptoide.com/app?store_name=zeroth.index

সুস্থ থাকুন

যেসব ভেষজ খাবারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

নিউজ ডেস্ক : প্রাকৃতিক ভেষজ খাবার রুখবে ভাইরাস সংক্রমণ, বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ শক্তি। সুস্থ শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান হল ভিটামিন, প্রোটিন, মিনারেলস, ফাইবার। যেসব খাবারে এই সব গুণ আছে তাকেই বলে ইমিউন সিস্টেম বুস্টারস। করোনাভাইরাস সংক্রমণ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে শরীর দুর্বল হলে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নড়বড়ে হলে, তার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে। তাই এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো দরকার। প্রাকৃতিক ভেষজ খাবার খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে যা অবশ্যই রাখতে হবে প্রতিদিনের ডায়েটে।

হলুদ-দুধ

হলুদের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যাদের ভাইরাল ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা আছে তাদের জন্য হলুদ-দুধ বিস্ময়করভাবে উপকারী হতে পারে। সাধারণভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সেরা ঘরোয়া ওষুধ হলুদ-দুধ। প্রতিদিন সকালে বা রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস হলুদ-দুধ পান করলে সর্দি ও ফ্লু দূরে থাকে।

হাঁচি-কাশি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। হলুদে উপস্থিত অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ একদিকে যেমন নানাবিধ ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমায়, তেমনি এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টিজ রেসপিরেটারি ট্রাক্ট ইনফেকশন এবং সর্দি-কাশির প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হলুদ-দুধ রক্তকে বিষ মুক্ত করে দেয়। শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির মধ্যে থাকা কার্কিউমিন, রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে ব্লাড ভেসেলের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে নানাবিধ রোগভোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

নিমেষে মাথা যন্ত্রণা কমিয়ে দেয়। এবার থেকে সাইনুসাইটিসজনিত মাথার যন্ত্রণা হলেই এক কাপ হলুদ মেশানো দুধ খেয়ে নেবেন। দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না। কারণ হলুদের ভেতরে থাকা কার্কিউমিন এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের ভেতরে প্রদাহ কমায়। ফলে মাথা যন্ত্রণা কমতে সময় লাগে না।

হলুদ-দুধ জয়েন্ট এবং পেশির ব্যাথাও ভালো করে দেয়। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় হালকা জয়েন্ট পেইন এবং মাংসপেশিতে ব্যথা একটি সচরাচর ঘটনা। হলুদে থাকা প্রদাহরোধী উপাদান এই ব্যথা ভালো করতে পারে।

উষ্ণ পানিতে লেবুর রস

সকালে গরম পানিতে লেবুর রস খেলে অনেক উপকার। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যস্ততার কারণে নাস্তা সময়মতো খাওয়া হয়ে ওঠে না। তবে একটি খাবার রয়েছে সকালে উঠে খেলে আপনার সারাদিনের হজমশক্তি বাড়ানো ছাড়াও অনেক উপকার পাবেন।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, লেবুতে রয়েছে ভিটামিন 'সি', পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, যা দেহের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। লেবুর শরবত লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিন উপাদান বের করে। ফলে লিভারের যেকোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে গরম পানিতে লেবুর রস খেলে দেহের ভেতরে পিএইচ লেভেলের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ফলে দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

লেবু ত্বক ভালো রাখে, শরীরের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের চাহিদা পূরণ করে এবং কিডনির পাথরও প্রতিরোধ করে।

লেবু ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। লেবু ব্যবহারে চেহারায় বয়সের ছাপ কমবে।

প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে খেলে সারা দিনের হজমশক্তি ভালো থাকে।

লেবুতে থাকা ভিটামিন 'সি' দেহের হরমোনকে সক্রিয় রাখে ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

বেদানা-লেবু-কমলার রস

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেতে হবে ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল। বেদানা-লেবু-কমলার তিনটি ফলের রস একসঙ্গে নিংড়ে পানীয় বানিয়ে রোজ একগ্লাস করে খেতে পারলে আপনার শরীরে ভিটামিন আর অ্যান্টি অক্সিডেন্টের অভাব হবে না। শরীরকে জীবাণুমুক্ত রাখে এই ভিটামিন।

রোজ একটি করে ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এখন যারা করোনা, ফ্লু-এর জেরে জেরবার তাদের জন্য রইল তিনটি ফলের হদিশ। বেদানা, কমলা আর মুসাম্বি লেবু। এই তিনটি ফলের রস একসঙ্গে নিংড়ে পানীয় বানিয়ে রোজ একগ্লাস করে খেতে পারলে আপনার শরীরে ভিটামিন আর অ্যান্টি অক্সিডেন্টের অভাব হবে না। উপরন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। তাই আপাতত তেল-ঝাল-মশলা এড়িয়ে পেট ভরান বাড়িতে বানানো এই ধরনের পুষ্টিকর টক-মিষ্টি গোলাপি সরবত বা পিঙ্ক লেমোনেড দিয়ে।

এই সরবতে রয়েছে এমন তিনটি ফল যা শরীরকে চাঙা করে নিমেষে। হজমশক্তি বাড়ায় ঝটপট। ডালিম বা বেদানা, কমলা এবং মুসাম্বি লেবুর রস দিয়ে বানানো এই পানীয় পানে রোগে ভোগা শরীরও তন্দরুস্ত। পাশাপাশি রক্ষা করে সংক্রমণ, সর্দি, কাশি এবং ফ্লুর ঝুঁকি। কারণ, তিনটি ফলেই আছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, থিয়ামিন, ফোলেট ও পটাসিয়াম থাকে। লেবু জাতীয় ফলে ভিটামিন-সি বেশি পরিমাণে থাকে যা শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পেঁয়াজের রস

পেঁয়াজে রয়েছে অ্যান্টি-বায়োটিক, অ্যান্টি-সেপ্টিক, অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান। রয়েছে খাদ্য আঁশ, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন এ, বি ও সি। অল্প পরিমাণে ক্যালসিয়াম, লোহা, ফোটা, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস কোরাসিটিন এবং সালফারও রয়েছে পেঁয়াজে। পেঁয়াজের রস কাশি নিরাময় করে, এটি অনেকেরই অজানা। পেঁয়াজ রস করে তাতে মধু দিয়ে খেতে পারেন।

তাই প্রতিদিন ১০০ গ্রাম থেকে ১৫০ গ্রাম পর্যন্ত পেঁয়াজ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তাই রোগের ভাইরাসের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে এটি। জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি, গলা ব্যথা, এলার্জি ইত্যাদি খুব দ্রুত পেঁয়াজের দ্বারা দূর করা সম্ভব। পেঁয়াজের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে তাৎক্ষণিকভাবেই রোগ নিরাময় হয়।

গরম পানিতে মধু, রসুন ও আদা

মধু, রসুন ও আদা এই তিন ঘরোয়া উপাদানে অনেক রোগ ভালো হয়। বিশেষ করে ঠাণ্ড-কাশি ও গলাব্যথা, এই তিন উপাদান খুব ভালো কাজ করে। তবে মধু, রসুন ও আদা হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এই পানীয় শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণও বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসার জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে এই মিশ্রণটি মানব স্বাস্থ্যের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।

গরম পানির সঙ্গে মধু, রসুন ও আদার মিশ্রণ, ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য উপকারী।

আদা সাধারণত সর্দি, ফ্লু এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের চিকিৎসায় সহায়তা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, আদা শ্বাসজনিত রোগের লক্ষণগুলো কমাতে সহায়তা করে। রসুন ও মধুতেও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। তাই এগুলোও শ্বাসজনিত রোগের লক্ষণগুলো হ্রাস করতে সহায়তা করে।

রসুন একটি শক্তিশালী মসলা, যা ব্যাটেরিয়া, ছত্রাক ও ভাইরাসজনিত সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

মধু, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলোর অধিকারী হিসেবে পরিচিত, যা সংক্রমণ রোধ করে।

আদাতে বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ রয়েছে, যা ঠাণ্ডা, ফ্লু ও গলাব্যথা প্রতিরোধ করে। আর রসুন ও মধুর অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্যের কারণে সাধারণত ঠাণ্ডা লাগা থেকে মুক্তি দেয়।

মধু, রসুন ও আদার সংমিশ্রণ পেটের বদহজম, অম্বল, পেটেব্যথা, ফোলাভাব এবং গ্যাসসহ সব হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

হার্ট ভালো রেখে আদা রক্তচাপ হ্রাস করতে পারে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, রসুন ও মধু উভয়ই উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা হ্রাস করার ক্ষমতা রাখে।

মধু, রসুন ও আদা গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

করোনা ভাইরাস: কিছু তথ্য এবং আমাদের দেশে করণীয়

ক্যাপ্টেন শামস উজ জামান : আমি ডাক্তারি পেশার সঙ্গে জড়িত কেউ নই। তার পরও সারা বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের বর্তমান মহামারির সময় আমার সাধারণ জ্ঞানলব্ধ কিছু কথা এখানে তুলে ধরতে চাই। আশাকরি দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কথাগুলো অপ্রাসঙ্গিক হবে না।

১) আমি বেশ কিছুদিন আগে থেকে লক্ষ করছি—পৃথিবীর বিষুবরেখা থেকে উত্তরের কর্কটক্রান্তি এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তির মাঝে থাকা গ্রীষ্ম প্রধান দেশগুলোতে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব দেখা গেলেও সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর, আলজেরিয়া, মরক্কো, মেক্সিকো, কিউবাসহ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিষুবরেখা সংলগ্ন স্থানগুলোতে এ ভাইরাস এখনো তেমনভাবে মহামারি আকারে দেখা দেয়নি এবং কোভিড-১৯ জনিত কারণে মৃত্যুর হারও কম। এ বিষয়টির যথার্থতা বিবেচনায় আনার ব্যাপারে বেশ কিছু স্বনামধন্য ডাক্তার এবং বিজ্ঞানীরাও সহমত পোষণ করা শুরু করেছেন। বিষয়টি সত্য হলে আমাদের মতো স্বল্প উন্নত বা গরিব দেশগুলোর জন্য সেটা হবে বিরাট একটি আশীর্বাদ।

২) ডাক্তার, বিজ্ঞানীদের মতে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের ৮০-৮৫ শতাংশ রোগী এমনিতে ভালো হয়ে যায়। বাকি ১৫-২০ শতাংশ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে। এসব রোগীদের ‘ফাইব্রাসিস’ জনিত কারণে ফুসফুসের কার্যক্রম বন্ধ বা আংশিক বন্ধ হয়ে গেলে তাদের চিকিত্সার জন্য ‘ভেন্টিলেটরের’ (VENTILATOR) প্রয়োজন হয়। ভেন্টিলেটরের সাহায্যে কৃত্তিমভাবে এসব রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ করে ১-২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হলে, এসব রোগীদের ২-১ শতাংশ ছাড়া বেশির ভাগ রোগী আরোগ্য লাভ করেন। তা না হলে, ভেন্টিলেটরের সাহায্য ছাড়া, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এই ১৫-২০ শতাংশ রোগীর প্রায় সকলেই মারা যাবেন।

৩) আমরা প্রায়শই ‘আইসিইউ’ (ICU) কথাটি শুনে আসছি। এসব আইসিউর প্রধান যন্ত্র ভেন্টিলেটর। এ যন্ত্রটি চালনা করার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ‘এনেস্থিওলজিস্ট’ (ANESTHESIOLOGIST), নার্স ও সহকারীদের প্রয়োজন হয়। এখন প্রশ্ন উঠবে এ বিষয়ে আমাদের সক্ষমতা কতটুকু? আমার জানা মতে, ‘কোভিড-১৯’ মোকাবিলা করার মতো পর্যাপ্ত আইসিইউ বেড আমাদের দেশে নাই এবং শীত প্রধান দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও যদি এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে অসংখ্য আইসিইউ বেড তৈরি করে এসব রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা একটি দুরূহ বা অসম্ভব কাজ হবে বলেই আমার নিজস্ব ধারণা।

আমার জানামতে, দেশে ১ হাজারের বেশি এনেস্থিওলজিস্ট ডাক্তার আছেন। নার্স এবং সহযোগীদের সংখ্যাও কম নাই। এদের মধ্য থেকে এসব আইসিউগুলো পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার-নার্স-সহযোগীদের বেছে নিয়ে, এই আপত্কালীন সময়ের জন্য তাদের সবার বেতন বাড়িয়ে এবং গ্রুপ বিমার আওতায় আনা গেলে, আমার বিশ্বাস, তারা এ কাজে অংশ নিতে রাজি হবেন। ১৫ দিনের একটি ‘ক্রাশ প্রোগ্রামের’ মাধ্যমে তাদেরকে প্রশিক্ষিত করে তোলা সম্ভব।

৪) আমাদেরকে সঠিক মানের মাস্ক ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েও ভাবতে হবে। ২-৩ দিন আগে বিদেশি একটি খবরে দেখলাম, ইতালির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ‘এস্পেসিফিকেশন’ (SPECIFICATION ) সঠিক না থাকার জন্য, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ৬০ লাখ মাস্কের একটি চালান ব্যবহার অযোগ্য ঘোষণা করেছেন ! আমি জানি না আমাদের দেশে ব্যবহারকৃত মাস্কগুলো N৯৫ মানের কি না। তবে এ ধরনের মাস্কগুলো খুবই ব্যয়বহুল। সেক্ষেত্রে সরকার চাইলে পর্যাপ্ত সংখ্যক ‘সার্জিক্যাল মাস্ক’ আমদানি করার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। বর্তমানে ব্যবহারকৃত মাস্কগুলোর বেশির ভাগই সম্ভবত মানসম্পন্ন নয়।

৫) আমাদের মতো জনবহুল একটি দেশে সকল নাগরিকের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করানো একটি কঠিন কাজ। তার পরও যেসব মানুষ তাদের কোভিড-১৯ হয়েছে এমন ধারণা থেকে ‘আইডিসিআর’ (IEDCR) প্রদত্ত টেলিফোন নম্বরে ফোন করেন, তাদের সকলকে পরীক্ষা করানোর সুযোগ করে দেওয়া উচিত হবে । এসব সন্দেহজনক মানুষের ভেতরে যদি গুরুতরভাবে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া যায়, তাদেরকে সত্তর এ্যাম্বুলেন্সে করে আইসিইউ সমৃদ্ধ বিশেষায়িত স্থায়ী/অস্থায়ী হাসপাতালে এনে চিকিত্সা করানোর ব্যবস্থা করাতে হবে।

৬) দুই দিন আগে বেশকয়জন তরুণ ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার মিলে একটি ভেন্টিলেটর যন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন এমন একটি খবর কাগজে পড়েছি। বিষয়টি আশা জাগানিয়া। ঘটনাটি সত্য হলে আমাদের প্রশাসনের উচিত হবে অতি সত্তর বিষয়টি যাচাই করে দেখা এবং যন্ত্রটি ব্যবহারযোগ্য হলে সেটিকে ব্যবহারে নিয়ে আসা, প্রয়োজনে, তাদেরকে আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা করা। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনেক দেশপ্রেমিক নাগরিক, ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থাও হয়তো এসব কাজে এগিয়ে আসবেন। সেক্ষেত্রে, সরকারের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, এ ধরনের বিষয়গুলো জানার সঙ্গে সঙ্গেই প্রশাসন যেন তাদের কাছে পৌঁছে গিয়ে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।

পরিশেষে, লন্ডনের ‘রয়েল লন্ডন হাসপাতালের’ এক জন বাঙালি ডাক্তারের কিছু কথা দিয়ে লেখাটি শেষ করব।

‘COVID 19’ মহামারির এই দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন তিনি যেন এই মুহূর্ত থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে নিজের হাতে তুলে নেন। বিলেতের এনএইচএস NHS এ কাজ করার সুবাদে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমি এই রোগের ভয়াবহতা দেখেছি। পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যব্যবস্থা হওয়া সত্ত্বেও এদেশে পরিস্থিতি যে কতখানি মারাত্মক তা বলে বা লিখে বোঝানো সম্ভব নয়। আমি এই ভেবে শিউরে উঠছি যে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভয়ংকর এই পরিস্থিতিকে কীভাবে মোকাবিলা করবে। আপাতত ‘মেইক শিফট ব্যবস্থার’ মাধ্যমেও যদি অন্তত আরো ২-১ হাজার আইসিইউর ব্যবস্থা করা যায় তাহলেও অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।

এই যুদ্ধের সম্মুখযোদ্ধাদের (চিকিত্সক, নার্স- সহযোগী) অনেককেই করুন পরিণতি বহন করতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের বাহবা দিন, তাদের উদ্দীপ্ত করুন। বিশ্বাস করুন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা তাদের সর্বস্ব দিয়ে আপনাদের বাঁচানোর চেষ্টা করবে।’

লেখক :মাস্টার মেরিনার (আয়ারল্যান্ড) এএফএনআই (লন্ডন) ও শিপিং কনসালটেন্ট


এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

টুকিটাকি খবর

নিউইয়র্কে করোনার কবলে চিড়িয়াখানার বাঘ

নিউজ ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাসে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। বিশ্বের প্রায় ১৩ লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে এই ভাইরাসে। প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৭০ হাজার। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না পশুরাও।

চিকিৎহীন এই ভাইরাসে রোববার আক্রান্ত হয়েছে নিউইয়র্কের ব্রোনক্স চিড়িয়াখানার ৪ বছর বয়সী বাঘ নাদিয়া। মানুষের শরীর থেকে তার শরীরে প্রবেশ করেছে ভাইরাসটি। পরীক্ষা করে বাঘের শরীরে কোভিড-১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রথম কোনো পশু আক্রান্ত হল।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নাদিয়া, তার বোন আজুল, আরো দুটি বাঘ এবং তিনটি আফ্রিকান সিংহ ‘শুকনো কাশির’ সমস্যায় ভুগছে। শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার কারণে চিড়িয়াখানার বেশ কিছু সিংহ ও বাঘকে কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়। সেখানেই নাদিয়ার করোনা ধরা পড়ে। এমনই তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাগ্রিকালচারস ন্যাশনাল ভেটেনারি ল্যাবরেটরিজ।

চিড়িয়াখানার দেওয়া এক বর্তায় জানানো হয়েছে, ‘যদিও বাঘগুলোর ক্ষুধামন্দার সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে চিড়িয়াখানায় তারা পর্যবেক্ষণের মধ্যে আছে। তাদের পরিচারকের সঙ্গে বেশ সাড়া দিচ্ছে। ঠিক কিভাবে তাদের মধ্যে কনোরাভাইরাস ছড়ালো সেটা এখনো অজানা। কারণ, একেকটা প্রজাতি করোনাভাইরাসের সঙ্গে একেকরকম আচরণ করে। একেক প্রজাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে একেকরকম লক্ষণ প্রকাশ করে। তবে যতদিন পুরোপুরি সেরে না ওঠে ততোদিন বাঘগুলোকে আমরা পর্যবেক্ষণে রাখবো।’

ধারনা করা হচ্ছে যেসব লোক বাঘগুলোর দেখভাল করে তাদের কোনো একজনের মাধ্যমে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। হয়তো ওই ব্যক্তির মধ্যে এখনো করোনাভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। কিন্তু তিনি ভাইরাসটি বহন করছেন। তাইতো চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ আজ থেকেই সতর্ক হচ্ছে এ বিষয়ে। যারা যারা বাঘগুলো দেখভাল করছে তাদের পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং চিড়িয়াখানা থেকে দূরে রাখা হবে।

এমন ঘটনায় যারপরনাই উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ সমিতি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গেল ১৬ মার্চ থেকে বন্ধ আছে নিউইয়র্কের ব্রোনক্স চিড়িয়াখানা। এবার কিনা চিড়িয়াখানার পশুরাই আক্রান্ত হয়ে গেল প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে!

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/টি

তারুণ্য

মনে হচ্ছিল কেউ আমার জীবনীশক্তি চুষে নিচ্ছে: ওয়াসফিয়া নাজরীন

নিউজ ডেস্ক : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে তার যুদ্ধের কথা জানান বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী ও সমাজকর্মী ওয়াসফিয়া নাজরিন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লস এঞ্জেলেসে কোয়ারেন্টিনে আছেন তিনি।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলসে বসবাস করা ওয়াসফিয়া তার পোস্টে জানান, স্থানীয়রা খাবার কিনে মজুদ করায় সেখানকার সুপারমার্কেটগুলোতে খাবার পাওয়া মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। তিনি নিরামিষভোজী, কিন্তু বাজারে নিরামিষ জাতীয় খাবার না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) জাতীয় খেয়েছেন তিনি।

শর্করা জাতীয় খাবার খেলে শরীরে ভাইরাসের বিস্তার বাড়ে যা তিনি জানতেন না। ফলস্বরূপ তার ফুসফুসে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনি প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেন, ‘গত শনিবার আমি খুব কষ্ট করে শ্বাস নিচ্ছিলাম এবং সকাল বেলা (চিকিৎসকের হস্তক্ষেপের আগ পর্যন্ত) আমার মনে হচ্ছিল কেউ আমার মুখের মধ্য থেকে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে সমস্ত বাতাস / জীবনীশক্তি চুষে নিচ্ছে।’

তিনি আর লিখেন, তার শ্বাসকষ্ট কাটিয়ে উঠতে গতকাল সারাদিন লেগে যায়। ওষুধ, প্রোটিন সেবন এবং ডাক্তারদের বিস্ময়কর যত্নের পর তিনি একটু সুস্থ হন। তবে তিনি এখনো খুবই দুর্বল। তার পুরো মস্তিষ্ক, মাথা, ঘাড় এবং দেহের অন্যান্য জায়গায় ক্রমাগত ধড়ফড় করছে।

চিকিৎসকদের মধ্যে ডা. জিন নামে এক চীনা চিকিৎসকের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন ওয়াসফিয়া। তিনি বলেন, ‘তার (ডা. জিন) অন্তর্দৃষ্টি এবং অলৌকিক ভেষজ প্রয়োগ না করলে হয়তো আমি এখন জীবিত থাকতাম না।

ওয়াসফিয়া আরও লিখেন, এখন আমার প্রথম অগ্রাধিকার হলো শতভাগ অক্ষত ফুসফুস নিয়ে এ ভাইরাস জয় করা। এ ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা অনেকের ফুসফুসের প্রায় প্রায় ৪০-৬০% ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যদি আগামী সপ্তাহের মধ্যে ফুসফুস থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ দূর হয়, তাহলে শতভাগ সুস্থ হতে হয়তো আর মাসখানেক লাগবে বলেও জানান বাংলাদেশি এই পর্বতারোহী।

সবার উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা সুরক্ষিত থাকার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা খাদ্যতালিকা থেকে এমন জিনিস বাদ দিন যা এই ভাইরাসকে বাড়িয়ে তুলতে পারে, প্রোটিন খান বেশি করে যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সামাজিক-দূরত্বের বজায় রাখার সময়ে নিজেকে খুশি রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর খাবার খান, পানি পান করুন, প্রার্থনা করুন, ধ্যান করার পরামর্শ দেন ওয়াসফিয়া।

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক