যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ১৭ Jul, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 01:08pm

|   লন্ডন - 08:08am

|   নিউইয়র্ক - 03:08am

  সর্বশেষ :

  লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল-এর ৫ম আসর ১২ আগস্ট   ওসমানী মেডিকেলে রোগীর নাতনিকে ধর্ষণ, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক   ছাত্রলীগকে ‘আবার মানুষ হওয়ার’ পরামর্শ ঢাবি শিক্ষকের   ফিনল্যান্ডে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক   শিরোপা উদযাপন করতে গিয়ে প্যারিসে সহিংসতা, নিহত ২   ঘিঞ্জি মহল্লা থেকে বিশ্বমঞ্চে কিলিয়ান এমবাপ্পে   ভারতে মোদির জনসভায় শামিয়ানা ভেঙে আহত ৬৭   লিবিয়ায় কনটেইনার লরি থেকে বাংলাদেশিসহ ৯০ অভিবাসী উদ্ধার   কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পূর্ণ সমর্থন দিলো বিএনপি   যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে ইরানের মামলা   কোটার রায় কি বৈধ ছিল?   ‘প্যান্ট ফুলে থাকায়’ কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা পুলিশের, শিকাগোয় সংঘর্ষ   ব্রেক্সিট নাও হতে পারে : থেরেসা মে   টেস্টের র‌্যাঙ্কিংয়েও পেছাল বাংলাদেশ   কোটা সংস্কার নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র বহিষ্কার

স্বদেশ


কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পূর্ণ সমর্থন দিলো বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্রতি বিএনপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এই আন্দোলনে যারা গ্রেফতার

২০১৮-০৭-১৬ ১২:০৮:৪১

বহিঃ বিশ্ব


যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে ইরানের মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা দায়ের করেছে ইরান। তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন করে একতরফা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার

২০১৮-০৭-১৬ ১২:০৬:১৯

লস এঞ্জেলেস


লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল-এর ৫ম আসর ১২ আগস্ট

লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল এর ৫ম আসর বসছে আগামী ১২ আগস্ট রবিবার। লস এঞ্জেলেসে প্রতি বছর এই উৎসবটি আয়োজন করে প্যাসিফিক কাইট ক্লাব, লং বিচ,

২০১৮-০৭-১৬ ১৪:৩৩:৪৫


নিউইয়র্ক


নিউইয়র্কে বাংলাদেশী জার্মানী কবি নাজমুন নেসা পিয়ারি সংবর্ধিত

নিউইয়র্ক সংবাদদাতা : নিউইয়র্কে বাংলাদেশী জার্মানী কবি নাজমুন নেসা পিয়ারিকে বর্র্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সাহিত্য সংগঠন সাজুফতা সাহিত্য ক্লাব নিউইয়র্ক

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


ভয়াবহভাবে ‘ভেঙে পড়েছে’ অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্য, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা

নিউজ ডেস্ক : ভয়াবহভাবে ‘ভেঙে পড়েছে’ বিকল্পধারার সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্য। ২০১২ সালের জুন থেকে লন্ডনের

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

টেস্টের র‌্যাঙ্কিংয়েও পেছাল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক : সেই ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস জয়। বারবার ৯-১০ র‍্যাংকিংয়ে নিজেদের জায়গা বাঁচাতে হয়েছে। ২০১৮ সালে এসে নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে ৮ নম্বরে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই র‌্যাঙ্কিংয়ের পরের সিরিজেই আবার পতন। উইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি আইপে সিরিজের দুটি টেস্ট শেষে ৯ নম্বরেই গিয়েই থামলেন সাকিব আল হাসানরা।

মাত্র আড়াই মাসের ব্যবধানে পুরনো অবস্থানে ফিরেছে বাংলাদেশ। যদিও আগে থেকেই বলা হচ্ছিল, উইন্ডিজ সফরে টেস্টে হারলে আবারও র‌্যাঙ্কিংয়ে জায়গা হারাবে বাংলাদেশ। বাস্তবে তাই হলো।

অ্যান্টিগা ও জ্যামাইকাতে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-মুশফিকরা। দুটিই গুটিয়ে গেছে মাত্র তিন দিনে।

অন্যদিকে দুটি টেস্ট জিতে ৮ নম্বরে উঠে এসেছে জেসন হোল্ডারের উইন্ডিজ দল। এই সিরিজের আগে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৭৫। উইন্ডিজের ছিল ৭২।

জ্যামাইকা টেস্টের পর এখন স্বাগতিকদের পয়েন্ট হয়েছে ৭৭। অর্থাৎ বেড়েছে ৫ পয়েন্ট। বাংলাদেশের পয়েন্ট ৮ কমেছে। বর্তমান রেটিং পয়েন্ট ৬৭।

এলএবাংলাটাইমস//এলআরটি

ইসলামী জীবন

১০ সহস্রধিক বাংলাদেশীর অংশগ্রহণে ফিলাডেলফিয়ায় মুনা কনভেনশন সম্পন্ন

ইউএনএ : বিশ্বব্যাপী বিরাজমান আর্থ-সমাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অস্থিরতা কাটিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব মানবতার নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) আর  ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার আহ্বানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো মুসলিম উম্মাহ অব আমেরিকা (মুনা)-এর জাতীয় কনভেনশন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মাঝে শান্তির ধর্ম ইসলামের দাওয়াত পৌছে দেয়াই মূলত: এই কনভেনশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এবারের কনভেনশনের মূল প্রতিবাদ্য বিষয় ছিলো ‘মুহাম্মদ (সা:) শান্তি ও রহমতের পয়গম্বর’। আর তাই কনভেনশনে যোগদানকারী দেশী-বিদেশী স্কলারদের বক্তব্যে ফুটে উঠে মুহাম্মদ (সা:)-এর সর্বজনীনতা। বক্তারা বলেন, মুহাম্মদ (সা:) শুধুমাত্র  মুসলিম জাতির জন্য বিশ্বে আসেননি। তিনি এসেছিলেন সমগ্র মানবজাতির নেতা হিসেবে। একজন সর্বজনীন আদর্শ নেতা হিসেবে। আর তাই মুহাম্মদ (সা:) এর আদর্শ সবার কাছে পৌছে দেয়া আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। বক্তরা বলেন, ইসলামকে মুসলমানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। ইসলামের শান্তি বার্তা সবার মাঝে পৌঁছৈ দিতে হবে। তবে কনভেনশনে মুসলিম নতুন প্রজন্মদের জন্য দিক নির্দেশনামূলক আলোচনা থাকলেও বাংলাদেশ বিষয়ে ছিলো না কোন সেমিনার সিম্পোজিয়াম।

ফিলাডেলফিয়ার পেনসেলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টারে গত ৭-৮ জুলাই যথাক্রমে শনিবার ও রোববার দু’দিনব্যাপী আয়োজিত কনভেনশনের যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে ১০ হাজারের মতো নর-নারী যোগ দেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে। এদের মধ্যে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো। ফলে ব্যতিক্রমী এই কনভেনশন ঘিরে ফিলাডেলফিয়া শহরের কনভেনশন সেন্টার ও তার আশপাশের এলাকা বাংলাদেশী কমিউনিটির পাশাপাশি এক খন্ড মুসলিম কমিউনিটিতে পরিণত হয়। বিশেষ করে এবারের কনভেনশন আয়োজক কমিটির চমৎকার আয়োজন, ব্যবস্থাপনা, সুশৃংখল পরিবেশ সহ নানা আয়োজন অংশগ্রহণকারীদের মুগ্ধ করে।

মুনা কনভেনশন ঘিরে মূলত: ৬ জুলাই শুক্রবার থেকেই জমে উঠতে থাকে পেনসেলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টার সহ আশপাশের এলাকা আর হোটেল। নিউইয়র্ক থেকে বাস ছাড়াও প্রাইভেট কার যোগে সর্বোচ্চ সংখ্যক অংশগ্রহনকারী সপরিবারে এবারের কনভেনশনে অংশ নেন। এছাড়াও বিভিন্ন  অঙ্গরাজ্য থেকে শত শত প্রবাসী বাংলাদেশী মুসলিম নরনারী প্রাইভেট কারযোগে পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন। 

মুনা কনভেনশনে অংশগ্রহণকারীরা শুক্রবার দুপুর থেকেই ফিলাডেলফিয়ায় সমবেত হতে থাকেন এবং আগে থেকে বুকিং দেয়া স্থানীয় ম্যারিট, শেরাটন প্রভৃতি হোটেলে রুম নেয়ার পর কনভেনশন সেন্টারে এসে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করেন বা পূর্বে রেজিষ্ট্রেশন করা তথ্যাদি কনফার্ম করেন। এদিন সন্ধ্যায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত জানানো হয়। এর আগে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। ফলে পেনসেলভেনিয়া কনভেনশন বিশাল হল রুম সহ পুরো ভবন জনার্কীণ হয়ে উঠে। সেই সাথে সাজানো-গোছানো সেন্টারে তত্য কেন্দ্র থেকে শুরু করে অংশগ্রহনকারীদের সুবিধার্থে সকল কেন্দ্র এবং নানা রকম স্টোরের দোকান বসানা হয়। আর ক্রমেই জমে উঠে সবকিছু।

শনিবার সকাল ১০টায় মূল মিলনায়তনে শুরু হয় আলোচনা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম। ‘প্রফেট মুহাম্মদ (সা:) : দ্যা বেস্ট রোল মডেল’ শীর্ষক আলোচনার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া কনভেশন অনুষ্ঠানের প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ নজরুল ইসলাম। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবারের কনভেনশন কমিটির চেয়ারম্যান আবু আহমেদ নূরুজ্জামান। দলগত সঙ্গীত পরিবেশন করেন উম্মাহ শিল্পী গোষ্ঠীর সদস্যরা। এই পর্বে আলোচক ছিলেন মুনা’র ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসেন, ইমাম শাদিদ মোহাম্মদ, ড. মাজিন মুক্তার, ইমাম আব্দুল্লাহ জাবের ও ড. মোহাম্ম, রুহুল আমীন। মডারেটর ছিলেন হারুন অর রশীদ। এরপর ‘মানবতার পধ প্রদর্শক : মুহাম্মাদুর রাসুল্লাহ (সা:)’ শীর্ষক আলোচনা। এই আলোচনায় ‘আল-কুরআন : হৃদয় উন্মোচনের চাবিকাঠি’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ইসাম মোহাম্মদ জাকারিয়া, ‘সৃষ্টির সেবায় আল্লাহর সন্তুষ্টি’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ব্যারিষ্টার হামিদ এইচ. আজাদ, ‘কোরআনের আলোকে দাওয়াতি দ্বীনের পদ্ধতি’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন শেখ মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন এবং ‘বহু মাত্রিক সমাজে মুসলমাদের করনীয়’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন শেখ মুহাম্মদ হাসান। এই পর্বে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন আব্দুল্লাহ আল আরীফ।

এরপর ‘প্রফেটিক ইন্টারেকশন : ওভারকামিং দ্য এডভারসিটি’ শীর্খ আলোচনায় অংশ নেন ড. মির্জা গালিব, উসামা জামাল, নাইম বেগ ও শেখ ইয়াসির বীরজাস। এই পর্বে মডারেটর ছিলেন আনিসুর রহমান। পরবর্তীতে ‘ইবাদাহ : আন্ড্রাস্টুড এন্ড প্র্যাক্টিসিড বাই আর্লি মুসলিমস’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ইমাম ফায়েক উদ্দীন, জাভেদ সিদ্দিকী, ইমাম হাসান আকবর ও ইমাম আসিফ হাইরামী। মডারেটর ছিলেন আহমেদ আবু ওবায়েদ। এরপর অনুষ্ঠিত ‘প্রফেট মুহাম্মদ (সা:) দ্যা ম্যাসেজ অব পিস এন্ড মার্সি’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন আজহার আজিজ, ইমাম দেলোয়ার হোসেন, ড. আলতাফ হোসাইন, ইমাম সুহাব ওয়েব ও ইমাম সিরাজ ওহাজ। মডারেটর ছিলেন আবু সামীহা সিরাজুল ইসলাম।

এছাড়াও সন্ধ্যায় ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে উম্মাহ শিল্পী গোষ্ঠী ছাড়াও ইসলামিক গানের জনপ্রিয় শিল্পী ইকবাল সহ অতুল ওসমানী ও মুনার শিশু শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবশেন করেন। এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন যুক্তরাজ্যের লাব্বায়েক নাসিদ গ্রুপের শিল্পী এহসান তাহমিদ। এই পর্ব পরিচালনা করেন ড. আতাউল ওসমানী। 
 
শনিবার মূল পর্বের আলোচনা ছাড়াও ইয়্যুথ কনফারেন্সের পাশাপাশি অন্যান্য কনফারেন্স রুমে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ‘দ্যা এসেন্স অব ইসলাম : আন্ডাস্টান্ডিং প্রফেটিক ল্যাগাসী’ শীর্ষক আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুনা’র ইয়্যুথ গ্রুপের আহমেদ খালিদ এবং ইয়্যুথ সিস্টার্সদের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাসুমা সুলতানা মিলি। আলোচনায় অংশ নেন ইমাম সিরাজ ওহাজ, শেখ ওয়াসী বিরজাস ও ড. সুজি ইসমাইল। মডারেটর ছিলেন মশিউর রহমান ও তামজিদুল ইসলাম। ‘ব্যাটলিং দ্যা উইশপার্স ফ্রম উইদিন (ব্রাদার্স এন্ড সিস্টার্স) শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন শেখ মাজেদ মোহাম্মদ, শেখ ইয়াসির বিরজাস ও শেখ হাসান আকবর। মডারেটর ছিলেন পয়সাল আজাদ ও শহীদ আহমেদ। ‘ক্রাইং দ্যা লেগাসী অব ইসলাম’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন হাফেজ জাকির আহমেদ, ড. আলতাফ হোসাইন ও ড. মিজান মুক্তার। মডারেটর ছিলেন মশিউর রহমান ও শহীদ আহমেদ। ‘পিউড়িফিকশন অব হার্ট : ইলেভেটিং দ্যা ফেইথ’ শীর্ষক আলোনাং অংশ নেন  শেখ মাজেদ মাহমুদ, ইমাম আসিফ হাইরামী ও ইয়াসমীন মুজাহেদ। মডারেটর ছিলেন শামীমা সিরাজুল ইসলাৈম ও মালিহা গুল। শুধুমাত্র নারীদের জন্য নির্ধারিত ‘ইন পারস্যুইট অব প্রটেক্টটিং দ্যা ডিগনিটি’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন দানিয়া সুয়েব, ড. সুজু ইসলাম ও ইয়াসমীন মুজাহেদ। মডারেটর ছিলেন রোকেয়া বেগম রিনা। ‘প্রফেট মুহাম্মদ (সা:) : দ্যা লিভিং কোরআন’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ইমাম আসিফ হাইরামী, আবু সামিহা সিরাজুল ইসলাম, দানিয়া সুয়েব ও ড. জাহিদ বুখারী। ‘সার্ভিস অব হিউম্যানিটি : দ্যা প্রফেটিক ট্রেডিশন’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন মাকসুদ আহমেদ, মুহাম্মদ হাসান, ড. শরিফুল ইসলাম ও এস এম রাশেদুজ্জামান। ‘ইন পারস্যুইট অব ফ্রিডম : জাস্টিস এন্ড ডিগনিটি’ শীর্ষক আলোচনাং অংশ নেন ড. জাহিদ বুখারী, নিহাদ আওয়াদ, খলিল মিক ও উসামা জামিল। মডারেটর ছিলেন ড. নকিবুর রহমান।

রোববার মূল হলে অনুষ্ঠিত ‘এম্পাওয়ারিং ফ্যামিলিস থ্রো ডিভাইন গাইডেন্স’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ইমাম রফিক আহসেদ, মুফতি ইসমাইল, শেখ মুহাম্মদ হাসান, ড. মোহাম্মদ ইউস্যুফ আলী ও ড. সুজি ইসমাইল। মডারেটর ছিলেন মোহাম্মদ জয়নুল ইসলাম। ‘প্রফেটিক মেথডস, অব ওভারকামিং দ্যা চ্যালেঞ্জস’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ইমাম হাসান আকবর, ড. মির্জা গালিব ও ড. আলতাফ হোসেন। মডারেটর ছিলেন ফাতেমা সিদ্দিকা স্বর্নালী ও কাওলা রহমান। ‘ফেইথ এন্ড অ্যাকশন : দ্যা রোড টু সাকসেস’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন হাফেজ জাকের আহমেদ, ড. নকিবুর রহমান, হামিদ হোসেন আজাদ, আবু সামিহা সিরাজুল ইসলাম ও শেখ মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন। মডারেটর ছিলেন নাসির উদ্দিন। ‘টুডে’স ইয়্যুথ : টুমোরো’স লীডার্স’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ইমাম আব্দুল্লাহ জাবের, ইমাম সুহিব ওয়েব, ইমাম সিরাজ ওহাজ  ও ড. সায়েদুর রহমান চৌধুরী। মডারেটর ছিলেন শহীদ আহমেদ ও তামজিদুর ইসলাম। ‘ইনক্রেজিং লাভ এন্ড গেটিং ক্লোজার টু আল্লাহ’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন  ইমাম আবু ফয়জুল্লাহ, ড. আলতাফ হোসেন, ইমাম সিরাজ ওহাজ। এই পর্বে মাডারেটর ছিলেন আরমান চৌধুরী। কনভেনশনের শেষ দিনের শেষ আলাচনার বিষয় ছিলো ‘টু ডে ইয্যুথ : টুমোরো’স লীডার’ শীখ আলোচনায় অংশ নেন এটর্নী আহমেদ মোস্তফা, এটর্নী এ আজিজ ও এটর্নী সুমাইয়া খালিক। মডারেটর ছিলেন এটর্নী মোহাম্মদ মোস্তফা।

মুনা কনভেনশন উপলক্ষ্যে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়। স্মরণিকা-টি সম্পাদনা করেন হারুন ও. রশীদ। প্রকাশনায় ছিলেন নিয়াজ মাখদুম ও মমিন মজুমদার। মিডিয়ার জন্য বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন  মাহবুবুর রহমান ও রশীদ আহমদ।

নর্থ ক্যালোলিনা অঙ্গরাজ্য থেকে মুনা কনভেশনে যোগাদনকারী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ইউএনএ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে বলেন, এমন কনভেনশন থেকে শিক্ষার অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের জন্য। তাদের সঠিক পথ দেখানোর এখনই সময়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে এই কনভেনশনে যোগ দিয়েছি। তিনি বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে  শুক্রবার এসেছি আর রোববার ফিরে যাবো। তিনি মুনা কনভেনশনের সকল আয়োজন ও অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেন।

এদিকে মুনা কনভেনশন সফল করতে নতুন প্রজন্মের স্বেচ্ছাসেবদের বিশেষ ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। মূল সেন্টারের বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে তারা অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানাচ্ছেন, পথ দেখিয়ে সাহায্য করছে।


এলএবাংলাটাইমস/আইএল/এলআরটি

প্রবাসী কমিউনিটি

ইতালিতে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশী রাজিব

ইসমাইল হোসেন স্বপন, ইতালি থেকে : ইতালির ঐতিহ্যবাহী ও ইতিহাস বিখ্যাত বন্দরশহর নাপলির “কমুনে দি নাপলি” নির্বাচনে প্রথমবারের মত কোন প্রবাসী বাংলাদেশী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আগামী ১৫ই জুলাই অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে শহরটিতে বসবাসরত বিদেশীদের মধ্য থেকে সৈয়দ রাজিব নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশী সরাসরি কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।

প্রথমবারেরমত এতো বড় পরিসরে নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে খুব ভাগ্যবান বলে মনে করেন বাংলাদেশী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সৈয়দ রাজিব।

এবিষয়ে তিনি বলেন, বিদেশে প্রবাসীদের বিভিন্ন খাতে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। প্রবাসীদের এ ধরনের সমস্যার সমাধানসহ অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাব। এছাড়াও তিনি বলেন, আমি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে নির্বাচন করছি না । আমার সংগ্রাম ও দাবী সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের জন্যে। প্রবাসীদের স্বার্থে প্রশাসনিক ও উচ্চপর্যায়ের সংগঠন থেকে সাহায্য নেয়া ও তাদের সাহায্য করার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করে যাব।  মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই মূলত এই পথে আসা।

সৈয়দ রাজিব উচ্চমাধ্যমিক শেষে ২০০৩ সালের জুনে বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে পাড়ি জমান। পরে তিনি ইতালিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিষয়ে পড়াশুনা শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে কাজ করেছেন। সুযোগ পেলেই প্রবাসীদের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন।

এছাড়াও তিনি নাপলির উচ্চ আদালতে টেকনিক্যাল কন্সুলেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। বিভিন্ন সময়ে দ্বো-ভাষী হিসেবে কাজ করেছেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন নাপলির একজন নির্বাচিত কর্মী হিসেবে প্রবাসীদের জন্য কাজ করছেন। এছাড়াও, কাম্পানিয়া ইমিগ্রেন্ট ইউনিয়নের প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে। এছাড়াও বিভন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিসেফ ও সেভ দ্যা চিলড্রেনের সাথেও কাজ করেছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ ই জুলাই স্থানীয় সময় সকাল ৭ টা থেকে শুরু হয়ে একসাথে শহরটির ১০ টি ওয়ার্ডে  ভোট গ্রহন চলবে সন্ধ্যা ৮ টা পর্যন্ত। ইতালির সবচেয়ে জনবহুল ও জনপ্রবাসীবহুল এই শহরটিতে মোট ভোটারের সংখ্যা প্র্যায় ৪৭ হাজার এরমধ্যে বিদেশী ভোটার রয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজারেরও বেশি।

এসময় তিনি স্থানীয় সকল প্রবাসী ভোটারদের উপস্থিত হয়ে ভোট দেবার জন্য অনুরোধ করেন। এছাড়াও নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রবাসীদের স্বার্থে কাজ করার সুযোগ চেয়ে সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন।

এলএবাংলাটাইমস/এএল/এলআরটি

লস এঞ্জেলেস

লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল-এর ৫ম আসর ১২ আগস্ট

নিউজ ডেস্ক : লং বিচ কাইট ফেস্টিভ্যাল এর ৫ম আসর বসছে আগামী ১২ আগস্ট রবিবার। লস এঞ্জেলেসে প্রতি বছর এই উৎসবটি আয়োজন করে প্যাসিফিক কাইট ক্লাব, লং বিচ, ক্যালিফোর্নিয়া। এবারের উৎসব সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত 5400 E Ocean Blvd. Long Beach, CA-90803 এই ঠিকানায় অনুষ্ঠিত হবে ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন ডা. মো. আমীর খসরু।

সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার এই আয়োজনে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি ওড়ানো উপভোগ করেন প্রবাসীরা।

এবারের আয়োজনেও সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্যাসিফিক কাইট ক্লাবের চেয়ারম্যান ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, কো-চেয়ারম্যান সওকত আলম, আহ্বায়ক খায়রুজ্জামান মামুন ও যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ নাসির উদ্দিন জেবুল।

উৎসব আয়োজনে নানা দায়িত্বে রয়েছেন উপদেষ্টা সাইদ আবেদ নিপু, ওমর হাসান, ইশতিয়াক চিশতী, জসীম হক, নিজাম ইসলাম, সোহরাব চৌধুরী, ইফতেখার মাহমুদ ও মাবুব তুহিন, প্রচার সম্পাদক মানজুর আহমদ (অপু), কোষাধ্যক্ষ মো. সেলিম। আপ্যায়নে মনির, সানজিদা রহমান (পিয়া), সুমী আহসান, ওয়াহিদা হাবিব, শেখ হাসান (স্বপন) ও সোহেল খান। পাবলিক রিলেশনে শ্যামল মজুমদার, আসাদ জামান (রাসেল), পাশা আব্দুল্লাহ, রেখা চৌধুরী ও লাভলী ইয়মমিন। কাইট ডিস্ট্রিবিউশনে সাব্বির আহমদ, সালেহ আহমদ প্রিন্স, সংকর সরকার ও শেখ মামুন। খেলাধুলায় আব্দুল আলীম, তুহিন ইসলাম, টিটু মজুমদার, মাহতাব কবির শান্ত, আরিফ হোসেন ও বশির আখতার। সদস্য হিসেবে আছেন জাহিদুল মাহমুদ জামি, আব্দুল বাসিত, মাহদী সাবিন সেলিম, তাপস নন্দী, বিল্লাল, মিলন, ছাবিন রহমান, জুয়েল রহমান, শহীদ নার্গিস, উচ্ছল কাজী, মো. ফজলুল ফকির, দেব বড়ুয়া, শ্যামল, লিপু, জাহঙ্গীর ও ফিরোজ আলম।

এলএবাংলাটাইমস/এল/এলআরটি

বিনোদন


নিউ ইয়র্কে কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে কিশোর চলচ্চিত্র ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’র প্রদর্শনী

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি : নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এর উদ্যোগে গত ২২শে জুন ২০১৮, শুক্রবার, সন্ধ্যা ৭:৩০-টায় Museum of the Moving Image [36-01 35 Avenue (at 37 Street), Astoria, NY 11106]-- এ “আঁখি ও তার

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


চমচম মিষ্টি বানাবেন যেভাবে

নিউজ ডেস্ক : অতিথিদের সামনে হাতে বানানো চমচম পরিবেশন করলে কেমন হয়? ঐতিহ্যবাহী চমচম মিষ্টি বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘরেই। জেনে নিন কীভাবে।

উপকরণ
দুধ- ১

বিস্তারিত


লন্ডন

নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা

নিউজ ডেস্ক : ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের মতো ‘মুজিবনগর সরকার’ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের  ১৭ এপ্রিল শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে মেহেরপুরের আ¤্রকাননে জাতীয় নেতা নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আর তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। সেই দিনের সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনকে তড়ান্বিত করে। বক্তাদের কেউ কেউ বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর করার দাবী এবং আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পু:ননির্বাচিত করে দেশের উন্নয়নের ধারা আব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য অধ্যাপক ডা. এম হাবীবে মিল্লাত মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের সর্বত্রই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। আর এজন্য শুধু আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেলেই চলবে না, দেশের সংখ্যাগরিষ্ট লোকের ভোট দরকার। কেননা, আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র সমর্থকদের বাইরেও বিপুল সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। তাদেরকে নৌকার পক্ষে ভোট দিতে প্রবাসীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর-কামারখন্দ)-এর সদস্য প্রফেসর ডা. হাবীবে মিল্লাত। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য শরীফ কামরুল আলম হীরা। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্বদ্যিালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. শরাফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ড. প্রফেসর ওয়াহেদ উল্লাহ বাকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ড. মহসীন আলী, ডা. মাসুদুল হাসান, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, বদরুল হোসেন খান ও হাকিকুল ইসলাম খোকন, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সমন্বয়কারী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার ও নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মুক্তিযোদ্ধা বিএম বাকির হোসেন (হিরু ভূইয়া), মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালী হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেডএ জয়,  সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ ইউএস’র সভাপতি লিপটন এবং নিউইয়র্ক প্রবাসী ও সিরাজগঞ্জের কামারকন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল মজিদ মন্ডল ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জিনাত বেগম এবং গীতা থেকে পাঠ করেন গনেশ কির্ত্তনীয়া। এরপর ‘জাতির জনক’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দ সহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে সঙ্গীত শিল্পী রোকেয়া খানমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও জিনাত বেগম একটি কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে উল্লাপাড়া সমিতি ইউএসএ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিকলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ডা. হাবীবে ডা. মিল্লাত এমপি-কে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সভায় ডা. হাবীবে মিল্লাত বলেন, মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ডা. হাবীবে মিল্লাত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি উন্নয়নের প্রধান শত্রু। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত না হলে দেশ আবারো পিছিয়ে যাবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজয়ী করার আহবান জানান।

নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ, যুক্তরাষ্ট্র  মহিলা আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। 


এলএবাংলাটাইমস/এনওয়াই/এলআরটি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

চালকের আসনে সৌদি নারীরা

নিউজ ডেস্ক : আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি আরবের নারীরা চালকের আসনে বসেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে বহাল থাকা গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে।

রবিবার (২৪ জুন) থেকে নতুন আইন কার্যকর হয়েছে, যাতে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। খবর- বিবিসির।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। আর চলতি মাসের শুরু থেকেই নারীদের লাইসেন্স দেওয়া আরম্ভ হয়।

সৌদি আরবই একমাত্র দেশ ছিল, যেখানে নারীরা গাড়ি চালাতে পারতেন না।

সম্প্রতি গাড়ি চালানোর অধিকারের পক্ষে যাঁরা সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে সৌদি রাজতান্ত্রিক সরকার। অন্তত আট নারীকে কারাবন্দি করা হয়েছে, যাঁদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচারের মুখোমুখি বিচার করা হবে।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সৌদি আরবে বিস্তৃত পরিসরে সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে, বিশেষ করে পুরুষ অভিভাবকের কাছে নারীদের অধীন করে রাখার ক্ষেত্রে।

ধারণা করা হচ্ছে, হাজার হাজার নারী রাস্তায় গাড়ি চালাতে নামবেন।

সৌদি টিভি উপস্থাপক সাবিকা আল-দোসারি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘প্রত্যেক সৌদি নারীর জন্য এটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’ মধ্যরাতে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর তিনি কয়েক মিনিট গাড়ি চালান বলে জানান।

এখন সৌদি নারীরা গাড়ি চালাতে পারবেন। তবে এখনো তাঁরা ভ্রমণ, বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ইত্যাদি পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া করতে পারেন না।

সৌদি আরবের মানবাধিকারকর্মী বলেন, গাড়ি চালানোয় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরও নারীদের আটকে রাখার বিষয়টি লজ্জাজনক ও হৃদয়বিদারক।

এদিকে, এরই মধ্যে কিছু পুরুষ নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আরবি ভাষায় তাঁরা ‘তুমি গাড়ি চালাবে না’ হ্যাশট্যাগ লিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

সৌদি সমাজকে আধুনিকতার দিকে নিয়ে যেতে এটা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উদ্যোগ বলে জানা গেছে। তাঁর মস্তিষ্ক থেকেই ‘ভিশন-২০৩০’ কর্মসূচি এসেছে, যাতে তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

এলএবাংলাটাইমস/এমই/এলআরটি

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


ঘরেই তৈরি করুন টুথপেস্ট!

নিউজ ডেস্ক : ঘুম থেকে ওঠার পর একজন ব্যক্তির প্রধান কাজ হলো দাঁত পরিস্কার করা। কেননা মুখের দুর্গন্ধ সাধারণতই একটা মানুষকে আড়ষ্ট করে ফেলে। মুখ ও দাঁতের

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

যুক্তরাজ্যে পাঁচ লাখ পাউন্ড জরিমানার মুখে ফেসবুক

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের তথ্য অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ক সংস্থা ফেসবুককে পাঁচ লক্ষ পাউন্ড জরিমানার পরিকল্পনা করছে। ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারির জের ধরে এই জরিমানার কথা ভাবছে ব্রিটেনের তথ্য কমিশনারের অফিস।
 
ব্রিটেনে এটাই হবে এ ধরণের সবচেয়ে বড় অংকের জরিমানা। খবর- বিবিসির।

তবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ জরিমানার অংক কমানোর চেষ্টা করবে কিনা সে বিষয়ে এখনো কিছু বলেনি।

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল রাজনৈতিক দলের ব্যবহার জন্য তারা অনৈতিকভাবে কোটি-কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহ করেছিল।

ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে আসার বিষয়ে গণভোটের ফলাফল প্রভাবিত হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তথ্য অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ক সংস্থাটি আরো জানিয়েছে আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি বিলুপ্ত হওয়া ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার সহযোগী সংস্থা এসসিএল ইলেকশনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার কথাও ভাবছে।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য কিভাবে হুমকির মুখে পড়তে পারে সে সংক্রান্ত কোন ব্যাখ্যা ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যবহারকারীদের কাছে ব্যাখ্যা করেনি।

এর পাশাপাশি সংস্থাটি ব্রিটেনের ১১টি রাজনৈতিক দলের কাছে চিঠি দিয়েছে যাতে তারা তাদের তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে এবং সেটি ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তা নিরীক্ষা করে।

ব্রিটেনে ব্রেক্সিট প্রশ্নে গণভোটের সময় রাজনৈতিক প্রচারণায় জনগণের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষটি নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে।

এ তদন্ত শুরুর ১৬ মাস পরে ব্রিটেনের তথ্য কমিশনারের অফিস থেকে ফেসবুককে জরিমানার উদ্যোগ এসেছে।

যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার কাছে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের যেসব ব্যক্তিগত তথ্য ছিল সেগুলো যাতে তারা মুছে ফেলে সেটি ফেসবুক নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এতে ফেসবুকের নিয়ম-নীতির লঙ্ঘন হয়েছে বলে মনে তথ্য কমিশনারের অফিস।

তবে বন্ধ হয়ে যাবার আগে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা জানিয়েছিল যে ফেসবুকের কাছ থেকে তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ পাবার পর তারা সব তথ্য মুছে ফেলেছে।

কিন্তু তথ্য কমিশনার অফিস বলছে সেসব তথ্য যে অন্যদের দেয়া হয়েছে সে সংক্রান্ত প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে।

তীব্র বিতর্কের মুখে গত মে মাসে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেবার ঘোষণা দেয়া হয়।

এর আগে গত এপ্রিল মাসে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ-কক্ষে বিচার ও বাণিজ্য বিষয়ক যৌথ কমিটির ৪৪ জন সিনেটরের মুখোমুখি হন মার্ক জাকারবার্গ।

অভিযোগ রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণা দলের সঙ্গে যুক্ত যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা প্রায় ৫ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করেছে।

যদিও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পরে মোট ৮ কোটি ৭০ লাভ গ্রাহকের তথ্য চুরির খবর নিশ্চিত করে।

এলএবাংলাটাইমস/আইসিটি/এলআরটি

সুস্থ থাকুন

এসব কারণেও হতে পারে মাথাব্যথা

নিউজ ডেস্ক : উজ্জ্বল আলো, টাইট হেয়ারস্টাইল, কড়া ঘ্রাণ, ঘুমানোর ভঙ্গি ইত্যাদি বিস্ময়কর বিষয়গুলো আপনার মাথাব্যথার উদ্দীপক হতে পারে। মাথাব্যথার ১৩টি বিস্ময়কর প্ররোচক দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।

* গাঁজানো, ধূমায়িত ও ম্যারিনেটকৃত খাবার
টিরামিন হচ্ছে, প্রাকৃতিকভাবে উদ্ভূত পদার্থ যা মাথাব্যথা সৃষ্টিতে অবদান রাখতে পারে। এটি বিভিন্ন ধরনের ফল, শাকসবজি ও মাংসে পাওয়া যায়। গাঁজানো, বয়স্ক, ধূমায়িত ও ম্যারিনেটকৃত খাবারে (যেমন- সাউয়েরক্রাউট, টফু, পনির ও আচার) প্রচুর পরিমাণে টিরামিন থাকে। কলা (বিশেষ করে অতিরিক্ত পাকা কলা- ফলের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে টিরামিন বৃদ্ধি পায়), অ্যাভোকাডো, পেঁয়াজ ও চকলেটেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে টিরামিন থাকে। আপনি যত বেশি টিরামিন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, আপনার মাথাব্যথা তত বেশি বেড়ে যেতে পারে। অ্যালার্জিস্ট, ইন্টারনিস্ট এবং টিভি শো দ্য ডক্টরসের প্রাক্তন হোস্ট তানিয়া এলিয়ট বলেন, ‘সময় অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পনিরের প্রোটিন ভেঙ্গে যায় এবং টিরামিনের উপাদান বেড়ে যায়। আপনার দীর্ঘদিনের পনির ও টিরামিনযুক্ত অন্যান্য খাবারের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।’

* যৌন সহবাস
ম্যাপল হলিস্টিক্সের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিশেষজ্ঞ ক্যালেব ব্যাকি বলেন, ‘যৌনসহবাস হতে পারে মাথাব্যথার সর্বাধিক বিস্ময়কর কারণসমূহের একটি। বিশ্বাস করুন কিংবা না-ই করুন সেক্স হেডেক অথবা যৌনতাকেন্দ্রিক মাথাব্যথা বলে কিছু একটা আছে। যদিও এ ধরনের মাথাব্যথা বিরল এবং এটি কাউকে শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল করতে পারে।’ স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিশেষজ্ঞ নেসোশি ওকেকে-ইগবোকোয়ে বলেন, ‘পুরুষদের ক্ষেত্রে সেক্স হেডেক অধিক কমন এবং এরকম মাথাব্যথা সাধারণত রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। যদি আপনার হঠাৎ করে সেক্স হেডেক আরম্ভ হয় তাহলে এটি ব্রেইন হেমারেজের মতো মারাত্মক সমস্যা নয় তা নিশ্চিত হতে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।’

* টাইট হেয়ারস্টাইল
আপনার টাইট হেয়ারস্টাইল আপনার মাথাকে আঘাত করতে পারে। ড. ওকেকে-ইগবোকোয়ে বলেন, ‘পনিটেইল, বেণী, হাই বান এবং অন্যান্য টাইট হেয়ারস্টাইলের কারণে চুলে হেঁচকা টান পড়ার কারণে স্কাল্পের কিছু স্নায়ু উত্তেজিত হতে পারে।’ মাথাব্যথা প্রতিরোধ করতে টাইট হেয়ারস্টাইল এড়িয়ে চলুন এবং আপনার চুলকে নিচে নামতে দিন।

* চোয়ালের ত্রুটিপূর্ণ অবস্থান
হাউসটনের দন্ত চিকিৎসক রোনাল্ড কনিগ বলেন, ‘চোয়ালের জয়েন্টের ডিসফাংশন এবং কামড়-সম্পর্কিত সমস্যা হচ্ছে মাথাব্যথার দুইটি কমন কারণ।’ তিনি যোগ করেন, ‘এসব মাথাব্যথার বড় প্রভাবক কামড় সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। সহজভাবে এর মানে হচ্ছে, উপরের চোয়াল ও নিচের চোয়ালের ত্রুটিপূর্ণ অ্যালাইনমেন্টের কারণে মাথা ও ঘাড়ের পেশীতে টান লাগে। প্রতিবার খাওয়া বা চাবানো বা গেলার সময় এ অবস্থা আরো খারাপ হয়।’ অ্যাথলেটিকো ফিজিক্যাল থেরাপির ফিজিক্যাল থেরাপিস্ট অ্যানি বায়ারম্যান বলেন, ‘নিদ্রা সমস্যা যোগ করতে পারে: যদি আপনি ঘুমানোর সময় আপনার চোয়াল দৃঢ়ভাবে চেপে ধরেন বা টাইট করে রাখেন, তাহলে এর ফলে মাথাব্যথা অথবা কানে অনুরণন হওয়ার সঙ্গে অস্বস্তি অনুভব হতে পারে।’

* কড়া ঘ্রাণ
ডা. ব্যাকি বলেন, ‘অনেক লোক কড়া ঘ্রাণ প্ররোচিত মাথাব্যথায় ভুগে। এ ধরনের মাথাব্যথা প্রায়ক্ষেত্রে পারফিউম, সিগারেট স্মোক এবং পেট্রোল দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়ে থাকে।’ যদি আপনি মাইগ্রেনে ভুগেন, তাহলে ঘ্রাণ হতে পারে প্রাথমিক প্ররোচক। ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি হেলথের ফ্যামিলি মেডিসিন ফিজিশিয়ান কেভিন জেবকে বলেন, ‘বাজে ঘ্রাণ ও সুখকর ঘ্রাণ উভয়ের কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।’

* ডিহাইড্রেশন
হলিস্টিক হেলথ এক্সপার্ট এবং কাইরোপ্র্যাক্টর ক্লিন্ট স্টিল বলেন, ‘ডিহাইড্রেশন মাথাব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, ‘পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান নিশ্চিত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ করতে এবং বর্তমান স্বাস্থ্য সমস্যা (যেমন- মাথাব্যথা) সারিয়ে তুলতে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৬৪ থেকে ৭০ আউন্স পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

* ক্ষুধা
মাথাব্যথার কয়েকটি বিস্ময়কর কারণের একটি হচ্ছে, ক্ষুধা। এ প্রসঙ্গে ফিজিশিয়ান ও পেইন এক্সপার্ট জ্যাকব টেইটেলবাউম বলেন, ‘আপনি এর জন্য অ্যাড্রিনাল ক্লান্তিকে দায়ী করতে পারেন।’ তিনি যোগ করেন, ‘রক্ত শর্করা কমে যায় এবং অ্যাড্রিনাল ক্লান্তির কারণে মাংসপেশী সংকুচিত হয়, তাই কেবলমাত্র আপনার মেজাজ খারাপ হয় না, আপনার মাথাব্যথাও হতে পারে।’

এলএবাংলাটাইমস/এইচ/এলআরটি

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

কোটার রায় কি বৈধ ছিল?

সিরাজী এম আর মোস্তাক : রায় নিয়ে মন্তব্য করলে যদি আদালত অবমাননা হয়, ইতিহাস বিকৃত করলে কি অবমাননা হয়না? মুক্তিযুদ্ধের সুপ্রতিষ্ঠিত ইতিহাস অবমাননা এবং বাংলাদেশের ১৬কোটি জনতার বঞ্চণা সত্তেও হাইকোর্টের আপীল বিভাগে মাত্র ২লাখ তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার জন্য শতকরা ৩০ভাগ কোটা পরিপালনে যে রায় হয়েছে, তা বৈধ কিনা সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করছি।
১২ জুলাই, ২০১৮ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিষয়ে হাইকোর্টের রায় আছে। এজন্য ৩০ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হস্তক্ষেপ করা যাবেনা। মাননীয় নেত্রীর বক্তব্যের অনলাইন ভিডিওসুত্র দ্রষ্টব্য- https://www.youtube.com/watch?v=ZfLjJxUsWmY&t=161s| তিনি হাইকোর্টের রায় ও মামলার রেফারেন্স হিসেবে মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর প্রেসব্রিফিংয়ের কথা উল্লেখ করেন। লেখার কলেবর কমাতে উক্ত প্রেসব্রিফিংয়ের অনলাইন ভিডিওসুত্র প্রদত্ত হল- https://www.youtube.com/watch?v=va38Y5u6jbA&feature=share|
১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে লড়াকু বীর ও শহীদের সংখ্যা প্রসঙ্গে স্বাধীনতার স্থপতি বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুস্পষ্ট বক্তব্য ও তাদের প্রতি গৃহীত কর্মপন্থা বিদ্যমান। যারা এর বিরোধীতা করে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ও কোটা প্রণয়ন করেছে, তারা নিঃসন্দেহে স্বাধীনতা বিরোধী। আর স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষে রায় প্রদান কি বৈধ?
বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারী দেশে ফিরে প্রথম ভাষণেই মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারানো ৩০ লাখ শহীদ ও লাখো সম্ভ্রমহারা মা-বোনের সংখ্যা সুস্পষ্ট ঘোষণা করেন। তিনি লাখ লাখ জনতার উদ্দেশ্যে বলেন-আপনারাই লড়াই করে এদেশ স্বাধীন করেছেন। আপনাদেরই ৩০লাখ প্রাণ হারিয়েছেন এবং লাখ লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আপনাদের জানাই স্যালুট। আজ এ স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আপনাদেরই। ভাষণটি অনলাইন দ্রষ্টব্য-https://www.youtube.com/watch?v=__CHdKMmQfo| (এ প্রসঙ্গে আরো অসংখ্য উদ্ধৃতি ও প্রমাণ বিদ্যমান)। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের সংখ্যাটি ভাষণেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। লাখ লাখ শহীদ থেকে ০৭(সাত) জনকে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি তথা বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদান করেছেন। আর অগণিত মুক্তিযোদ্ধা থেকে ৬৬৯ জনকে তিন স্তরে (বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক) খেতাব প্রদান করেছেন। প্রদত্ত খেতাব অনুসারে, মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে শহীদের সংখ্যা অনেক কম। শহীদগণ মুক্তিযোদ্ধাদের অংশ মাত্র। যুদ্ধে আহত, নিহত, গাজী, বন্দী, শরণার্থী ও সহায়তাকারী সবাই মুক্তিযোদ্ধা। অর্থাৎ শহীদগণ সবাই মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাগণ সবাই শহীদ নন। শহীদগণ প্রাণপণ যুদ্ধ না করলে, বাংলাদেশ স্বাধীন হতনা। যেমন, ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ কালো রাতের ঘটনা। সে রাতে বঙ্গবন্ধু ও বীর শহীদগণ ব্যতিত প্রায় সবাই আত্মরক্ষা ও দেশত্যাগে ব্যস্ত ছিলেন। তখন বহু বীর জীবনের মায়া ত্যাগ করে পাকবাহিনীর বিরূদ্ধে অস্ত্র ধরেছিলেন। তারা যুদ্ধ করতে করতে প্রাণ হারিয়েছেন। এ শহীদদের চেয়ে বড় মুক্তিযোদ্ধা কে? বঙ্গবন্ধু শ্রদ্ধাভরে বারবার তাদের স্মরণ করেছেন। তাদের বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দিয়েছেন। অর্থাৎ ৩০লাখ শহীদ সবাই উচ্চ মানের মুক্তিযোদ্ধা। এছাড়া অন্যরা সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা। তাদের সংখ্যা ব্যাপক। বঙ্গবন্ধু তাদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি। তিনি ৩০লাখ শহীদেরও পুর্ণাঙ্গ তালিকা করেননি।
বলা হয়েছে, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা চালু হয়েছে। ২৭ জুন, ২০১৮ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে এ দাবি করেন। অনলাইন ভিডিও দ্রষ্টব্য-https://www.youtube.com/watch?v=cq5QU7YjpmQ| বঙ্গবন্ধুর সকল ভাষণ, কর্মকান্ড, শাসনপ্রণালী, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের খেতাবপ্রদান ও জীবনচরিত বিশ্লেষণে সুস্পষ্ট হয়, তিনি সারাজীবন বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গড়তে সংগ্রাম করেছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ ভেদাভেদ করেননি। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করলে, তা ছিল ব্যাপক। ০৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ ও ৬৬৯ জন খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া আপামর জনতাকেই তিনি সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করেছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের সন্তান-সন্ততি নির্বিশেষে কারো জন্যই কোটা চালু করেননি। তিনি তালিকা প্রণয়ন বা কোটা চালু করলে, সবার আগে ৩০ লাখ শহীদ ও সম্ভ্রমহারা মা-বোনের তালিকা করতেন এবং তাদের অসহায় সন্তানদের কোটা দিতেন। তখন অগণিত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা সম্ভব ছিলনা। তাই কেউ যদি দাবি করেন- তিনি ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়েছেন, তা জঘন্য মিথ্যাচারিতা।
বঙ্গবন্ধু শহীদ হবার পর তাঁর আদর্শ ও নীতি বর্জন করে স্বার্থান্বেষী মহল প্রায় ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা করে। তাদের জন্য ভাতা ও তাদের সন্তান-সন্ততিকে দেশের ১৬ কোটির জনতার তুলনায় শতকরা ৩০ভাগ কোটাসুবিধা প্রদান করে। এতে ৩০লাখ বীর শহীদ ও লাখ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের সংখ্যা ও স্বীকৃতি মুছে যায়। অগণিত লড়াকু বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বঞ্চিত হয়। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, এম এ জি ওসমানী, খন্দকার মোশতাকসহ বহু ত্যাগী নেতা মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বঞ্চিত হন। প্রতিষ্ঠিত হয় যে, শুধু তালিকাভুক্ত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধাই দেশ স্বাধীন করেছেন। অন্যরা মুক্তিযোদ্ধা নন। ৩০লাখ শহীদ ও লাখো সম্ভ্রমহারা মা-বোনের তালিকা তো দুরের কথা; তাদের সন্তান-সন্ততির স্বীকৃতি প্রশ্নই আসেনা। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর মহান আদর্শ বিলুপ্ত হয়। আর তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান-সন্ততি ও নাতি-নাতনিদের শতকরা ৩০ভাগ কোটাসুবিধার ফলে দেশে বৈষম্যের পাহাড় সৃষ্টি হয়।
মহামান্য আদালত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর চেতনা বিবেচনা ছাড়াই স্বার্থান্বেষী মহলের পক্ষে একপেঁশে রায় দিয়েছে। ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য শতকরা ৩০ভাগ কোটা পরিপালনে জোর তাগিদ দিয়েছে। মূলত আদালতের কাজ, আইন বিশ্লেষণ ও বিচার পরিচালনা করা; ইতিহাস গবেষণা নয়। আদালতের উচিত ছিল, প্রচলিত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকার যথার্থতা নির্ণয় করা। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অবৈধ তালিকাটি করেছে, তাদের চিহ্নিত করা। তারা জঘন্য অপরাধী। মামলার এজাহার অনুসারে অপরাধীদের বিচার করা। কোটার প্রকৃত হকদার মুক্তিযোদ্ধারা নাকি বীর শহীদের স্বজনেরা, তা বিবেচনা করা। আদালত তা করেনি। বাচ-বিচার ছাড়াই প্রচলিত ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যথার্থ বিবেচনা করেছে। তাদের পক্ষে বৈষম্যমূলক রায় প্রদান করেছে। প্রকৃতপক্ষে, বিচারবিভাগের কর্মকান্ড বিশ্লেষণ ও তদারকির জন্য বিধিবদ্ধ সংস্থা থাকলে, আদালত কখনই স্বার্থান্বেষী মহলের পক্ষে এমন রায় দিতে পারতনা।
অতএব উচিত, মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রদত্ত রায়টি নিখুঁত বিশ্লেষণ করা। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের স্বীকৃতি, সংখ্যা ও কোটা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের সমাধান করা। বাঙ্গালি জাতির জনকের প্রকৃত আদর্শ বাস্তবায়ন করা। বীরশহীদ, আত্মতাগী, ভুক্তভোগী ও বীরযোদ্ধা নির্বিশেষে দেশের আপামর জনতাকে মুক্তিযোদ্ধা ও লাখো শহীদের প্রজন্ম ঘোষণা করা। প্রচলিত কোটার কারণে লাখো শহীদের স্বজন ও আপামর জনতা যে বঞ্চণার শিকার হয়েছে, তা নিরসন করা। বঞ্চিতদের দাবি পূরণ করা। চাকুরিতে প্রবেশে বয়স কমপক্ষে ৪৫ বা ৪০ করা।

টুকিটাকি খবর

সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীর মৃত্যুদণ্ড!

নিউজ ডেস্ক : সীমান্ত পার হওয়ায় একটি গর্ভবতী গাভীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিষয়টি বিস্ময়কর হলেও এমনটা ঘটেছে ইউরোপে। একটি প্রাণীকে তুচ্ছ অপরাধে প্রাণদণ্ড দেয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে। খবর ইন্ডিপেনডেন্ট।

ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীটিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। পেনকা নামের গাভীটির তিন সপ্তাহ পর বাচ্চা প্রসব করার কথা। সম্প্রতি গাভীটি বুলগেরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম কপিলোভস্তিতে পাল থেকে বের হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অসদস্য দেশ সার্বিয়ায় ঢুকে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা পর অবশ্য গাভীটি তার মালিক হারাম্পিয়েভের কাছে ফিরে আসে।

কিন্তু ততক্ষণে তার আইন ভাঙার কথা এক কান দুই কান করে ছড়িয়ে পড়ে সারা গ্রামে। আর এতেই বাড়ে বিপত্তি। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ইইউ আইন অনুযায়ী, গাভীটির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে বুলগেরিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

পশু চিকিৎসক লিউবোমিরভ বলেন, ‘আসলে এসব ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার থাকে না। আমরা শুধুই আইনের বাস্তবায়ন করি। আইন তো পাস হয় সেই ব্রাসেলস থেকেই।’

বুলগেরিয়ার রক্ষণশীল দলের এমপি জন ফ্ল্যাক এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ ও ইইউর প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও তাজানির কাছে চিঠি লিখে বলেছেন, কঠোর আইনের নামে এই অযাচিত হস্তক্ষেপ সুনিশ্চিতভাবে বন্ধ করা উচিত।

চেঞ্জ ডট অর্গ পিটিশন নামে একটি গ্রুপ গাভীটির ব্যাপারে ছাড় দেয়ার জন্য ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পেনকার ঘটনায় ইইউ কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের জন্য যে ছাড় দেয়া হয়, তাও দেননি। আর গাভীটির মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণায় তার মালিক উন্মাদপ্রায়।’

উল্লেখ্য, ইউরোপজুড়ে পেনকার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইইউ প্রণীত এ ধরনের অদ্ভুত আইন পরিবর্তনে একটি পিটিশনও আহ্বান করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত পিটিশনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৮ হাজার ব্যক্তি।

 এলএবাংলাটাইমস/টি/এলআরটি

তারুণ্য

ইসলামের দিকে ঝুঁকলেন আরবের জনপ্রিয় পপ তারকা

নিউজ ডেস্ক : গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী যখন ঘোষণা দিলেন যে তিনি তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার থেকে অবসরে যাচ্ছেন, সেটা তাঁর ভক্তদের জন্য ছিল এক বিরাট ধাক্কা। আমাল তখন বলেছিলেন, আল্লাহ তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন। তিনি ইসলামের মধ্যেই তার সুখ-শান্তি খুঁজে পেয়েছেন। খবর- বিবিসির।

আমাল হিজাজী যখন তার গান-বাজনা ছেড়ে পুরোপুরি ইসলামী অনুশাসন মেনে জীবন-যাপন শুরু করলেন, তাঁর ভক্তরা অবাক হয়েছিলেন তখন।

কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন গানের জগতে। তবে একেবারে নতুন রূপে এবং ভিন্ন ধরণের গান নিয়ে। ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়েই একটি গান গেয়েছেন তিনি।

লেবাননের শিল্পী আমাল হিজাজী আরব দুনিয়ার জনপ্রিয় পপ তারকাদের একজন। ২০০১ সালে তাঁর প্রথম পপ রেকর্ড বাজারে আসে। পরের বছর দ্বিতীয় অ্যালবামেই তিনি এক সফল সঙ্গীত তারকায় পরিণত হন। এক দশকের মধ্যেই আমাল হিজাজী হয়ে উঠেন আরব বিশ্বের জনপ্রিয়তম সঙ্গীত তারকা।

২০০২ সালে আমাল হিজাজীর অ্যালবাম 'জামান' বাজারে আসে। এটিকে বিবেচনা করা হয় আরবী পপ সঙ্গীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম।

গত সেপ্টেম্বরে আমাল হিজাজী তার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন তিনি সঙ্গীতের জগত ছেড়ে যাচ্ছেন।
তখন তিনি তার হিজাব পরিহিত একটি ছবিও পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, "যে শিল্প আমি ভালোবাসি এবং যে ধর্মের নৈকট্যকে আমি লালন করি, এই দুটি নিয়ে আমাকে অনেক দিন ধরেই বোঝাপড়া করতে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ আমার প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন।"

নবী মুহাম্মদের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমাল হিজাজী যে গানটি গেয়েছেন, সেটি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।

ইতোমধ্যে ৮০ লাখ ভক্ত তাঁর এই গানটি শুনেছেন এবং আড়াই লাখের বেশি মানুষ এটি শেয়ার করেছেন। তবে আমাল হিজাজীর এই নতুন রূপ এবং নতুন গান নিয়ে তুমুল বিতর্কও চলছে।

যেভাবে তিনি হিজাব পরেছেন, তার যে সাজ-সজ্জা, সেটা কতটা ইসলাম সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ইসলামে এভাবে মহিলাদের গান করার বিধান আছে কিনা সেটা জানতে চেয়েছেন অনেকে।

আবু মুহাম্মদ আল আসতাল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, "তিনি যা করছেন তা ইসলাম সম্মত নয়।"
জেইনাব মুসেলমানি লিখেছেন, "আল্লাহ যা হারাম বলেছেন, সেটা প্রশংসা দয়া করে বন্ধ করুন। তার প্রশংসা বন্ধ করুন, তাকে বরং পথ দেখান।। ধর্মটা কেন অনেকের কাছে রসিকতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে?"

তবে অনেক ভক্ত আবার আমাল হিজাজীর প্রশংসা করেছেন। দিনা মিশিক নামে একজন লিখেছেন, "যে মহিলা কিনা ধর্মে যা নিষিদ্ধ তা করা বন্ধ করেছে, হিজাব পরা শুরু করেছে এবং নবীর জন্য গান করছে, তোমরা কিভাবে তার সমালোচনা করো।"
এলএবাংলাটাইমস/ওয়াই/এলআরটি

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক