যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১১ Jul, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 12:05am

|   লন্ডন - 07:05pm

|   নিউইয়র্ক - 02:05pm

  সর্বশেষ :

  নতুন ভিসা আদেশ বাতিলে মামলা বিদেশী শিক্ষার্থীদের   মাদক পাচারে আটক ৫১, বাজেয়াপ্ত $৪ মিলিয়ন ডলার   ডেথ ভ্যালিতে তাপমাত্রা উঠতে পারে ১২৬ ডিগ্রি   রক্তও করোনা ঝুঁকির মাত্রা নির্দেশক   প্রাক্তন উপদেষ্টা রজার স্টোনের সাজা কমালেন ট্রাম্প   করোনা টেস্ট বাড়াতে ৮০০০ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে   করোনায় মায়ের মৃত্যুর পরও বেঁচে রইলো গর্ভের শিশু   লস এঞ্জেলেসে হত্যাকান্ডের তদন্তে হমোসাইড গোয়েন্দারা   লস এঞ্জেলেসে হত্যাকান্ডের তদন্তে হমোসাইড গোয়েন্দারা   কুয়েত থেকে দেশে ফেরার আশঙ্কায় আড়াই লাখের বেশি বাংলাদেশি   ৮৬ বছর পর তুরস্কের হাইয়া সোফিয়ায় আজান   নিউজার্সির বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ফাবিহা চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে চায়   গল্প: ঝাড়খণ্ড থেকে শালীমার গার্ডেন   ছড়া-কবিতা   জয়প্রকাশ মণ্ডল-এর কবিতা

CORONAVIRUS OUTBREAK

Los Angeles

127,439

Cases

3,744

Deaths

California

312,038

Cases

6,958

Deaths

USA

3,291,786

Cases

136,671

Deaths

স্বদেশ


দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৭, শনাক্ত ২৯৪৯

করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৯৪৯ জন। শুক্রবার করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ

২০২০-০৭-১০ ০৮:৪৩:২৫

লস এঞ্জেলেস


করোনায় একদিনে গেল আরও ৫৫ প্রাণ, আক্রান্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৬৬৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৫ জন। আর এতে করে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৪৫৪ জনে।

২০২০-০৭-০৩ ০১:০১:৫৪


নিউইয়র্ক


বড়বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন হারিয়ে বিপাকে ফেসবুক

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ফেসবুক নিয়ে বিতর্কের যেন শেষ নেই। এবার প্রতিষ্ঠানটি ফেঁসে গেছে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগে। কালোদের বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন পোস্ট ফেসবুকে ঘুরে

বিস্তারিত

ইউরোপের খবর


বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ইউরোপের ভিসা

নিউজ ডেস্ক : মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া সীমান্ত জুলাইয়ের শুরু থেকে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। চীন, ভুটান, ভারতসহ বিশ্বের

বিস্তারিত


চাকরীর খবর


পদবী প্রতিষ্ঠান আবেদনের শেষ তারিখ
Account Executive Dental Health Services - San Diego/Orange County, CA ২০১৫-০২-১৩
AIRPORT GUIDE 0845 City of Los Angeles Personnel Department ২০১৫-০২-১২

আর্কাইভ

খেলাধুলা

৩০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল

নিউজ ডেস্ক : ৩০ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো লিভারপুলের। ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুল এখন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন। বৃহস্পতিবার রাতে চেলসির বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির ২-১ গোলের হারে ৭ ম্যাচ হাতে থাকতেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে লিভারপুল।

বুধবার রাতে নিজেদের মাঠে ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল লিভারপুল। সেই জয়ের পর চ্যাম্পিয়ন হতে বাকি থাকা ৭ ম্যাচে আর ২ পয়েন্ট প্রয়োজন ছিল অল রেডদের।

তবে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি নিজেদের ম্যাচে হেরে গেলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যাবে, এটাই ছিল সমীকরণ। চেলসি সিটিকে হারিয়ে লিভারপুলের শিরোপা উৎসবে মাতার উপলক্ষ এনে দিয়েছে।

ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগে এটি লিভারপুলের ১৯তম শিরোপা। ১৯৮৯-৯০ সালের পর এই প্রথম।

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এদিন সিটির বিপক্ষে ৩৬ মিনিটে লিড নেয় চেলসি। গোলটি করেন পুলিসিক। বিরতির পর ম্যাচের ৫৫ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইন সমতা ফেরান সিটির পক্ষে। তবে ৭৭ মিনিটে ফার্নানদিনহো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সিটি। আর পেনাল্টি থেকে উইলিয়ান চেলসিকে এগিয়ে দেন ২-১ এ। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চেলসি।

৩১ ম্যাচে ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল। সিটি হারলেও ৩১ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানেই রইল। সমান ম্যাচে চেলসি ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে। সিটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দৌড়ে ভালোভাবে থাকাটাই চেলসির বড় প্রাপ্তি।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এস

ইসলামী জীবন

এবার হজযাত্রা বাতিল করল মালয়েশিয়া

নিউজ ডেস্ক : কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এবার হজযাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। বৃহস্পতিবার পুত্রাজায়াতে সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী জুলকিফল মোহাম্মদ আল বাকরি এ ঘোষণা দেন। খবর আনাদোলুর।

মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রা বাতিলের পাশাপাশি পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণের বিষয়টি আরও জোরদার করা হবে এবং শিগগিরই কোরবানিবিষয়ক নির্দেশনাও জারি করা হবে।

এর আগে কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে চলতি বছর হজে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইন্দোনেশীয় মুসলমানরা। সৌদি কর্তৃপক্ষ হজের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় বৃহত্তম মুসলিম দেশটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ দিকে মালয়েশিয়ায় এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৩৬৯টি করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে, মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ১৪ জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ১৮৮ জন।

বৃহস্পতিবার দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় সর্বমোট ৩১ জন নতুন করোনারোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

করোনা সংকটের কারণে মার্চে ওমরাসহ মক্কা-মদিনায় অনেক ধর্মীয় কার্যক্রমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল সৌদি আরব।

মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার রোধে দেয়া বিধিনিষেধ শিথিল করে দুই মাসেরও বেশি সময় পর সৌদি আরবের মসজিদগুলো খুলে দেয়া হয়েছে।

জুলাই আর আগস্ট মাসে হজের জন্য প্রায় ২৫ লাখ মানুষ মক্কা এবং মদিনায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি সৌদি আরব।

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব। এমন পরিস্থিতিতে চলতি বছরে হজ যাত্রীদের সংখ্যা কাটছাঁট করে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে প্রতিটি দেশকে তাদের নিয়মিত কোটার ২০ শতাংশ নাগরিককে এবার হজ পালনের সুযোগ দিতে পারবে সৌদি।

প্রতিটি মুসলমান জীবনে অন্তত একবার হলেও হজ পালনের ইচ্ছা পোষণ করেন। প্রতি বছর প্রায় ২৫ লাখ মুসলমান মক্কা ও মদিনায় গিয়ে জমায়েত হন।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইএল

প্রবাসী কমিউনিটি

নিউজার্সির বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ফাবিহা চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে চায়

বিশ্বজিৎ দে বাবলু, নিউজার্সি : যুক্তরাষ্ট্রের দ্বাদশ গ্রেডের সমাপনী পরীক্ষায় নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের প্যাটারসন সিটির ইন্টান্যাশনাল হাইস্কুলের ছাত্রী বাংলাদেশি আমেরিকান ফাবিহা চৌধুরী সম্মিলিত জাতীয় মেধা তালিকায় কৃতিত্বের সহিত তৃতীয় স্থান অর্জন করে হাইস্কুলে গ্র্যাজুয়েশন  সম্পন্ন করেছে ।

ফাবিহা নিউজার্সির বাংলাদেশ কমিনিউটির পরিচিত মুখ রেজাউল করিম চৌধুরী ও গোলশানা চৌধুরী’র কনিষ্ঠ সন্তান। ফাবিহার পিতা রেজাউল করিম চৌধুরী নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং সুনামগঞ্জ জেলা জনকল্যাণ সমিতি নিউজার্সি যুক্তরাষ্ট্র ইনক্'র বর্তমান সহসভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ।

ফাবিহা তার এ ফলাফলের জন্য স্কুল শিক্ষক এবং পিতামাতা ও বড় ভাইও বোনের কাছে কৃতজ্ঞ। সে ভবিশ্যতে নিউজার্সির রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে মানুষের সেবা করতে চায়।

ফাবিহা’র জন্ম বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের মধুরা পুর গ্রামে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এএল

লস এঞ্জেলেস

করোনায় একদিনে গেল আরও ৫৫ প্রাণ, আক্রান্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৬৬৭

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৫ জন। আর এতে করে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৪৫৪ জনে। ভাইরাসটিতে এখনো পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার ৬৬৭ জন। 


এর মধ্যে লং বীচ এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪,২৬৫ জন। প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে লং বীচে মারা যায় ১৩৩ জন। পাসাডেনা এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৩,৪১ জন। আর মৃতের সংখ্যা ৯৩ জন।

বৃহস্পতিবারে কাউন্টির ভাইরাস সংক্রমণের সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করে স্বাস্থ্য পরিচালক বারবারা ফেরার। ভাইরাসটিতে বাংলাদেশি অধ্যুষিত ‘লিটল বাংলাদেশ’ এলাকায় এখনো পর্যন্ত আক্রান্ত ২৪৫ জন। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটিতে এই এলাকায় গতকাল নতুন তিনজন শনাক্ত হয়েছেন।

পুরো ক্যালিফোর্নিয়াতে করোনাভাইরাসে এখনো পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু নতুন করে আক্রান্ত হয় ৯,৩৩৫ জন। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান মোট ৬ হাজার ২৬২ জন। আজকে নতুন করে মারা যান ৯৮ জন।

যুক্তরাষ্ট্রে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৮৯ জন। আর মোট মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৮৫ জন।

সুপ্রিয় পাঠক, প্রতিবেদনটি লেখার আগ পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য নিয়ে এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়ে থাকে। প্রতিনিয়ত লাইভ আপডেটের জন্য আপনারা চোখ রাখতে পারেন আমাদের করোনা ট্র্যাকিং টুলে।

এলএ/বাংলা টাইমস/এন/এইচ

বিনোদন


এন্ড্রু কিশোরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার

নিউজ ডেস্ক : দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান প্লে-ব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর। সোমবার সন্ধ্যা ৬ টা ৫৫ মিনিটে রাজশাহীতে

বিস্তারিত

রান্নাবান্না


যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন প্রতিদিনের বাজার

নিউজ ডেস্ক : দৈনন্দিন কিছু বাজার প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে শাকসবজি, মাছ-মাংস অন্যতম। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তাতে নানা রকমের রাসায়নিক যেমন- কীটনাশক, ফরমালিন

বিস্তারিত


লন্ডন

যুক্তরাজ্যে করোনায় মৃতের গণকবরে সমাহিত করা হতে পারে!

নিউজ ডেস্ক :

ইউনিভার্সিটি অফ হডার্সফিল্ড এর গবেষকদের একটি দলের অভিমত, প্রাণহানীর ঘটনা বৃদ্ধি পেলে তা মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের পরিষেবাগুলি ভালোভাবে প্রস্তুত নয়। তারা বলছেন, করোনাভাইরাসের মহামারীতে (পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মৃতদেরকে গণকবরে কবর দিতে বাধ্য হতে পারে।

তারা পূর্বাভাস দিয়েছেন যে কোভিড-১৯-এ সংক্রামিতদের মধ্যে মৃত্যুর হার যদি এমনকি ১ শতাংশ পর্যন্তও পৌঁছে যায় তবে দাফন সংক্রান্ত পরিষেবাগুলি ব্যাহত হতে পারে। মৃত ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট দেয়া, জানাজার পরিষেবা প্রদান এবং এমনকি কবরের স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

তাদের অভিমত,সীমিত কবরস্থানও একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। যার ফলে গণকবরের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছ।

গবেষক ড. জুলিয়া মেটন, ড. আন্না উইলিয়ামস এবং  হেলেন-মেরি ক্রুগার স্বীকার করেছেন যে, এটি 'অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়। এটা অনেক সম্প্রদায়ের মন খারাপ ও ক্রুদ্ধতার বিষয় হবে'। তারা বলছেন,  গণকবরের বিষয়টা ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির বিষয় হয়ে দাড়াবে।

সম্প্রতি বার্মিংহাম বিমানবন্দরের একটি অংশকে কমপক্ষে ১,৫০০ মৃতদেহের জন্য অস্থায়ী কবরস্থানে পরিণত করার কাজ শুরু হয়েছে। এই ঘটনার পর এ ধরনের বিবৃতি আসলো।

এদিকে ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশ জানিয়েছে, মহামারীর বিস্তার যেহেতু বাড়ছে তাই কবর দেয়ার 'সক্ষমতা সম্প্রসারণের সুযোগ' বাড়াতে হবে।


এম/এইচ/টি

মধ্য প্রাচ্যের খবর

দেড় মাসে আমিরাত থেকে দেশে ফিরেছে শতাধিক প্রবাসীর মৃতদেহ

নিউজ ডেস্ক :
গত ৪৫ দিনে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শতাধিক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে। এরা কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। একই সময় পাঁচ হাজার শ্রমিককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মোহাম্মদ মিজানুর রেহমান গালফ নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মিজানুর রেহমান জানান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে  মৃতদেহগুলো দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। মার্চ থেকে এগুলো মর্গে রাখা ছিল। তবে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ মিশন মৃতদেহগুলো দেশে ফেরত পাঠাতে সাহায্য করেছে।

তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় মৃতদেহগুলো দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মিজানুর রেহমান বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে পাঁচ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে ২০টিরও বেশি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’

বাংলাদেশ দূতাবাসের এই কর্মকর্তা জানান, ২০টি মৃতদেহ এখনও দেশে পাঠানো হয়নি। এর মধ্যে ১০টি আবু ধাবিতে ও ১০টি দুবাই থেকে যাবে।

তিনি জানান, চাকরি হারানোর পর যেসব শ্রমিকের দেশে ফিরে যাওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই তাদেরকে দূতাবাস সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা কাজ করতেন সেসব প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক সহযোগিতা দেবে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এমই
 

বিজ্ঞাপন

লাইফ স্টাইল


যেসব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বিপজ্জনক

নিউজ ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের থাবায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের তাণ্ডবে আমেরিকা, ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও ব্রাজিল

বিস্তারিত

নামাযের সময়সূচি

জনমত জরিপ


আইটি

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের খরচ আরও বাড়ছে

নিউজ ডেস্ক :  নতুন অর্থবছরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য যে বাজেট প্রস্তাব করেছেন, তাতে মোবাইল সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন।

ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস পাঠানো এবং ডাটা ব্যবহারের খরচও বেড়ে যাবে।

বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছিল।

প্রথমবার মোবাইল ফোন ব্যবহারের উপর সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয় ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে। তখন ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব হলেও পরে তা ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, এর ফলে বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ১ শতাংশ সারচার্জ, ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং অন্যান্য মিলে মোট কর ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ৩৩.২৫ শতাংশে।

সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়লে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কেউ যদি ১০০ টাকার সেবা নিতে চান, তাহলে ৭৫ দশমিক শূন্য ৩ টাকার সেবা নিতে পারবেন। ২৪ দশমিক ৯৭ টাকা যাবে সরকারের পকেটে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/আইসিটি

সুস্থ থাকুন

করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি

নিউজ ডেস্ক :
করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়া প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন রোগী দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। নতুন এক গবেষণায় এমনটাই সতর্ক করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের মধ্যে ফুসফুসের ক্ষতি, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, এমনকি মস্তিষ্কের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য বিভাগের (এনএইচএস) তথ্যানুসারে, করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়া প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

দ্য টেলিগ্রাফকে এনএইচএস সিকোল সেন্টারের ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ডা. হিলারি ফ্লয়েড বলেন, ‘আমরা জানি না করোনার দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা কতটা দীর্ঘ হবে। ৫০ এবং ৬০ এর কোঠায় থাকা মানুষের ২০ বছরের মধ্যে স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি বাড়বে কিনা।’

ডা. ফ্লয়েডের মতে, বয়স্ক মানুষজন কোভিড-১৯ এর ঝুঁকিতে থাকলেও, কম বয়সি অনেক মানুষকে এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখে তিনি হতবাক হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কম বয়সি অনেকে শারীরিকভাবে সক্রিয় ছিল, জিমে গিয়েছে, সাঁতার কেটেছে- অথচ করোনায় আক্রান্ত হয়ে তারা এখন বিছানা ছেড়ে উঠতে পারে না। আমরা সত্যিই বয়স চল্লিশের কোঠায় গুরুতর কোনো করোনা রোগী আশা করিনি, তাদের বয়স বেশি হওয়ার  প্রত্যাশা করেছিলাম।’

ডা. ফ্লয়েড আরো বলেন, ‘আমরা দেখেছি অনেক বয়স্ক রোগী সত্যিকার অর্থে করোনার বিরুদ্ধ লড়াই করে যাচ্ছেন। তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার প্রত্যাশা অনেক বেশি। তবে সুস্থ হওয়ার পরও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যার মুখোমুখি হওয়া লাগতে পারে।’

কিছুদিন আগে চীনের বিজ্ঞানীরাও সতর্ক করে বলেছিলেন যে, করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়া ব্যক্তিরা বেশ কয়েকটি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগতে পারেন। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের গবেষণায় জানানো হয়, করোনা থেকে সুস্থ হওয়া রোগীরা হতাশা, অনিদ্রা, খাবারে অনীহাসহ বিভিন্ন মানসিক এবং স্নায়বিক সমস্যায় ভুগতে পারেন। এমনকি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও হতে পারে।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এইচ

ফটো গ্যালারি

জনপ্রিয় পত্রিকাসমূহ

কলাম

যেভাবে করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখবেন

সামীর রূহানী : করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কার্যকরী লকডাউন প্রত্যাহার করা হচ্ছে । ইতিহাসের পাতায় একদিন লিখা থাকবে যে বিশ্ব নেতাদের কাছে সামান্য কাগজের টাকার সামনে মানুষের অমূল্য জীবন মূল্যহীন বস্তুতে রূপান্তরিত হয়েছিলো । তবে আপনি যদি সমাজতন্ত্রের আদর্শে বিশ্বাসী দেশগুলার দিকে একবার তাকান তাহলে তারা কিন্তু অধিকাংশই ভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে শতভাগ সফলতা অর্জন করে আবার অনান্য দেশকেও তাদের দেশের মেডিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছে । যেমন তাইওয়ান হংকং কিউবা ভিয়েতনাম সহ আরো অনেকেই আছে । এদিক থেকে ক্যাপিটালিজমে বিশ্বাসী দক্ষিণ কোরিয়া কিংবা স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের স্বর্গরাজ্য নিউজল্যান্ড কিন্তু সফলতা অর্জন করে সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছে কারণ তারা মানুষের জীবনের মূল্যায়ন করতে জানে ।

এইটা একটা ফ্যাক্ট যে আপনি আপনার দেশের নাগরিকদের কিভাবে দেখছেন বা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা কিভাবে নিশ্চিত করতে পারছেন । তাই যেহেতু আমরা এখন এতটা সৌভাগ্যবান না সেহেতু আমাদের নিজ নিজ জীবন এবং পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নিজেদেরই দায়িত্ব নিতে হবে । কারণ মনে রাখবেন আপনি মারা গেলে সেটা সরকারি হিসাবে একটা সংখ্যা মাত্র কিন্তু নিজ পরিবার এবং প্রিয়জনের কাছে একটা পৃথিবীর সমান । এদিকে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিনের ভাইরোলজিস্ট ডা. জামালউদ্দিন জানিয়েছেন যে করোনা ভাইরাস তার জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে শক্তি বাড়াচ্ছে ।

এখানে উল্লেখ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জন হপকিন্স ভার্সিটির গবেষণা মোতাবেক ভাইরাসটিতে এই পর্যন্ত 5 টা জিনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে যেখানে আগের চেয়ে ওআরএফ 1 এবি জিনের আধিক্য লক্ষণীয় বলে তিনি জানিয়েছেন যেটা হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ । তাই আমাদের এখন থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে । কিন্তু আমরা অধিকাংশ সবাই একটা বিশেষ ভুল বারবার করে যাচ্ছি । আর সেটা হচ্ছে আমরা মাস্ক তো পড়ছি নাক এবং মুখ সুরক্ষিত রাখতে কিন্তু আপনার চোখ ? আপনারা কি জানেন না যে বিশ্বের সব গবেষকরা বারবার বলে যাচ্ছেন যে প্রতিনিয়ত ক্ষার জাতীয় সাবান দিয়ে হাত ধৌত করার পাশাপাশি আপনার নাক মুখ আর চোখ কে সুরক্ষিত রাখতে হবে ? কারণ করোনা ভাইরাস মানব দেহে শুধুমাত্র নাক মুখ ও চোখ দিয়েই প্রবেশ করার ক্ষমতা রাখে । তাই বাইরে বের হলে আপনার চোখ কে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে ছবি সংবলিত গগলস কিংবা ফেস শিল্ড ব্যবহার করুন । যারা চোখের সমস্যার জন্য পাওয়ার গ্লাস ব্যবহার করেন তারা গগলস না নিয়ে ফেস শিল্ড ব্যবহার করবেন । আর বাকিরা ফেস মাস্কের সাথে গগলস ব্যবহার করবেন । এইসব গগলস কিংবা ফেস শিল্ড বাইরে থেকে এসে ক্ষার জাতীয় ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করে নিবেন না হয় বাসার বারান্দায় রোদ্রে ঘন্টাখানেক রেখে দিলে সূর্য রশ্মিতে অটোমেটিক জীবাণু মুক্ত হয়ে যাবে । এইসব ফেস শিল্ড ও গগলস আপনারা অনলাইনে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন অথবা বিভিন্ন মেডিক্যাল বা সার্জিক্যাল স্টোরে খোজ করলেই পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ । তবে যারা আর্থিক সমস্যার কারণে কিনতে পারবেন না তারা চোখের সাথে টাইট ভাবে ফিট থাকে ধূলাবালি ময়লা প্রবেশ করতে পারে না এমন সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন । তাছাড়া আরেকটা বিষয় খেয়াল রাখবেন যে আপনি যদি সাধারণ কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু করোনা ভাইরাসের জীবাণু প্রতিহত করা সম্ভব না । এর জন্য আপনাকে একমাত্র সার্জিক্যাল মাস্ক বা এন95 ব্যবহার করতে হবে ।

যাইহোক ফেস শিল্ড গগলস মাস্ক এইসব পড়ে বাইরে চলাফেরা করলে আপনাকে অদ্ভুত দেখাবে হয়তো মানুষ আপনাকে নিয়ে হাসাহাসিও করতে পারে কারণ আমাদের সমাজের একটাই কাজ যে মানুষ নিয়ে তামাশা করা । কিন্তু আপনারা এসব মানুষদের কেয়ার করবেন না । আপনার অসাবধানতার কারণে যদি আপনার বা আপনার পরিবারের সদস্যদের কিছু হয়ে যায় মনে রাখবেন এদের একজন মানুষকেও আপনার পাশে পাবেন না । এবার আপনাদের সবার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জন হপকিন্স ভার্সিটির বিশ্ব সেরা গবেষকদের সমস্ত দিক নির্দেশনার লিস্ট করে দিচ্ছি যেটা অনুসরণ করলে ইনশাআল্লাহ আপনারা পরিবার পরিজন নিয়ে ভাইরাস হতে সুরক্ষিত থাকতে পারবেন।
# মাস্ক গ্লাভস এবং গগলস বা ফেস শিল্ড দিয়ে চোখ পরিপূর্ণ কাভার করে এমন চশমা বা সানগ্লাস পড়ে বাজার করতে যান ৷ মহিলারা মাথায় ওড়না বা স্কার্ফ ব্যবহার করবেন আর পুরুষরা পারলে মাথায় টুপি পড়তে পারেন ৷ কারণ চুল থেকেও ভাইরাস সংক্রমিত হয় । যেমন ধরুন মেয়েদের চুল তো স্বাভাবিক ভাবেই বড় লম্বা হয়ে থাকে আর অনেক ছেলে আছে যারা চুল বড় রাখতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন । এখন বাইরে বের হলে আপনাদের খোলা চুলের উপর বাতাসে ভেসে থাকা ভাইরাস এসে যদি পড়ে যায় এবং সেই চুল খোলা থাকলে নিশ্চয়ই আপনার চোখে মুখে নাকের সংস্পর্শে আসবেই আসবে । তখনই ভাইরাস আপনার নাক মুখ চোখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে । তাই চুল বেধে বা ঢেকে বাইরে চলাফেরা করতে হবে সবাইকে

# আপনার ব্যবহৃত জুতা বা স্যান্ডেল অবশ্যই দরজার বাইরে খুলে বাসায় ঢুকবেন ।।

# বাসায় এসে বাজারের ব্যাগ বা প্যাকেট অন্য কাউকে ধরতে দেবেন না ৷ যিনি আনবেন তিনিই সাবধানে সব কিছু ঠিকঠাক সংরক্ষণের কাজ করবেন ৷।

# ডিম এবং ফলমূল ক্ষার জাতীয় সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুতে হবে ৷ যেসব ফল বা শাক সবজি সাবান দিয়ে ধোয়া সম্ভব না সেগুলো হালকা গরম পানিতে ভিনেগার অথবা লবন দিয়ে আধা ঘন্টা ডুবিয়ে রাখতে হবে ৷।

# যেসব প্যাকেটের ভেতর ফয়েল প্যাকেট থাকে যেমন গুড়াদুধ চা কফি বা বিস্কুট ইত্যাদির বাইরের কাগজ প্লাস্টিকের প্যাকেট ফেলে দেবেন ৷।

# কিছু শাকসব্জি যেসব সাবান দিয়ে ধোয়া সম্ভব না সেসব বারান্দা বা অন্য কোন জায়গায় ২৪ ঘন্টা রেখে দেবেন ৷ রোদে রাখতে পারলে আরো বেশি ভালো কারণ সূর্য রশ্মি জীবাণু ধবংস করে । আর যেসব জিনিস সাথে সাথে ব্যবহার করতে হবে সেসব ভিনেগার বা লবন মিশ্রিত কুসুম গরম পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে ৷।

# মাছ মাংশ উপরোক্ত একই নিয়মে ভালো মতন ধুয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দেবেন ৷।

# এসব ধোয়ার সময়ও গ্লাভস পরাই থাকবে ৷ সেসময় যদি চোখ চুলকায় বা মাথা চুলকায় তাহলে অন্য কারো সাহায্য নেবেন কিন্তু নিজের হাত বা কনুই ব্যবহার করবেন না ৷ সাহায্যকারীও এরপর হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন ।।

# খাবার-দাবার ছাড়া অন্যান্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিষ যেমন সাবান শ্যাম্পু রেজর ওয়াশিং পাউডার ইত্যাদি এক থেকে দুইদিন আলাদা জায়গায় প্যাকেট সহই রেখে দিন ।৷

# সবকিছু হয়ে গেলে পরিহিত Dress বা জামা কাপড় খুলে তারপর গ্লাভস খুলে সেসব খুলে ফেলা ড্রেস সাবান বা খার জাতীয় ডিটারজেন্ট পানিতে চুবিয়ে তারপর হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিবেন ৷ কিন্তু বেটার অপশন হচ্ছে সাথে সাথে ভালো ভাবে গোসল করে নিতে হবে ৷ তারপর নতুন পোশাক পরবেন ৷ এর জন্য বাইরে যাওয়ার পূর্বে আগে থেকেই বাথরুমে এইসব কিছু রেডি করে রাখবেন ।।

# সমস্ত রকম রান্নাই যেন বেশী সময় ধরে উচ্চ তাপে ভালোভাবে রান্না করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন ৷ কারণ উচ্চ তাপে জীবাণু মরতে সাহায্য করে ।।

# হাতের নখ ছোট রাখবেন Specially মেয়েরা । কারণ ভাইরাস নখের ভেতর থেকে যায় যা সাবানে যায়না ।।

# মানিব্যাগ চশমা মোবাইল বাইরে থেকে এসে Antiseptic Solution বা Sanitizer দিয়ে ভালো ভাবে মুছে নিবেন ৷ কারণ বাজারের পাশাপাশি টাকা এবং মোবাইলে সবচাইতে বেশি ভাইরাস সংক্রমণ ঘটাচ্ছে তাই সাবধান সবাই । আর মাস্ক সংকট থাকলে ব্যবহার করা মাস্ক রোদে রেখে দিন যাতে জীবাণু মরতে পারে ।।

# ঘর মুছতে 20 লিটার পানিতে 1 টেবিল চামচ ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করুন । তবে বাসায় যদি মুরব্বী মানুষ ছোটো বাচ্চা বা এজমা সহ এলার্জির রোগী থাকে তাহলে এই ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত উপাদান ব্যবহার করবেন না । কারণ এই পাউডার এমন কিছু ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে যা Respiratory Syndrome সরাসরি ইফেক্ট করে মানুষের জীবন হুমকির সম্মুখীন করতে পারে । এইজন্য বেটার অপশন হিসাবে বাজারে যেসব ক্লিনার রয়েছে সেসব ব্যবহার করলেই হবে ।।

# প্রতিদিন আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা জিম বা ইয়োগা করবেন নিয়মিত । কারণ বাসায় বসে থাকলে আপনার শরীরের সমস্ত অর্গানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়ে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে । তাই জিম ইয়োগা করে শরীরের অর্গান স্বাভাবিক রাখুন সুস্থতার জন্য ।।

# প্রতিদিন কমপক্ষে আট ঘন্টা ঘুমাবেন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্রেশ ওয়াটার খাবেন । বেটার দেশে ভাইরাস অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাসায় পানি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছাকনী দিয়ে ছেকে জল পান করুন । ডাক্তার এবং গবেষকদের মতে এইটা এখন সর্বোচ্চ নিরাপদ পন্থা জল পান করার । কারণ এই মুহূর্তে বাইরের যেকোনো পানিই নিরাপদ না মানুষের জন্য । তবে মিনারেল ওয়াটারে সমস্যা নাই ।।

# আপাতত ভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মার্কেট থেকে নতুন জামা কাপড় কসমেটিকস কেনা হতে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন । এবং বিয়ে শাদি জন্মদিন পার্টি করা সহ যেকোনো জনসমাগম অনুষ্ঠান বর্জন করুন ।।

# অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন সবসময় । কারন আপনি জানেন না যে আপনার পাশের মানুষটা ভাইরাসের আক্রান্ত কিনা সো বোকার মতন রিস্ক নিবেন না । বাইরে একে অন্যের থেকে কমপক্ষে ছয় ফিট দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করবেন । এইসব ভুল করেও অবহেলা করবেন না । আপনার সামান্য অবহেলা সারাজীবনের কান্নার কারণ হতে পারে এই মূহুর্তে।
পরিশেষে কিছু কথা বলে শেষ করতে চাই । বিশ্বখ্যাত শীর্ষ ধনীদের মাঝে অন্যতম আলীবাবা'র প্রতিষ্ঠান জ্যাক মা বলেছেন যে " আপনি যদি বানরের সামনে একটি কলা এবং কিছু টাকা রাখেন তাহলে বানর নি:সন্দেহে কলাটাই বেছে নেবে কারণ বানর জানেনা যে টাকা দিয়ে অনেক কলা কেনা সম্ভব । বাস্তবিক অর্থে আপনি যদি টাকা এবং স্বাস্থ্য এ দুইটা'কে মানুষের সামনে রাখেন তাহলে মানুষ টাকা'কেই বেচে নেবে কারণ মানুষ জানেনা যে স্বাস্থ্য অনেক টাকা এবং সুখ বয়ে নিয়ে আসতে পারে ।। " তাই সিদ্ধান্তটা আপনাদের । জীবিত থাকলে বহু অর্থ সম্পদ উপার্জন করতে পারবেন । কিন্তু জীবনের ঝুকি নিয়ে অর্থ উপার্জন করতে যেয়ে জান হারালে পৃথিবী থেকে শূন্য হাতে প্রস্থান করতে হবে । আমি বাংলাদেশ সরকারের কাছে বিশেষ একটা অনুরোধ রাখতে চাই । দয়াকরে আপনারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল কলেজ ভার্সিটি মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের জীবন হুমকির মুখে ফেলে অপেন করে দিবেন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত । কারণ সম্প্রতি ফ্রান্স এই বোকামি করতে যেয়ে একদিনে 70 জন শিশু আক্রান্ত হওয়ার পর আবার সাথে সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব বন্ধ করে দিয়েছে । এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে সর্বোচ্চ শিক্ষার্থীদের পড়ালেখাতে ব্রেক হবে সেসন লস হবে যেটা পরিবর্তিতে রিকভার করা সম্ভব কিন্তু একবার কারোর জীবন চলে গেলে সেটা আর রিকভার করা সম্ভব না । আজ যে চীন বিশ্ব অর্থনীতিতে রাজ করছে তারা আশির দশকের পূর্বে বাংলাদেশের চাইতে ভঙ্গুর অবস্থার মাঝে ছিলো । আশির দশকের পর সে দেশের সমাজতান্ত্রীক সরকার অর্থনৈতিক বিস্ফোরণ সৃষ্টি করলেন । কিভাবে জানেন ? একটা দেশের জনসংখ্যা সে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তির চাবিকাঠি যদি আপনি সঠিক ভাবে তার ব্যবহার করতে জানেন । চীন সরকার আশির দশক থেকে দীর্ঘ বারো বছর সে দেশের সকল অনার্স মাস্টার্স মানে স্নাতক স্তরের পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়েছিলো । কারণ চীন সরকার তার জনগনকে বলেছিলো যে তারা এত ডিগ্রি অর্জন করে কি করবে ? দেশে তো কর্মসংস্থান নাই যে তারা এই পড়ালেখাতে তাদের শ্রম মেধা সময় আর অর্থ ইনভেস্ট করে অর্থ উপার্জন করতে পারবে তাই না ? এইজন্য তিনি শিক্ষার্থীদের সমস্ত শ্রম মেধা সময় এবং অর্থ ইনভেস্ট করে পারিবারিক ভাবে নিজ নিজ বাসায় যে যার মেধা অনুযায়ী শিল্প অথবা প্রডাক্ট উৎপাদন করতে বললেন যেটা চীন সরকার নিজ দায়িত্বে বিশ্ব বাজারে বিক্রি করার ব্যবস্থা করবেন । তারপর বাকিটা এখন ইতিহাস । চীনের অর্থনীতি এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতার দিকে সারা বিশ্বের সব রাষ্ট্ররা অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে । মাত্র এক যুগ তারা স্নাতক পড়াশোনা বন্ধ রেখে নিজের দেশের চেহারা পাল্টে দিয়েছিলো । সেখানে আমাদের বর্তমান অবস্থা নিশ্চয়ই তাদের আশির দশকের চাইতে কম না । আমরাও অর্থনৈতিক ভাবে ব্যাপক একটা বিস্ফোরণ ঘটানোর পজিশনে আছি এখন । কিছুদিন কেনো বছর খানেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখলেও তেমন কিছুই যায় আসবে না বর্তমান পরিস্থিতিতে । এমনিতেই কয়েক কোটি বেকার জনগোষ্ঠী রয়েছে আমাদের দেশে এবং করোনা মহামারীতে আরো 23 শতাংশ মানুষ তাদের কর্ম হারিয়েছে ।

এমন অবস্থায় কেউ তাদের জীবন হুমকির সম্মুখীন করে ডিগ্রি অর্জন করে দেশের কোথায় কি করতে পারবে ? আমার কথা হচ্ছে এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে দেশের অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না । কিন্তু দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের এসব মেধাবী শিক্ষার্থীদের কিছু হয়ে গেলে সেটা নিশ্চিত ভবিষ্যত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে । এদিকে বিশ্ব অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে করোনা মহামারীর কারণে সারা পৃথিবীতে প্রায় 200 কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে যাবে । তাই এখন থেকেই সব দেশের উচিত তাদের বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে কিভাবে ভবিষ্যত অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় তার বিশেষ ভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা । করোনা পরিবর্তি পৃথিবীতে আপনাদের টিকে থাকতে হলে কাজ নিয়ে লজ্জা করা যাবে না । আর অভিভাবকদের বলবো যে আপনার সন্তানের জীবন হুমকির সম্মুখীন করে এই মূহুর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে কি অর্জন করতে পারবেন ? একটা সার্টিফিকেট ? কি কাজে আসবে এই সার্টিফিকেট বর্তমান পরিস্থিতিতে ? কিছুই না নিশ্চয়ই । তবে আপনার সন্তান সুরক্ষিত থাকলে বেচে থাকলে কিন্তু কিছুদিন পরে এই একই সার্টিফিকেট অর্জন করে অনেক কিছুই করতে পারবে ইনশাআল্লাহ । জীবন বিপন্ন করে শিক্ষা অর্জন করতে যাবেন না । জীবনের মূল্যায়ন করতে শিখুন সবাই । আর করোনা ভাইরাসকে ভয় করে সতর্কতা অবলম্বন করুন সবাই । কারণ যার চিকিৎসা নাই সেটাকে ভয় করাই বুদ্ধিমানের কাজ । চিকিৎসা আজ অথবা কাল অবশ্যই আবিষ্কার হবে । কারণ পবিত্র আল কোরআনে আল্লাহ পাক বলেছেন যে তিনি পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ দেন নাই যার চিকিৎসা দেন নাই । তাই আপনারা সবাই যার যার বিশ্বাসের স্থান হতে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন সমাধানের জন্য । এবং প্রকৃতিকে সময় দিন নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে নিতে । কারণ প্রকৃতি না বাচলে মানুষ বাচবে না । পরিবেশ বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে এই করোনা ভাইরাসই পৃথিবীর জন্য শেষ বিপর্যয় নয় । এখনই যদি বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন না করা যায় তাহলে পরিবেশ আরো অনেক জীবাণু উগলানো শুরু করবে পৃথিবীর জন্য যেটার পরিনতি আরো ভয়াবহ হতে পারে । পরিবেশ প্রকৃতি গাছপালার কাজ হচ্ছে পৃথিবীর সব জীবাণু শোষন করে মানুষের বেচে থাকার জন্য ফ্রেশ অক্সিজেন সরবরাহ করা । অথচ আমরা এই মানবজাতি আজ এতটাই বোকা এবং নির্বোধ অধম হয়ে গেছি যে সামান্য কিছু টাকার লোভে গাছপালা বন জঙ্গল উজার করে কেটে বিক্রি করে নিজেদের জীবন নিজেরাই ধবংস করে দিচ্ছি । যার কারণে ফ্রেশ অক্সিজেন সরবরাহ কমে যাচ্ছে আর প্রকৃতি বিষাক্ত জীবাণু শোষন করতে পারছে না এবং আমরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজেদের চিকিৎসার পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করে দিচ্ছি বাচার জন্য আশ্চর্য্য ফিলোসফি আমাদের তাই না ? আমার পক্ষে সম্ভব হলে বাংলাদেশ সহ সারা পৃথিবীতে গাছ কাটার জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান করতাম । কারণ শুধুমাত্র প্রকৃতি ধবংস করার জন্য কোটি কোটি মানুষের জীবন হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত । আপনি কিউবা'তে যান সেখানে সরকারি পারমিশন ছাড়া গাছ কাটলে জেল জরিমানা সহ উভয়  শাস্তির বিধান রয়েছে । যার কারণে তাদের দেশের মানুষের অসুস্থতা কম ও দীর্ঘজীবী হয় সবাই । শুধু ল্যাটিন আমেরিকার কিউবা না বিশ্বের বহু দেশেই গাছ কাটার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে । আমি চাই বিশ্বের সব দেশেই পৃথিবী রক্ষার জন্য গাছ কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার আইন প্রণয়ন করা হোক কঠোর শাস্তির বিধান বাস্তবায়ন করে । সবাই “গাছ লাগান - মানুষ বাচান”।

টুকিটাকি খবর

গল্প: ঝাড়খণ্ড থেকে শালীমার গার্ডেন

অঞ্জলি দে নন্দী : এখানে একটি মাল্টিস্টোরি বিল্ডিং-এর ফ্রন্ট সাইডের টপ ফ্লোরের একটি টু বি. এইচ. কে. ফ্ল্যাটে কুমার ফ্যামিলি থাকে। ওরা ঝাড়খণ্ড থেকে উত্তর ভারতে এসেছিল। কর্মসূত্রেই তো বেশিরভাগ মানুষ জন্মস্থান ছেড়ে অন্যত্র বাস করে। এরাও তাই। এদের ব্যাক সাইডে, টপ ফ্লোরের একটি টু বি. এইচ. কে. ফ্ল্যাট ক্রয় করে দে ফ্যামিলি থাকে। দেয়েদের রুফ রাইট সমেত কেনা। তাই ওরা ছাদে নিজেরাই একটি মন্দির বানিয়ে নিয়ে সেখানে বাঙালীর পূজ্য দেবদেবীর মাটির মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা নিজেরা ও বিল্ডিং-এর সবাই ওখানে এসে পুজো করে। এই বিল্ডিং-এর এক পরিবার ঋষিকেশ থেকে এসেছে। আর এক পরিবার কাশ্মীর থেকে এসেছে। অন্য আরেক পরিবার বিহার থেকে এসেছে। অপর এক পরিবার পাঞ্জাব থেকে এসেছে। এক পরিবার রাজস্থান থেকে আসা। এক পরিবার আগ্রা থেকে আসা।

তো ঝাড়খণ্ড থেকে যে ফ্যামিলি এসে এখানে আছে তাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি। বড় ছেলে এক টেষ্ট ল্যাবে জব করে। বাড়ি বাড়ি বাড়ি গিয়ে শ্যাম্পেল কালেক্ট করে এনে 'লাল প্যাথলজি'তে দেয়। ব্লাড শ্যাম্পেলই বেশি কালেক্ট করে। অন্য কিছুও করে। এর জন্য সে ল্যাব থেকে কমিশন পায়। মিষ্টার কুমারের স্ত্রী টিপ সই। আনপার। আর স্বামী ঝাড়খণ্ডের তার গ্রামের স্কুল থেকে এইট পাস করে এক ডাক্তারের ডিস্পেন্সারিতে কাজ করত। এরপর এখানে জব পেয়েছে, সে এক মন্ত্রীর সোর্সে। এই মন্ত্রীর সঙ্গে তাদের গ্রাম থেকেই যোগাযোগ ছিল। মন্ত্রীর কোনো এক আত্মীয় ওই গ্রামে আছে। তাই যাওয়া আসা করত। আর সেই সূত্রেই এদের সঙ্গে আলাপ পরিচয়। আর দিল্লীতে চাকরী পাওয়া ও আসা। তা যা হোক, অঙ্গুঠা ছাপ হলেও মিসেস কুমারের ব্রেন যে কোনও উচ্চ শিক্ষিত বা শিক্ষতাকে ঘোল খাইয়ে দেয়। এরকম স্যাম্পল ক্যারেক্টার তো সমাজ সংসারে অনেকেই পাওয়া যায়। এখন এ হাউস ওয়াইফ তবে যখন ওরা দিল্লীতে থাকতো তখন ঐ মন্ত্রীর বাড়িতে ও রাঁধুনীর কাজ করত। মন্ত্রীর ওখানেই থাকতো ওরা সবাই। আর তাই এদের পলিটিক্স বুদ্ধি খুব প্রখর। মিসেস দে এই পরিবারের একেবারে হৃদয়ে স্থান পেয়েছে। ক্যানো? তা দে নিজেও বোঝে না। যাক, পাওয়াটাই বড় ব্যাপার। তো এরা সবাই দে-কে "বহিনজি" বলে ডাকে। মেজো কুমারকে বড়দা দিল্লীরই একটি ফার্মেসীতে কাজে ঢুকিয়ে দিয়েছে। সেও গ্রাম থেকে টেন পাস করে এসেছিল। এর বউ গ্রাম থেকে বারো ক্লাস পাস করে, বিয়ের পর, একে ওখানেই পতিরূপে পেয়ে, এখন এখানের বাসিন্দা। আর ছোট ছেলেটি গ্রাম থেকে বারো ক্লাস পাস করে, এখন দিল্লীতে একটি প্রাইভেট নার্সিং হোমের ওয়ার্ড বয়। সে আবার তার ক্যান্টিন থেকে রোজ বাড়ি ফেরার সময় অনেক ভালো ভালো ভালো খাবার ফ্রীতে নিয়ে আসে। তাই এদের খাওয়া খরচ খানিকটা বেঁচে যায়। এর বউও গ্রাম থেকে বারো ক্লাস পাসের পর, বিয়ের সূত্রে বরের সঙ্গে এখানে আসে। এসে করস্পন্ডেন্স কোর্সে ভর্তি হয়ে সে বি. এ. পাস করে। এই ছোট ভাইটিকেও বড়দা সোর্স কাজে লাগিয়ে নার্সিং হোমে ঢুকিয়ে দেয়। বড়র প্রথম ছেলে ও ছোট মেয়ে। মেজোর প্রথম মেয়ে ও ছোট ছেলে। ছোটর এক মেয়ে। মেজোর মেয়েটি বিকলাঙ্গ। মেজো বউটি যখন ছাদে মেয়েকে কোলে  নিয়ে ঘোরে, তখন সাথীরূপী দে-কে মনের কথা বলে, "  সপ্তাহ কাটে। মাস কাটে। বছর কাটে.... আমি ভাবি এই বুঝি আমার মেয়ে দাঁড়াবে? হাঁটবে! ... কিন্তু হায়! বছরের পর বছর কেটে গেল। কত মানত করলুম। কত চিকিৎসা করলুম। মেয়ে আর হাঁটলো না তবুও। এটা কী ভাগ্য নয়? বলো তো? " দে কিছুই জবাব দিতে পারে না। সে বলে, " ভাবী! তুমি ওকে ওদের জন্য যে স্পেশাল স্কুল আছে সেখানে ভর্তি করে দাও! দেখো তাহলে ওর ভবিষ্যত ভালো হয়ে যাবে। " ও বলে, " আমাদের পরিবারের কেউই তা আমাকে করতে দিচ্ছে না। তুমি তো আগেও আমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছিলে। তো ওরা তো তোমাকে বলল যে, না না এরকমই বেশ আছে। আমি আর কী করতে পারি বল? " দে চুপ হয়ে যায়। এবার এই ব্যাপারে মেজো বউটি সংসারে প্রতিবাদ করে। ফল? হ্যাঁ, এই পায় সে....ওর বর মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করার নাম করে মা ও মেয়েকে নিয়ে অটোরিক্সা করে বের হয়। তারপর বাসে করে যায়। বহু দূরে নিয়ে গিয়ে - অন্য এক জায়গায়। সেখানে থাকে। একটি পাহাড়ী ধর্মশালায়। বলে স্কুলটি এখানেই। এরপর ও ওদের নিয়ে একটি জঙ্গলে যায়। বলে যে আজই ভর্তি হবে। এই বলে ধর্মশালা থেকে বের হয়। জঙ্গলে অনেক সময় ঘোরে। যখন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেছে তখন বউটি জিজ্ঞেস করে, " কি গো, স্কুলের কি হল? " এরপর ও বলে, " এই তো আর একটু পরই স্কুলের বোডিং পৌঁছে যাব। " রাত বাড়ে। হঠাৎ পতিদেব মহাশয় বলে, " তোমরা এখানে একটু অপেক্ষা করো! আমি পায়খানা করে আসছি। " এই বলে সে অন্ধকারে ওদের দাঁড় করিয়ে রেখে সেই যে গ্যালো আর ফিরলো না। বউটি সকালে ধর্মশালায় এলো। শুনলো তার স্বামী সেখানে আসে নি। ও এবার নিজের ফ্ল্যাটে মেয়েকে নিয়ে ফিরল। এরপর ও আর কোনদিন মেয়ের নিয়ে কাউকে কোনও কথা বলত না। ছাদে ঘোরার সময় মেজো বউটি বলে, " আমার বর ও আমার বড় জা এক বিছানায় শুতো। " সত্যি কথা। সব সময়ই মেজোকাকু তার ভাইঝি ও ভাইপোকে আদর করে। নিজের সন্তানদের প্রতি কোনও ভ্রুক্ষেপ করে না। এরপর কয়েকমাস কেটে গেছে। মেজো বউটি একটি প্রাইভেট স্কুলে আয়ার চাকরী জোগাড় করল। হ্যাঁ, ঐ স্কুলেই ওর জায়ের ছেলেমেয়ে ও ওর ছেলে পড়ে। ছোট দেওরের বাচ্চা তো এখন একদম ছোট তাই স্কুলে ভর্তি হয় নি এখনও। তা হল কি? যেদিন ও স্কুলে আয়ার কাজ করতে প্রথম বের হবে, সেদিন, বর জা ও ওর বর দুজনে মিলে ওকে চেপে ধরে প্রচুর ট্যাবলেট গেলালো। ও ওদের জোরের সঙ্গে পেরে উঠলো না।  এরপর যখন ও বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে, এমন সময় মিসেস দে ওদের ফ্ল্যাটে আড্ডা দিতে গ্যালো। প্রায়ই এরকম যায়। ওরাও আসে দেয়ের ফ্ল্যাটে। বিল্ডিং-এর সবাই সবার কাছে আসে। তো দে দেখলো যে ও মেঝেতে পড়ে আছে। তা বড় ভাবীকে জিগ্যেস করল। ও বলল যে এমনিই শুয়ে আছে। কিন্তু দে তার কথা বিশ্বাস না করে কাছে গিয়ে ডাকল, " মেজো ভাবী! ও ভাবি! ওঠো! " অনেকবার ডাকলো... কোনও সারা শব্দ নেই। এবার দে বেরিয়ে গিয়ে বিল্ডিং-এর অন্যদের ডেকে আনলো। তো ওরা সবাই মিলে ওকে ধরাধরি করে কাছের এক ডাক্তারখানায় নিয়ে গ্যালো। ডক্টর বললেন, " এর পেটের মধ্যে প্রচুর ঘুমের ওষুধ গেছে। আমি দেখছি, কি করতে পারি! " পরে সে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরলো। এরপর থেকে ও আর চাকরী করার চেষ্টা করে না। নিজের মনে বেশিরভাগ সময়ই বিড়বিড় করে। কারোর সঙ্গে কথা বলে না। মেশে না। শুধু সন্তানদের খুবই ভালো করে লালন পালন করে। নিজের শরীরের প্রতি কোনও যত্ন নেয় না। এরপর ওকে ছেলেমেয়ে সমেত গ্রামের বাড়িতে রেখে এলো, ওর বর। আর কোনদিন আনলো না। দরকার নেই যে। ওর তো উপপত্নী ও তার সন্তানরাই আপনজন। আসলে মেজো বউয়ের বাবা গ্রামের ওই স্কুলের শিক্ষক ছিল, যে স্কুল থেকে এরা সবাই পাস করেছে। তাই তার মেয়েকে বিয়ে করেছিল। বেশ টাকাও তো পেয়েছে। মেজো বউটি বলত দেয়ের কাছে, অনেক আগে অবশ্য। তখন তো ও সুস্থ মস্তিষ্কের ছিল। হ্যাঁ বলতো যে তার বর টাকার লোভে তাকে বিয়ে করেছে। সে বলত, " বলো তো দে বহিনজি! ক্যানো ও আমাকে সাদি করলো? ওর তো বউ, সন্তান সবই বিয়ের আগে থেকেই হয়ে গিয়েছিল। কি দরকার ছিল আমাদের জীবনগুলো বরবাদ করার? " দে নিরুত্তর থাকতো। এর যে কোনও উত্তর দেয়ের জানা নেই। তবে হ্যাঁ বড় বউটি কিন্তু দে-এর খুব সেবা করেছিল। একবার মিষ্টার দে কর্মসূত্রে মধ্যপ্ৰদেশে বেশ কয়েকমাস ছিল। তো সে প্রতি মাসেই এখানে ওখানে গিয়ে থাকে। পনেরো দিন বাড়ীতে আর পনেরো দিন অন্য রাজ্যে। এবারে টানা বেশ কয়েকটি মাস বাইরে। তো দেয়ের ব্লাড ইনফেকশন হল। বেঙ্গল থেকে তার মা এলো। সেবা করে মেয়েকে সুস্থ করে তুলল। আসার আগে বড় কুমার ভাবি দিনরাত ওর মাথার কাছে জেগে বসে থাকতো। সেবা করত। আর ওর মা যখন খবর পেলো তখন তার ডায়েরিয়ার চিকিৎসা চলছিল। নিজের বাড়িতে সেলাইন চলছিল। ডাক্তার তার খুড়তুতো দেওর। সে বলল, " বৌদী তুমি এখন অতো দূরে যেও না! পথে বিপদ হতে পারে। " সে বলল, " আমার মেয়েকে বাঁচাতে হবে আগে। তারপর অন্য কিছু। " এইবলে মা সেলাইন খুলিয়ে ভি. আই. পি. কোটায় টিকিট করিয়ে চলে এলো। মায়ের দেওর যে রেলের রিজার্ভেশনের টিকিট কাউন্টারে জব করত। তাই এই সুবিধা পেলো। এসে মেয়ের সঙ্গে কুমার মহিলাকে দেখে একটু স্বস্তি পেলো। হ্যাঁ তার মেয়েকে দেখছে কেউ। পরে মা তাকে একটি রুপোর লাড্ডু গোপাল উপহার হিসেবে দেয়। জন্মাষ্টমীর রাতে। মা তো তখন মেয়ের সেবার জন্য ওখানেই ছিল। জামাই তখনও বাইরেই। খবর পেয়েও এলো না। সম্ভব নয়। অফিসের কাজ। আর এই কুমার ভাবি দে'র ছাদের মন্দির, হয়ে অব্ধি রোজই সাফ করত। আর পুজোও করত। অন্যেরাও বিল্ডিং-এর পুজো করতো। তবে কেউই কোনোদিন মন্দির ধোওয়ামোছা করত না। ও করত রোজ। এই মন্দিরে কুমার ভাবি ছোলেবটুরে করে ভোগ দিত প্রায়ই। আসলে দে ভাবি এগুলো খেতে ভালোবাসে তো তাই .......অন্তরের ভালোবাসা হয় তো একেই বলে.......

মাঝে মধ্যে কুমারের গ্রাম থেকে অনেকেই আসতো। ওরাও দে ভাবীকে আপন করে নিয়েছিল। তারা জুতোহীন, খালী পায়ে, ছোট্ট একটি ধুতি পড়ে, খালি গায়ে, মাথায় গামছা বেঁধে হেঁটে হেঁটে হেঁটে ঝাড়খণ্ড থেকে শালীমার গার্ডেনে আসতো। ওরা গ্রামে জলেতে পোলো দিয়ে মাছ ধরে ও তা বিক্রি করে। পুরুষরা আসতো। মহিলাদের কেউ কখনও আসে নি। কুমার ভাবীর শশুর লেখাপড়া জানে না কিন্তু খুব আধ্যাত্মিক জ্ঞানী। দে-এর সঙ্গে তার খুব জমতো। দু জনেই তো একই লাইনের। দে তো আধ্যাত্মিক আলোচনা পেলে নিজের নাওয়া খাওয়া ভুলে যায়। তাই একজন মনের মতো মানুষ পেয়ে সে খুব আনন্দে আছে। যখনই কুমারের বাবা আসতো, দে নিমন্ত্রণ করে নিজের হাতে রেঁধে তাকে খাওয়াতো। বস্ত্র উপহারও দিত। সিলভার কয়েনও দিত। ...

তা যাক- এবার মেয়ে সুস্থ হয়ে গেল। এবার জামাই এলো। মা বেঙ্গলে ফিরে আসবে। তো দে ওর হাসব্যান্ডকে বলল, " দ্যাখো তুমি ব্যবস্থা কর! আমরা একবার সবাই মিলে হরিদ্বার গিয়ে গঙ্গা স্নান করে আসি। দেয়ের ছেলে তখন প্রাইমারী স্টুডেন্ট। তো মিষ্টার দে চারজনে মিলে যাবে বলে ব্যবস্থা করল। বের হল। যেখান থেকে বাস ছাড়বে সেই টার্মিনালে গিয়ে ওরা তিনজন, দিদিমা, মা ও ছেলে কেউই হঠাৎ করে আর মিষ্টার দেকে খুঁজে পেলো না। মাইকে এনাউন্স করল। তাও সে এলো না। যখন বাস ছেড়ে চলে গেছে, টাইম ওভার হয়ে গেছে, তথন মিষ্টার দে হাঁফাতে হাঁফাতে এসে বলল, " তোমরা কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে? আমি তো খুঁজে খুঁজে হয়রান। চলো বাড়ি ফিরে যাই। আর হরিদ্বার যেতে হবে না। " কারোর আর বুঝতে বাকি রইল না। তখন মিসেস দে বলল, " এসো আমার সঙ্গে! " এই বলে সে সবাইকে নিয়ে এক ঘন্টা পর যে বাস ছাড়বে তার চারটে টিকিট কেটে নিয়ে, বাসে উঠে বসল। এতো গাদাগাদি যে সে জানলা দিয়ে টোপকে সবার আগে ঢুকে বাসের ভিতররে নিজে একটি সিটে বসে অন্য তিনটি সিট ধরে রাখলো। পরে ওরা ঢুকে তাতে বসল। সে যাত্রায় গঙ্গা স্নান হল। ফিরে এসে মা বেঙ্গল চলে গ্যালো। এর কয়েকমাস পর মিসেস দে-এর বাবা ক্যান্সার হয়ে মারা গ্যালো। মেয়েটি তাকে শেষ দ্যাখাও দেখতে গ্যালো না। সে যে অসহায়। গেলে যে আর তার স্বামী তাকে ঘরে ঢুকতে দেবে না। এরপর কয়েক মাস কেটে গেছে। মেয়েটি এবার এনিমিয়ায় কাবু। জামাই মুম্বাইয়ে। মা আবার এলো। সারিয়ে তুলল। এসে বলল, " আমি তোর জন্য আসিনি। আমার নাতীর অসুবিধা হবে বলে তাই এলুম। " মেয়ে খুব হাসলো। .... মায়ের সিঁদুর কৌটোটা এখনও ড্রেসিং টেবিলের ওপর রাখা আছে। মেয়ে তো সিঁদুর পড়ে না। মা আগের বারে এসে রেখে গিয়েছিল। এবার মা আর ওটার দিকে ফিরেও তাকালো না। তার বাবা যে স্বর্গে। মেয়ে তখন ওটিকে কুমার ভাবীকে উপহার দিয়ে দিল। সিঁদুর সমেত চাঁদির সিঁদুর কৌটোটি। মা ওটি বেঙ্গল থেকে আগের বার এনে এখানে রেখে গিয়েছিল। তখনও ওরা কেউই জানতো না যে মা আর এর থেকে সিঁদুর পড়বে না। ভবিষ্যত কে জানতে পারে? এটিই তো চির বিশ্বয়। কেউই কারোর আগামী জানতে পারে না। হায়!...

পরে দে ওই ফ্ল্যাটটি তালা দিয়ে রাখে। আর দিল্লীতে একটি থ্রী বি. এইচ. কে. কিনে শিফট করে। আর মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ বড় কুমার ভাবীই করে।

তারুণ্য

এক্সিলেন্স বাংলাদেশের সহযোগিতায় কর্ম বাই গুগলের এইচআর মিটআপ

মাহবুব এ রহমান : দেশের জনপ্রিয় তারুণ্যভিত্তিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এক্সিলেন্স বাংলাদেশ সহযোগিতায় আগামী ১৫ ও ১৬ই জুন অনলাইন মাধ্যমে প্রথমবারের মত এইচআর মিটআপ করবে অনলাইন জব পোর্টাল 'কর্ম বাই গুগল'।

দুদিনের এই আয়োজনে মোট ৬টি সেশনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সিএইচআরও, হেড অফ এইচআর, সিইও, মালিকপক্ষের লোকজন অংশ নেবেন। আয়োজন নিয়ে কর্ম বাই গুগলের কমিউনিটি পোগ্রাম ম্যানেজার সাগর খালাসী বলেন, 'এইচআরেরা আমাদের দেশের জবমার্কেটের মূল শক্তি। আমাদের এই আয়োজন করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থী-চাকরীজিবী সহ নানা পেশার মানুষদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষনীয় বিষয় জানানোর প্রয়াস।'

এ বিষয়ে এক্সিলেন্স বাংলাদেশের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রিয়াজ হোসাইন বলেন, 'এক্সিলেন্স বাংলাদেশ বাংলাদেশের তরুণদের কর্পোরেটের সাথে পরিচয় করানোর জন্য অনেকদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক ব্রান্ড 'কর্ম বাই গুগল'র সাথে কাজ করতে পারাটাও আমাদের জন্য আনন্দের।'
এক্সিলেন্স বাংলাদেশের সিইও বেনজির আবরার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘মহামারির এই সময়ে সবাই ঘরে সময় কাটাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করেছি সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করার। এরই অংশ হিসেবে আমাদের এই আয়োজন। আশা করি আমাদের শিক্ষিত তরুণদের ভালো কিছু উপহার দিতে পারব।’

উল্লেখ্য, দুদিন ব্যাপী আয়োজনের ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে থাকছে ইয়ুথ কার্নিভাল। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে দৈনিক সমকাল, রাইজিংবিডি.কম এবং পিপল’স রেডিও।


এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/ওয়াই

মুদ্রাবাজার ও আবহাওয়া

গুরুত্বপূর্ণ লিংক